যখন থেকে বুঝতে পেরেছি, বলতে শিখেছি অনেক বন্ধু পেয়েছি, খেলার সাথী পেয়েছি। সোজা কথায় খেলার জন্যেই বন্ধুত্ব করা। ছেলেবেলা টা আসলে এমন করেই বন্ধুত্ব হয়, তখন তো বন্ধু কি জিনিস সেটাই বোঝার কথা নয়। এভাবেই সময়ের স্রোতে ভেসে স্কুল জীবনে প্রবেশ করা। পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছেলে মেয়ে একসাথে পড়া হলেও বন্ধুত্ব মেয়েদের সাথেই করা হতো।… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
আমি সোনেলার নতুন ব্লগার। লেখার বেলায় অত্যন্ত ঠনঠন বলে ছবি দিয়া ব্লগ সাজানোর চেষ্টা করি। ব্লগিং, ছবি তোলা আর ভ্রমণ আমার নেশা। আমি একটু সময় অন্য দিকে কমিয়ে হলেও সোনেলায় সময় দেওয়ার এবং সবার সব পোষ্ট পড়ার চেষ্টা করি। আগে বড় কোন পোষ্ট দেখলে দৌড়ে পালাতাম, এখন চেষ্টা করি পড়তে এবং অল্প কথায় হলেও মন্তব্য… [বিস্তারিত]
মর্নিং ওয়াক করে আজ আর হেঁটে নয়, বাসেই ফিরছিলাম..বাসে উঠে সীটও পেলাম..ঠিক আমার অপরদিকে ডানহাত বরাবর তিনটে সীট জুড়ে বসে ছিলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জামাকাপড় পরা ৬জন অফিসযাত্রী,, প্রত্যেকের বয়স আনুমানিক আটচল্লিশ থেকে বাহান্ন বছরের কাছাকাছি হবে।। একজনের হাতে আনন্দবাজার পত্রিকা,, তিনি পড়তে পড়তে হঠাৎ বলে উঠলেন -" খবরের কাগজে ধর্ষণের নিউজ না থাকলে আমার ভাল্লাগে না"....পাশ… [বিস্তারিত]
যেসুম গেরামের বন্ধুগো লগে উড়াইছি ঘুড়ি, খেলছিলাম ফুটবল, গোল্লাছুট, কানামাছি। আইস্বা খেইল্লা দিনগুলা কাডাই দিছি! যেসুম হগলতে মিল্লা সাদাকালা টেলিভিশন দেখতে যাইয়া মাইষের আতে খাইছি কত মাইরগুতা। ইশকুলে খাইছি মাস্টারের বেতের গুতা! যেসুম চারআনা দিয়া বুটভাজা, বাদাম, লেবনচুষ, আইসক্রিম, মালাই খাইছি মনে অনন্দ লইয়া। হারা দুপুর কাডাই দিছি নদীতে হাতরাইয়া। যেসুম বড়দা'র কান্দে চইড়া মেলায়… [বিস্তারিত]
একটা দুটো নুড়ি পাথর কুড়াই..... যত্ন করে টুকরি করে বোঝাই। রঙিন সেসব পাথর দেখি দু'চোখ ভরে ফাগুন আঁকি। পথের ধারে বৈচি ফুলের ঝার দূরন্ত সব কিশোর বেলা আমার। স্বর্ন আভায় দিন যে কেবল শুরু! একটা দু'টো প্রহর গোনা আরো। হাঁটছি আমি,আমার সাথে ছায়া.. পরম স্নেহে আগলে রাখে মায়া। নির্ভরতায় নতুন আরেক নেশা জুটে গেলো। প্রচন্ড… [বিস্তারিত]
ভাবনা-চোখ চেয়ে আছে নিবিড় আকাশ পানে, জোড়া-স্মৃতিতে গেঁথে আছে ফুল-ঐশ্বর্য সম্মোহন; রাত্রি-জাগা স্নিগ্ধ-সিক্ত জ্যোৎস্নার অবগাহন পালকের মত জড়িয়ে আছে, গায়ে গায়ে। অক্ষম বিকেল করজোড়ে ধার চায় একটুখানি সোনাজ্বলা উজ্জ্বলতা, সন্ধ্যার কাছে, যদি-বা অতিক্রান্ত জীর্ণ-হৃদয় ফিরে আসে প্রাণৈশ্বর্যের কাঁচা শরীরী ঘ্রাণে। বুনো মৌমাছিটি প্রতিধ্বনি তোলে স্বপ্ন-হৃদয় ছিঁড়ে-খুঁড়ে, ক্লান্ত শয়ানে, দগ্ধ-দিনের পথ-রেখার হাঁটা পথে হেঁকে-হেঁকে ঐ যে… [বিস্তারিত]
মানবতা বন্দি। বন্দি বন্দি সততা বন্দি দলকানা মানুষ আজ সন্ধি যেথা আন্দোলন দলে বন্দি মানুষের মুক্তি সেথা কুন্তি। সততা আজ নিজ ঘরে বন্দি ন্যায়নীতি সেথায় ফন্দিতেই বন্দি ঘুষ দুর্নীতি ঘরে হলে সন্ধি বাহিরে হলে গলায় আওয়াজ উর্ধ্বমুখী। ব্যবসায় উন্নতি ! ভ্যাট দে, ঘুষ দে নইলে ব্যাবসা বন দে। ব্যবসায় উন্নতি! ট্যাক্স দে, ঘুষ দে নইলে… [বিস্তারিত]
শিশুদের জন্য “হাতে খড়ি” উৎসব আগে গ্রাম শহরের সবখানে প্রচলিত থাকলেও, বর্তমানে এর বিন্দুবিসর্গ বলতে নেই বা কারোর চোখেও পড়ে না। আক্ষরিক অর্থে হাতে খড়ি হচ্ছে, লেখাপড়ার সাথে শিশুর প্রথম পরিচয়। শিশু জন্মের তিন থেকে চারবছরের মাথায় এই উৎসবটি পালন করা হতো। তা বেশি প্রচলন দেখা যেত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে। জন্মের পর থেকে জীবনে যতোগুলো… [বিস্তারিত]
ভোরের সুর্য সবটুকু কিরণ নিয়ে উঁকি দিয়েছে পূর্বাকাশে। রাসেল নামাজ আদায় করে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে। খোলা মাঠ সামনে। ইচ্ছে করলেই হাঁটতে যেতে পারতো। কেন যেন আজ আর ইচ্ছে করছেনা। মা কিচেনে সকালের নাস্তা তৈরীতে ব্যাস্ত হয়ে পরেছেন। ছোট ভাই দুটো পড়া নিয়ে ব্যাস্ত। তাজ খুব ভালো স্টুডেন্ট। ভবিষ্যতে ডাক্তার হবার ইচ্ছে নিয়ে খুবই মনোযোগী পড়াশোনায়।… [বিস্তারিত]
পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য কী?কেন সৃষ্টিকর্তা মানুষকে পাঠিয়েছেন? আর পৃথিবীতে আপনার কাজেই বা কী? এই সবগুলোর উত্তর যদি আপনি সহজ করে বলেন, তাহলে হয়ত বলবেন- জন্ম গ্রহণ করছি।আস্তে আস্তে বড় হব।বিয়ে করব, সংসার হবে, বাচ্চা হবে তারপর মরে যাব। কত সহজভাবেই একটা মানুষের জীবনে ধারাবাহিকতা শেষ হয়ে গেলো। কিন্তু এর চেয়ে যে কঠিন বিষয় হলো আর্দশ… [বিস্তারিত]
হিমু নতুন একটি চিঠি লিখতে বসেছে - প্রিয় কান্তগীতি, পরপর কয়েকবছর তোমার পিছুপিছু ঘুরঘুর করে আমার কোমরের হাড্ডি-গুড্ডিতে কিছু ক্ষয় দেখা দিয়েছে। যার নিদারুণ নিষ্ঠুর বর্বরতা আমাকে তোমার সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করে। পুরুষ হিসেবে এরচেয়ে লজ্জিত সময়ের মুখোমুখি মুখপানে মুখপোড়া আবেগে দাঁড়িয়ে থাকাটা আমার কাছে অসহ্য জ্বালাতনের। অবশ্য ডাক্তার বলেছে -… [বিস্তারিত]
আমি একাত্তর দেখিনি, দেখিনি হানাদারের বর্বরতা, নৃশংসতা, আমি দেখিনি ২৫শে মার্চের কালো রাত, বেয়নেটের খোঁচায় রক্তাক্ত দেহটির ভয়ার্ত শেষ নি:শ্বাস । দেখিনি মা-বোনের আঁচল ধরে টানছে রাজাকার, দেখিনি হায়েনার চোখে- কোন খাকি পোষাকধারী, দেখিনি অন্ধকার রাতে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে কোন মুক্তিযাদ্ধার ঘর, দেখিনি নদীতীরের বটগাছে উল্টো করে ঝোলানো বস্ত্রহীন লাশ। দেখিনি কচুরিপানা মাথায়, জলে ডুবে… [বিস্তারিত]
সুদীপ্ত আজ দীর্ঘ বিশ বছর প্রবাস জীবন যাপন করছে। ঘরে সুন্দরী, শিক্ষিতা স্ত্রী আর ফুটফুটে দুই সন্তান রেখে প্রবাসে একাকী জীবন পার করছে। ষোলো বছরের সংসারে ভালোবাসা, সুখের কোনো অভাব সে পায়নি। তবুও বুকের পাঁজরের কোথায় যেন লুকিয়ে আছে একটা চিনচিনে ব্যথা, শূণ্যতার বাসা। সুদীপ্তের ও একটা বাল্যপ্রেম ছিল। ওর ই এক কাজিনের সাথে। আত্নীয়তার… [বিস্তারিত]
নীড় খুঁজে ফেরা তারাদের দল সহসা-ই কী যেন দেখতে পায়, নীলের সীমানায় শাদা-রোদ্দুরে; দেশান্তরি হওয়ার কথা কত্ত ভেবেছিল; কষ্টগুলো ভাগাভাগি ভাঙাভাঙি না করতে পেরে প্রত্যাহত দৃষ্টি, রেগে কাই হয়ে শিশি-ভাঙতে চেয়েছিল সজোড়ে, অকস্মাৎ থেমে যায় কান্না-হৃদয় বীণার ঝঙ্কারে, পাহাড়ি ফুলের গন্ধে; কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে রজনীগন্ধা হাতে! জিজ্ঞেস করি না কী চাও? কিছু কি বলবে?… [বিস্তারিত]
আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি, স্বাধীনতাও দেখেছি জন্ম আমার ১৯৬৩ইং জুনমাসে, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ সারাদেশে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ তা শেষ হয়েছিল নয়মাসে। আমি তখন খুবই ছোট, ৮ বছরের অবুঝ শিশু তবুও স্পষ্ট মনে আছে, পাক-হানাদার বাহিনীর গনহত্যা, জ্বালাও পোড়াও ধর্ষণ তা ইতিহাসেও লেখা রয়েছে। তার প্রমাণ আমিও একজন, মুক্তিযুদ্ধ চলছিল যখন গিয়েছিলাম বাবার সাথে বাজারে, বেচাকেনা… [বিস্তারিত]










