স্বপ্ন-হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

 

ভাবনা-চোখ চেয়ে আছে নিবিড় আকাশ পানে,
জোড়া-স্মৃতিতে গেঁথে আছে ফুল-ঐশ্বর্য সম্মোহন;
রাত্রি-জাগা স্নিগ্ধ-সিক্ত জ্যোৎস্নার অবগাহন
পালকের মত জড়িয়ে আছে, গায়ে গায়ে।

অক্ষম বিকেল করজোড়ে ধার চায়
একটুখানি সোনাজ্বলা উজ্জ্বলতা, সন্ধ্যার কাছে,
যদি-বা অতিক্রান্ত জীর্ণ-হৃদয় ফিরে আসে
প্রাণৈশ্বর্যের কাঁচা শরীরী ঘ্রাণে।

বুনো মৌমাছিটি প্রতিধ্বনি তোলে
স্বপ্ন-হৃদয় ছিঁড়ে-খুঁড়ে, ক্লান্ত শয়ানে,
দগ্ধ-দিনের পথ-রেখার হাঁটা পথে
হেঁকে-হেঁকে ঐ যে ডাকে!

ছবি……… নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৫২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. বাহ! এতো সহজ কবিতাও হয়!! যেই ডাকুক তার আহবানে কান দিতেই হবে মহারাজ। এই আবেগকে যেই অস্বীকার করবে তার পাপা হবে পাপ, ঘোরতর পাপ।

  2. “বুনো মৌমাছিটি প্রতিধ্বনি তোলে
    স্বপ্ন-হৃদয় ছিঁড়ে-খুঁড়ে, ক্লান্ত শয়ানে,
    দগ্ধ-দিনের পথ-রেখার হাঁটা পথে
    হেঁকে-হেঁকে ঐ যে ডাকে!”

    -জবাব নেই এক কথায় শব্দের প্রতিমায় রত্ন খচিত!

    1. মোবাইল ফোনে মন্তব্য করতে গেলে সযুক্ত বানানগুলোতে যেমন সমস্যা হয় তেমনি এই মিসটেকগুলো হয় আমার প্রায়ই, ধন্যবাদ।

  3. লেখার মাঝে স্বপ্ন-হৃদয়ের প্রতিধ্বনি পাওয়া গেলো।

    অসুস্থতা কাটিয়ে ব্লগে একটিভ হয়েছেন দেখে ভালো লাগলো।
    শুভ কামনা।

  4. এতোদিন পর এসে কি মন্তব্য করবো ভেবে শেষ আমি। কারন ভালো লেখকদের লেখায় মন্তব্য করা কবিতা লেখার চেয়েও দুরহ কাজ।

    হৃদয়ের কথা শুনতে কি পাও
    পাও কি তুমি কোনো সুর…

    চমৎকার লিখেন আপনি।

  5. যদি-বা অতিক্রান্ত জীর্ণ-হৃদয় ফিরে আসে
    প্রাণৈশ্বর্যের কাঁচা শরীরী ঘ্রাণে।৷ এই বয়সেও কাচা শরীরের ঘ্রান কি আশা রে বাবা স্বপ্ন দেখারও সীমা থাকে রে ভাই।

      1. অবশ্য বয়স অভারকাম করা যায় আর্থিক সামর্থ্য থাকলে, কারণ মনে কেউ অস্থির হয়েও লিখতে পারে কিন্তু আমি স্থির নিরিবিলি প্রতিবেশ ছাড়া পারিনা। একেক জনের এক্বক সমস্যা হয়ে থাকে।

  6. লিখক কিছুটা নিরুত্তাপ হলেও সপ্ত ইন্দ্রীয় সজাগ বৈকি।
    মনে হলো আরকি- এর বেশি বুঝি না।

    আর এক কথা-
    ডাক শুনলে প্রতিউত্তর দিতে হবে।

  7. ভাবনা-চোখ চেয়ে আছে নিবিড় আকাশ পানে,
    জোড়া-স্মৃতিতে গেঁথে আছে ফুল-ঐশ্বর্য সম্মোহন;
    রাত্রি-জাগা স্নিগ্ধ-সিক্ত জ্যোৎস্নার অবগাহন
    পালকের মত জড়িয়ে আছে,গায়ে গায়ে।

    চমৎকার উপস্থাপন, শব্দের গাঁথুনিও বেশ

  8. কি লিখবো এমন কবিতায়! এই লেখায় আমার অ-কবিতা বেমানান 🙇🙇

    একাকী বিকেল
    প্রতিক্ষায় জোড়া-আখি,
    ক্লান্ত নুড়ি-ধুলোর পথ;

    নিরুত্তাপ আবাহন
    মৃদুলা বাতায়ন,
    পৌষালী পারিযায়ী হট্ট-উল্লাস

    সুদুর গগন
    বিদায়ী অনল
    সম্মোহিত তটিণী-র চোখে
    সোনালী সন্ত্রাস..

    1. এই-ই যদি অ-কবিতা হবে আমাদের লেখা তো তাহলে মুড়ি-মুড়কি!
      একদম সন্ত্রাসের ভয় দেখিয়ে দিলেন। আহা, কবে যে এমন মন্তব্য লিখতে পারব কে জানে।
      কী লিখব এমন মন্তব্যে কে জানে!

মন্তব্য করুন