শূন্যতা

ওখানে দাবানল এখানে হিমবাহ!

দুটোতেই অন্তঃস্থ শূণ্য!

শূণ্যপুরে বসতিস্থল ; একফোঁটা সুপেয় নেই কোথাও!

আহা তৃষ্ণা লয়ে ফেরে; যতদূরে চোখ যায়…

মরিচীকা ডাকে আয় আয়!

অনেক শব্দ- বাক্য, সংগীত-নৃত্য,ধ্যান-যৌগ, ইদুর দৌড়, সবশেষে আশ্রয় খুঁজেছি প্রকৃতিতে।

বলেছি তুই নদী!

কেবল বয়ে যা পেছনে তাকাসনে।

বলেছি তুই মেঘ!

কখনো ছায়া দে, কখনো ভিজিয়ে দে, হাওয়ায় উড়ে যাসনে।

বলেছি তুই পাহাড়!

অবিচল থাক্; টলিসনা যতই আসুক ঝড়।

কে শোনে কার কথা,

কথায় কথা বাড়ে;হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলে, “যত্তসব উপকথা!”

বলে বন্ধু,”পথে এসো বলো আসল কথা”।

ভালোবাসা চাই, চাই ভালোবাসিবারে একটি মন!

যে একই সাথে পুরো পৃথিবী!

আমি অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকি;

তোর আবদার রাখি এমন সাধ্যি কোথায়?

সভ্যতার  কাঁটাতারে আবদ্ধ মোরা।

সে পোড়ে তার জ্বরে আমি পুড়ি উনুন ঘরে!

কিছুই বিফলে যায়না শেষ পর্যন্ত গ্রীনহাউজ এফেক্ট পড়ে।

দিনশেষে অস্তাচল-পূর্বাচল ঘুরেফিরে নিজ আবর্তে,

আমি তুমি ঘুরি ; ঘুরপাক খাই সভ্য হওয়ার শর্তে।

ওখানে দাবানল এখানে হিমবাহ,

দুটোতেই পরিণতি শূণ্য।

মোট পড়েছেনঃ ৭১৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. শুন্য হয়ে যাক সব….আর স ব
    তারপর ঘোর মিইয়ে রয়ে যাক শুধুই শুন্য।
    সেখানেই মেলে যদি আ-শুন্যের যত মুক্তি!
    আগুন কিংবা হিমবাহের ব্যাখ্যতীত সংহার! জোড়া শেকলে নিক আজীবন কারাবাস।
    ভালবাসলে শুন্যকেই জাপটে ধরে পার হয়ে যাক এক মহাকাল…..

  2. অনেক দার্শনিকেরা বলেন মহাবিশ্ব নাকি আসলে শূন্য। আবার শূন্যের মাঝে পুর্ণতার খোঁজে পার হয় মানব জীবন। চমৎকার লিখেছেন।

মন্তব্য করুন