(১) লাবনীর সাথে ব্রেকআপের পর আমি এতটাই ভেঙে পড়েছিলাম যে, কোন মেয়েকে কিছুতেই আর বিশ্বাস করে উঠতে পারছিলাম না। অনেক চেষ্টা স্বত্ত্বেও ট্রমা থেকে বের হতে পারছিলাম না। বিষণ্ণতা প্রতি মুহুর্তে আমাকে গ্রাস করছিল একটু একটু করে।আমি যেন অনন্ত নরকের পথে হেটে চলেছিলাম উদ্দেশ্যহীনভাবে। মনের দিক থেকে এতটাই বিক্ষিপ্ত ছিলাম যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার হাত… [বিস্তারিত]

ইসিয়াক
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ১০ মাস ২৩ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১১২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৪০৬টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১০৯৮টি
প্রিয় পোস্টঃ ৩৪টি
- সে-সময় এ-সময়
- বিজয়াদশমী কী এবং তার তাৎপর্য
- ‘হয় যদি বদনাম হউক আরও’
- শ্রাবণের দীর্ঘশ্বাস
- আহা শৈশব
- স্বাধীনতা সংগ্রামী মণীষা-১ : দেশবন্ধু বিপ্লবী চিত্তরঞ্জন দাস
- নীলের আবাহনে
- ভয়ঙ্কর এক পূজার নাম “চড়ক পূজা”
- বোশেখের নিমন্ত্রণ
- ব্লগ আপডেটঃ পাসওয়ার্ড এবং ফিচার ছবি সংক্রান্ত
- করোনা ভাইরাস! সতর্ক থাকুন-
- ওয়াজ মাহফিল এর নামে এসব কি হচ্ছে দেশে?
- বাতাসের মিঠে চাহুনি
- এখানে পাশ করেও হাসা যায় না
- গায়েবি ধর্ষণ
- বছর শুরুতে বলতে চাই
- ব্লগার ইমন জুবায়ের আর নেই
- সোনেলার ২০১৯
- ফিরে দেখা ২০১৯”স্বাগতম” টুয়েন্টি টুয়েন্টি
- মহারাজ এর একদিন
- রংধনু
- নির্জন রাতের বুকে বিচরন
- ধনিয়া পাতার বড়া
- স্মৃতি যখন ঋত্বিক ঘটকের, ভাবতে হবে বৈকি!
- নিজেই করুন নিজের বাড়ির প্লান
- পুস্প বয়ান
- “পর্বতকন্যের ইতিকথা” ( সমাপ্ত পর্ব ৭০ )
- সতর্ক থাকুন, খেজুরের রসে তৃপ্তিকর চুমুকে হতে পারে মৃত্যু!
- এসো নীপবনে
- ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর শিখবেন?
- প্রাচীন নগরী পানাম
- আমরা এক আত্মবিস্মৃত, অকৃতজ্ঞ জাতি ( বিজয় মাসের প্রকাশনা )
- বিজয় যখন বিজিতের ঘরে
- বিনিময়
(১) টুম্পার চলে যাবার পর থেকে বাড়ির প্রতি টান উঠে গেছে জহিরের। প্রতিদিনই বাড়িতে ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায় তার।কেন জানি বাড়িতে তার ফিরতেই ইচ্ছে করে না। শুধু মায়ের মুখ চেয়ে ফিরে আসতে হয়। যত রাতই হোক জহিরের জন্য রাহেলা বেগম ভাত নিয়ে বসে থাকেন। সে না ফেরা পর্যন্ত তিনি জলও স্পর্শ করেন না।… [বিস্তারিত]
[১] অনেকক্ষণ ধরে ডোরবেল একটানা বেজে চলেছে। বাথরুম থেকে তো জুলেখা ঠিকই শুনতে পাচ্ছেন আর কেউ শুনতে পারছে না নাকি! তুতুল কি করছে কে জানে? এই দুপুর বেলা পড়ে পড়ে ঘুমুচ্ছে হয়তো। আর এ অসময়ে কে ই বা এলো।জুলেখার আরও কিছু কাজ বাকি ছিলো স্নানঘরে, খানিকটা বিরক্ত হয়ে সব কাজ ফেলে, গায়ে কোন রকম দু… [বিস্তারিত]
মহুয়া খুব গুছিয়ে ঠোঁটের রংটা ঘষে নিলো।চোখের কাজল,কপালের টিপ,মুখের রং আগেই মাখা হয়ে গেছে। ঠোঁট যেহেতু আগেই আঁকা ছিলো তাই শুধু রংটা লাগিয়ে নিলো। ব্যাস। আজ আর খোঁপা করেনি সে। সাধারণ বেনি করেছে। লাল হলুদ শাড়িতে আজ তাকে কনে বউ কনে বউ লাগছে। নিজের রূপে নিজেই খানিক মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকলো । ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আয়নাতে… [বিস্তারিত]
[১] ফয়সাল এর আগে কখনো একা একা শহরে আসেনি। যদিও শহরটা তার গ্রামের কাছাকাছি তবুও বিভিন্ন কারণে আসা হয়নি তার। ফয়সালের বয়স আঠারো বছর তিন মাস বারো দিন, সবচেয়ে অবাক ব্যাপার এতটা বয়সে বাবা মাকে ছেড়ে সে একা একা থাকেনি কোথাও কোনদিন। ভীষণ রকম মা বাবা নির্ভরশীল ছেলে সে। একমাত্র ছেলে হবার কারণে সম্ভবত এমনটা।… [বিস্তারিত]
প্রথম পর্ব জয়তুনের আজ শেষ কর্মদিবস ছিলো। শেষ কর্মদিবসে সাধারণ চাকরিজীবিদের মন খারাপ হলেও কিছু না কিছু দেনা পাওনার ব্যাপার থাকে।ভবিষ্যৎ বলতে একেবারে সব শেষ হয়ে যায় না।কিন্তু জয়তুনদের মতো গৃহকর্মীদের কোন পাওনা থাকে না বরং দেনার দায় থাকে। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা কালো মেঘ এসে জড়ো হয় ভাবনার আকাশে। জয়তুনের মনের আকাশেও আজ কালো মেঘের… [বিস্তারিত]
ভূদেব বাবু চেয়েছিলেন আজ বাড়ি থেকে সকাল সকাল বের হবেন।কিন্তু মানুষের সব চাওয়া সব সময় পূরণ হয় না, অদৃশ্য কারো ইশারায় চলে এই পৃথিবী।তিনিই ভালো জানেন কিসে ভালো কিসে মন্দ।সেই সকাল থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। হচ্ছে তো হচ্ছেই। থামছে না কিছুতেই। এদিকে টিউশনিতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। বিকেলের টিউশনিগুলো এখন তিনি সকালেই সেরে নেন। সব… [বিস্তারিত]
মা বকেছে আজ খুব, ফিরবো না আর বাড়ি। ঠিক করেছি মায়ের সাথে নিয়ে নেবো আড়ি। চাই না আমার মায়ের আদর, স্নেহ, ভালোবাসা। চাই না খাবার,চাই না পোশাক চাই না নিজের বাসা। তার থেকে সেই ভালো, থাকবো পথে পথে, খিদে পেলে পানি খাবো, ঘুমাবো ফুটপাতে। রাগ দেখিয়ে গাল ফুলিয়ে বসলাম গিয়ে এক মাঠে, জনমানবহীন এমন স্থান… [বিস্তারিত]
অস্থির সময়ের পাজর ছুঁয়ে নেমে এসেছে নিঃস্তব্ধ নিকষ কালো বিত্রস্ত অন্ধকার। মশান গ্রাস করেছে সুশোভিত চন্দ্রকে। অতল আঁধারের স্নেহাশিসে সুযোগ সন্ধানীরা জন্ম দিচ্ছে যত পাপাচার। ক্রমাগত দিয়েই চলেছে এক একেকটি পাপের জন্ম। নতুন মোড়কে নতুন নামে। যেন এটাই চিরন্তন এবং কাঙ্ক্ষিত। হায় বিধাতা! আর কত পাপ হলে পাপের কলস হবে পূর্ণ। না হোক পূর্ণ পাপের… [বিস্তারিত]
[১] আমি শেখ রিসালউদ্দীন।এটা আমার স্কুলের নাম। ডাক নাম রাসেল। আব্বা বার্ট্র্যান্ড রাসেলের খুবই ভক্ত ছিলেন। তার ফিলোসফির ভক্ত হয়ে মা আমার নাম রাখলেন রাসেল । আমার জন্ম সাল ১৯৬৪ অক্টোবরের ১৮তারিখ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাসায়। জন্মের সময় মাথাভরা ঘন কালো চুল ছিলো আমার। তুলতুলে নরম ছিলো গাল। আর আমি নাকি দেখতে খুবই সুন্দর… [বিস্তারিত]
সম্পর্ক *************** [১] এই রাস্তার বাড়িগুলো প্রায় সবগুলোই চার পাঁচ তলা।দারুণ ঝকঝকে তকতকে, খুব সুন্দর ছবির মতো সাজানো গোছানো ।অলোক এই রাস্তায় এর আগে কোনদিন আসেনি। এই রাস্তায় কেন এই এলাকাতেই তারা কোনদিন আসেনি।অবশ্য কোন কারণে আসার প্রয়োজন হয়নি ।আসল কথা হলো এতো অভিজাত পাড়ায় তাদের আসা যাওয়ার তেমন একটা দরকার পড়ে না। সুন্দর সুন্দর… [বিস্তারিত]
১] ঝরঝর বৃষ্টি এলো আষাঢ় গগনে, দুলে ওঠে প্রাণ মন চঞ্চল পবনে। কতদিন দেখিনি এমন বারি বরষণ, চিত্ত আকুল হলো সিক্ত তনু মন। মেঘের আঁধারে লুকায় যত পাপ পঙ্কিলতা, কাব্য হয়ে উঠলো ফুটে মনের কথকতা। তৃণলতা সাজলো ওই, নানা বর্ণিল সাজে, বৃষ্টির আহ্বানে ফুলকলি ফোটে লাজে। [২] বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে টিনের চালে, তালে তালে। বৃষ্টি… [বিস্তারিত]
[১] মেঘ করেছে অভিমান দেখা দিলো রবি। আয়নাতে মুখ বাড়াতেই ভাসলো তোমার ছবি। দেখে তোমার অমন রূপ দীপ্ত হলো আভা। পরিপূর্ণতাই একটি প্রেমের চিরন্তন শোভা। [২] চোখ ছলছল অবাধ অশ্রুজল। মেনেছি তোমায়, জেনেছি তোমায়, তুমি কলঙ্ককাজল। [৩] আবার উঠলো চাঁদ আমার আকাশে। আবার ফুটেছে কুসুম ফুল বাগিচায়। বুলবুলি ও ফিরলো দিতে ফুল শাখাতে দোল। তবে… [বিস্তারিত]
রক্তচোষা মশা, কোথায় তোদের বাসা? কাটুস কুটুস কেটেই চলিস বড্ড বেহাল দশা। গ্লোব কিম্বা মশারি,অতীব জরুরি দরকারি। তবুও তোদের অত্যাচারে কষ্ট রকমারি। ছোট্ট প্রানি হলে কি হবে? বড্ড বাড়াবাড়ি। মারতে গেলেই উড়ে গিয়ে, পালাস তাড়াতাড়ি। ঘুম এলো যেই ঠিক, অমনি এসে কুটুস, সুযোগ পেলে দুই থাবাতে মারবো পুটুস পাটুস। [বিস্তারিত]
চঞ্চলা মেয়েটির নাম ছিলো ছবি। যাকে দেখে আমি হয়েছিলাম কবি। ছবি শুধু ছবি নয় যেন কথা কয়। চোখে লাগে মনে থাকে জীবন্ত বিষ্ময়। একদিন এলো চুলে জানালায় এলো। দেখে তারে এই বুকে ঝড় উঠলো। কপোলে লাল টিপ ছিলো কানে দুল, দুর হতে দেখে তারে আমি যে ব্যকুল। এরপর হঠাৎ যখন সে সামনে এলো, তাকে নিয়ে… [বিস্তারিত]















