মূল লেখায় যান

দু’টি অণুগল্প

তৌহিদুল ইসলামঅণুগল্প৩২টি মন্তব্য

এক. সঞ্জীবনী কবিতা ----------------------- ইদানিং সন্ধ্যায় বারান্দায় দাঁড়ালেই অন্ধকারাচ্ছন্ন আকাশ আর ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে অদ্ভুত এক বিষণ্ণতা গ্রাস করে আমায়। উত্তরের শীতল বাতাসে ছন্দহারা সব ইচ্ছেরা মুক্ত হতে চেয়েও কোন এক অজানা আশঙ্কায় গৃহবন্দিত্ব বরণ করে নিয়েছে নিজে থেকেই। কেমন আছে পৃথিবীর মানুষ এ প্রশ্ন এখন অবান্তর। কে দেবে এর উত্তর? করোনা যেনো দেখিয়ে দিলো… [বিস্তারিত]

বিকেলে বই হাতে নিম গাছের নিচে পাতানো টংয়ের উপর যখন বসতাম তখন প্রায় দেখতাম হালকা পাতলা গড়নের মাঝারি সাইজের একটা শ্যামলা ছেলে মাঠের শেষ প্রান্তে রাখা গাছের গুঁড়ির উপর বসতো। প্রায় নয় রোজ বসতো। হাতে থাকতো জলন্ত সিগারেট। সিগারেটে টানের পর টান দিয়ে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করতো তার চারপাশ। কয়েক ফুট দূরত্বে থেকে আমার সামনাসামনি বসতো।… [বিস্তারিত]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪২তম পর্ব)

ইঞ্জাগল্প১৪টি মন্তব্য

ডাঃ তৌফিক অনিকের বাবাকে খুব ভালো করে চেক করে অনিককে নিয়ে বের হয়ে এসে নিজ চেম্বারে গিয়ে বসলো। কি বুঝলে বন্ধু। আনকেল এখন অনেক সুস্থ, আশা করছি দুই একদিনের মধ্যে উনি আরও সুস্থ হয়ে যাবেন, এরপর আমরা উনাকে ঔষধপত্র দিয়ে রিলিজ করে দেবো। সত্যি বলছিস? হাঁ বন্ধু, রিলিজের পনেরো দিন পর আনকেলকে আবার ভর্তি করিয়ে… [বিস্তারিত]

শীতের রাত্রি। হরিবাবু ঘুমানোর পূর্বে বারান্দায় বসে প্রতিনিয়ত তামাক খেতেন। আজও আপনমনে টান দিতেছেন তামাকে। লালমোহন খেয়েদেয়ে শুইয়া আছে এখন আর ডেকে তোলা তাকে সম্ভব নয়। চারদিক নিস্তব্ধ, রাত্রি গভীর হতে চলছে। হরিবাবু হুঁকাটি সযত্নে বারান্দার দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখলেন। হাত পা ধুয়ে শয্যাগৃহে উপস্থিত হলেন। দুয়ারটি বন্ধ করে যেই বিছানার পাশে গেলেন হঠাৎ করে… [বিস্তারিত]

সেই চারাটি

হালিম নজরুলকবিতা১৪টি মন্তব্য

মনে আছে,ভুল জোছনায় দিয়েছিলে একটি চারা? বৃষ্টি ভেবে পুড়েছিলাম সুখ আগুনে। তোমার দেয়া সেই চারাটি বৃক্ষ এখন বিস্তৃত তার ছায়া, পাতা, ছাল ও বাঁকল। প্রথম দেয়া সেই নুড়িটা পাহাড় এখন, কিয়ে গেছে রুক্ষ নদী, নোনা সাগর। শূণ্য করে ছেড়ে দেয়া হাত দুটো সেই আগের মত শূণ্য আছে আজ অবধি। তোমার মত যত্ন করে কেউ পারেনি… [বিস্তারিত]

ত্রি

ইসিয়াকগল্প১৮টি মন্তব্য

জানালার পর্দা সরাতেই ঘরের মধ্যে আলোরা যেন বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো ঢুকে গেলো। ঘুমানোর সময় আলো একেবারেই সহ্য করতে পারে না মিহির।হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে ঘুম ছুটে গেলো এক নিমেষে এবং অবাক হয়ে চেয়ে দেখলো সামনে মিলা দাড়িয়ে আছে। খানিক অবিশ্বাসে নিজের চোখ কচলে মিলার মুখটা ভালো করে দেখলো সে। হ্যাঁ এতো মিলা। অবাক কান্ড! নিজের… [বিস্তারিত]

"আমি তোমার জন্য এসেছ (পর্ব-আটাশ)" ব্যবসার পাশিপাশি একটা চাকরি নেয়, ওখানেই জীবনটাকে নতুন ভাবে শুরু করেছে। ব্যবসা, চাকরি, কাজ এর বাইরে আরেকটা জীবন আছে আরাফ সেটা ভুলে গেছে। জীবনে কি চেয়েছিলো আর আজ কি পেল তাতে আরাফের আজ কোন আক্ষেপ নেই। কারন ভাগ্য বিধাতা চায়নি প্রিয়া আরাফের মিলন হোক তাই আরাফ তার জীবনের সর্বত্র দিয়ে… [বিস্তারিত]

অবশেষে (১পর্ব)

আতা স্বপনউপন্যাস৮টি মন্তব্য

এক. বাহ! মাছিটাতো খুব সুন্দর! এটা কি মৌমাছি? না! মৌমাছিতো আরেকটু ছোট। এটা তবে কি ? বল্লা হবে ! বাড়ীতে জানালার পাশে বল্লার একটা চাক হয়েছিল। জানলা খুলতে যেয়ে ভুল করে একবার সেখানে হাত দিয়ে ফেলেছিলাম । আর যাই কোথায়? হুল ফুটিয়ে দিল। হু এটা বল্লাই হবে! ফুলের দোকানটার পাশে দাড়িযে আছে সে। সুরম্য সুঠাম… [বিস্তারিত]

বিয়ের মাস ছয়েক পর থেকেই পাল্টে যেতে লাগলো অঞ্জন। সে গতরাতেও ঘুমায়নি। অনলাইনে সারারাত জেগে কার সাথে যেন কথা বলেছে। সকালে জিজ্ঞেস করতেই উল্টো রাগ হলো। –বললো সন্দেহ করা কমাও জান। বিশ্বাস করতে শেখো। এমন করলে সংসার বেশিদিন টিকে না সোনা। তারপর থেকে প্রশ্ন করা কমিয়ে দিয়েছে। প্রেম তারপর বিয়ে। সংসার না করার প্রশ্নই আসে… [বিস্তারিত]

কিছু ঋণ শোধ হবে না

অনন্য অর্ণবকবিতা১৩টি মন্তব্য

তোমার অনেক দেনার মাঝে আমার একটুখানি ঋণ আমার দুই ফোঁটা জল অশ্রু কেবল- অলক্ষ্যে বিলীন। আষাঢ় শ্রাবণ খোঁজে না মন - বাউন্ডুলে মোর তান তোমার সুরেলা গান মাতাল ভুবন - মুগ্ধ লাখো প্রাণ।। উষ্ণ তোমার আঁচল তলায় তিলেক নাই যে ঠাঁই আমার বরফ শীতল অসার দেহে- এতটুকু তাপ চাই, যদি সুযোগ জোটে উষ্ণ ঠোঁটে করো… [বিস্তারিত]

অদেখা প্রেম

সুরাইয়া পারভীনছোটগল্প২০টি মন্তব্য

তখন আমি নাইন অথবা ট্রেনের স্টুডেন্ট। পড়ালেখায় খুব একটা খারাপ নই তবুও সারাক্ষণ আমি বই নিয়ে বসে থাকতাম। না মানে শুধু বসে থাকতাম না পড়তামও। আমার পড়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিলো না। যখন তখনই পড়তাম। আমি যে ঘরটায় থাকতাম ওটার দক্ষিণ পাশে একটা জানালা ছিল। আর জানালা থেকে একটু পিছনে একটা বিশাল নিমগাছ আর নিম… [বিস্তারিত]

কালীতলার মেলা

হালিম নজরুলকবিতা১৮টি মন্তব্য

**(ক-গ / খ-ঘ ছন্দে লেখা একটি কিশোর কবিতা)** চল সখিনা আজকে যাবো তেরো নদীর পার প্রাক-বোশেখে যেথায় বসে কালীতলার মেলা। সেখানে থেকে আনবো কিনে সপ্ত ফুলের হার চোখ জুড়িয়ে দেখবো সেথা সাপ-বানরের খেলা। -- নারে ছোটন আর যাবোনা ঐ না বটের তলে নিত্য নাকি ঐখানেতে ভূত-পেত্নীর বাস। খোকা খুকুর রক্তে নাকি ওদের দিবস চলে কাল… [বিস্তারিত]

রাবেয়া

রিমি রুম্মানগল্প১৪টি মন্তব্য

নিকষ অন্ধকারে নির্জন রুমে আমি একা। তীব্র এক আর্তনাদ দলা পাকিয়ে উঠে আসে বুকের গহিন থেকে। ভেতরটা থরথর করে কেঁপে উঠে। সমস্ত শরীরে বিদ্যুৎপৃষ্টের মতো মনে হলো। আজকের পত্রিকা বড় বড় হরফে রাবেয়া সুলতানাকে নিয়ে লিখেছে! সেই রাবেয়া! দপদপ করে জ্বলে উঠে স্মৃতির প্রদীপ। রাবেয়াকে পেয়েছিলাম স্কুল জীবনের শুরু থেকে। স্কুলের প্রথমদিকের দুই/তিন ক্লাস পর্যন্ত… [বিস্তারিত]

আম্মুর মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ,যাকে জরুরী দরকারে ফোন দিবেন তার টেলিফোন নেই তাই মোবাইলে ফেক্সিলোড করতে হবে। এমন সময় বাসায় কেউ নেই আম্মু নাম্বার টাকা দিয়ে ছোট্র আলিফকে পাঠালেন দোকানে। রাস্তায় মানুষের প্রচুর জ্যাম ওপেক্ষা করে দোকানে ঢুকলাম বুঝতে পারলাম শহরে কোন ভিআইপি মানুষের আগমন ঘটেছে গাড়ির পর গাড়ি রাস্তায় ভরা। আমি দোকানে ঢুকতে পারছিলাম না… [বিস্তারিত]

বইয়ের জরা-ব্যাধি

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২১টি মন্তব্য

বইয়ের পাতাগুলো আর বাঁধে না মোহের মাধুরীতে, মলাটের-রঙের আল্পনায় সাজে না হৃদয়ের ক্যানভাস। বইয়ের অক্ষরে হাসে না অন্তর মোহিনী, শব্দগুলো আজ বড্ড বেরসিকভাবে তাকাচ্ছে অনবরত। জরা-শীর্ণ, ক্ষীণকায় বাক্যগুলো গন্তব্য খুঁজে না পায়, ছন্দ বিলাতে যামিনী জেগে রয় চন্দ্র হাতে। কাব্যরা করেছে অনশন- উদ্ভিন্ন যৌবনা বিহনে, কলমের কুঠুরিতে অবরুদ্ধ কালির ঝর্ণা ধারা। কাগজ-কলমের অভিমানে বিরহ-ব্যথায়,শূণ্যতায় এককোণে… [বিস্তারিত]