ভগবতী র ষোড়শ যাত্রা র মধ্যে অন্যতম হলো আম্বুবাচি যাত্রা। অম্বুবাচী কথাটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ " অম্ব" ও "বাচি" থেকে। "অম্ব" শব্দের অর্থ হলো জল এবং "বাচি" শব্দের অর্থ হলো বৃদ্ধি। অতএব গ্রীষ্মের প্রখর দাবদাহের পর যখন বর্ষার আগমনে ধরিত্রী সিক্ত হয় এবং নবরূপে বীজধারণের যোগ্য হয়ে ওঠে সেই সময়কেই বলা হয় অম্বুবাচী। আম্বুবাচির স্থিতিকাল… [বিস্তারিত]

প্রদীপ চক্রবর্তী
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৯ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৬৭টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২৮৬১টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫২৫টি
প্রিয় পোস্টঃ ১২টি
- দুর্গা পূজার মাহাত্ম্য (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)
- তাসনুভা আনান শিশির- বাংলাদেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার সংবাদ পাঠিকা
- প্রণমি তোমায়
- শৈশবের স্মৃতি
- এ বিজয়
- দুর্গা শব্দের বিশ্লেষণ কী? এবং দেবীর গমনাগমন ও প্রণমী বন্দনায় আগমনী মা।
- ভালোবাসার অভিসার
- “পর্বতকন্যের ইতিকথা” উপন্যাসটি নিয়ে কিছু কথা-
- অমর একুশে বইমেলা ২০২০ উপলক্ষে সোনেলার ব্লগারদের প্রকাশিত বইসমূহ
- পর্বতকন্যের ইতিকথা
- পর্বতকন্যের ইতিকথা
- ভারত উপমহাদেশের মহিয়সী নারীরা
বৃষ্টিতে ভিজে সংসদের সপ্তম অধিবেশনে যাচ্ছি! কেবল চুমুর প্রস্তাব পাশ করার জন্য। আজও হাজার হাজার প্রেমিক রাজপথে, জনসম্মুখে চুমুর দিব্যি খাওয়ার তাগিদে কারাগারে। কেউ নির্বাসনে। কেউ আবার যাবৎজীবন কারাবন্দী। তোমার মায়াবী ঠোঁটে, তোমার কমল গালে কি এমন লুকিয়ে আছে, প্রিয়তমা? যেখানে চুমুর দিব্যি খেলে কারাবন্দী হতে হয়। কখনো ফাঁসির রজ্জুতে ঝুলতে হয়। কখনো আবার বস্তাবন্দী… [বিস্তারিত]
তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে এখনো অব্ধি কেউ ফিরে থাকায় নি। একবারও অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে দেখেনি আমার দু - চোখের ভাষা। একে একে আকাশের মেঘপুঞ্জ ক্রমাগত দূর চলে যায়। শ্রাবণের বারিধারার মতো করে দিনভর বৃষ্টি! অজস্র গাছের পাতা নুয়ে আছে। অথচ বর্ষার বাঁধ ভাঙা ঢেউ চারদিকে জুড়ে। কবিতারা সেই কবে ছুটিতে গিয়েছে। এখনো ফেরেনি। তুমি… [বিস্তারিত]
একলা চলি, একলা ঘুরি। একলা যাবো ঐ দূর পাহাড়ে, সঙ্গে নেবো তাহারে। আহারে, আহা! এক বৈশাখে বোষ্টুমীর এমন গান শুনতে শুনতে গিয়েছিলাম ঐ দূর পাড়ায়। সে পাড়ার কৃষ্ণকায় রমণীরা চুলের খোঁপায় আম্রপল্লব গুঁজে গানের তালে তালে নৃত্য করে। বাঁজে সেথায় মাদল, বাঁজে গোকুলের বাঁশি। ফুটেছে মধুমালতি। ফুটেছে চন্দ্রমল্লিকা। একে একে আসে ধেয়ে মাতাল করা তীব্র… [বিস্তারিত]
সেই কবে শীত চলে গিয়েছে। এখন আর আগের মতো কুয়াশা এসে জমে না দূর্বাঘাসের উপর। নেই আজ এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি কাঁধে করে মনু মিয়ার খেঁজুরের রস বিক্রি করার সেই শীতের সকাল। দিনবদলের পালায় একে একে ঋতু গুলো ক্রমশ সরে যাচ্ছে। সবে বসন্ত। পাখি ডাকে, বাড়ির শতবর্ষের নিমগাছ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। বাংলাঘরের পাশে থাকা… [বিস্তারিত]
দুপুর হলে মধুমতি গান ধরে। পাড়ায় পাড়ায় ফুটে টগর, জুঁই আর চামেলি। নির্জন দুপুরের ভ্যাপসা উষ্ণতায় এসবের গন্ধে মম করে। সে গন্ধে প্রেমের কবিতা লিখে, নীলু। মধুমতি এসে কবিতার ছন্দ মিলায়। রাতের তুমুল ঝড় হাওয়ায় গাছের পাতা ঝরে পড়ে আছে লালমাটির বুকে। ঝরে গেছে বসন্তের শিমুল, পলাশ। একে একে নৈশব্দের মতো পাহাড়ের বুক চিরে ঝর্ণা… [বিস্তারিত]
আজ ২৬ শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার মহা শিব চতুর্দশীতিথি। আজকের মহাপূণ্য তিথিতে দেবাদিদেব ভগবান শিবের প্রলয় মহাশিবরাত্রির ব্রত ও তিনির চার প্রহরের পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের সনাতন হিন্দু ধর্ম শাস্ত্র গ্রন্থ গুলির মধ্যে পুরাণ শাস্ত্র গ্রন্থের অন্তর্গত অন্যতম পুরাণ ধর্ম গ্রন্থ শ্রী শ্রী শিব পুরাণের মধ্যে "শিব" শব্দের প্রকৃত অর্থের ব্যাখ্যা নিন্ম লিখিত ভাবে… [বিস্তারিত]
তুমি এসেছিলে কোন এক ঘনঘোর সন্ধ্যায়। আবরণে আবির, ললাটে লালটিপ দূর হতে নবরাগ রঙ্গিনীরূপে। এসেছিলে কোন এক গোধূলির শ্যাম বিলাসিনী করবী ফুলের সুগন্ধি মেখে। এসেছিলে ষোড়শীরূপে। তখন পুরো পাড়ায় পাড়ায় চলছে বসন্তের মরসুম। চারদিকে ঝরে পড়ে আছে হরিলুটের মতো শুকনো পাতার দল। মাঝেমধ্যে সীমানা পেরিয়ে আসে তোমার ভেজা চুলের পারিজাত সুগন্ধি। সে সুগন্ধিতে রয়েছে মাদকীয়… [বিস্তারিত]
আমাদের আর ঘরে ফেরা হয় না বলে, কেবল বিবাগী পাখির মতো দিকভ্রান্তে উড়তে ইচ্ছে হয়। কখনো ইচ্ছে হয় নদীর মতো বয়ে চলতে। কখনো বা ইচ্ছে হয় ফেরিওয়ালার মতো এক পাড়া থেকে আরেক পাড়ায় ঘুরে বেড়াতে। আসলে ইচ্ছেগুলো আজকাল খামখেয়ালি। আমাদের শরীর ছুঁয়ে কত রাখালিয়া বিকেল চলে যায়। আমরা সে বিকেলের রোদ আর গায়ে মাখতে পারিনা।… [বিস্তারিত]
বসন্তের আকাশে বাজিছে রাজকীয় ধ্বনি, মৃণ্ময়ী মায়ের চিন্ময়ী রূপের আগমনী। তুমি মা শ্বেতরূপে সরস্বতী, পদ্মফুলের মাঝে মা'গো তোমার দ্যুতি। তুমি মা বিশ্বরূপের বিশালাক্ষী, তুমিই হে মা ভগবতী ভারতী। এসেছ মা তুমি ছড়িয়ে দিতে বিদ্যার বাণী, তুমিই যে মা শুভ্ররূপের জ্ঞানস্বরূপিনী। মা তুমি বিশ্বরূপের বিদ্যানন্দিনী, তুমিই মধুর মূরতী বিকাশিনী। বিদ্যার দেবী তুমি,তোমারে প্রণমি, সর্বাঙ্গে মাখিব পদধূলি… [বিস্তারিত]
দুপরের এ বিষণ্ণ খাঁ খাঁ রোদে পাখিরা ছায়া খুঁজে। নৈশব্দের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে নামে ঝর্ণা। বসন্ত আসতে না আসতে সবুজাভ পাহাড় জুড়ে শুকনো পাতার মরসুম। লালমাটির বুক ছুঁয়ে হরিরলুটের মতো ঝরে পড়ে আছে অজস্র শুকনো পাতা। শিমুল ফুটে গিয়েছে। পলাশ সবেমাত্র রঙ ধরেছে। বসন্ত পঞ্চমী আসতে ঢের দেরী হলেও বিনুদের পুকুর পাড়ের গাছে অজস্র… [বিস্তারিত]
গাঁয়ে এখনো সন্ধ্যা নামেনি। পুরনো প্রাচীরের দেওয়াল জুড়ে ঘিরে আছে শতবর্ষের অজস্র বিটপী। বোরো ধানের কচি পাতা উন্মুক্ত দক্ষিণার বিলাসী হাওয়ায় উড়ছে। পাখিরা সবুজাভ ধানের পাতা থেকে ছোট ছোট ঘাসফড়িং গুলো ধরে ধরে খাচ্ছে। ঐ দূরের খোলা মাঠে রাখাল ছেলে গো পৃষ্ঠে বসে ঘুড়ি উড়িয়ে ঘরে ফিরছে। ধীরে ধীরে বসছে সূর্য পাটে। আবাসনে ফিরছে পাখিরা।… [বিস্তারিত]
বাঙালি চিরকালই খাদ্যরসিক। আর রসিক বলে খাবারের তালিকায় নানা আয়োজন। . আসুন জেনে নেই চুঙ্গাপুড়া বা চুঙ্গা পিঠা কেন ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং কিভাবে তা তৈরি করা হয়। চুঙ্গাপুড়া বা চুঙ্গা পিঠা বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী পিঠা। চুঙ্গাপিঠা তৈরির প্রধান উপকরণ ঢলু বাঁশ ও বিন্নি ধানের চাল (বিরইন ধানের চাল) দিয়ে তৈরি এই খাবারটি… [বিস্তারিত]
সুকান্ত, নক্ষত্র নিয়ন্ত্রিত নীলাকাশের বুকে এখনো বসন্ত আসেনি। শীতার্ত শরীর জুড়ে কেবল বিপ্লব। সে বিপ্লব কাঁটাতারের সীমান্তে দীর্ঘস্থায়ী! বিপ্লব যুদ্ধের ব্যূহ রচনা করে। মিছিলে মিছিলে সাজায় প্রেমের প্রতিমূর্তি। আমাদের প্রেম হয়নি। কিন্তু প্রতিবিম্বে প্রতিফলিত হয়েছে কিছু জমানো নিয়মমাফিক গল্প। গল্পে তো কত প্রেম থাকে, থাকে কত না বলা কথা। আজকাল তা আর প্রস্ফুটিত হয় না।… [বিস্তারিত]
আমি সোনালী কবিতার ভিড়ে বিজয় দেখেছি। আমি বিজয় দেখেছি পল্লী তরণীর আঁখিপাতে। বিজয় দেখেছি আমি গ্রামবাংলার সবুজাভ মাঠে, বিজয় দেখেছি আমি কবির কাব্যপাঠে। এ বিজয় ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে জয়বাংলার গান, এ বিজয় মানে তারুণ্যের কণ্ঠে শেখ মুজিবুর রহমান। চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা হাসে বিজয়ের বেশে, স্বাধীন দেশের স্বাধীন নিশান উড়ছে আজ আকাশে, বাতাসে। এ… [বিস্তারিত]















