মূল লেখায় যান

সংখ্যার সাথে শংকাও বাড়ছে,বাড়ছে গুজবের ছড়াছড়ি ডঙ্কার সাথে কাঙ্ক্ষাও জাগছে,দেখছে স্বপ্নের উড়াউড়ি। দিবস পেরিয়ে নিশিও বাড়ছে,বাড়ছে অজানা অভিশঙ্কা হতাশা পেরিয়ে আশাও জাগছে,গড়ছে উচ্চাকাঙ্খা। প্রচারের সাথে অপপ্রচারও বাড়ছে,বাড়ছে মতভেদ শত অসদাচারের সাথে সদাচার দেখছে,নিঃশ্বাসে বিশ্বাস কত! প্রীতির সাথে অপ্রীতিও বাড়ছে,বাড়ছে অমানুষ ঢেরবেশি অবোধের সহিত বোধও জাগছে,সাক্ষাত দেবতাও কমবেশি। প্রতিবেশীর সাথে ছদ্মবেশী বাড়ছে,বাড়ছে ঢের কানাঘুষা স্বজনের ভীড়ে… [বিস্তারিত]

তুমি এসো না কভু আমার জীর্ণ কুঠিরে। এখানে আদর সোহাগ ভালবাসা আছে। নেই জীবন রংগীন করার প্রাচুর্য । এখানে প্রাণের উচ্ছ্বাস আর আনন্দের বন্যা আছে নেই বিত্ত্ব বৈভবের ছড়াছড়ি। এখানে বৃষ্টিতে ভেজার কাদাজলে মাখামাখি আছে নেই সানরুপ তুলে শত মাইল বেগে বৃষ্টিতে গাড়িতে লুটেপুটে নেয়ার আননদ । এখানে ছাদ ফোটা দিয়ে ঘরে জ্যোৎস্না আলো মাটিতে… [বিস্তারিত]

আমি তোমার জন্য এসেছি -(পর্ব-৪৪) কয়েক কদম হাঁটল বৃষ্টির পানি সারা শরীরে ভিজিয়ে নিল। অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পরও আরাফ পিচনের দিকে দেখে জিসানের গাড়িটা দেখতে পেল না। কিছুটা চিন্তিত হয়ে বিষয়টা শ্রেয়াকে জানাল, আচ্ছা তোমরা জিসান সাহেবের গাড়িতে থাকা মেয়েদের কাউকে একবার কল দেও তো। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে এদিকে জিসান সাহেবের গাড়িটা এখনো দেখতে পাচ্ছি… [বিস্তারিত]

বিদিশা মানসচিত্ত

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা৩৮টি মন্তব্য

কোন এক সিঁদুর রাঙ্গা গোধূলির ক্ষণে- আকাশটা নেমে এসেছিল কপোল চুয়ে বৃষ্টি-প্রেমিকের হাত ধরে; জীবনের অঙ্কশাস্ত্রে কিছু যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগের পসরা সাজিয়ে- পদ্ম-পাতায় জলকণার সৌন্দর্য বিকোতে। মুছে যাওয়া পথ খুঁজে ফিরে অপেক্ষার দৃষ্টি; পথ-হারা পথিক অশ্রুজলের আধারে নিমজ্জিত। আলো-আঁধারির লুকোচুরি খেলায় ঠিক-বেঠিক হিসাবটা গড়মিল ঠেকে অঙ্গুলির কড়ে; চিল-শকুন ঘুরছে/উড়ছে উলঙ্গ নীলিমায়- নৈর্ঋত থেকে ঈশানে মড়কের আশে।… [বিস্তারিত]

কেবলমাত্র দুইটি চাওয়া

নিরব সাগরকবিতা১৮টি মন্তব্য

প্রিয়তমা তোমাকে এখনও চাই আগের মত। তুমি হও নি বলেই হয়নি আমার পরিবার, এখনো আমি পাতিনি সংসার । তুমি আমার হলেই হবে আমার সংসার। তারপর কপালে গামছা বেঁধে শক্ত কব্জিতে চেপে ধরবো সংসারের মুঠি। তুমি আমি দুজনে মিলে গড়ে তুলব অমরাবতী। গড়াবো আমাদের অদূর ভবিষ্যৎ। সংসার পরিবারের মায়ায় আটকা পড়বো আমি । আর যদি তা… [বিস্তারিত]

দিনের কাছে হাত পেতে চেয়েছিলাম রোদ; মৌনতার দৃষ্টিতে কেবল ভালোবাসা! তোমার দৃষ্টির আলোকরশ্মি আমাকে পথ দেখায় ব্যাপকতায়। ৪৯ বছরের অমানবিকতাকে মুছে দিয়ে সেখানে ফলাতে চাই সবুজ শস্যদানা। জরা জীর্ণতাকে উপড়ে ফেলে তোমার খোঁপায় বেলি ফুলের মালা পড়াবো।আমাদের আগামী প্রজন্মের পথে বিছিয়ে দিবো কাঁটা ছাড়া গোলাপ: রাষ্ট্রের কাছে এ আমার অঙ্গীকার। আমি ছুঁয়ে দিতে পারিনা ন্যানো… [বিস্তারিত]

বালিয়াড়িতে জীবন যেমন

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা২৩টি মন্তব্য

সব মেয়ের মতো আমিও ছিলাম বাবার রাজকন্যা! বাবা আদর করে ডাকতেন মুনিয়া আবার কখনো মুন্না! ছোট্ট বেলায় বাবা বলতেন রাজকুমারের সাথে বিয়ে দেবো তোর! বাবার কথা আংশিক ফলেছিলো তার মৃত্যুর পর! রাজকুমার নয়!স্বয়ং রাজা এলেন, মস্তবড় রাজ্য তার! নতুন রাজ্যে পা রেখে বুঝলুম ছিটেফোঁটা নেই মাটির পিত্রালয়! দৃষ্টি সীমায় শুধু ধূ ধূ প্রান্তর বালিয়াড়িময়! তাকিয়ে… [বিস্তারিত]

তোমাকে দেখে!

মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরীকবিতা২৩টি মন্তব্য

তোমাকে দেখে আচমকা ! হৃদয়ে জেগেছে তোমাকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। । হৃদয় মন হয়েছে রোমাঞ্চিত আর শিহরিত। হৃদয় আমার হয়েছে আনন্দে আবেগাপ্লুত। চেয়েছিলাম তোমাকে চিরদিন পাশে। তোমাকে নিয়ে বাঁচবো প্রতিটি নিঃস্বাসে। জানিনা কেন আমায় ফেলে চলে গেলে কোন অজানায়। পাইনি তোমার ঠিকানা তারপরেও অনেক খুঁজেছি তোমায় । তবুও আমার দিন যায় রাত কাটে তোমারই অপেক্ষায়। ঘুম… [বিস্তারিত]

সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে গুনবান পতি যদি থাকে তার সনে। আবার, পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর চির কল্যানকর অর্ধেক গরিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। সুতরাং নারীকে মর্যাদা দিন এবং নারীর অধিকার রক্ষায় ইতিবাচক উন্নয়নে সহায়ক হউন। নারীর সরলতাকে দূর্বালতা বা বোকামী মনে না করে বন্ধুত্ত পূর্ন আচরন করুন। নারী মা, নারী কন্যা, নারী বধু, নারী… [বিস্তারিত]

করোনার ভয় !

সুপায়ন বড়ুয়াকবিতা২৯টি মন্তব্য

মানুষ বলে ভয়ে আছি ঐ করোনার ভয় আতঙ্কে আজ দিন কেটে যায় কখন করোনা হয়। আমি বলি ভয় ছিল না ভয়টি আনা হল সকল মানুষ ভয়ে আজ জীবম্মৃত হল। মিডিয়া ছিল মারণাস্ত্র মনোবল দিল ভেঙ্গে ঐ করোনা আসলো বোধ হয় মরে বাঁচার আগে। দেশ বিদেশের ডাক্তারগুলো চাঁদের মানুষ সাজে প্রতিদিন তাই মৃত্যুর মিছিল করুণ সুরে… [বিস্তারিত]

গুণি জ্যোতিষী মিস্টার নগেন চ্যাটার্জী একের পর এক গ্রহদোষ কাটাচ্ছেন। লালমোহনের ঘরের চারদিক জুড়ে মোমবাতি তার মধ্যখানে মরা মাথার খুলি। খুলিটা দেখতে বেশ ভয়ংকর। এমন ভয়ংকর মরা মাথার খুলি দেখে হরিবাবু চেঁচিয়ে উঠেছেন। লোকজন রোজ চিৎকার দিয়ে জমিদারবাড়িরকে ভূতবাড়ি বলে। তারমধ্য নরকঙ্কালের মাথার খুলি। সেটা আশপাশের লোকজন জানলে বাড়িটা একেবারে আকাশে তুলে দেবে। বিনু একথা… [বিস্তারিত]

কদম ফুল

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা১৯টি মন্তব্য

দু’চোখে আষাঢ় দেখি কদম ফুলের ছোঁয়া মিষ্টি হাসি যেনো গভীর আতঙ্কে ভরা- তবুও আষাঢ় চলছে ভিজা সব গন্ধে! দক্ষিণা জানালা আজও খোঁলা সন্ধ্যা পরে চড়ুই- বাবুই ভালই আছে- ভাবনার ঘরে। আনন্দ তাই বিলিয়ে যায় কদমফুলের ঘ্রাণে; রংধনু আকাশ জুড়ে বৈকালিরা চুপি সারে- সোনালি মুখে চাঁদের হাসি আষাঢ় গেলো ভিজে! তবুও আমার সুখে- দুঃখে কে পেলো… [বিস্তারিত]

রাষ্ট্রের হৃৎপিন্ড//

বন্যা লিপিকবিতা৩৩টি মন্তব্য

ন্যানো সেকেন্ড হাতে পেয়ে তুই থমকে গেলি! তোর চোখের সামনে এসে দাঁড়ালো তোর গোপন রাখা প্রিয়তমার কাঠামো। দুর্দান্ত বক্তৃতার মাঝখানে আচমকা বুকের বা'পাশ স্পন্দন পরে গেলো ট্রাফিকের বাঁশির লাল সিগনাল! মঞ্চে উপবিষ্ট সভার প্রধান অতিথি তোকে দেখে ভড়কে গেলেন, চোখে তোর জোনাক জ্বলছে। ডায়াসে পরে থাকা স্ক্রিপ্টের বানান গুলো আচমকা নেচে বেড়াচ্ছে প্রজাপতির পাখায় ভর… [বিস্তারিত]

বৃষ্টি বিলাস

অপু রায়হানঅণুগল্প১৫টি মন্তব্য

হৈতি'তলার পাহাড়ি পথ বেয়ে ফিরছি, হুট করে একটা বৃষ্টির ফোঁটা দেহের এমন এক জায়গায় ছুয়ে গ্যালো, চমকে উঠে অদ্ভুত এক শিহরনে ডুবে গেলুম, তারপর ঝম ঝম বৃষ্টি আমায় পুরো ভিজিয়ে গ্যালেও সেই অনুভূতি আর নিভলো না। প্রতিটা মানুষের আদরের নিয়ম আলাদা আলাদা, যারা বাজার থেকে রঙিন মোটা কাগজে ছাপা বাধাই কামাসুত্র কিনে এনে মানচিত্র ধরে… [বিস্তারিত]

রঙধনু আকাশ

ইঞ্জাগল্প৩৪টি মন্তব্য

রুদ্র, এই রুদ্র উঠ না বাবা, এতো দেরি করলে চলে, আরেহ এখনো ঘুমায় ছেলেটা? মম ডিস্টার্ব করোনা, ঘুমাতে দাও। রুদ্রর মা শায়লা আহমেদ ছেলের পাশে বসে পড়ে ছেলের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিয়ে গালে এক চুমু দিতেই রুদ্র মার গলা জড়িয়ে ধরে বললো, আই লাভ ইউ মম। পাগল ছেলে, আই লাভ ইউ টু, এখন উঠে যা।… [বিস্তারিত]