এক টুকরো মেঘ উড়তে উড়তে ঘুরতে ঘুরতে মিলিয়ে যাচ্ছে। দশে মিলি করি কাজ এর মতো ক্রমশ কালো হয়ে ওঠা হচ্ছেনা, ঝরে পড়া হচ্ছেনা। এই যে মেঘ, পানি, বর্ষা, পৃথিবীতে পানির পরিমান নাকি অপরিবর্তনীয়। অথচ আমার চায়ের পানি অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে, কোথায় গিয়ে মেঘ হয়ে গুটিসুটি মেরে অপেক্ষা করে আমার চায়ের পানি! জন্ম, ফি-জন্ম, পূনর্জন্ম হয়ে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
ফুলের পূজা পূজো এলে মধুর-সুবাস-ফুলেরা জেগে ওঠে, এ-ফুল বলে আমাকে নেও ও-ফুল বলে আমাকে-ও; অন্যেরা বলে আমরা কেন বাদ হবো! আমার ফুল হওয়া হয়-ই না!! ============================================ রেখার মসৃণতা একটি লম্বমান তৈলাক্ত সরল রেখার গা-বেয়ে ক্রমাগত উঠতে থাকি, উঠতেই থাকি; অকস্মাৎ লম্বটি নড়ে উঠে, ছিটকে নীচের গভীরে পড়ে যাই আর উঠতে পারি না, ওঠা হয়-ও না… [বিস্তারিত]
হাতে কমলা রঙের কাগুজে ব্যান্ডের দিকে অসহিষ্ণু দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, যেনো স্থির সময়ের সমুদ্রে ভেসে থাকা।স্রোতে জীবনের ডিঙি ভেসে বেড়ালেও সব কিছু কেমন স্থিরচিত্রের মতো ঠাঁয় অপেক্ষায়.. সাদা, আকাশী নীল, কমলা রঙের পোশাকের তাড়াহুড়ো দেখলে এক অদ্ভুত কৃতজ্ঞতায় মিইয়ে যাই, শারীরিক ব্যথা উপশমের অক্লান্ত পরিশ্রম তাদের, অথচ মানবিক দুর্বলতা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বয়ে বেড়ায় নিদারুণ অ-সুখ!!… [বিস্তারিত]
জন্ম ভুমি নিয়ে লিখছি বলে জন্মভুমির সৃষ্টির রহস্যটা লেখায় একটু না আনলে কি হয়।১৯৭১ সাল দীর্ঘ নয়টি মাসের সংগ্রামে রক্তে ভেজাঁ লাল সবুজের পতাকাটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় যার নেতৃত্বে তিনি ছিলেন বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবর রহমান।ত্রিশ লক্ষ তাজাঁ প্রানের বিনিয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক মা বোনদের ইজ্জত বিলিয়ে আসে কাঙ্খিত বিজয়।খুব সম্ভবত বিশ্বে সম্ভ্রমহানীর এমন… [বিস্তারিত]
ফেলে রেখে ফেলে যাওয়া রাজ্য পাটে গুমরে উঠছে কান্না-লহরী নিভৃতে, প্রকাশ্যে মুখ চাপড়ে বুক থাবড়ে, ক্ষীণ-বস্ত্রে, উলু ধ্বনিতে; হু-হু আহা-আহা, উহু-উহু, হায় রাজা হায় রাজা। ছর-ছর শব্দে বয়ে যাওয়া গ্লিসারিন কাঁদাকাটার স্রোতের শেষে, কান্নার ঢেউ তুলে সিডর ডেকে আনা বিস্তর বিস্তার কান্না-সভার আয়োজনে, দিক্বিদিক হারিয়ে ছন্নছাড়ার বেশে; ষোল/বত্রিশ প্রহর জুড়ে, কে দেবে আশা, কে দেবে… [বিস্তারিত]
আমাদের বাঙ্গালীরা মারাত্মক মেধাবী। পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাইনা কেন একেকজন একেক মেধা নিয়ে জীবনযাপন করছে। তবে আমাদের যে মেধাটাকে খুব বেশী প্রয়োগ করি, সেটা হলো, আমরা যা নই, সেটাই বলে বেড়াই। আগে যেমন দেশে থাকতে শুনতাম ছেলে বিদেশে থাকে। তা করে কি? এটার উত্তর হতো ওই তো বিদেশে থাকে। নিজেদের পেশাকে গোপন করার এই যে… [বিস্তারিত]
সম্রাজ্ঞীর প্রেম-অপ্রেমে চন্দ্রাহত সেই রক্তিম রাত অপেক্ষার নিকুচি করে, উৎসারিত আনন্দ-মাদলের প্রগাঢ় উচ্চারণে, তীর্থের রথ-যাত্রায় সঙ্গী হয়েছে আনন্দ বিহ্বলতায়; বেগুনি ফুল এবার গোলাপি উচ্ছলতায়। বারান্দায় দাঁড়িয়ে, দাঁড়িয়েই থেকেই দেখি বিশ্বজগতের অজস্র সমুদ্রের অনন্ত আকাশ, অমৃত ফলের গাছটির আড়ালে আড়াল হয়ে দাঁড়ায় অনন্তর খুঁজে খুঁজে ফেরা তারাটি, গ্রহ-উপগ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে-ঘুরে কান্ত-অবসন্ন; স্পষ্টতই হাসছে এবার বিস্মিত-মুগ্ধ-বিহ্বলতায়… [বিস্তারিত]
বৃষ্টি ভাবে কবিতায় বাঁধবে স্বপ্ন বাসর, বনফুলে নয়, বুনো-ফুলের গন্ধে-গন্ধে; বন ক্রমশ বেশ-বন রূপ নিয়ে বিকশিত হতে থাকে; অপরূপ স্নিগ্ধ সূর্যের মেলে রাখা কবিতার ডানার রঙে রঙে কবিতায় কবিতায় কবিতা আরও গভীর ঘুম এনে দেয়, অফুরন্ত তৃষ্ণার কাঙ্ক্ষিত বাসর প্রতীক্ষায়; নেশা-তুর মৌমাছিদের সুতীব্র হুলাহুলির ভীরে স্বপ্ন-বাসর দিবা-স্বপ্ন হয়ে জ্বলে, জ্বালায়; স্বপ্ন-দূরত্ব ও দূরত্বেই থেকে যায়! [বিস্তারিত]
অতলান্ত সমুদ্রের বুক চিরে আন্দোলিত ঊর্মির ঢেউ ডিঙ্গিয়ে কোনো এক উপসাগরের তীরে দুর্মূল্য অমূর্ত এক শয্যা সাজিয়ে বসে রব রক্তিম চাঁদের এক রাত্রির অপেক্ষায়। দীঘল প্রশান্তির পূর্ণ চন্দ্রের আলোকময় এক রাত্রির অপেক্ষা। অবয়ব দিতে না পারা ছায়াসঙ্গি সে পূণ্যআত্মার জন্য আর অপেক্ষা নয় এ অপেক্ষা এক রক্তিম চাঁদের অপেক্ষা এ আমার দুঃখ সহনের বিলাসিতা ভোগ… [বিস্তারিত]
বর্ণিল, আরেক শ্রাবণ এলো। অথচ গরম কমছে না। সমস্ত আকাশ জুড়ে মেঘ লেপ্টে আছে, তবুও বৃষ্টি নামেনি। ঋতুর বৈচিত্র্য কোথায় হারিয়ে গেলো! এই দেখো তোমাকে লিখতে বসে সেই আগের মতোই আবহাওয়া প্রসঙ্গ চলে এসেছে৷ মনে আছে তুমি বলতে, "যখন কোনো কথা খুঁজে পাওয়া যায়না, তখনই তুমি আবহাওয়ার কথা টেনে নিয়ে আসো। কেন বলো তো? আমাদের… [বিস্তারিত]
অপেক্ষা করি বৃষ্টির, অপেক্ষারা থাকে নিত্ত-সহচর আক্ষেপের; নিশি-ডাকা রাতে সমুদ্র-মন্থন-মুক্তো সে আমি তুলবোই, বিনা অবদমনে, ঘুম-অঘুম উন্মাতাল সুরা-শাসনে প্রতীক্ষার ক্ষণ গুনবো অপেক্ষা-প্রহরের অনুতাপহীনতায়; মুহুর্মুহু রজনীগন্ধার সুবাসে ইতিউতি তাকিয়ে, গাছগাছালির নির্জন সবুজ প্রান্তরে কুসুম উষ্ণতায় অব্রক্ষ্মচর্চার অজস্র ভৌতিক-আধিভৌতিক ভালোবাসায় নাইয়ে দেবে; পাখির রঙিন ডানার উড়ালে আসবে চনমনে জ্যোৎস্না ভেদে, আয়েশি আলস্যে; শীতের খিদে লাগা লম্বা-রাত পেরিয়ে… [বিস্তারিত]
রাখি চোখ ঐ নেত্রে ডুবি আমি গভীরে ভুলি আমি তোমাতে চাই আমি তোমাকে। তোমার দর্শনেন্দ্রিয়ে আমারে ডুবায়ে গভিরে গভিরে গিয়াছি হারায়ে। নয়নে নয়ন বসায়ে দেখি, যত দেখি তত লোভ্ মন ভুলানো অক্ষি, লোচন চাহনী। ছবিটি zopira থেকে ধার নিয়েছি। [বিস্তারিত]
পিছু নেয় সারাক্ষণ, সামনা-ও নেয়, ছোঁয়া-ছোঁয়া না-ছোঁয়া-ছোঁয়া ভাবে, টুপ-টাপ খুট-খাট গুট-গাট ফিক-ফিক খিল-খিল তিড়িং-বিড়িং হি-হি হা-হা ও হয়, টের পাই। আমাকে কেন্দ্রে ফেলে চক্রাকারে ঘোরে অশরীরিণী/অশরীরীরা, লম্বা-লম্বি আড়া-আড়ি উলম্ব-আয়তাকার-বর্গাকার জ্যামিতিক-অজ্যামিতিক নক্সায়; ভয়-ও দেখায় কৌণিক-তির্যক-তিরিক্ষি-অতীক্ষ্ণতায়, শিরশিরানি হয়; অষ্ট প্রহর নয় ষোল/চব্বিশ প্রহর জুড়ে পিছু নেয়, শয়নে-স্বপনে তন্দ্রা-জাগরণে, প্রার্থনায়-ও, ঘাড় মটকানো বা চুমা চাট্টি দেয়নি দেবে-না তাও… [বিস্তারিত]
কোনো একদিন হয়তো কেউ না কেউ খুঁজে পাবে আমাচয়; হয়তো ফসিল; নয়তো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন স্বরূপ গবেষণার সূতিকাগারে। মায়া সভ্যতাকে খুঁজে নিয়েও কতো নিষ্ঠুর হয়েছে মানুষ(এভাবেই বিলীন হয় সভ্যতা) ! হারিয়ে যাওয়া শহরের জন্য খুঁড়ে খুঁড়ে বের করে জল, জলের নীচে ভাঙ্গাচোরা আটলান্টিস। এল ডোরাডোর সন্ধানে আজও কেউ না কেউ--- হয়তো একদিন আমিও কোনো এক হারিয়ে… [বিস্তারিত]
ঘুম (তুমি) ঘুমাও (আমি) জেগে আছি, জেগে থেকে; নিস্তব্ধ-নীরবের সরবে, ঘুম আমাকে খেলায় রাখে, খেলে-ও আমিও ঘুমকে; ঘুম হাল্কা হয়ে থাকে, উড়ে উড়ে বেড়ায় উবে যায় না; এই যে নিরন্তর খেলা-খেলা-খেলা, খেলা-খেলি খেলা-খেলি, না খেলেও খেলা ও খেলি, কলের পুতুলের নিকুচি করি; সুখ-স্বপ্ন স্বপ্নের সুখ! কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেব এপারে ও ওপারে; ঘুম (তুমি) এবার… [বিস্তারিত]







