প্রিয় সেকুল 💗 অনেক দিন পর হেমন্তের আহ্বানে জেগে উঠেছে আমার অন্তরাত্মা । হেমন্তের গোধুলীর রঙ, চার পাশ থেকে কুয়াশায় আচ্ছন্ন করা মাঠ ঘাট প্রান্তর, শীত শীত অনুভুতি, নবান্নের উৎসব, কুয়াশা বেঁধ করা চাঁদের মিষ্টি আলো, সব শেষে তিতাসের কুলে তোমার পাশে বসে ভালবাসার স্মৃতি গুলো সারা জাগিয়ে গেছে সংগোপনে । পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই [বিস্তারিত চিঠি]
ক্যাটাগরি চিঠি
প্রিয়তমা, প্রিয়তমা বলেই ফেলি। কারণ আপন হিসেবে যতটা মন খুলে কথা বলতে পারবো- অন্য কোন কিছু দিয়ে শুরু করলে হয়তো ততটা বলা হবে না। যাক, জানিনা আমাকে পাঠানো তোমার ছবিটা “ফটোশপ” ঘুরে এসেছে কি না। এমন দুধে আলতা রং আর তুলিতে আঁকা চোখ মানুষের হয় জানা ছিলো না। তোমার প্রেমে পড়তে সময় লাগলেও তোমার চোখের [বিস্তারিত চতুর্থ গল্প (চিঠি)]
প্রিয় নবীণা 💗 বৈরী আবহাওয়ায় এক ঝাঁক বিষন্নতা আচ্ছন্ন করে আছে মনের চার পাশ। আকাশের বুকে দলে দলে ভেসে যাচ্ছে মেঘের শাবক । হেমন্তের প্রান্তে সোনা ঝরা বৃষ্টি বাড়িয়ে যায় শীতের তাপর । প্রতিকুল আবহাওয়ায় স্থবির জনজীবন। বারান্দা বেয়ে জানালার ফাঁকে মৃদু সমীরণ এসে উষ্ণতায় দখল নিয়েছে চার দেয়াল। একাকীত্বের প্রহর, উষ্ণতায় শিতল, ভাবনায় জেগে [বিস্তারিত চিঠি]
বিঃদ্রঃ হয়তো তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি।প্রথম এমন লিখেছি।সাধু ভাষা, চলতি ভাষা, বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রন এসেছে,,, প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এটা জাস্ট মজা করার জন্য লিখেছি। প্রিয়,,,,,, কি দিয়ে তোমাকে সম্বোধন করিবো অনেক ভাবিয়া তাহা স্থির করিতে পারিলুম না বলিয়াই বাধ্য হইয়া প্রিয়তে এসে থেমে গেলুম।বোধ করি ভালো কাটিতেছে তোমায় সময় গুলি,নতুন মানুষ তোমায় ভালো [বিস্তারিত কী দিয়া তোমায় সম্বোধন করিবো]
প্রিয় শুভ্রনীল, আশ্বিনের এই শেষ বিকেলে খুব করে মনে পড়ছে তোমায়।মনে পড়ছে তোমার সাথে কাটানো প্রত্যেকটি বিকেলের কথা।অনেক দূরে থেকেও আমরা থেকেছি একে অপরের খুব কাছে।স্পর্শে বাইরে থেকেও থেকেছি একে অপরের শরীরে লেপ্টে।থেকেছি নিঃশ্বাসের খুব কাছে। অনুভবে তোমার নিঃশ্বাস আমার নিঃশ্বাসের সাথে মিলে মিশে-আমাদের শিহরিত করেছে প্রতিদিন। ২৪৩ কিমি দূরত্ব যেনো দমে রাখতে পারেনি-আমাদের ছুঁয়ে [বিস্তারিত প্রিয় শুভ্রনীল]
এরে হুনরায়নি গো? বাক্কা কতদিন অইগেছে তোমারে দেখছি না। আমার জানে বড়ো আনচান আনচান করে তোমারে দেখার লাগি। যেমনে ঢাকা শহর গিয়া বইলায়,বউবাইচ্চার খবরও নেও না এ কি আবস্তা আরম্ভ করলায় তুমি। তোমার দুও পোয়া পুড়িনিতে আব্বা আব্বা কইয়া কান্দিতরা একছারা তোমারে দেখার লাগি। আমার বিয়ান,মাধান,আইন্জা,রাইত ঘুম নাই তোমার চিন্তায়। আর মাইনসে আমারে আইয়া যুক্তি [বিস্তারিত ওগো হুনছো নি!]
প্রিয়তমা 💘 মান বা অভিমান কোনটাই না আমার। আর মান অভিমানে আমি কাতর নই, সেটা ভাল করেই জানো । ব্যপারটা বিশ্বাসের , অস্থি মজ্জা জুড়ে যে বিশ্বাস টা ছিল, পুরোটাই তুমি ধ্বংস করে দিয়েছো। তোমার এবং সন্তানদের প্রতি অগাদ ভালবাসার দরুণ আমি দিকবিদিক ছুটেছি, । তোমাদের সুখ শান্তি আর সমৃদ্ধির জন্যই নিজেকে কর্মমুখর ও ব্যস্ত [বিস্তারিত চিঠি]
প্রিয় নবীণা, রাতের শেষে উষ্ণতায় সিক্ত করে যায় দু’বিন্দু হেমন্তের শিশির । শিতের আগমনী বার্তায় শীষ দিয়ে যায় দোয়েল । উত্তরের বাতায়নে মৃদু হিমেল সমীরণ । বেলকনির টবে পাপড়ি মেলেছে দুর্বা ফুলের দল, বেলী ফুলের কুঁড়ি গুলো সবে দানা বেঁধেছে । দুর্বা আর বেলী ফুল তোমার খুব প্রিয় ছিল, সেই থেকে আমার ও কখন যে [বিস্তারিত চিঠি]
প্রিয় মাধু্বীলতা, বছর ছয়েকপর তোমার নামে চিঠি লিখছি! পাঁচ টাকার কলম আর পঞ্চাশ টাকার ডায়রীতে কতটুকু আবেগ লিখা যায় তা আমার জানা নেই। পরনে সেন্টুগেঞ্জি, বা’হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে দশটাকার পুরনো নিকোটিন! হাত কাঁপছে আজ। জানিনা চিঠি পড়ে কতটা অপমান কিংবা ঘৃণা করবে আমায়! আমি আজকাল নেশাও করি। অফিস থেকে ফেরার পথে কোনো এক নির্জন ফাঁকা [বিস্তারিত মাধুবীলতা]
তুমি ফিরে এসো হেমন্ত। শিউলি ফুলের শুভ্রতায়, দুর্বাঘাসে একফোঁটা শিশিরবিন্দুতে উদিত সূর্যের আলোকছটায়। এই অনিত্যের প্রাঙ্গণে আমার সৌন্দর্যপ্রেম আর দ্যাখেনা অনির্বচনীয় কোন দর্শন। যে প্রেম ধরাকে চিরন্তন নিত্যনবীনতায় সতেজ করে তোলে, তোমার বিচ্ছেদে সে প্রেম সেজেছে বিরহী কাক। হেমন্ত, তুমি ফিরে এসো উত্তরোত্তর বর্ধিত মধুমালতি হয়ে। আমার হেমন্তরা যে হারিয়ে গিয়েছে আগেই। এখন যা আছে [বিস্তারিত হেমন্ত বন্দনা- ফিরে এসো হেমন্ত]
“আামাদের গেছে যে দিন একেবারেই কি গেছে? কিছুই কি নেই বাকি?” নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করি, আবার নিজেই উত্তর দেই, “রাতের সকল তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে।” এভাবে তোমার সাথে রোজ কথা বলি একাকী। জানো আকাশ, আজকাল আমার একা থাকতেই ভালো লাগে। একা থাকলেই কেবল কল্পনাতে তোমাকে পাই, নিজের করে। কেউ কাছে এলে, কথা বললেই তুমি [বিস্তারিত চিঠি-২য় পৃষ্ঠা]
পরম শ্রদ্ধান্নেষু ‘মা’ ঘুমের ঘরে কোন স্বপ্ন দেখি না বহু বছর হল।মানুষ ঘুমের ঘরে স্বপ্ন দেখা থেকে দূরে থাকে কি ভাবে আমার মস্তিষ্কে কাজ করে না।প্রত্যাকে ঘুমের ঘরে প্রতিনিয়ত ইচ্ছায় অনিচ্ছায় কিছু না কিছু স্বপ্ন দেখেন অথচ আমার হয়েছে এর উল্টো। জীবনের একটা সময়ে ঘুমের ঘরে খুব ঘটা করে স্বপ্ন দেখতাম।কখনো আকাশে উঁড়ছি,কখনো দৌড়ে পালাচ্ছি,কখনো [বিস্তারিত মা’কে মনে পড়ে..]
প্রিয় আকাশ, জানি তুমি আকাশের মত বিশাল নও, আকাশের মত নীলও নও। তবু আমি তোমার নাম দিয়েছি আকাশ। তোমাকে কল্পনা করি আকাশের বিশালতার মত, তোমাকে খুঁজে ফিরি আকাশের ঐ নীল রঙে। টুকরো টুকরো মেঘের ভেলায় লিখে রেখেছি তোমার স্মৃতি খুব যতনে। তাই তোমার নাম দিয়েছি আকাশ। অনেক দিন থেকে ভাবছি, তোমাকে একটা চিঠি লিখবো। কিন্তু [বিস্তারিত চিঠি]
জানিস্! ভীষণ মনে পড়ছে তোকে। এই মাসটা এলেই আমি বিষণ্ণ হয়ে যাই।আমার বুকের ভেতরে চাপ চাপ কষ্টেরা কিলবিল করে।এ মাসটা এলেই তোর চাঁদের জোছনার মতো মুখটা চোখের তারায় জ্বল জ্বল করে জ্বলতে থাকে। তোর চোখ মুখ ললাট, কদম ছাঁটের মতো ঘন কালো চিকচিকে চুল গুলো। আমার চোখ পোড়ায়,আমার বুক ঠেলে কান্না পায়।আমি একা একা কাঁদি। [বিস্তারিত কেমন আছিস তুই//]
চট্টগ্রাম ৮/১০/১৯ প্রিয় রুশো, প্রতিদিন ভাবি এই চিঠিই হবে শেষ চিঠি কিন্তু শেষ আর হয়না। কবে, তুমি চলে গেলে, শীতের কম্পন আর হৃদয়ের কম্পন তখন এক হয়েছিলো। তুমি বুঝেছো কিনা জানিনা! ঐ দূর থেকে চোখ বুঝেছিলো মনের আঙ্গিনায় কি লিখা ছিলো? আমার সেই অঝরে কান্নাগুলো বৃষ্টিকে হার মানিয়েছিলো। তাই সময় করে বসি, মনের কথাগুলো [বিস্তারিত রুশোর কাছে চিঠি ১]