প্রেমিকা, তুমি হলে সিগারেটের মতো, যতোবার ভাবি এই শেষ টান, ছেড়ে দিবো চিরতরে। তারপর.. খানিক বাদে আবারো ফিরে যাই ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে চুম্বনে টেনে নেই সমস্ত তৃপ্তি। ভাবি, এ ছাড়া হয়তো বাঁচবো না। বাঁচবো সত্যি। তোমাকে যতোবার ছেড়ে যেতে চাই দূরে,আরো দূরে। ততোবারই আমি হয়ে যাই তোমার উঠোনে শিশির বিন্দু। তোমার তাপে উবে [বিস্তারিত প্রেমিকা / সিগারেট ।।]
ক্যাটাগরি কবিতা
কল্লোলে, হিল্লোলে যে ছিল হৃদয় জুড়ে ঝরা পাতার মর্মরে, আজ মনের অগোচরে হারিয়ে গেছে বহুদুর, সময়ের স্রোতে ভেসে ~ ঝরা বকুলের কান্নায়, জীর্ণ বুকে চার দেয়ালের একাকীত্ব, অহর্নিশি যায় ফুকে পূর্ণ বলয়ে হানা দেয়, শূণ্যতা এসে । গান হারায় সুর, কবিতায় নাই অন্তমিল ধূসর পান্ডুলিপিতে বিবর্ণে বিরহ অখিল প্রকৃতি হাসে, পাখী গায়, তবুও [বিস্তারিত ঝরা ফুলের অনুরাগে]
জলরাশি এসে ফিরে গেছে; শুকনো এখন বালুচর, বালুচরে রোদ পোহাতে পারো দিনভর। কিন্তু কতক্ষণ? সী সিকনেস হতে পারে, হতে পারে ডিহাইড্রেশন। মানুষকে যে ভিজতে হয় পরিমিত পরিমাণ ! ধূসর গোধূলি শপথ ভেঙে আঁধারে নামে, আড়মোড়া দিয়ে সূর্যটা সাগরের গভীরে গিয়ে থামে! প্রকৃতির অলিখিত নিয়মনীতি! আমি শুধু শুনি ভাঙনের গীতি, অসহনীয় ঝনঝন শব্দ দূষণ! টের পাই [বিস্তারিত কড়ে আঙুলে কড়া]
রোজ দেখি তদবিরে – কতো লোক ঘুরে ফিরে রঙে রূপে মনে হয় একই প্রাণ, সকলেরই গতি হাসে – ভাষা আশা নিঃশ্বাসে থাকলেও ধ্যানে জ্ঞানে ব্যবধান। কেউ যাচে সুখী মন – কেউ সাজে দুর্জন জানি তো লহুর ধারা নয় দুই! স্বার্থের কষাঘাতে – জাগলেই তবু রাতে কারো হাতে শোভে ফাল কারো সুঁই। অথচ বখিলও মানে – [বিস্তারিত নানারূপী সমাগম]
এক এক করে খুলে ফেলছি বুকের ছাতি কবিতার ভেতর বারংবারই আমি ভুল পথে হাঁটি। ভুল মানুষের সাথে সখ্যতা হয়, দু’দণ্ড জিরোই তার বুকের উঠোনে। ঠান্ডা জল পান করি অজলা ভরে, খানিক বাদে সে মুচকি হাসে, বলে – পথিক এতো জল নয় বিষ, এখনি শুরু হবে তার ক্রিয়া। আমি নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকি উঠুনে বেড়ে উঠা [বিস্তারিত বিশ্বাস।]
মায়ে খুপ ভালোবাসে- আব্বার পুরনো শার্টে বোতাম লাগানো ; ইস্, যদি বোতাম অইতাম ! মায়ে সুতো দিয়্যে সেলাই করে দিত আমাকে গেঁথে রাখার জন্য ; ম্যালাদিন হয় দেকচি – আব্বায় খাওনের পরে ঐ থালেই ভাত খায় মায়ে ; ইস্, যদি ঐ থালা অইতাম ! মায়ে না ধুয়েই রোজরোজ ভাত খেতো আমাকে ছুঁয়ে দিয়েই ; [বিস্তারিত মায়ের ভালোবাসা খুঁজি]
চুপচাপ ঘুমিয়ে আছে মেয়েটি। চুলগুলো বাতাসে উড়ছে,বাড়ি খাচ্ছে ঠোঁটে। চশমাটা পড়ে আছে,নিথর দেহের বুকে। কি নিষ্ঠুর সুন্দর ভাবে ঘুম গুলো ফুল হয়ে ফোটে, চোখের কার্নিশে। মেয়েটি ঘুম ভালোবাসে,আমি তার বিধ্বস্ত প্রেমিক। আমি মেয়েটির ঘুম হলাম। কিনে নিলাম বাদলা [বিস্তারিত মেয়েটি ঘুম ভালোবাসে।]
ভীষণ দরিদ্র আমি, কতোটা তা নিম্নমুখী চিত্তও জানে না যা জানেন অন্তর্যামী। ক্ষনিকও জাগে না সেই রবাহুত আশা, কাঁদবে যে গড়তে না পেরে নীলাচলে কোন সৌখিন প্রকাণ্ড বাসা। আখের থেঁতলানো ক’টা ছোবড়ার উদরে নিশ্চিন্তে লুকিয়ে রাখি হয়তো তাই হররোজ আমার সুখ, যদিও নিভৃতে টেনে সবই নিয়ে যায় সন্ধান পেলেই কিছু চঞ্চলা পিঁপড়ার চিনচিনে তৃষ্ণার্ত ভুখ। [বিস্তারিত সম্পদ ঈশ্বর নয়]
অযাচিত ঘাসফুল ভেবে ; আমায় মাড়িয়ে গেছে অনেকে, কেউবা ক্ষনিক রেখেছে চোখে চোখ! হাসিতে ফাঁসি হয়নি কারুর, স্বযত্নে লুকিয়েছি ফোঁটাগুলো অশ্রুর! আমার চোখের বেদনার রক্ত করবী তুমি ছাড়া কেউ দেখেনি। প্রিয়তম জানোইত মনের ঘরখানায় অযত্নে শ্যাওলা পড়েছে, বসতি গড়েছে অসুখী ছত্রাক। মৃত সমুদ্র পোষে বুক! তাতে ভেসে থাকে সূক্ষাতিসূক্ষ অনুভূতিটি ও , সত্যি বলছি লক্ষীটি [বিস্তারিত ছুঁয়ে দিলে নুয়ে পড়বে প্লবতা]
জলে তীব্র সাঁতার শিখা হচ্ছে! চারপাশ এখন পাকা পোক্ত সাঁতারু; ঢেউ ভাঙ্গাবে, সাগরে ঝাঁপ দিলে- ডাঙ্গা য় খেলা হবে- যত সব খেলা! দিবাস্বপ্ন এখন মুখরিত আকাশ মাটি ভূমি কম্পনের আতঙ্ক শুধু কান ভারি। তবু সাঁতার শিখা বড়ই মুশকিল ঘাট নাই পুকুর নাই জলের ঢোলও নাই একতারাই বাজাব; নিজের সাগরে নিজেই দেই ঝাঁপ- পাড়াপড়শী দেখে পাচায় [বিস্তারিত উল্টো লাফ]
প্রকৃতির নিস্তব্ধতা অনেক ভয়ঙ্কর কিছুর আগমনের বার্তা দেয়। হতে পারে সেটা প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় কিংবা অঝোর বৃষ্টি, যার রূপান্তর ঘটে বন্যায়। একটা মানুষও কখনো কখনো নিস্তব্ধ হয়ে যায় প্রকৃতির মত। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হানা দেয়, তীব্র আর্তনাদ করে ভেতরে ভেতরে, দিনের পর দিন অযাচিত কষ্টগুলো তাকে ধীরে ধীরে শেষ করে দিয়ে যায়। অপলক চেয়ে থাকা আর হার [বিস্তারিত মানুষ বনাম প্রকৃতি]
একটি ঝড় আসুক প্রচন্ড ঝড় প্রলয় নাচন উঠুক সাগরে ঘোষণা হোক মহাবিপদ সংকেত। ফুলে উঠুক সাগরের পানি প্রতিবাদের জলোচ্ছাস ভাসিয়ে নিয়ে যাক অন্যায় অত্যাচার আর দুর্নীতির রাজ। জেগে উঠুক নতুন চর আবার নতুন ফসল হবে এক এক করে কচি চারা গজাবে আবার জেগে উঠবে সততা মূল্যবোধ বিবেকের শাখা প্রশাখায় ফুটবে ফুল। থাকবে না রাহুর গ্রহণ [বিস্তারিত আমরা করবো জয়]
ছোট্ট বেলার অমন স্মৃতি চাইলে কি ভাই ভুলতে পারি! মাটির গড়া বদনা কলস এক পাশে তার মাছের হাড়ি! মায়ের বকা ফিরলে রাতে কিংবা না ঝোল মাখলে ভাতে ছিঁচকাঁদুনে পিচ্চি যে তার ভাগ না পেলে কত্তো আড়ি, ছোট্ট বেলার অমন স্মৃতি চাইলে কি ভাই ভুলতে পারি! যায় কি ভুলা আম তলের সেই তুচ্ছ কথার ঝগড়া-ঝাঁটি! ইস্কুলের [বিস্তারিত চাইলে কি ভাই ভুলতে পারি!]
বুকের ভিতর উষ্ণ হাওয়া দেখে নাতো কেউ, বুকের ভিতর বইছে যেন কষ্টে ব্যথার ঢেউ। তটিনীর মতো করছে খেলা একুল অকুলে, মন যে আজ হয়ে আছে সারা বেলা ব্যাকুলে।
তুমি কি আমার বুকে কবিতার সুর? মিছে কুহকের গীতি না-কি সুমধুর? কি জানি কি ভেবে মরি! হলে সবই ভুল, গোপনে গোপীর বাগে কেন ফুটে ফুল? আরশি নগরে রোজ উঠে যে সিতারা, মানো কি দু’চোখের তার তোমারই ইশারা? রজনীর শেষে এসে সোনা ঝরা রবি, কচির কাঁপনে আঁকে সেও একই ছবি! বিদিশা তবে কি চির তোমাতেই ঋণী, [বিস্তারিত তুমি কি গো আমার কবিতা! (অ্যাক্রোস্টিক পয়েম)]