একবুক যন্ত্রণা আমার চোখে জল এনে দিতে পারেনা। তোমাদের দোষ কি? ভেতরের দহন অর্বাচীন,খালি চোখে দেখা যায়না ; চাই হৃদয়ের স্বচ্ছ দূরবীন! একাধিক বার পুড়েছে যে হৃদয়,সে কাঠ কয়লার পুড়বার ভয় কি? প্রত্যুষে সূর্য পোড়ায়, রাতে দুঃখের তুষে! অহর্নিশ ভাঙা-গড়া, রূপ-প্রতিরূপের আপোষে পোড়ায় কথার বিষে! আজকাল বুঝে গেছি, লাভ কিছু নেই অভিশাপ পুষে। শাপ-শাপান্ত ঈশ্বরের [বিস্তারিত ড্যাফোডিল এঁকে দিও (সোনেলা ম্যাগাজিন – ২০২২)]
ক্যাটাগরি সাহিত্য
একটা হলুদ খামে চিঠি এলো,খুলে দেখার আগে একটু আয়েশ করে চেয়ারটাতে বসলাম। বহুদিন আমাকে কেউ চিঠি লিখে না, মাটির মতো আমার কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। এ বিষয় ভাবার চেয়ে ভাবছি কি লিখা আছে চিঠিতে। চিঠিটা খুললাম,যেভাবে যত্নে শার্টের বোতাম খুলে লোকে। প্রিয়তমেষু, আমি নির্জনতা বলছি। আজকাল আমাকে আপনি অস্থির হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। অথচ আপনার [বিস্তারিত নির্জনতা।]
বিশ্বযুদ্ধের মতো গাছদের আগ্রাসী ছায়া, করোটির গভীরে এনেছিল পাখির চোখের মায়া, মৃদু ধোঁয়া মেখে বুকের ভিতর বসে একটি ঘর, ছেড়ে যাওয়া ট্রেইন দেখেছিল বিক্ষুব্ধ দূরবীনে! আংগুর লতায় সোনালি প্রেম মজে গিয়ে বনে, আর্কটিক বলয় জুড়ে নামালো বিধ্বংসী ঝড়, অথচ কথা ছিল সিন্ধুঘোটক সাহারার রাতে বালুতে বিলীন হয়ে হবে নশ্বর! কংক্রিট ছুঁয়ে মৃদু পায়ে [বিস্তারিত সোনালি দূরবীনে]
তুমি বিশ্ব মানবের আস্থা তৃপ্ত দিনে তৃষিত প্রান শরীর বলছেনা কথা, রোদে পোঁড়ার স্বভাব হলো দিন মানবের ব্যথা! শরীর বলে বিশ্রাম নাও সময় বলে না, কে ভুলাবে ক্ষুধার জ্বালা তোমার শূন্যতা! আমি বলি বলছ ঠিকই সুখ তো কর্মস্হানে, যতই গরম আসুক না কেন লাজ ভুলিয়ে কাজটাই যে মানে। বিশ্ব জুড়ে হচ্ছে কি, ধ্বংস পথে মানব [বিস্তারিত তৃপ্ত দিনে তৃষিত প্রাণ]
আমি কি নির্মম ভাবে মারা যাচ্ছি তুমি কি টের পাচ্ছো? এই যে সন্ধ্যের আলো ফিকে হয়ে আসে দৃষ্টিহীন আঁধারে, এই যে মানুষগুলো কি নির্মম ভাবে নীরব হয়ে যাচ্ছে কোলাহল এড়িয়ে, তুমি কি টের পাচ্ছো! তোমার জন্য ভালোবাসার মখমলে সেলাই করা শার্টের ভেতর একটা গোলাপ আজো ফুটে আছে তার সুবাস তোমার কাছে কি আদৌ পৌছেছে? [বিস্তারিত পুড়ে যাচ্ছে সব]
হতে এসেছিলাম পাঠক সে-ও আমাকে ফেলে দিলো উঠে দাড়াবো ভাবছি কত’ক দুমড়ে মুচড়ে মন ভাংলো। ললাট তুই বড্ড জ্বালাচ্ছিস, ভাবাবেগ নাই তোর ভালে, কানছিস কেন রথে? এ যে মহা স্রষ্টের স্রষ্টার নিবিড় ডাক খুশি থাক খুশি থাক আখেরি নবীর পথে। অপারগ, অধম মেধা মনন ভাবাবেগ ইচ্ছেই অধম জাগ্রত বেশ তাই পড়েই অপারগ এইতো, আছি ভালো [বিস্তারিত দুঃসময় “সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২”]
আমার কেবল ইচ্ছে জাগে ভাটির পাড়া গাঁয়ে জলে ভাসা জন্ম যদি দিতো আবার মায়ে, হাঁসের শ্রীতে মাছের হৃতে কাটতো সারাবেলা ঢেউয়ের প্রীতে জমতো কত স্বভাবজাত খেলা; কলমি কলার ভেলায় চড়ে বর্ষা মোদের বাড়ি আসবে বলে ঠিক সময়ে দিতো বছর পাড়ি, নাও ঝিমানো তামুক জ্যেঠুর ডাকতো নাকে মেঘ জলের ‘পরে নাওয়া-খাওয়া জলের ‘পরে ত্যাগ! রোজ [বিস্তারিত জন্মটান]
সুনীলদা’র মতো পাহাড় কিনতে পারি নি বলে আজও কেউ ভালোবাসেনি! কেউ কথা রাখেনি। এমনকি কেউ পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয় নি। আমারও তো পাহাড় কেনার সখ ছিলো। খুব করে ভালোবাসবার ইচ্ছে ছিলো। স্বপ্ন ছিলো সবুজ দূর্বাঘাসের উপর দাঁড়িয়ে রাতের জোছনা দেখবার। কথা ছিলো শীতার্ত ও সকরুণ সুরে ডাকা ডাহুকের আত্মকাহিনী নিয়ে লেখা! আর কি কথা ছিলো [বিস্তারিত একদিন খুব কাছের ছিলাম!]
শ্রাবনের আকাশ অঝোরে টপটপ করবে। তা হচ্ছে না। যে ক’ফোঁটা পড়ছে তা ধুলোময় শুষ্ক রাস্তা- ঘাট তৃষ্ণার্ত প্রেমিকের মতো ঠোঁট লাগিয়ে শুষে নিচ্ছে। ধোয়াময়, ভ্যাপসা একটা অবস্থা। সিডিউল টাইমে লোডশেডিং হবার কথা কিন্তু ১২০ মিনিটে যেন ১ ঘন্টা হয়ে গেছে। দিনে রাতে হিসেবের বাইরে লোডশেডিং। সামনে কি হবে তা ভেবে আতংকিত হচ্ছি। তবে যা হবে [বিস্তারিত গরম দ্যা হট]
চোখে ছিল ঊর্মিমালা, লুকিয়ে এক ফাঁকে, ঊষা লগ্নে তিলক এঁকেছিনু কপোলে! রেখে দিও যত্নে ভালোবাসার চিহ্ন ভেবে! একদিন পরিযায়ী পাখির দেশে ছিল অস্থায়ী ক্যাম্প, ছিলো কৈশোর মাখা চড়ুইভাতির রসদ, মুখে লেগে রয়েছে আজো নোনা স্বাদ। রান্না বাটি খেলার আনাড়ি আয়োজনে, জমে উঠেছিল একবেলার সংসার! আহা! স্মৃতির পাতায় লিপিবদ্ধ স্বাধের কৈশোর! চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আমাদের দূরত্ব। [বিস্তারিত বন্দিনী কথন ( সোনেলা ম্যাগাজিন-২০২২)]
নতুন জলে দল বেঁধে মাছ উঠলে খেলায় মেতে, ঘামবে চেয়ে কানা বগি খুব লোভে ওঁত পেতে। পাতবে রে ফাঁদ কেউ তো পাশে দিক যতোই ডাক শুঁটকা হাসে সব সয়ে সে জাগলে গাছে ঘাপটি মেরে ঝুলে, পারবি কি তুই থাকতে সখা দেখলে আমায় ভুলে! বর্ষা কালের বিহান বেলা বৃষ্টি গেলেই ছাড়ি, ইস্কুলের দল ভুল না করে [বিস্তারিত পারবি কি তুই!]
তোমাকেই প্রয়োজন ধ্রুবতারা, বন্দরে অচেনা তিমির পাল পৌঁছেছে সবে, কড়া নুন মিশছে ধীরে বহতা নাফের বুকে, ভালোবেসে প্রমত্তা নদী মোহনায় পৌঁছাবে! ঝংকারে ঝলসায় দিন শেষে জলসায় নিভু নিভু প্রদীপেরা, জানালার পর্দায় উৎসব মত্ত হাওয়ায়, বাতাসে অপেক্ষমাণ স্তব্ধ নক্ষত্রেরা! দুই চোখে ঢেউয়ে ভাসে উজ্জ্বয়িনীর মায়া, হয়ত সে মিশে আছে মেঘের নাব্য নীলে, ভোরে আকাশে খোঁজ [বিস্তারিত প্রমত্তা]
দু টাকার সিগারেটের প্যাকেট, একটা কলম, ছিঁড়ে যাওয়া ক’খানা কাগজের টুকরো আর একটা ঘরবন্দি জীবন হলেই তুমি দিব্যি বেঁচে যাও! এদিকে আমি ঘর ভর্তি পচা-বাসি ভাতের গন্ধে রোজ সংসারটাকে টিকিয়ে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাই। এ ছোট্ট ঘরখানা জুড়ে একটু একটু করে খুচরো পয়সার মতো জমানো ভালোবাসা খুঁজে পাই। অথচ, কিছু না ভেবে তুমি কেমন বললে, [বিস্তারিত অনন্ত অভাব (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
১. আশীর্বাদ; হে আমার প্রিয়তমা দিনকে দিন জমতে থাকে অভিমানের বরফ; একদিন গলে গেলে ভাসিয়ে নিবে সব ধ্বংসস্তূপে আমাকে চিনতে পারবে তো নাকি-আবার মিথ্যা অভিনয়ে উঠে দাঁড়াও! অভিশাপ নয়। ভেসে যাচ্ছি আমি যাচ্ছে, যাক আমারেই জমানো সর্বস্ব। উঠে দাঁড়াও তুমি..দাঁড়াতে হয় তোমাকে লালসার বিশ্রামাগারে উদ্ধারকৃত ভুল প্রেমিক দৈনিক চাহিদার সঞ্চয়; তুমিই সৃষ্টির সফল [বিস্তারিত স্ব-রচিত কবিতা (সোনেলা ম্যাগাজিন, ২০২২)]
ভালোবাসার কবিতা লিখতে গেলে আজকাল হাত কেঁপে উঠে, বুকের ভেতর মনে হয় একশোটা হাতুড়ি পেটা হচ্ছে। ইমারত গুলো ভেঙে ঝুরঝুরে মাটিতে মিশে গেলো, যেনো এ জায়গায় কিছুই ছিলো না, অথচ এখানে ছিলো একটি পার্ক, বয়স্ক কিছু গাছ দূর দেশ থেকে উড়ে আসা এক ঝাঁক অচেনা পাখি- সংসারের বর্ণমালা গুলো তাদের ঠোঁটে উচ্চারিত হতো গুলিস্তানের ঘড়ি [বিস্তারিত ভালোবাসার কবিতা লিখতে গেলে।]