লেজার রশ্মী মতো সটান সোজা সোজি তোমার ডানপাশের সিঁথি, তেল চকচকে চুলের অর্ধেকটা ঢেকে ঘোমটায় পরিপাটি। আমার উস্কোখুস্কো চুলে লাগেনা হাওয়া শেম্পু হয়নি একযুগ, চিরুনী হয়না ছোঁয়া, আঙ্গুলেই কোনরকম মনভোলা কোনও রোগ। ভারী চশমার ফ্রেমে, তোমার চক্ষ্মু স্থির আমার ঘামে ভেজা পোড়া মুখে প্রশ্নভরা ভাঁজ, মসৃন ললাট জুড়ে সে...ই পুরুনো আমাকে দেখে !! মাইনাস পঁচাত্তুর,… [বিস্তারিত]

এস.জেড বাবু
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ১৩ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৯টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২০৪৮টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৯৭৬টি
কোটি মানুষের সুখ দুঃখের গল্প কাছাকাছি রকম হয়। অনেকটাই সিনেমাটিক। নব্বইয়ের দশকে বাংলা ছায়াছবি প্রথম ত্রিশ মিনিট দেখলেই শেষটা অনুমান করা যেত। ছেলেবেলায় ভিলেনের হাতে নায়কের পিতা খুন, মা ধর্ষিতা। বড় হওয়ার পর ভিলেনের মেয়ের সাথে (খুন হওয়া পিতার বেঁচে যাওয়া সন্তান) বর্তমান নায়কের হৃদয় ঘটিত সম্পর্ক। এরপর প্রতিশোধ। শেষবেলায় রাইফেল হাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ। হাহাহা… [বিস্তারিত]
ঘরে চারজন মানুষ অথচ কোনও সাড়া শব্দ নেই। একজন থেমে গেছে শুরুর আগেই। যার কোনও নাম হয়নি, হবেও না। নামের দরকার ও নেই, জীবন থাকলে নাম পরিচয় দরকার, সুনাম বা দুর্নামের প্রয়োজনে। মৃতদের নামের দরকার হয়না। বাচ্চাটা জন্মেছে লাশ হয়ে, লাশ হয়েই কবরে যাবে। এখন শুয়ে আছে মেহগনি কাঠের চকচকে পলিশ করা সেন্টার টেবিলের কাঁচের… [বিস্তারিত]
যখন স্ব-দলবলে আলোকপতি অধিগ্রহন করে আঁধারের বসতি, ক্লান্ত শেয়ালের গলা ভাঙ্গা চিৎকার স্তিমিত প্রায়, আলোর ক্ষুধায় সবুজের কুসুম ভেঙ্গে উঁকি মারে কোটি কোটি নিষিক্ত কলির ভেতর ঘুমন্ত পাপড়িগুলো, পরগাছার লিকলিকে ডগা সুযোগ বুঝে মেলে দেয় আরও চারটি পাতা, দু’দুটি খুড়ি। দুইপাশে দুটি সুঁড় ফাঁটা বাকলের খাঁজ আঁকড়ে ধরে চার ইঞ্চি মতো বাড়িয়ে নেয় নিজের দৈর্ঘ্য।… [বিস্তারিত]
মাকসুদা বেগম বরাবরই বাস্তবতা মানিয়ে চলেন। বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দুইবার আন্তঃজেলা “সেরা শিক্ষিকা” হিসেবে পুরস্কার গ্রহন করেছেন। কলিগদের কাছে ভিষন স্মার্ট হিসেবে উনার খ্যাতি আছে। কম কথা বলেন। মিষ্টি কথায় অল্পতে কাউকে কাবু করার ভিষণ রকম দক্ষতা আছে উনার। কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর পরই পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ার সুবাদে বিয়ের পিড়িতে… [বিস্তারিত]
দিবা-নিশি কল্পনায় আল্পনায় সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা কথা আর অনুভুতি কখনো ভালোলাগার মানুষটার সামনে কথায় কথায় পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায়? আসলে কখনো মনের মানুষটাকে চিঠি লিখে বা এসএমএস পাঠিয়ে কেউ পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারেনা যে তাকে সে কতটা ভালোবাসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তর না হবে। কারণ- ভালোবাসার সব রকম অনুভুতি বহিঃপ্রকাশ এর ক্ষেত্রে লিখা বা বলার জন্য… [বিস্তারিত]
ভালোবাসা- যার কোন মানে নেই অর্থ বা প্রতিশব্দ নেই কোনও কারণ ও নেই___॥ ভালোবাসা- যেখানে কোনও চাওয়া পাওয়া থাকতে নেই অনুদান বা প্রতিদান নেই আশা বা ভরসা রাখতে নেই___॥ হৃদয়ের একান্ত ইচ্ছেগুলোতে শীত গ্রীষ্ম বর্য়ায় পরগাছার মতো জড়িয়ে থাকা নিরবিচ্ছিন্ন এক অনুভূতির শাব্দিক উচ্চারণ- ভালোবাসা__॥ যদি এমন কোনও অনুভূতির সংস্পর্শে ভিন্ন কোনও হৃদয়ের অজানা সুর… [বিস্তারিত]
অন্তঃসত্ত্বা কাঠবেড়ালীর বুকফাটা আর্তনাদে ঘুম ভাঙ্গে রাত্রির। শুকনো পাতায় টুপটুপ শব্দে ছিটকে পড়ে দু-ফোঁটা প্রসবের জল। নব রক্তের গন্ধে নেশাক্ত ফণা তুলে চকচকে শঙ্খনীল। অনাহুত কোলাহলে, ডালে লতায় ঝুলে বিষণ্ন বাঁদরের অজানায় আত্ম-প্রস্থান। হটাৎ থেমে যায় লাল পিঁপড়ের রেল, যেন চেইন টেনে ধরেছে কেউ- চারপাশে কাঁচা রক্তের গন্ধ। ঝর্নার জলে বুকের পশম ডুবিয়ে, সঙ্গীর তৃষ্ণার্ত… [বিস্তারিত]
সেদিন সজলের জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছি- দুজনের গায়ে মাসীমা (সজলের মা) এর কিনে দেয়া পাঞ্জাবি, দুজনের চোখে গেল বছর দুর্গা পূঁজায় কল্পনা (সজলের বোন) এর গিফট, রোদ চশমা। মামা বলেছিলেন, বারোটার মধ্যে মেয়ে বাড়ি পৌঁছাতে। দুপুরের নিমত্রন, খেতেই হবে। সবকিছু গোছানোর জন্য মামা ভোর সকালে মেয়ে বাড়ি চলে যাবেন। আমি আর সজল সময় মতো উপস্থিত… [বিস্তারিত]
সবাই কি আর তেমনি করে সুখটা পায় কেউতো চড়ে, ইচ্ছে করে, দুঃখের না’য় কেউ ছুঁড়ে দেয়, ভাঙ্গা তরী, দড়িয়ায় কেউতো গড়ে, নতুন করে, আবার বায় সেই মেয়েটার কৃষ্ণ কালো চোখ ছিলো যেন মিঠা জলে পদ্মজোড়া ভাসছিলো কাজল রেখায় ওই চোখেতে মেঘ ছিলো রংয়ের নেশায় সাদা কালোয় ভাব ছিলো সেই মেয়েটার কুকিল বরণ চুল ছিলো ঢেউয়ের… [বিস্তারিত]
আবারও ডাকে কুকিল, ভাঙ্গা সুরে, উড়ে উড়ে, দুরে দুরে। কুহুতানে- নিবিড় আলিঙ্গনে, ভাঙ্গে স্বপ্ন ভাঙ্গা ঘোর। কনকনে উষ্ণতায়, ভেজা বকুলের কাঁচা গন্ধ, ক্লান্ত ভোরের বাহুডোরে নিদ্রাভাঙ্গা চিরন্তন ষোড়ষী সকাল, আপন তিক্ষ্মতায় ঘনঘোর কুয়াশার বস্ত্র হরণ শেষে মুচকি পরশ বুলিয়ে, একুশের হাসি হাসে সোনালী কিরণ- যৌবনের বলিষ্ঠ, সুমিষ্ট স্বর্ণালী ইশারায়। কানামাছি খেলে নিস্তব্ধ ভেজা হাওয়া, দৈবাৎ… [বিস্তারিত]
বন্ধু ! একটা তৈলচিত্র এঁকে দাও। যেন আস্তাকুঁড়ে পতিত দেয়ালের খড়কুটে পটভূমি জুড়ে আঁকা লাস্যময়ী মরুদ্যানের আঁচল ছুঁয়েছে উর্বশী নদীর বুক। নির্বাক ছাঁয়া সঙ্গী করে সন্তপর্নে হেঁটে যাওয়া নিশাচর তৃণভোজী, আর মাংসাসী পায়ের ছাঁচে থমকে থাকা জলছাপে আচমকা ঝিলিক মারে, গাঢ় নীলের বুক চিরে বেড়িয়ে আসা রূপালী বিজলীর হটাৎ আত্মগোপনের চলচিত্র। বন্ধু ! একটা তৈলচিত্র… [বিস্তারিত]
কখনও ভাবনায় পড়ে যাই- পছন্দ শব্দটার উপর আপেক্ষিক প্রভাব আসলে কিসের ? চোখের ? না মনের ? প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরপাক খায়, ঘুরে ফিরে প্রশ্নগুলো আবারও সেই একই প্রশ্ন করে, আমি সময় পেলে ঠান্ডা মাথায় যোগ বিয়োগ মিলাই, পছন্দ কাকে বলে! গুণ ভাগ সরল অংক শেষেও- সে প্রশ্নের সঠিক জবাব খুঁজে পাইনা। তবে আশাহত নই, জীবনে… [বিস্তারিত]
একটা বৃষ্টি যেন বদলে দিতে পারে পরিবেশ। একটা বৃষ্টি পরিচ্ছন্ন করে দিতে পারে চারপাশের বাতাসে মিশে থাকা উড়ন্ত পরমাণুসম ধুলিকনা আর যত বজ্য। কেমন যেন বে-খেয়ালি হয়ে আছে প্রকৃতি, নিজের স্বরূপ যেন ভুলতে বসেছে সহস্র কোটি বছরের শেষে। শীতের শেষে বসন্ত পেড়িয়ে যায়, যেন হাজার বছর ধরে তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে ধরিত্রির বুক। টিনের চালে ধুলির… [বিস্তারিত]
চিঠি - পর্ব দুই ভাবছি এই চিঠি যদি কোনওদিন লিখা শেষ হয়, মা কে নিজেই পড়ে শোনাবো। এখন আর মা আমার ঘরে যেতে পারে না। শেষ দু’বছর ধরে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বিছানায় পড়ে থাকে।এই আছে এই নেই অবস্থা। আজকাল যদি কখনো উল্টো ফিরে,গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে মা- ধুক করে উঠে বুক, আস্তে করে সন্দেহ নিয়ে মায়ের… [বিস্তারিত]












