আমি তোমার জন্য এসেছি- (পর্ব-৪২) জাপান যাবার আগে একদিন প্রিয়াদের বাসায় দেখা করতে যাই, পিচন থেকে নুপূরের আওয়াজ চোখ ফেরাতেই একটা নীল পরী দৌঁড়ে আমার চোখের আড়ালে হারিয়ে গেল। অনেকক্ষন খোঁজার পর নীল পরীর হাতে দুটো নীল কাচের চুড়িতে চোখ পড়ল। শরীরে তার ফিরোজা রংয়ের জামা, চোখে কাজল ওরে বাবা এটা তো আমাদের পিচ্চি প্রিয়া।… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
কোটি মানুষের সুখ দুঃখের গল্প কাছাকাছি রকম হয়। অনেকটাই সিনেমাটিক। নব্বইয়ের দশকে বাংলা ছায়াছবি প্রথম ত্রিশ মিনিট দেখলেই শেষটা অনুমান করা যেত। ছেলেবেলায় ভিলেনের হাতে নায়কের পিতা খুন, মা ধর্ষিতা। বড় হওয়ার পর ভিলেনের মেয়ের সাথে (খুন হওয়া পিতার বেঁচে যাওয়া সন্তান) বর্তমান নায়কের হৃদয় ঘটিত সম্পর্ক। এরপর প্রতিশোধ। শেষবেলায় রাইফেল হাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ। হাহাহা… [বিস্তারিত]
তখন প্রেমিক প্রেমিকার যৌবনকাল। দেশে শুরু হল করোনাকাল। বসন্ত এলো আর গেলো। দিন রাত মাস বছর যুগ কেটে গেলো। দেহের বয়স বাড়ে তো মনের বয়স বাড়ে না। আবেগ অনুভূতি মায়া মমতার তো ক্ষয় হয় না। অবশেষে নির্মূল হয় বিদায় ঘণ্টা বাজে মহামারী করোনার। মুক্ত সজীব সুন্দর প্রাণবন্ত পৃথিবীতে ফিরে আসে নব প্রাণসঞ্চার। দুই প্রেমিক প্রেমিকার… [বিস্তারিত]
১] ঝরঝর বৃষ্টি এলো আষাঢ় গগনে, দুলে ওঠে প্রাণ মন চঞ্চল পবনে। কতদিন দেখিনি এমন বারি বরষণ, চিত্ত আকুল হলো সিক্ত তনু মন। মেঘের আঁধারে লুকায় যত পাপ পঙ্কিলতা, কাব্য হয়ে উঠলো ফুটে মনের কথকতা। তৃণলতা সাজলো ওই, নানা বর্ণিল সাজে, বৃষ্টির আহ্বানে ফুলকলি ফোটে লাজে। [২] বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে টিনের চালে, তালে তালে। বৃষ্টি… [বিস্তারিত]
সময়গুলো ঝরাপাতার মতন ঝরছে- নতুন করে সোনালি মাঠ অভিমান ছেড়ে ঘ্রাণ যুক্ত ফসল ফুলছে; আনন্দ ঘন উঠান এখন প্রস্তত – ধানের খরগুলো আগের মতো গো মারা হয় না রোদেই শুকান হয়। ভাবনাতে করোনার আতঙ্কিত- তবুও থেমে নেই দুর্বাঘাসের ঘাসফড়িঙ র উড়া রঙবিরল প্রজাপতিদের আনাগোনা হতবাক শুধু বিবর্তন কিছু মাঠ ঘাট আর সোনালি স্মৃতির বাঁধন; ধূসর… [বিস্তারিত]
মুজিবের মুখ মানে বাঙালির মুখ মুজিবের মুখ মানে বাঙালির সুখ, মুজিবের মুখ মানে নদী অাঁকাবাঁকা মুজিবের মুখ মানে প্রজাপতির পাখা। মুজিবের মুখ মানে নৌকার পাল মুজিবের মুখ মানে কৃষকের হাল, মুজিবের মুখ মানে জেলে অার তাঁতী মুজিবের মুখ মানে বাঙালির হাসি। মুজিবের মুখ মানে হালের লাঙ্গল মুজিবের মুখ মানে পাহাড়ের ঢল, মুজিবের মুখ মানে ধান… [বিস্তারিত]
ঝক ঝকা ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে ওই ট্রেন চলছে, ট্রেন চলছে, ট্রেনের বাড়ি কই? সবারি অপেক্ষা, কখন শোনা যাবে সেই শব্দ। মা ও অপেক্ষা করেন। আমাদের ছোট শহরে দুটা স্টেশন। নতুন স্টেশন আর পুরাতন স্টেশন। স্টেশনের কাছে বাড়ি হওয়ায়, ট্রেনের শব্দ হলেই মা গেটে গিয়ে দাঁড়ান। যতক্ষণ না ট্রেনটি বাসার পিছন দিয়ে ঘড় ঘড় শব্দ… [বিস্তারিত]
কোন কালেই ঘর ছিলো না ঘর ছিলো না হৃদয় তলে এ-ই দেখে যাও বুকে কেমন আগুন ছাড়া আগুন জ্বলে। চাইছি যারে খুব করে খুব সেই ভেঙেছে স্বপ্ন চূড়া বন্য হয়ে হারিয়ে গেছে অন্ধকারে ফুলের তোড়া। আজও পাখি ডাক দিয়ে যায় দূরে কোথাও আকাশ-মলে পাহাড় ছোঁয়া দুঃখ বরফ এক নিমিষেই যায় যে গলে। কিন্তু আজও মন… [বিস্তারিত]
ঘরে চারজন মানুষ অথচ কোনও সাড়া শব্দ নেই। একজন থেমে গেছে শুরুর আগেই। যার কোনও নাম হয়নি, হবেও না। নামের দরকার ও নেই, জীবন থাকলে নাম পরিচয় দরকার, সুনাম বা দুর্নামের প্রয়োজনে। মৃতদের নামের দরকার হয়না। বাচ্চাটা জন্মেছে লাশ হয়ে, লাশ হয়েই কবরে যাবে। এখন শুয়ে আছে মেহগনি কাঠের চকচকে পলিশ করা সেন্টার টেবিলের কাঁচের… [বিস্তারিত]
নতুন স্কুলে ভর্তি হবার পর নতুন জুতো, মুজো, ব্যাগ আরও নানা জিনিস কিনে আনা হলো। এসব দেখে মীরার আনন্দ আর ধরে না। কিভাবে জুতোর ফিতে বাঁধতে হবে, কিভাবে ব্যাগের ফিতে আটকাতে হবে, সব একে একে শিখিয়ে দিলেন বড় ভাই বোনেরা। শুরু হলো মীরার নতুন জীবন। কিন্তু তা বেশিদিন চললো না। একদিন হঠাৎ মেয়েটি চিৎকার করে… [বিস্তারিত]
উড়ে যাওয়া কাকের বিরতিহীন শোক সংবাদে বুড়িমার চোখ আওড়ায় গলিত মৃতদেহ। ভাগাড়ে শকুনের উলঙ্গ উচ্ছ্বাস, মধ্য দুপুরে সূর্য হারাবার শোক, গোলাপের বাগানে এমন দুর্গন্ধ কিসের ! নাহ! কোন লাশ নেই, কোন জীবাশ্ব নেই, কতগুলো মানুষের অমানুষ হবার গন্ধ প্রকট। দখল জয়ে দেখো কেমন শোক বিলায় অবলীলায়। হাটের পরে মাঠ, মাঠের পরে ঘাট, অতপর ওরা পৌঁছে… [বিস্তারিত]
আয় মদন খেলবি মাঠে, নগেন যায় বল নিয়ে। মধুরাম বাঁশি বাজায়, নিধুরাম গরু চরায়। বোকারাম ধোকা দেয়, পেঁচারাম বিটে যায় কুম্ভরামের মাথায়। উইপোকা কাপড় কাটে, ছারপোকা ট্রেন চড়ে। পটলরাম মাছ কিনে, ভিতুরাম পিছুটানে। পেটমোটা গোপালবেটা, বাড়ি নিয়ে যায় ইলিশ মাছের কাটা। ভেপুরামের সুন্দরি বউ তার, হেসে হেসে কাটায় সুখের সংসার। প্যাঁচালরাম জিলাপি বানায়, বউয়ের সাথে… [বিস্তারিত]
যখন স্ব-দলবলে আলোকপতি অধিগ্রহন করে আঁধারের বসতি, ক্লান্ত শেয়ালের গলা ভাঙ্গা চিৎকার স্তিমিত প্রায়, আলোর ক্ষুধায় সবুজের কুসুম ভেঙ্গে উঁকি মারে কোটি কোটি নিষিক্ত কলির ভেতর ঘুমন্ত পাপড়িগুলো, পরগাছার লিকলিকে ডগা সুযোগ বুঝে মেলে দেয় আরও চারটি পাতা, দু’দুটি খুড়ি। দুইপাশে দুটি সুঁড় ফাঁটা বাকলের খাঁজ আঁকড়ে ধরে চার ইঞ্চি মতো বাড়িয়ে নেয় নিজের দৈর্ঘ্য।… [বিস্তারিত]
দুচোখ ভরা স্বপ্ন ছিল, ঘুম ভাঙতেই উবে গেল। প্রেমপূর্ণ হৃদয় ছিল, যান্ত্রিকতা কেড়ে নিল। নির্ভেজাল হাসি ছিল, কষ্টের আঘাতে মিলিয়ে গেল। এখন আর স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে হয় না, এখন আর কাউকে ভালবাসতে ইচ্ছে হয় না, এখন আর মন খুলে হাসতে ইচ্ছে করে না। করে চলছি অভিনয় নিজের সাথে। স্বপ্ন দেখার অভিনয়, ভালবাসার অভিনয়, হাসিটাও চলছে… [বিস্তারিত]
আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-৪১) না ভাবি ওরা খাবে না, হালকা নাস্তা দিলেই চলবে। রোহান নতুন মেহমান দুপুরে না খেয়ে যাবে ব্যাপারটা কেমন দেখায় না! আরে ভাবী সমস্যা নেই ওরা সবাই আগামীকাল বিয়েতে যাবে, আজ শুধু মিতুর সাথে পরিচিত হয়ে চলে আসবে। ওকে বুঝছি, রোহান শোন মিতুর ভাইয়া বিকালে তোমাদের ওখানে যাব হলুদ এর আয়োজন… [বিস্তারিত]












