ক্যাটাগরি সাহিত্য

অর্পিতা ১৭

সঞ্জয় কুমার ৯ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ১০:৩১:০১পূর্বাহ্ন অন্যান্য, গল্প, সাহিত্য ১৬ মন্তব্য
আজ অর্পিতার জন্ম দিন । রাজু বড় একটা কেক এর অর্ডার দিয়েছে । মিলন গোপনে কেকের উপর লাভ চিহ্ন ভিতরে J+A লেখিয়েছে । হাসপাতালের নার্স ডাক্তার বুয়া সবারই দাওয়াত । সন্ধ্যায় কেক কাটা হবে । অর্পিতা জীবনে এই প্রথম এত আয়োজন করে জন্মদিন পালন করবে । সন্ধ্যা সাতটা ............ হাসপাতালের ২০৩ নং মহিলা কেবিনটা সুন্দর [ বিস্তারিত ]

ইতি আমি

ওয়ালিনা চৌধুরী অভি ৯ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ০১:০৯:৪৫পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ২৭ মন্তব্য
বাস্তবতার কড়া ঝাঁঝে মুষড়ে পড়ে আটপৌরে আহ্লাদ জীবন জুড়ে কি সব টানাপোড়নের আঁকিবুঁকি, কিছু বুঝি... কিছু বুঝি না। আমার মন এখনো সেই ছবির হাটের ফুসকার দোকানেই পড়ে আছে , ঝিরঝির বৃষ্টি ঘরে ফেরার তাড়া নেই এমন একটা পুরোনো বিকেল খুব মনে পড়ে । হাত জুড়ে রেশমি কাঁচের চুড়ি ইচ্ছে করে নানান অযুহাতে কিশোরীর মতো হাত [ বিস্তারিত ]

ছেঁড়া প্রতিবিম্ব

সাদিক মোহাম্মদ ৯ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ১২:২৪:১৫পূর্বাহ্ন কবিতা ১৪ মন্তব্য
জলের জানালা চিনে মাছরাঙা ঝাপ দেয় গাঙে সান্ত্রীর চাবুক শিস কাটে আনত মাথার উপর স্বার্থের তন্ত্রি ছিঁড়ে গেলে কমে যায় ভক্তি-ভিড় ধুলোয় ডুবে থাকে পুরনো গল্প বিরাণ বেদী নন্দিত নূপুর জলসার গুটানো শতরঞ্জি ধীরে ধীরে নেমে আসে তারা নিবিষ্ট পদচারণায় পথে ভাসে বাউলের সুর দূরগামী ছায়ামূর্তি নির্জনে বাজিয়ে চলেছে প্রাণ দু’ধারে সারি সারি স্মৃতির মিনার [ বিস্তারিত ]

জীবনের খরতাপ – ২

আজিম ৮ জুলাই ২০১৪, মঙ্গলবার, ১১:৫৮:০০অপরাহ্ন গল্প ১৫ মন্তব্য
আজ আট বছর জেলে আছেন আনিস। পাঁচ বছর আগে তার মুক্তি হয়েছিল। কিন্তু অপর এক মামলায় জড়িয়ে আবার তাকে জেলগেট থেকেই এ্যারেষ্ট করা হয়। অনেক আশা করে রিসিভ করতে এসেছিল জোর করে তার স্ত্রী হয়ে-যাওয়া সঞ্চিতা। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া যার কিছুই করার ছিলনা। হাত উঠিয়ে বিদায়ই জানিয়েছেন শুধু ওরা একে অন্যকে। কয়েকদিন থেকে [ বিস্তারিত ]
দুটি  নিউ ব্রান্ডের টেক্সির মধ্যে থেকে ছোটন সহ কিছু স্পেশাল পোষাকদারী লোক বেরিয়ে ভাইয়ের বাসায় ঢুকেন।কার্পেটে সাজানো ভাইয়ে বিশাল বৈঠক খানায় অবস্হান নেন তারা।ছোটনের ভাইয়ের পরিবারের সাথে বেশ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বেশ আগে থেকেই তাই সে অন্দর মহলে ভাবীর সাথে আড্ডা মারছে।ভাই সবে মাত্র সাওয়ার সেরে তোয়ালে ভেজাঁ চুল শুখানোর চেষ্টায় ছোটনকে দেখে ভাইয়া তাকে [ বিস্তারিত ]

মনের পর্দা আসল পর্দা!

শাহ আলম বাদশা ৮ জুলাই ২০১৪, মঙ্গলবার, ১২:৪৬:৫৫অপরাহ্ন রম্য, সাহিত্য ২০ মন্তব্য
(পূর্বপ্রকাশিতের পর ) সত্যি, আমার মনের পর্দায় ঢাকা দুঃখগুলির কথা, তবে কি প্রকাশ করা ঠিক হইবেনা! মনের পর্দাই কি তবে আসল আর চোখের পর্দার বাহিরের সবই কৃত্রিম-নকল? বুঝিলাম, মনের বাহিরের সকল পর্দা এমনকি শরীরের পর্দাও অহেতুক জঞ্জাল! তাইতো, কোনো মহান নারীর পৃষ্ঠপোষকতায় নহে, কেবল পুরুষশাসিত সমাজের ধান্ধাবাজ উদার মহান পুরুষদের আন্তরিকতায় এখন নিছক ব্রেসিয়ার, পেন্টি [ বিস্তারিত ]

অর্পিতা ১৬

সঞ্জয় কুমার ৮ জুলাই ২০১৪, মঙ্গলবার, ১১:৫৯:১৮পূর্বাহ্ন গল্প, সাহিত্য ১৩ মন্তব্য
জয় একটা রিকশা নিয়ে সদরে আসল । রাজু: দেখুন তো দাদা ,দিদি কিছুই খেতে চাইছে না আপনি একটু বোঝান । ঠিক আছে তুমি নাস্তা করে আসো সকালে তো মনে হয় তোমার খাওয়া হয়নি । ঠিক আছে । অর্পিতা কেমন আছ ? দেখতেই তো পারছ অহ হ্যাঁ তাইতো তুমি তো অনেক তারাতারি সুস্থ হয়ে গেছ । [ বিস্তারিত ]
হরিদাসের আত্মহত্যা হরিদাসের আত্মহত্যার দিন সকাল থেকে সে সারাদিন একা একা উদ্দেশ্যহীন ঘুরে বেড়ায়। হরির এই শীতলতায় সকাল থেকেই তার স্ত্রী তপতীর মুখ ভার। কারণ, সেদিন ভোরের আগে তপতী হরিদাসের দেহ প্রার্থনা করেছিলো। হরি কামার্ত হলে নারীর প্রাকৃতিক রতি নিষিদ্ধ সময়েও তপতীকে উথাল পাথাল করে আদিম বাসনার ঝড় তুলে ফেলে, মানে না কোনো বারণ। অথচ [ বিস্তারিত ]

তিনটি কবিতা–

তাপসকিরণ রায় ৭ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ০৭:৩৭:৩৫অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ১০ মন্তব্য
(১) কতটা দেখেছ তুমি--কতটুকু উদ্ভাস যন্ত্রণায় রাতের সেতার বাদক আনমনে যে সুর টেনে নেয় বুকে জীবন বয়ে গেছে রাতের আঁধারে...তবুও কাঙ্ক্ষিত সে রাগ ধরতে পারে নি সে তার বেহাগ আলাপে স্ফটিক কক্ষের সাঁঝবাতি নিভে গেল কাঁচ ঘনত্বে শুধু ফুটে ওঠা সে অভিমানী মুখ ! (২) তুমিও পার নি--যাত্রা পথ মাঝ পথ থেকে করেছ বিসর্জন ধূলি পায়ে আড়মোড়া [ বিস্তারিত ]

অবশেষে মিমি(পর্ব-২)

পুষ্পবতী ৭ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ১২:০৩:০৫অপরাহ্ন গল্প ১৬ মন্তব্য
জলিল মিয়া :আর কইওনা মিয়া অনেক দিন ধইরা আমার জমিটা বন্ধক আছে মহাজনের কাছে। ছোট পোলাটার অসুখের লাইগা মহাজনের কাছ থাইকা বিশ হাজার টাকা নিছিলাম।মহাজন কইছে তিন মাসের মধ্যে টাকা ফিরত দেওন লাগব। কিন্ত অহনো পুরা টাকার জুগার করতাম পারিনাই।টাকা দিতে না পারলে মহাজন আমার জমি দখল নিয়া নিবো। জমি নিয়া নিলে আমার সব শেষ হইয়া যাইবো। রমিজ মিয়া :তোমার কথা হুইননা খারাপ লাগতাছে কিন্ত কি করুম কও আমার অবস্থাতো জানোই কত কষ্ট কইরা দিন যাইতাছে। তোমারে সাহায্য করতে পারলে মনডা ভালা লাগতো। কত টাকা জুগাড় করছো? জলিল মিয়া : আট হাজার টাকা। রমিজ মিয়া :তাইলে মিয়া একটা কাম কইরা দেখতে পারো জলিল মিয়া :কী কাম? রমিজ মিয়া :যেই টাকা আছে তা দিয়া মহাজনের কাছ থাইকা আরো কিছু দিনের সময় নেয়ও জলিল মিয়া :না মিয়া মহাজন যেই মানুষ সে কুনমতেই রাজি অইবো না। রমিজ মিয়া :রাজি অইবো একটা উপাই আছে জলিল মিয়া :কি উপায়? রমিজ মিয়া:আমডার গ্রামের মাস্টার মশাই রে লগে লইয়া তুমি যাইবা।মাস্টার মশাই হলো সম্মানিত মানুষ মহাজন তার কথা ফেলতে পারবো না জলিল মিয়া :ঠিক আছে তুমি যহন কইলা আমি যামু মাস্টার মশাইয়ের কাছে। তারপর রমিজ মিয়া মাঠে চলে গেল জলিল মিয়া কয়েক পা হাটার পর দূর থেকে দেখল মাস্টার মশাই হেটে যাচ্ছে।"মাস্টার মশাই বলে জুড়ে ডাকলো জলিল মিয়া:অসসালামুয়ালাইকুম মাস্টার মশাই। মাস্টার মশাই:ওয়ালাইকুমআসসালাম।কেমন আছ জলিল?তোমার ছেলের কি অবস্থা? জলিল মিয়া:আপনাদের দোয়ায় ভালা আছে স্যার।এহন আগের থাইকা অনেকটা সুস্থ।আপনার লগে আমার কিছু কথা আছিল। মাস্টার মশাই:ঠিক আছে আমি এখন স্কুলে যাচ্ছি বিকালে বাসায় আসো তারপর শুনব। জলিল মিয়া:আইচ্ছা আমি বিকালে যামু। মিমি ক্লাস নাইনে পড়ে।তার জন্য অনেক বিয়ের সমন্ধ আসে।কিন্ত রমিজ মিয়া এখনই মেয়ের বিয়ে দিতে চায়না।সে ভাবে মেয়েকে পড়াশুনা শিখিয়ে শিক্ষিত করবে।আশেপাশের কিছু পারাপরসিড় নানান ধরনের কথা শুনে আমেনা বেগম বলে মেয়েকে এতো পড়াশুনা শিখিয়ে কি লাভ?পরের বাড়ি গিয়ে রান্না বান্নার কাজ করতে হবে তার জন্য এত বেশি পড়াশুনার দরকার নাই যতটুকু করেছে তাতে চলবে।আমাদের এমন অভাবের সংসারে এইসব মানায় না।উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে তারা যাদের অনেক টাকা আছে।মিমি চায় পড়াশুনা করে একজন শিক্ষিকা হবে।কিন্ত পরিবেশ পরিস্থিতি যেমন হয়েছে তাতে মনে হয় বেশিদিন লেখাপড়া আর হবেনা।   চলবে.....    

অর্পিতা ১৫

সঞ্জয় কুমার ৭ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ০৮:৫৮:২২পূর্বাহ্ন গল্প, সাহিত্য ৮ মন্তব্য
আমাকে আপনি চিনবেন না । গত কাল রাতে রাস্তায় একটা ডায়রী পেয়েছিলাম সেখানে আপনার মোবাইল নম্বর ছিল । তাই ফোন দিলাম । কিন্তু আমার তো কোন ডায়রী হারায় নি । হ্যাঁ ডায়েরিটা আপনার নয় তবে আপনার কাছের কারও । আপনার নাম তো জয় তাই না ? হ্যাঁ তাহলে ঠিকই আছে । আপনি দড়াটানা মোড়ে আসুন [ বিস্তারিত ]

আধফোঁটা লীলা

সাদিক মোহাম্মদ ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১১:২৪:২৬অপরাহ্ন কবিতা ১১ মন্তব্য
ম্যাডামের ব্রাশপ্রিন্ট শাড়ি বর্ণালি ফুলেল- আঁচল দেখতে দেখতেই সুগঠিত বাগান হয়ে ওঠে স্বাচ্ছন্দ্যলীলায় তখনও শোঁকা হয়নি- স্বর্ণচূড়া পাড় ঘেঁষে সবুজপাতা লাল-সাদা কুঁড়ির উঁকি-বুকি আধফোঁটা স্পন্দিত গোলাপ খয়েরি ডানায় রক্তজবা-ঝাড়... একদিন ক্লাসরুমে আলগোছে ডানা মেলে ভ্রমর পাখনায় লেগে আছে তার পরাগের বিবাগি গন্ধ বিষাক্ত হুলে মধুর গেরুয়া স্বাদ

নারী ও বৃক্ষ আখ্যান

আগুন রঙের শিমুল ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ০৯:২১:২৩অপরাহ্ন কবিতা ৩০ মন্তব্য
একটা গল্প ছিল, পাখির। অথবা নারীর পাখি হবার, মেঘের মত আদুরে ইচ্ছেদের মত স্বাধীন আর প্রকৃতির মত উদাসীন তোমার মত ইচ্ছে খুশির ঝলক ছিল অধরে একটা গল্প ছিল, বৃক্ষের। বৃক্ষ অথবা মানব, একলা প্রাণ এক ঠায় দাড়িয়ে সয়ে যাওয়া ঝড় জল খর তাপে চৌচির,কুয়াশার হিমে জমা, উষ্ণ আদরে গলতে না জানা, অচঞ্চল ধীর কিন্ত নিশ্চিত [ বিস্তারিত ]

কবিতাই সব

মোকসেদুল ইসলাম ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:২৮:৪০অপরাহ্ন কবিতা ৬ মন্তব্য
কবিতা তুমি আছো বলেই আজ আমি কবি বেয়াড়া শব্দগুলো খুব সহজেই এখন আমার খাঁচায় বন্দি সারা মস্তিষ্ক জুড়ে তাদের নিয়ে সাপলুডু খেলি। বিষাদগ্রস্ত মলিন চোখে বিশ্বাসের আনাগোনা বাড়ে প্রেয়সীর ভুলে ঘুনে ধরা হৃদয়ে আবার সজীবতা ফিরে আসে। কবিতা তুমি আছো বলে মনের আকাশে ওড়াই স্বপ্নের ঘুড়ি বায়োনারি পজিশনে দেখি আজব পৃথিবী।

অবশেষে মিমি(পর্ব-১)

পুষ্পবতী ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:১৭:৫২অপরাহ্ন গল্প ১৩ মন্তব্য
চারদিক অন্ধকার হয়ে আছে বৃষ্টি আসবে,আকাশে এতো মেঘ করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,দুরের সব ঘড়বাড়ি গাছপালা গুলো দেখে মনে হচ্ছে অন্ধকারে ডুবে গেছে।ফসলের মাঠ থেকে কৃষক,রাখাল সবাই ছুটে চলেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো।মিমি তার বাবার জন্য চিন্তা করছে,আর মাকে বলছে আকাশের এই অবস্থা তার বাবা ফিরে আসছেনা কেন?বলতে বলতেই হাজির হয়ে গেল মিমির বাবা রমিজ মিয়া।রমিজ মিয়া একজন কৃষক পরের জমিতে চাষ করে সংসার চালায়।অভাব,অনটনের মধ্যে থেকেও খুব সুখেই দিন চলে যাচ্ছে তাদের। রমিজ মিয়া গ্রামের একজন সরল সোজা মানুষ।ঝগড়া ঝাটি মারামারি এইসব একদম পছন্দ করেন না।বলতে গেলে গ্রাম বাংলার একজন খাটি মানুষ।তিন ছেলেমেযে আর সহধর্মিনী আমেনা বেগম কে নিয়া তার সংসার।বড় মেয়ে মিমি ,অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী।লেখাপড়ায় খুবই ভালো।ক্লাসে সবসময়ই প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়না।মিমি তার বাবা কে খুব ভালবাসে,বাবার জন্য অপেক্ষা করে কখন বাড়ি ফিরে আসবে,এক সাথে খাবার খাবে,বাবা ও মেয়েকে খুব ভালবাসে। প্রথম সন্তানদের  সব বাবা মা ই একটু বেশি ভালবাসেন।মিমির ছুটো ভাই রাসেল ও ছুটো বোন রিমি।পরের জমিতে খেটে যা রুজগার করে তাতে সংসার চালাতে হিমছিম খেতে হয় রমিজ মিয়াকে পাচ জনের সংসার,খরচ কম নয়,দিনের পর দিন জিনিস পত্রের দাম যে হারে বাড়ছে আয়ের পরিমান সেই হারে বাড়ছেনা, ফলে রমিজ মিয়ার মত এমন অনেক পরিবারই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে,এতে করে শুধু কষ্ট পাচ্ছে সমাজের নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তরা। মিমি,রিমি আর একমাত্র ছেলে রাসেল কে নিয়ে রমিজ মিয়ার মনে হাজারো স্বপ্ন।ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা করিয়ে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।মেয়ে দুইটাকে পড়াশুনা করিয়ে ভালো কোন ছেলের হাতে তুলে দিবে আর ছেলে পড়াশুনা শিখে বড় চাকরি করবে।এই আশা নিয়েই দিনের পর দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাটিয়ে দিচ্ছে রমিজ মিয়া। মিমি এইবার ক্লাস নাইন এ উঠেছে,সে কিছুটা বুঝতে পারে বাবা সংসারের জন্য কত কষ্ট করে,মিমি ভাবে পড়াশুনা শেষ করে একজন শিক্ষিকা হবে আর বাবার পাশে দাড়াবে তখন আর এত কষ্ট করতে হবেনা,সংসারের সব অভাব দূর হয়ে যাবে। সকাল হয়ে গেছে আযানের ধবনি ভেসে আসছে মসজিদ থেকে,রমিজ মিয়ার ঘুম ভেঙ্গে গেল,ঘুম থেকে উঠে ওজু করে নামায পড়ল,তারপর পান্তা ভাত,লবন আর কাচা মরিচ দিয়ে খেয়ে বের হয়ে গেল মাঠে,এইভাবেই প্রতিদিনের জীবন চলতে থাকে মাঠে যাওয়ার পথে দেখা হলো জলিল মিয়ার সাথে।জলিল মিয়া খুব মন খারাপ করে বসে আছে। রমিজ মিয়া :কি ভাই কি খবর অনেক দিন ধইরা তোমার কোনো খুজ খবর নাই। জলিল মিয়া :আছিলাম একটু দৌড়াদৌড়ির মইধ্যে।মনডা বেশি ভালা না। রমিজ মিয়া :কি হইছে? চলবে...

মাসের সেরা ব্লগার

আর্কাইভ