স্বপ্নের বাসর

বৃষ্টি ভাবে
কবিতায় বাঁধবে স্বপ্ন বাসর,
বনফুলে নয়, বুনো-ফুলের গন্ধে-গন্ধে;
বন ক্রমশ বেশ-বন রূপ নিয়ে বিকশিত হতে থাকে;
অপরূপ স্নিগ্ধ সূর্যের মেলে রাখা কবিতার ডানার রঙে রঙে
কবিতায় কবিতায় কবিতা আরও গভীর ঘুম এনে দেয়,
অফুরন্ত তৃষ্ণার কাঙ্ক্ষিত বাসর প্রতীক্ষায়;

নেশা-তুর মৌমাছিদের সুতীব্র হুলাহুলির ভীরে
স্বপ্ন-বাসর দিবা-স্বপ্ন হয়ে জ্বলে, জ্বালায়;
স্বপ্ন-দূরত্ব ও দূরত্বেই থেকে যায়!

মোট পড়েছেনঃ ১,০১৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. তাই তো দিবা স্বপ্নে এক বাসন্তি উঠোন সাজাই।
    সেখানে বৃষ্টির নাচন, মহুয়া পাতায় তার ঝিলিক ওঠে।
    কদমের গন্ধ, আঙ্গুলের ফাঁক গলে বুনোফুলের খিলখিল হাসি।
    সব দূরত্ব ছেড়ে একটুকরো উষ্ণতা নিতে বসে রব সে আমার বাসন্তি উঠনে। অপেক্ষারা পড়ে থাক অপেক্ষায়।
    আমার দোষ না কিন্তু। সব দোষ সূচের। আপনার মতো গুরুজীর শব্দ দেখলেই তার খুসখুস শুরু হয়ে যায়। সূতা নিয়ে তাই হাজির হয়ে যায়। আমার কি দোষ বলুন!

    1. আপনি দেখছি শিল্পী হোয়ে যাচ্ছেন!!
      ভালই তো। চালু রাখুন/থাকুক।

      আপনার এই সুই-সূতো নিয়ে কবে যে লিখতে পারব!!
      চেষ্টা এবার করবই।

      বাসন্তী বৃষ্টি
      খুঁজে পাক মহুয়া উৎসব
      খিলখিলে হাসিতে।

  2. বৃষ্টি যা ভাবে, যা দেখে, তার ভেতর স্বপ্ন লুকোনো থাকে। কেউ কেউ আবার সেই স্বপ্ন হারিয়েও ফেলে। কেউ কেউ পেয়েও দূরত্ব ঘোচাতে পারেনা।
    টক-ঝাল-মিষ্টি
    কী দারুণ সৃষ্টি!

মন্তব্য করুন