প্রিয় মানুষের প্রস্থান

আজ তোমার শহরটা কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগলো। বেশ কিছুদিন পর বাসা থেকে যখন শহরে ঢুকলাম কেমন যেন লাগছিল। অসংখ্য মানুষ শহরে, হাজারটা যানজট রাস্তায়, অযস্র শব্দ সৃষ্টি করছে শব্দদূষণ। তবু যেন কোথাও কেউ নেই । এই শহরটা এর আগে কখনো এতো শূণ্য লাগেনি । এতো ফাঁকা মনে হয়নি । বিশেষ কিছু জায়গাতে বার বার [বিস্তারিত প্রিয় মানুষের প্রস্থান]

মায়ের চিঠি (জয়পুরহাটের আন্চলিক ভাষা)

বাবা. কেংকা আছু তুই ,অনেকদিন কোন চিঠি পত্তর নাই।আজকা বোরভানি থেকে জিউ লোচছে,চিঠি পাবা মাত্রই ঝটিকা ধরে বায়িত আসিস।তোর বাপ ভালকীর  বিলত থেকে কডা কানচ ,টেংগর আর মাগুর মাছ ধরে আনিছে, হামি তোর জন্য চ্যারাত করে জিয়ে থুছি,তুই আলে কুমোড় বড়ী দিয়ে ঝোল রান্না করমোহিনি।গাছত কডা শবরী আছিল,চ্যাংরাগে অত্যাচারে থুবা পারিনি।কুরবানির কথা কিছু ভাবিছু,তোর বাপ [বিস্তারিত মায়ের চিঠি (জয়পুরহাটের আন্চলিক ভাষা)]

উরো চিঠি

প্রিয় সুলেখা, আমায় নিয়ে তোর ধারণাটা কি পাল্টেছে?নাকি আটপৌরে বুরির মতো সেকেলে তুচ্ছ কথাটিকে মনে গেথে চুরান্ত অপরাধীর আসনে বসিয়ে তোর মায়াবী চোখের চাহনিতে হিংস্রতা মিশিয়ে নাক শিটকে ঘৃণার সাগরে ভাসিয়ে দিচ্ছিস! প্রিয়, ওগো কেমন আছো তুমি? চিঠির প্রারম্ভেই জানতে চাওয়াটা নমনীয়তা। এ নির্ঘাত মহা অপরাধ আমার, আমি তা জানতে চাইনি।এখন নিশ্চই তোর মনে আমায় [বিস্তারিত উরো চিঠি]

ভালোবাসা শব্দটি এখন সবচেয়ে বড়ো শব্দদূষণ

  প্রিয় মায়াবতী, গতরাত তোমার নিঃশ্বাসের নদী স্রোত হয়ে বয়ে চলেছিল পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দিকে। ঘুমের জানালায় বসেছিল দুটি উন্মনা সাদা হাঁস। তাদের ডানায় অঙ্কিত ছিলো বেলিফুলের কোলাজ গন্ধ। মায়াবতী তুমি ইদানীং রাজহাঁস হও নাকি? নাকি ঢুকে যাও রজনীগন্ধ্যার মাদকীয় ঘ্রাণে। আচ্ছা আমার কি অদ্ভুত হ্যালোসিনেসন হলো ভরদুপুরে আমি ডোবে যায় খাঁজ কাটা অন্ধকারে। নাকি [বিস্তারিত ভালোবাসা শব্দটি এখন সবচেয়ে বড়ো শব্দদূষণ]

প্রেমকে থ্রেট।

প্রিয় প্রেম, প্রতিনিয়ত মস্তিষ্কে বিচরণ করা তুমি নামক শব্দটিকে চিরতরে রিমুভ করে দেবো ভাবছি ভাবছি করেও কিছুতেই রিমুভ করতে পারছি না। অনেক কষ্টে যদিওবা রিমুভ করতে সক্ষম হচ্ছি তবে তা কয়েক মুহূর্তের জন্য। খানিক বাদে আবার ফিরে ফিরে আসছো আমার মস্তিষ্কে। রিসাইকেল বিন থেকে মুছে দিতে পারছি না যে কিছুতেই। তুমি বিষাক্ত সায়ানাইডের তীব্র দহন। [বিস্তারিত প্রেমকে থ্রেট।]

শূণ্যতাকে লেখা চিঠি

প্রিয় শূণ্যতা, জানো আমার দখিনা বাতায়নে বসেছে ছোট্ট দুটো মিষ্টি ভিনদেশী পাখি। একটা ছেলে পাখি আর একটা মেয়ে পাখি। কি অদ্ভুত সুন্দর দেখতে পাখি দুটো! প্রথম দর্শনেই যে কেউ তাদের প্রেমে পড়বে। আমি ভেবেছি পাখি দুটোকে খুব যত্নে পুষবো। যাই ভাবা সেই কাজ। আমি পাখি দুটোর সাথে মিতালী করেছি। ওরা আমার বেশ পোষ মেনেছে। আমি [বিস্তারিত শূণ্যতাকে লেখা চিঠি]

পুরোনোকে বিদায় দিয়ে নতুনকে বরণ

প্রিয় ১৯, তোমাকে বিদায় দিতে হবে এটাই চিরন্তন সত্য। বিগত বছর গুলোর মতো একটু একটু করে তুমিও হয়ে যাবে স্মৃতি। পুরোনো স্যাঁতস্যাঁতে কিছু স্মৃতি। যে স্মৃতি মাঝে মাঝে রোমন্থন হবে ঠিকই কিন্তু কোনো বিশেষ অর্থ বহন করবে না আমাদের জীবনে। কি আর করার বলো আমরা এমনিই। আমরা যে স্মৃতি আঁকড়ে বাঁচতে পারি না। তাই তো [বিস্তারিত পুরোনোকে বিদায় দিয়ে নতুনকে বরণ]

অভিমানী চিঠি

প্রিয় ব্যস্ততা, জানো, আমার প্রিয়জন আমাকে নয় তোমাকে ভালোবেসে সারাক্ষণ। এক মুহূর্তও তোমাকে ছেড়ে থাকতে পারে না। চোখের আড়াল হতে দেয় না তোমাকে। তুমি তার কাছে অনেক অনেক বেশি মূল্যবান সম্পদ। তাই তো সে আমাকে উপেক্ষা করতে পারলেও তোমাকে পারে না। তুমিও কি তাকে অনেক বেশি ভালোবাসো? হ্যাঁ বাসো বাসো, নিশ্চয়ই খুব ভালোবাসো! তা না [বিস্তারিত অভিমানী চিঠি]

পূষনকে লেখা চিঠি

প্রিয় পূষন, আমার ক্যাম্পের চারপাশে বরফের ধূ ধু মরুভূমি। তুমি নেই, বিদায় নিয়েছ মকর সংক্রান্তির দীর্ঘতম রাতে, এখন নক্ষত্রের মিটিমিটি আলোয় সামান্যই অন্ধকার কাটে। যেন চির ভোরের দেশে এসে পড়েছি। আকাশ পরিষ্কার থাকলে নক্ষত্রের আলো বরফের ওপরে প্রতিফলিত হয়ে সুবহে সাদিকের মতো এক রকম নীল আলোর প্লাবন বয়ে যায়, মনে হয় একটু পরেই সকাল হবে, [বিস্তারিত পূষনকে লেখা চিঠি]

প্রেমের ইতিহাস

প্রিয়তম, তোমার জন্য প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখে রাখি ডাইরির পাতায়।কোন একদিন চলে আসবে জনসম্মুখে, আর সবাই অবাক হয়ে পড়বে তোমার আমার প্রেম কাহিনী। যখন তারা জানতে পাবে এই ঘটনা, হয়তো হয়েও যেতে পারে, সেইটা কোন অমর প্রেম কাহিনী।কারন তোমাকে নিয়ে আমার প্রেমের রাজ্যের যে বর্ণনা থাকবে তা হার মানাতে পারে, সম্রাট শাহজাহানের প্রেমকাহিনী বা [বিস্তারিত প্রেমের ইতিহাস]

প্রিয় নবীণা

প্রিয় নবীণা 💗 👉 পৌষের এই বৈরী বর্ষণে কাতর সারা দেশ । অতি উষ্ণতা মুখর শীতের প্রান্তরে উত্তাপ খুঁজে বেড়ায় শীতার্থ প্রাণ । কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের চলমান শীতলতায় স্থবির জনজীবন । শীতের তীব্রতায় থর থর করে কাঁপছে, মাঠ ঘাট প্রান্তর । অতি উষ্ণ প্রবাহে হঠাৎ আমি স্বপ্নময় হয়ে উঠি । সারা দেশময় যখন শীতের তাপরে [বিস্তারিত প্রিয় নবীণা]

প্রিয় ভালোবাসা

প্রিয় ভালোবাসা, চার দেয়ালের গণ্ডিতে আবদ্ধ থেকে যদি ভালো থাকা যায়, তবে খোলা আকাশের নিচে বিশাল পৃথিবীতে বিচরণ করার কী দরকার? মানুষকে ভালোবাসতে গিয়ে যদি বার বার ক্ষত বিক্ষত হতে হয়, তবে মেকি মহত্ত্ব দেখিয়ে তাবৎ দুনিয়ার মানুষকে অলীক ভালোবাসায় ভাসানোর কী দরকার? কথা গুলো বেশ স্বার্থপর স্বার্থপর শোনাচ্ছে তো! আজ সকালে শোনা মূল্যবান বাণী [বিস্তারিত প্রিয় ভালোবাসা]

অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ

প্রিয় অতীত, তুমি জেনে খুশি হবে যে আমি তোমাকে ভুলতে পেরেছি। তোমার দেওয়া প্রেম, ভালোবাসা, আঘাত যন্ত্রণা ভুলে ভালো আছি আমি। খুব ভালো আছি।   প্রিয় বর্তমান, তোমার সাথে থাকলেও আমি তোমাকে কখনো ভালোবাসতে পারিনি। তাই তোমার থাকা না থাকা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। বরং তুমি যতো দ্রুত চলে যাবে আমার থেকে ততোই ভালো থাকবো [বিস্তারিত অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ]

বিরহের চিঠি

প্রিয় রুদ্রনীল, তুমি কি ভালো আছো রুদ্রনীল অন্যের আকাশে? ভালোই আছো নিশ্চয়ই। আমি চাই জানো তো তুমি খুব খুব ভালো থাকো। তুষারের মতো শুভ্র আর পুষ্পের মতো রাঙা বউ হয়েছে তোমার। সে নিশ্চয়ই খুব ভালোবাসে তোমাকে, পরমঈশ্বর মানে! তুমি ভালো আছো শুনলে খুব ভালো লাগে আমার। আমার কথা ছাড়ো, আমি এক রকম অসুখের সুখে বেঁচে [বিস্তারিত বিরহের চিঠি]

হিমুর আরেকটি চিঠি

হিমু নতুন একটি চিঠি লিখতে বসেছে – প্রিয় কান্তগীতি, পরপর কয়েকবছর তোমার পিছুপিছু ঘুরঘুর করে আমার কোমরের হাড্ডি-গুড্ডিতে কিছু ক্ষয় দেখা দিয়েছে। যার নিদারুণ নিষ্ঠুর বর্বরতা আমাকে তোমার সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করে। পুরুষ হিসেবে এরচেয়ে লজ্জিত সময়ের মুখোমুখি মুখপানে মুখপোড়া আবেগে দাঁড়িয়ে থাকাটা আমার কাছে অসহ্য জ্বালাতনের। অবশ্য ডাক্তার বলেছে – [বিস্তারিত হিমুর আরেকটি চিঠি]