গাও পোড়া গায়ে কবির আর্তনাদ আর কবিতার মনে রক্তাক্ত বুক; হাট বাজারের মুখে কি যে হট্টগোল যত অরাজনীতিক বাক্য মেঘের দর কষাকষি বৃষ্টি বাদল এতো বুঝেই না যত বিদ্বেষী চিন্তা কবিতার এক গলা আমজনতার মনে প্রেম নদে বালুচর আর রাস্তার মোড় ধূলি বালি মিছিলের রব! বর- বর ভাঙ্গছে মাটি ঝর্ণাধারার পাশে কবির হলো চৌকাঠে ঠিকানা! [বিস্তারিত চৌকাঠে ঠিকানা]
ক্যাটাগরি কবিতা
ভাবতে ভাবতেই জীবন হলো শেষ! বলছো শুনে ভান্ডে কি ধন? পক্ক ক’টা কেশ। আরজি করে পেশ, জেনেই তবু ভাবনারা কয় ’বেশ তো আছি বেশ!’ ছোট্ট বেলায় সেই যে এসে ভূতো, বললো জানিস কার পানে ধায় চাঁদের বুড়ির সুতো? ভাব হলো অকুতো, বুঝনু যাবে যৌবনের ক্ষণ রুখতে ওদের গুঁতো। সাথী ভেবেই রাখতে তবু মান, কাম-কাজে রোজ [বিস্তারিত ভাবনার কথা]
আমাদের দেখা হবেনা ঠিক করেছি। তারপর কেটে গেলো বহুবছর। একদিন আমরা ঠিক করলাম আমাদের দেখা করা জরুরী। দেখা করবো করবো বলে হঠাৎ আমাদের কাছে পৌঁছে গেলো বদলির নোটিশ। আমাদের আর দেখা হলোনা। আমাদের আফসোস গুলো পৃথিবীর পথে প্রান্তরে মিশে গিয়েও যেনো মিশে গেলোনা।
তুমি কি আপাদমস্তক আমার হবে ? চিন্তায়, চেতনা, অহর্নিশি ভাবনায় ঘরকান্নায় অগ্নি জলে ? বেলা অবেলায় গল্পের আসরে শ্রাবণের ঝড়ো বৃষ্টির উষ্ণতায় হেমন্তের শেষ পূর্ণিমায় জোছনা বিলাস দোসরে তুমি কি আমার হবে, একান্তীয় ? ক্লান্তিতে, অবকাশে, বিষণ্ণ প্রহরে ব্যস্ততায়, জড়তায়, মনের অগোচরে গোলাপের হাসিতে, হাছনার সুবাসে তুমি কি আমার হবে, পূর্ণ খুশিতে ? ধর্মে, [বিস্তারিত তুমি কি আমার হবে ?]
যতোই ভাবো ’যায়নি কি সুখ আমায় ছেড়ে কবেই!’ বাঁচতে হলে জোর করে হোক হাসতে তোমায় হবেই। হাসি বিনে সব যে ফাঁকা বলছো শুনে কালের চাকা? সেও যদি কয় ঘুরছি আমি হাসি পেলে তবেই! বাঁচতে হলে জোর করে হোক হাসতে তোমায় হবেই। কষ্টে থেকেও কাজ-কামে ঢের ছড়াও যদি হাসি, দেখবে আছে অনেক কিছুই তোমার পাশাপাশি। ভাবতে [বিস্তারিত হাসতে তোমায় হবেই!]
তুমি চেয়েছো উড়ন্ত ফড়িং, খোলা আকাশের মতো জীবন। আমি কবি, ভাঙচুর, উদাসীন অথবা ধূ ধূ মরুর মতো জীবন আমার। আমি আমাকে বারবার ভাঙি-গড়ি, ভালোবাসা আমাকে ভীষণ আহত করে,আমি ঝরে পড়ি তারপর তোমাকে ভেবেই জেগে উঠি শিশির মাখা লিকলিকে লাউ ডগার মতো। আবারো তোমার প্রেমে পড়ি। তারপর আবারো পুনরাবৃত্তি….
তুমি অভিমান ভেঙে ফিরে এসো। আমি এক বিকেলের পাহাড়ি মেলা থেকে রঙিন ঘুড়ি কিনে দেবো। চুলের খোঁপায় গুঁজে দেবো সাতসকালের রজনীগন্ধা! ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমুর দিব্যি দেবো। তোমার বুকের ভেতর এঁকে দেবো সপ্ত এক প্রতিমা! অজস্র কোলাহলের মাঝে তোমাকে আগলে রাখবো। কপালে পরিয়ে দেবো ছোট্ট একটা টিপ। কবিতায়, গল্পে, উপন্যাসে লিখে দেবো তোমার নাম। কেবল [বিস্তারিত তুমি আমার আগামীর ঈশ্বরী!]
গভীর রাতে যখন প্রেম খুঁজে পাই না- তখন স্বার্থের মন বন্দর যে হারাই; সত্যই কি প্রেম খুঁজে আর পাই? হয় তো বা পাকা ফসল কাটার জন্য কিংবা জমি নিড়ানি দেওয়ার জন্য- প্রয়োজনতার কারণেই শুধু প্রেম খুঁজা! সত্যই মন বন্দরে বেঁধে রাখে না আপন স্বত্ব কিংবা ভুলে যাওয়ার আত্মপ্রবঞ্চনা; তবু- তবু ভুলেই গেছি প্রথম প্রেম-এখন প্রয়োজনের [বিস্তারিত অষ্টাদশী প্রেম]
সু কাজের ক্ষেতে যদি বাঁধা জেগে নিরবধি জ্ঞাতির হৃদয়ে হয় সুখে উল্লাসী, মনে হবে নিজ পদে ‘আমি পরবাসী!’ হিংসা বিবাদ হোক মানুষেরই ধন, পারে কি কাড়তে ওরা সুবোধের পণ? জেনে ক’টা মনোরথ সাজালে কাঁটায় পথ সুহৃদের মুখে গড়ে সংশয়ী হাসি, মনে হবে নিজ পদে ‘আমি পরবাসী!’ কখনো বিবেক নয় কেউটের জাতি, হলে কি ধরণী পেতো [বিস্তারিত আমি পরবাসী!]
বৃষ্টিস্নাত আষাঢ়ের বৈকাল পেলেই নদীর কিনারা ঘেঁসে ধেয়ে চলে দলছুট অম্বুদ সেজে ব্যাকুল এ মন, নিভৃতে ছড়াতে চায় যতনে সোহাগে ছায়া ঘেরা স্বপ্নময় চেনা এক গ্রামে অতল পিয়াসী তার আছে যতো অস্ফুট অনুরণন। লোক-চক্ষুর আড়ালে জাগাতে সে ঘাটে রঙিলা নায়ের প্রাণ, গলুইয়ের প্রান্তে বসে গাইতে চায় ব্যাকুল দোলনে একা গলা ছেড়ে ভাটিয়ালী গান। সখ্যতা বাড়াতে [বিস্তারিত কদম্ব ফুলের হাসি]
আঙুরের ঘুম ভেঙে গেলে খসে পড়ে বোটা ছিঁড়ে, তারপর মদ হয়ে যায় সে শরীর। পৃথিবী দুলে, দুলে চকচকে চোখে গহীনের নীড়। আসমানের টনক নড়ে যায়, মেঘে মেঘে শুরু হয় নৃত্য। তীব্র আলোর ঝলকানিতে উল্লাসিত মদের গেলাস, বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে থাকে পোষা যতো ভৃত্য। আঙুরের ঘুম ভেঙে গেলে কামের শেষ বিন্দু থেকে নেমে আসে ঘাম, [বিস্তারিত আঙুরের ঘুম ভেঙে গেলে।]
বহুদিন ধরে পাওয়া হয়নি যা চাই, অক্ষরে অক্ষরে ললিতকলা সাধন করেনি কবি। কেন কবি? এ তোমার ভারি অন্যায়! প্রকৃতি মাতার কোলে শুয়ে আমায় কি পড়েনা মনে? যদিবা পড়ে কবিতা ঘুমায় কেন নিঝুম বনে? যা-ই হোক কবি শুনবোনা অযুহাত, এবার চাই-ই চাই একখানা কাব্যিক চিরকুট! বলোনা যেন ” তুমিই কবিতা রাজকন্যা “! জানোত, তোমার শব্দ অলংকার [বিস্তারিত চাওয়া]
জলের ঢেউ মনের মাঝে- কে দেখে- কে দেখে? সাদা মেঘের আকাশ- শুধু বৃষ্টি ভিজা মাটি! কৈই মাছে, সাঁতার কাটে চেং মাছে আরে লাফে; পুকুর ঘাটে সোনালি রোদ কাঁতলা মাছের ঝাকের পোদ- চক্ষু জুরাই, দুঃখ সরে না জোছনা রাতে রঙধনু মনের মাঝে সাজে- আরে চেং মাছে লাফে। ৯জৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৩ মে ২২
সেদিনের পর থেকে দক্ষিণের জানালাটা আর খোলা হয় না আহ্, কতোদিন হয়ে গেল বন্ধ জানলার খিলে জং ধরেছে, কাঠগুলো এখন ঘুন পোকার বসতি। বছরের পর বছর দুঃখ কষ্টের মলিনতায়, স্বচ্ছ কাঁচ গুলো আঁধারের পথ খুঁজে নিয়েছে। মাঝে মাঝে সূর্যের আলো জোর করেই প্রবেশ করতে চায়, বদ্ধ কাঁচের ফাঁক গলে আর কতোটুকু ই বা পারে। ইচ্ছে [বিস্তারিত বদ্ধ জানালায়]
আমি ছিলাম এক সুন্দরী রমনীর বুকের দেয়াল। আমাকে যত্ম করে তিনবেলা মুছতো সে। তার সারাদিনের ক্লান্তিময় জীবনের প্রতিটি কথা, আমাকে এক এক করে শুনাতো। শুনাতো ভালোবাসার গল্প, বিষমাখা তীরন্দাজের গল্প। আমি অল্প অল্প করে আমার বুকের সমস্ত বালি কনা দিয়ে একটা ছোট্ট মহল বানালাম। খুলে দিলাম ভালোবাসার সমস্ত দুয়ার। জমানো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভালোবাসা রমনীর পায়ে [বিস্তারিত একটি পঁচা নর্দমার কাচ।]