হঠাৎ যদি আমার লেখা পড়তে এসে দেখো জ্বল জ্বল করতে থাকা ফেইসবুকের নীল আলো জ্বলছে না আর। আইডির পাশে ছোট ছোট হরফে যদি লেখা থাকে – Remembering Moniruzzaman onik. We hope that people who love Onik will find comfort in visiting his profile to remember and celebrate his life. যদি কারো মারফতে জানতে পারো [বিস্তারিত রিমেম্বারিং প্রোফাইল।]
ক্যাটাগরি সাহিত্য
” নামতা পড়ার মতো শুধু আউরিয়েছি আমি মেয়ে, আমাকে সব সইতে হবে, আমি হবো ধরিত্রীর মতো সর্বংসহা, প্রতিবাদের একটিই পথ, সীতার মতো অগ্নিপরীক্ষা বা পাতাল প্রবেশ। সীতা ছিলেন দেবী। তাই ও দুটোর কোনটাই আমি করতে পারিনি! যখন চারিদিকে শুধু ছিঃ ছিঃ ধ্বনি শুনেছি, সমাজপতি, অতি আপন জনরা বলেছেন, মরতে পারলি না হতভাগী, আমাদের মারার জন্য [বিস্তারিত আমি বীরাঙ্গনা বলছি]
ওখানে দাবানল এখানে হিমবাহ! দুটোতেই অন্তঃস্থ শূণ্য! শূণ্যপুরে বসতিস্থল ; একফোঁটা সুপেয় নেই কোথাও! আহা তৃষ্ণা লয়ে ফেরে; যতদূরে চোখ যায়… মরিচীকা ডাকে আয় আয়! অনেক শব্দ- বাক্য, সংগীত-নৃত্য,ধ্যান-যৌগ, ইদুর দৌড়, সবশেষে আশ্রয় খুঁজেছি প্রকৃতিতে। বলেছি তুই নদী! কেবল বয়ে যা পেছনে তাকাসনে। বলেছি তুই মেঘ! কখনো ছায়া দে, কখনো ভিজিয়ে দে, হাওয়ায় উড়ে যাসনে। [বিস্তারিত শূন্যতা]
দৈনিক পত্রিকার চিঠিপত্র কলামে নিয়মিত লিখতাম। মাঝে মাঝে দুই একটি কবিতা প্রবন্ধ সাহিত্য পাতায় ছাপা হত। মনে মনে বিশাল কবি কবি ভাব। আর হবেই না কেন প্রচুর চিঠি আসতো ভক্তদের। ভক্তদের চিঠি পেয়ে আমিও বাকবাকুম পায়রার মত ফুলতে থাকি। চিঠিগুলো সের দরে বিক্রি করল বন্ধ হতো না। যেহেতু চিঠি আসতো চিঠি উত্তর দেওয়া তো ভদ্রতার [বিস্তারিত এমন ভক্ত যদি থাকে (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
দু’ফোঁটা অশ্রু তোমারে দিলাম হে রহিম রহমান, ফিরাইওনা আজি শীর্ণ দু’হাত রেখো না গো অভিমান। কতো লোক শুয়ে আন্ধার গোরে বুঝি বড় অসহায়, অনুগত মেনে ঠাঁই দাও প্রভু পবিত্র চরণায়। দুনিয়ার পথে চলতে যা পাপ করেছিলো ভাঁড়ে জমা, শুধু গুনে ভরা নামের শানেই করে দাও তুমি ক্ষমা। সকলের হৃদে স্বর্গের সুখ কৃপায় করো গো দান, [বিস্তারিত মোনাজাত]
আজ কেন যেন ঘুম এলোনা, কারুর আসার কথা ছিল সে-ও এলোনা। দুঃখ সুখের মুহূর্তরা না বলেই চলে যায়, রেখে যায় রেশ, চাঁদের পশরা না সাজলেও মেঘের আড়ালে রয়ে যায় জোছনার টিমটিমে আবেশ! জেনে গেছে আমার আকাশ, কোথাও চুটিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে বেশ! কানেকানে সেকথা গুনগুনিয়ে বলেছে ঠান্ডা জলীয় বাষ্প! অকারণে আজ ঘুম পালাল, রাত তার পুরনো [বিস্তারিত একটুখানি ঘুম]
ভালোবাসা ঝরা পাতা অঘ্রাণে ঝরে যায়, ইতিউতি ফড়িঙেরা উড়ায় পুরোটা দিন শৌখিন ঘুড়ি, দিন শেষে ল্যাম্পপোস্টে নিকোটিন ছাই হয়, বসে থাকে রাজপথ নিঃস্ব একাকী, অথচ আরব্য রজনী তখনো অনেক বাকি! সহস্র রাত জুড়ে ফুটে থাকে যে ক্যামেলিয়া, হয়ত তুমি সেই হারানো অফেলিয়া! ভালোবাসা হেমিংওয়ে ও ক্লান্ত বৃদ্ধলোক, গোধুলি বেলাতে আসে ধীর পায়ে হেঁটে, মাড়িয়ে [বিস্তারিত পুণ্যতোয়া]
আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পৃথিবীর দুই প্রান্তে। দেশ ভাগের মত আমরাও কাঁটাতারের সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছি। অভিমানের বয়স বাড়ে জটাধারী বটবৃক্ষের মত। অভিযোগেরা কি তরুণ তোমার পানের ডিব্বায়! যেন ঈশ্বর শলাকা, লিকলিকে – ভাষা ভেদে তোমাকে পাঠ করছে মহাজাগতিক অপরিমেয় শূণ্যতায়। তবুও তুমি পুঞ্জবিশেষ। আচ্ছা! তুমি – এখনও কি কাঁদো লুকিয়ে লুকিয়ে? যা আমাকে আড়াল করতে [বিস্তারিত চৈতন্যের আত্মবিস্মরণে (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
চারদিক থেকে মুয়াজ্জিন ডাকছেন উচ্চস্বরে আসসালাতু খাইরুম মিনান্ নাঊম… আম্মা উঠে পড়েছেন বহু আগে রান্না ঘর থেকে কেমন যেনো ইদ ইদ গন্ধ ভেসে আসে আম্মার শরীর থেকেই সেই গন্ধ মৌ মৌ করে ভেসে আসে ঘরে, মিশে যায় বাতাসে বাতাসে। আমি বসে আছি, অবশ চোখে দেখছি সেই মধুর দৃশ্য।আম্মার চোখে ইদের তুমুল ব্যস্ততা, আহা কি [বিস্তারিত আম্মার চোখে যে ইদ লেগে আছে।]
আজ বিশ্ব ‘ডিপ ফ্রিজ খালি করা’ দিবস। উনিশত তেঁতুল সালে বিশিষ্ট মুমিন এবং সর্বশেষ জীবিত জার্মান ফিলোসফার জনাব তির্থক আহসান রুবেল (গাজীপুরী) কোরবানীর আগের দিনকে বিশ্ব ‘ডিপ ফ্রিজ খালি করা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এই দিবসটির প্রধান প্রতিপাদ্য হচ্ছে: এর মাধ্যমে বেয়াই সহ নিকটবর্তী অতি আপন আত্মীয়ের বাড়ি পাঠানোর পাশাপাশি নিজেদের মাঝে ভাগাভাগির পরও বছরব্যাপী [বিস্তারিত আজ বিশ্ব ‘ডিপ ফ্রিজ খালি করা’ দিবস]
কিসের এতো গোসসা রে ভাই কও ভুলে আজ জিদ – ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ! কালের সেরা রূপ হতে ভাই আস্থা রেখে বেশ, বুকের সাথে বুক মিলিয়ে যাও ভুলে সব দ্বেষ। দু’দিনের নয় কে অতিথি? এক গলে গাও সুখের গীতি ঢালতে চোখে নিদ – ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ! ভাগ করে [বিস্তারিত ঈদ মোবারক (গীতিকাব্য)]
জীবনের রঙ কী বহুপদী জীবনের রস কী টক, ঝাল, মিষ্টি। জীবন কী বুকে জমে থাকা সফেদ ফেনিল সাদা উত্তাল ঢেউ। জীবন কী চোখের কোণে জমানো না দেখা অশ্রু বিন্দু। জীবন কী কনে দেখা আলোয় প্রতীক্ষারত ঘোমটা টানা লাজুক বধু। জীবন কী যোগ বিয়োগের হিসাব মিলানো বছর শেষে বদলানো নতুন হালখাতা। জীবন মানে কী শুধু আক্ষেপ [বিস্তারিত জীবন উপাখ্যান]
উতলা মেঘের দিন ডাকছে প্রলয়, শস্যক্ষেতে কুয়াশায় ঢাকা গুচ্ছ গুচ্ছ মাশরুম, প্রাচীন প্রেমের সাথে উড়ে আসে বোধিবৃক্ষে ঘুম! এই বৃক্ষতলে হেঁটেছিল চাঁদ বুকে নিয়ে হারানোর ভয়, নির্লিপ্ত প্রহরে নেমেছিল পৃথিবীর বুকে তীব্র রক্তক্ষয়! বারান্দায় দেবদূত উঁকি দিয়ে খোঁজে কারো নামধাম, জানেন ঈশ্বর, মৃত নদীরা মূলত হয়ে যায় নিলাম! নক্ষত্রের ছায়া মেখে অতল জলে নাচছে সে [বিস্তারিত নীলাম্বরী]
ঘরে একমাত্র নাতি প্রিন্স।বয়স অনুমানিক ছয় সাত বছর।নানাকে ছাড়া একদন্ড তার ভালো লাগতো না।নানাও নাতিকে খুব ভালবাসতেন,আদর করতেন।সারাদিন ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড সেরে যতটুকু সময় পেতেন ঘরে ফিরে গিয়ে শুধু নাতিকেই সঙ্গ দিতেন।নাতির হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মাঝে মধ্যে হিমসিম খেয়ে যেতেন।নানা এ বিষয়টা খুব এনজয় করতেন কারন ব্যক্তি জীবনে সূচিবায়ুওয়ালা এই নানা তার ব্যবসায়ীক স্থান [বিস্তারিত সর্বনাশা পদ্মা পারাপার (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
জ্ঞান প্রভু দাও আমায় তুমি আপন ভেবে অন্তরে – কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল করে! বিষম কাতরে – কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল করে! দেহ ফেলে দাম দিয়েছি কিনে রঙিন জামা, সোনা বিনে আজ বুঝি তাই ভান্ডে শুধুই তামা। না যদি পাপ করলে ক্ষমা তুলবে কে কও হাত ধরে – কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল [বিস্তারিত জ্ঞান দাও প্রভু! (গীতিকাব্য)]