পালিয়ে-বেড়ানো সময়

 

নীড় খুঁজে ফেরা তারাদের দল
সহসা-ই কী যেন দেখতে পায়,
নীলের সীমানায় শাদা-রোদ্দুরে;

দেশান্তরি হওয়ার কথা কত্ত ভেবেছিল;
কষ্টগুলো ভাগাভাগি ভাঙাভাঙি না করতে পেরে
প্রত্যাহত দৃষ্টি, রেগে কাই হয়ে শিশি-ভাঙতে চেয়েছিল সজোড়ে,

অকস্মাৎ থেমে যায় কান্না-হৃদয়
বীণার ঝঙ্কারে, পাহাড়ি ফুলের গন্ধে;
কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে রজনীগন্ধা হাতে!
জিজ্ঞেস করি না
কী চাও? কিছু কি বলবে? নূতন করে?
ফাঁকা বুলির কাব্য-কথা হলেও!

ছবি… নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৯৮২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. আশা আছে বলেই বেঁচে আছি। প্রতিদিন রাত্রে ঘুমাতে যাই নতুন ভোরের আশায়। মিছেমিছি আশা হলেও অনেক সময় মনে সান্ত্বনা আসে কিন্তু মহারাজ ☺

  2. মায়ার টানে সব ছেড়েছুড়ে পালানো যায় না। মাঝে মাঝে অবজ্ঞার মাঝেও পরে থাকতে হয় না করা প্রতিজ্ঞার জন্য। নিজের ক্যামেরার কি সমস্যা?

    1. চাইলেই ছাড়াছাড়ি করা যায় না, ছাড়াছাড়ি করা হয় না।
      হুম, না -প্রতিজ্ঞা নিয়েও আমাদের বেঁচে থাকতে হয়।
      অনেক দিন পর যেন দেখালাম, লেখারা কেমন আছে!

      ধুর! এত্ত আউল-ফাউল লেখা আনুযায়ী ছবি কৈ পামু!

  3. দেশান্তরি সে দূর অনেক দূর
    হৃদয় ভেংগে যাওয়া সুর
    মনের অভ্যান্তর ক্ষত হই দূর
    তবুপ হই হই না দূর।

    তাও আশা কেউ রজনীগন্ধা হাতে চেয়ে আছে……………।

  4. সবাই কি আর ফাঁকা বুলি আউড়ায় !
    শুনতে চাইলে না জানি কি কইতো। হতভাগ্য পাঠক তা আর জানতে পারল কই।

    সুন্দর হয়েছে।
    ছবিটাও বেশ।

    1. বুলি ফাঁকাই হয়,
      লিখিয়ে ত পাঠকের জন্যই লেখে, কত কিছু তার জানার বাইরেই থেকে যায়।
      সুন্দর হয়েছে কথাটি সুন্দরের মতই সুন্দর।

মন্তব্য করুন