যত্রতত্র কথা বিলাই আমি কথার ফেরিওয়ালা হরেক রকম কথা আছে নিবে কে এই বেলা? কথার মালা নিতে হলে ফেসবুকটা খোল হোকনা বয়স ৮০ কি ৯০ কিংবা কুড়ি ষোল। কথা শুনে কেউ হাসে কেউ হয় রাগ কেউ আবার কান্না জুড়ে কেউ বা হতবাক। রাজনিতীর কথা আছে আছে ধর্মকথা হিজিবিজি কথাও আছে কেউ বলে যা তা। আস্তিক… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
দু'পাশে সুবিন্যস্ত ফসলের ক্ষেত। হলুদ আর সবুজের সমারোহ। মনে হচ্ছে শিল্পীর নিপুন তুলির আঁচড়ে আঁকা অসীম সৌন্দর্যের লীলাভূমি। বিস্তীর্ণ সর্ষে ক্ষেতের ফুলে ফুলে সুরভীতে মেতেছে আকাশ বাতাস। মৌমাছিদের মধুসংগ্রহের কোলাহল। আশশেঁওড়া সাইবাবলার কোল ঘেষে বয়ে চলা মেঠো পথে এখন খুব বেশী লোকের আনাগোনা নেই। বেশ কিছুটা পথ হেঁটে এসেছি আমি আর অনিক। গাঁয়ে পৌঁছতে আর… [বিস্তারিত]
রিংটোন বাজছে-------ক্রিং ক্রিং ক্রিং। ঘড়ি দেখলাম। আটটা বাজতে পনেরো মিনিট। সেল বের করে দেখি, ম্যাডাম। সাত সকালে ফোন! নিশ্চয় জটিলতা। গুড মর্নিং ম্যাডাম। ফোন ধরছো না কেনো? বাসা থেকে বের হয়েছো? না,,,, এইতো বের হচ্ছি। জি, বলেন। উকিল পাড়ায় যেতে হবে। ওখানে এস.পি সাহেবের বাংলোর পিছনে একটা বস্তি আছে। ওখানে, কালামকে খুঁজে বের করবে। ও… [বিস্তারিত]
কোথাও খুঁজে পাইনি তো মা ~ তোমার আঁচলের মতো মায়া ~ ভালবাসায় যত্ন করা, বুক ভরা ~ সুখের পরম ছায়া ।। কে কবে শোধ করেছে ~ তোমার ভালবাসার ঋণ ~ তুমি চির মহান, মমতার দান ~ জগৎময় তুলনাহীন ।। তোমায় ছালাম, শ্রদ্ধ্যা আজন্ম মম ~ বিশ্ব বিধাত্রী তুমি, তুমিই তোমার তুললা সম ।। [বিস্তারিত]
মাঝে মাঝে নিরবতা ও কথা বলে হাসে-কাঁদে, শোনে শোনায়- শুধু সে অস্ফুট চঞ্চল শব্দমালা বুঝবার মতো একটা সুরুচির মনন পেলে- আমি চিরকাল নিরবই থেকে যেতাম ।। তোমার যে হাত আজ আমার শরীর ছুঁয়ে গেছে- ও হাতের স্পর্শে জাগা শিহরণটাই তুমি দেখেছ অথচ এক মহাকাশ অব্যাক্ত প্রেমের নিরব মহাকাব্য তোমার অগোচরেই থেকে গেলো ।। আমি কোমল… [বিস্তারিত]
মাহবুবুল আলম || মা যে গেছেন দিয়ে আমায় ফাঁকি এ শোক নিয়ে কেমনে আমি থাকি এই তো মায়ের চশমা ও পানদানী যেমন ছিলেন তেমনই খানদানী। মায়ের হাতের ভাঁজ করা সব শাড়ি মায়ের প্রিয় শখের সেই আলমারি যেমনি ছিল তেমনি পড়ে আছে সবি আছে মা নেই কেবল কাছে। মা যে গেছেন অনেক অনেক দূরে মায়ের জন্যে… [বিস্তারিত]
আমার বুকের বাম কুঠুরিতে কিনলে জমিন সেদিন, কপোল ছুঁয়ে লোনাজলের ঝর্ণাধারা দেখেছি যেদিন। সেই জমিনে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব সবই হলো চাষাবাদ- তোমার হেলায় এখন সেখানে স্খলিত আবাদ। অকস্মাৎ হারিয়ে গেছো কোথায়, কোন কাননে? অপেক্ষার প্রহর অনন্ত, অসীম- তোমার বিহনে। পেরেছো কি সুখী হতে প্রত্যয়ের ভগ্নে? তোমায় সতত খুঁজে ফিরি বিমূর্ত লগ্নে। তোমার হৃদয় জমিনে দিবারাত্রি… [বিস্তারিত]
আজগরের সব জমি নদী ভাঙ্গনের শিকার। সহায় সম্বল আর কিচ্ছু নেই। শেষ একজোড়া গাভী ছিলো সেটা বিক্রি করেই একখন্ড ধানি জমি বর্গা নিয়েছিলো দু' মাস আগে। অনেক কষ্ট করে গতর খাটিয়ে সে জমি চাষ করে, সেচ দিয়ে এবারে ধান ফলিয়েছে। ফসলের দিকে তাকিয়ে আজগরের মুখে মৃদু হাসি ফোটে। সমস্যা হলো ফসল কাটার কামলা পাচ্ছেনা করোনার… [বিস্তারিত]
সকাল দশটা। বাসা থেকে বাজার করার জন্য বের হয়ে গেলেন রফিক সাহেব। বাজারে ঢোকার ঠিক আগ মুহূর্তে থমকে গেলেন। জীর্ণকায় চেহারার দশ-বার বছরের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। আনমনা হয়ে কিছু একটা দেখছিলো।মিষ্টি চেহারা, হাসছে না, কিন্তু তারপরও গালে টোল পড়ে।মুখটা মায়ায় ভরা। “কিরে, নাম কি তোর?” “রফিক। আইন্নের কি নাম?” ছেলেটা পাল্টা প্রশ্ন করে। হেসে… [বিস্তারিত]
দুই মাস পরের ঘটনা অনিক ছায়া লাঞ্চ করছিলো, আজ রোববার বলে অনিকের অফিস নেই, দুজনেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে, অনিক খাওয়ার মাঝে ছায়ার সাথে খুনসুটি করছিলো, ছায়া পাল্টা অভিমান দেখিয়ে বললো, আরেকবার জ্বালাবে তো এই মোটা চামুচ দিয়ে মাথা ফাটাবো বলে দিলাম। অনিক মাথাটা এগিয়ে দিয়ে ইশারা করলো যেন ছায়া ফাটাতে পারে, ছায়াও কম না,… [বিস্তারিত]
এক. নদীর পারে একটি নৌকা বাঁধা। রাতের অন্ধকারে নৌকার ভিতরের চার্জার লাইটের আলোয় গোল হয়ে বসে আছে কয়েকজন। এদের মধ্যে সর্দার টাইপের একজন কি যেন বলছে আর বাকিরা শুনছে। শুন কেরামত! তুমি তোমার কাজ কিন্তু ঠিক মত কর নাই। কোন কাজ বস! বেকুব মহা বেকুব। এখনো বুঝ নাই। না বস! তুমি বর্না না ঢল মাইয়াটারে… [বিস্তারিত]
চৈতন্যের দরজায় এখন কবিতার ঈশ্বর, বর্ষনে উদ্যত ফণিল সৌরভ। কবিতার প্রসবে দিও একটি উৎকৃষ্ট উতপ্রেক্ষা। না হয় দিও তুমি উপমার ভান্ডার; অনুপ্রাসে কিছুটা ভুল হয় হোক। অন্যের কাছে যতটা দুর্বোধ্যই হোক, রহস্যময় বিমূর্ততাও জ্যোতির্ময় সূর্য, বহুরৈখিকতা সহজবোধ্য আমাদের কাছে। অলংকার বা শব্দশৈলীর কথা ভেবোনা এখন, তোমার বৈভবী অনুচর এই অনুপম প্রকৃতি; ওরাই এঁকে দেবে সুনিপুণ… [বিস্তারিত]
আমার চেনা শহর বড়ই অচেনা ঠেঁকে একবিংশ শতাব্দীর অবিশ্বস্ত করোনায়। নি:শব্দ অবচেতন মনে হারিয়ে যায় কোন গহীন কোণে। রাজপথের হাহাকার শুন্য হৃদয়ে ভারী হয় নি:শ্বাস। বিষন্নতায় ভরে উঠে মন, খুঁজে ফিরি প্রাণ চঞ্চল রাত জাগা শহরে। সারি সারি বাড়ি সব কবরের নিস্তব্দতায় সভ্যতাকে ব্যঙ্গ করে রাত জাগা নিয়ন সাইনের আলো জৌলুসহীন শহরে প্রাণ খুঁজে বিপন্ন… [বিস্তারিত]
ছুড়ে ফেলেছি, হয়ত আর না; উদ্বাস্তু ভিখারির মতো বহুবার আমি বহুবার সয়ে গেছি অবহেলার দাগ। বলো নাই; আমি বলেছি- ক্ষোভের আগুন চাপা রেখে জল ছিটিয়েছি আতংকিত জলন্ত চিৎকার থামিয়ে দিয়েছি আমি বহুবার- ভালো রাখার শব্দেই খুঁজেছি তুমি বলো নাই; আমি বলেছি- একটি চোখে নোনা গন্ধে আমারও বুক ফাঁটে। আমিই বলেছি; কেউ বুঝে নিয়েছে- নারীর ষষ্ঠ… [বিস্তারিত]
তুমি অপেক্ষার ডালা সাজিয়ে রেখো বাসন্তী ফুলের পসরায়, চৈত্রের খরতপ্ত বিকেল গড়িয়ে- আমি আসবো বৈশাখের প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে তোমার তৃষিত নয়নে, অধরে শিরা উপশিরায়। বিরহী জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তুমি লিখে রেখো- মহাকালের বর্ণীল ডায়েরীতে, আমি মহাশূণ্যের দ্বিতীয় অধ্যায় পেরিয়ে এসে পড়ে নেবো সেই তৃষাতুর নিঃসঙ্গ প্রেমোপাখ্যান। প্রজাপতির ডানায় চিঠি লিখে পাঠিয়ে ছিলাম- তোমার শহরে,… [বিস্তারিত]












