অরণ্য-বৃষ্টির চোখ

 

ঝলক-বৃষ্টির ছোঁয়ায়
প্রশান্তির-জলেরা গড়ায় আলপথের ভাঁজে ভাঁজে,
গ্রীষ্মের দাবদাহ শেষে,
ফোটা-ফোটা বৃষ্টিতে জল-ধোয়া পাতারা-ও হাসে
সবুজ নিঃশ্বাসে;

উষ্ণিত বাতাস দাঁতে দাঁত চাপে,
অচিরেই আসবে ফিরে সে নীরব-নিবিড়ে
দাহের হাসি ঝুলিয়ে,
অনায়াসে ঢুকে যাবে বুকের গভীরে,
চ্যাংদোলা করে ফেলে দেবে
উত্তপ্ত গিরি খাদের উষ্ণ-প্লাবনে,
অগ্নিগিরির জ্বালামুখে;

অরণ্য-বৃষ্টি চকচকে খোলা চোখে
হাসির ফুলঝুরি ছুটিয়ে গোল-চোখে বলে,
ভাঁড়ারের চাবি কিছুতেই পাবে-না,
দেবো-ও-না, আঁকড়ে ধরে
চূর্ণ-বিচূর্ণতার ভয় দেখালেও-না।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৯৫৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. দারুন লেখা, মুগ্ধ হলাম।
    বৃষ্টি আমার খুব প্রিয় খুব, এখনো মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজতে ভেজা হয়।
    তবে ইদানিং বৃষ্টি শেষে কড়া রোদটা খুব খারাপ লাগে, তারপরও বৃষ্টিতে মনের শান্তি আসে..

  2. সবুজ গাঢ় অরন্যে
    ফোটা-ফোটা বৃষ্টিতে জল-ধোয়া পাতারা-ও হাসে
    সবুজ নিঃশ্বাসে;
    আমরা যদি হাসতে পারতাম এই করোনা কালে
    ভাল লাগতো। শুভ কামনা।

  3. অরণ্য-বৃষ্টি চকচকে খোলা চোখে
    হাসির ফুলঝুরি ছুটিয়ে গোল-চোখে বলে,
    ভাঁড়ারের চাবি কিছুতেই পাবে-না,
    দেবো-ও-না, আঁকড়ে ধরে
    চূর্ণ-বিচূর্ণতার ভয় দেখালেও-না।

    অসাধারণ
    ভালো থাকুন অনাবিল

  4. বাপ্রে, কবিতা পড়ে ভয় পাইছি,
    ” উত্তপ্ত গিরি খাদের উষ্ণ-প্লাবনে,
    অগ্নিগিরির জ্বালামুখে; ” – পুড়ে না যাই আবার।
    তবে শীতল সবুজাভ অরণ্য রক্ষা করবে, এই আশায় আছি।

মন্তব্য করুন