দুঃখ কষ্ট ছোঁয় না আমাকে। সে পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি বহু যুগ আগে। বেদনার নীল শাড়িতে জড়ায় না অঙ্গ , সেতো বহুদিন হলো। কি লাভ নিজেকে কষ্টের লিপিতে আটকে রেখে। সুখের দোলনায় স্বর্গের ঘুমে চোখ জুড়ায় নিশি রাতে। কখনো বা আঁধারে নক্ষত্রের খেলা দেখে রাত কাটে। রাত জেগে বেতারে নিশুতি রাতের গান শোনা হয় না [বিস্তারিত দুঃখ ছোঁয় না আমাকে ( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২ )]
ক্যাটাগরি কবিতা
বৃষ্টিমুখর দিনে, তুমি আমি মুখোমুখি বাতায়নে, একই স্বর বৃত্তে মৌন আলাপনে! দূরত্ব কেবল পথের সমষ্টি, ভিজছি আমরা ক্রমাগত প্রেমের বানে! বহু খোঁড়াখুঁড়ির পর মিলেছে অমৃতের সন্ধান তাকে ছুঁয়ে দিতে মরিয়া নই, তবে নিশ্চিত জানি সে আমার হৃদয়ের একান্ত ভুঁই! আকাশে যতই উড়ুক উড়ুক্কু গাঙচিল, ডানা মেলুক ডাহুকের দল, গোধূলির আলো চিনে সে আমায় খুঁজে নিবে [বিস্তারিত হৃদয়ের একান্ত ভুঁই]
ওই সান্ধ্য চোখে ছিল বর্ষণাক্রান্ত জল, হয়তো সে নদী ছিল বুঝিনি চকিতে, বৃত্তের কেন্দ্র ছিল গভীর অতল! প্রশান্ত বাতাসের মতো ধীরে হেলেদুলে, হরিণী যখন নিয়েছিল জোছনার স্বাদ, আনমনে ক্ষণকাল উড়েছিল কুন্তল! সেইসব পুরাকীর্তির মতো লুপ্ত সংবাদ, ভেসে আসে ভোরের মৌসুমি বর্ষণে, আমি তার মদির গন্ধ টের পাই ঠিক, হয়ত সে মিশে আছে অদৃশ্য স্পন্দনে। গাংচিল [বিস্তারিত কলতান]
কবে তোমায় বেসেছিলাম ভালো দু ফোটা কালীর দামে আর নীল খামে রাত জেগে ভাবনার আলপনা এঁকে সোনালী ভোরের প্রত্যাশায় । সেই ভাবনা আজো অবিচল কাগজ ছিঁড়ি, কালি ফুরায় তবুও হয়নি লেখা, , যা চাই শিরোনাম হীন, ভনিতা হীন মনের অগোচরের সকল বারতা। রচনা কাল ঃ ১৬/০৬/২০২২ ঢাকা
কোথায় চলেছো ওহে পাষাণের মতি সুখের তালাশে গড়ে সাধকী রণন, ঘরে যে রইল পড়ে আঁধারের জ্যোতি কভু কি করেছো তারে স্বস্নেহে যতন? তৃষিত হৃদয়ে খুুঁজে জহরত যতো ফেলেছো জনমভর লোভাতুর শ্বাস, কি ধন করেছো চলে অবহেলে ক্ষত ক্ষণিক ভেবেছো হয়ে অনুগত দাস? নিরালে নিশীথে থাকে অনুনয়ে মেতে স্বর্গীয় সুখের তরে কতো যে লাজুক, কেউ তাতে [বিস্তারিত মা-ই স্বর্গের ধন (সনেট)]
বইয়ের পাতার মতো জীবন খাতা যেন ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়ে ভাগ করা। এক এক অধ্যায়ে লেখা হয় এক এক স্বপ্ন গাঁথা, কোনো অধ্যায়ে রকমারি চিত্র আঁকা যেন এক জলছবি। কোনো অধ্যায়ে স্বপ্ন পূরণের ছবি আঁকা, কোনো অধ্যায়ে সন্ধি না হয় বিচ্ছেদের কাব্য গাঁথা। কোনো অধ্যায়ে পরিবার, পরিজন সংসারের ব্যাস্ততা, কোনো অধ্যায়ে আবার রাতের নির্জনতায়, একাকিত্বের [বিস্তারিত জীবন অধ্যায়]
গোছাপরা মুখে মাঝে মাঝে পবিত্র শব্দের এলার্জি ধরে; পশ্চিমা গোলাপের ঘ্রাণ বুঝে না প্রতিবাদির কৃষ্ণচূড়া মিছিল রাস্তার মোড়ে মোড়ে রাঙিয়ে যায় সেটাও বুঝে না- ঈশ্বরের ভয় নেই- কি করে থাকবে তারা তো গোছাপরা প্রাণী; আমাদের বিচার আছে কি দরকার? পাপের দুর্গন্ধ সুবাস কাউকে ছাড়বে না- একদিন অনলে ভ্রষ্ট হবে গোছাপরা মন। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ ১১ [বিস্তারিত গোছাপরা মন]
নিত্তি রাতে ছয়টি বিড়াল ছানা, চোখ না বেঁধেই আমায় বলে কানা মাছির কানা! করলে ডেকে মানা? ঘরে বসেই ভাগ করে নেয় আমার পাতের খানা। সোহাগ ঢেলে দিই যদি বা আড়ি! মাছ খেয়ে সব কাঁটা ছুঁড়ে নোংরা করে বাড়ি। চাইলে যেতে ছাড়ি! লাফ দিয়ে কয় মাথায় উঠে করতো খবরদারী! কষ্ট সয়েই আঁকছি ভোরের ছবি, চাইলে কি [বিস্তারিত ছয়টি বিড়াল ছানা]
কে বলে ভাই কেউ আপনার নয়? সখ্য বিনে প্রাণ কি সুখের হয়? ভাই বলো বা বন্ধু স্বজন সবাই করে বাঞ্ছা বপন, বাপ-মা সে তো মরেও পাশে রয়! কে বলে ভাই কেউ আপনার নয়? কও তো বেঁধে ভাবনাটারে কষে, বিপদ দেখে রয় কি সবে বসে? পড়লে ঢেলে এক বেলা ভাত কেউ বা না কেউ নেয় টেনে [বিস্তারিত কে বলে ভাই?]
আসো, বৃষ্টিতে ভিজি তোমার ভেজা আঁচলে মুখ লুকিয়ে বুকের উষ্ণ গন্ধ শুকি । রেশনি চুড়ির ঝনঝনানিতে নেচে উঠি দুটি প্রাণ । ভেজা চুলের স্পর্শে জেগে উঠি নতুন উদ্যেমে । সারা অঙ্গে বৃষ্টির উষ্ণতা মেখে অষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকি অনাদি কালের বাঁধনে দুজন । বৃষ্টির ফোটায় ফোটায় শিহরিত হই ভালবাসার পরম আবৃতে । মেঘের গর্জনে, অঝর [বিস্তারিত বৃষ্টি বিলাস]
তারপর একদিন বহুদিন পর তুমি একটা বাদামী রঙের শাড়ি পড়ে আসবে, বড় কোন নদীর মতো হাহাকার বুকে তুলে সারিবদ্ধ নৌকোর ঘরে ফেরার মতো করে, তুমি আসবে। চারপাশে অযত্নে বেড়ে ওঠা আগাছার ছাউনি নীরব বাতাস। এদিকটায় জনসমাগম নেই, এদিকটায় কেউ আসেনা, এদিকটায় গুমরে কাঁদে আকাশ। এদিকটায় বৃষ্টির মতো করে নেমে আসে দীর্ঘশ্বাস। খানিক বসে নরোম ঘাসে [বিস্তারিত নীরবতা।]
কবি নই, নই লেখক কিংবা সাহিত্যিক মনের খোরাক মিটাতে কলমের ডগায় আসে কিছু কথা লিখে যাই আবোল তাবোল কথকতা এ নিয়ে পাঠকের না না রসিকতা । বিরহের কবিতা যদি হয় লেখা পাছে লোকে বলে কত কথা , আহা জীবনে খাইছে বহুত ছ্যাকা প্রেম না করলে আসে কি বিরহের কবিতা ! কেউ বলে আহ্ ! [বিস্তারিত পাঠকের রসিকতা]
মানুষ নামের ফুল গো তুমি মানুষ নামের ফুল! তোমার তরেই বুক বেঁধে রয় গুল বাগিচার কুল। কালের চাকা বাতাস ঘুরে চক্রাকারে পানি, তোমায় যেচে বঙ্গের এ রূপ রোজ গড়ে হাতছানি। দেখে মেঘের ভালোবাসা চুপটি বুনে সুখের বাসা গায় সুরে বুলবুল – মানুষ নামের ফুল গো তুমি মানুষ নামের ফুল! ব্যাকুল আশায় নদ-নদী বয় গায় আষাঢ়ে [বিস্তারিত মানুষ নামের ফুল (গীতিকাব্য)]
বুক পুড়ে অন্তদহে ~~~ ~~~ কামরুল ইসলাম এক ঝাঁক উপমার ডানা মেলে তুমি এসে ছিলে কবিতার খাতায় অব্যক্ত কথা মালায় জুড়ে ছিলে প্রতি নিশিতের স্বপ্ন ধারায় । রাত গুলো আজ শূণ্য পড়ে রয় অলস সময়ের বিরহে সব আছে ঠিক, শুধু তুমি নাই কবিতার বুক পুড়ে অন্তদহে ।। রচনা কাল ঃ ০৫/০৬/২০২২
দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! হেলায় জনম বৃথা যাবে হারবে শেষে পণ – দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! গড়িস নে তুই মনের কোণে তার তরে রে ঘর, মাপলো না যে একবারও তোর গহর কানার জ্বর। নরম বিছান না জেনে কার অলীক স্বপন দেখিস নে আর ভেবে পরম ধন – [বিস্তারিত খুঁজ রে ভোলো! (গীতিকাব্য)]