কিছু ডাক আমাকে পিছু ডেকেছে অনেক সময়ে। ফেরাতে চেয়েছে। পারেনি। পেরেছে শুধু একজন। আমার চির শত্রু সে। সই সে আমার। ফিরলাম। ফিরতে হলো। লেখা প্রায় ছেড়েছি। ছাড়িয়ে দিয়েছে তা। ব্যস্ততাই কারন মূলত। আবার লিখতে পারব কিনা জানি না। পড়ব। কথা দিচ্ছি। সীমার মধ্যে থেকে। তবে সই এর খবর আছে। আমাকে এনে আড়াল নিয়ে মজা দেখছে।… [বিস্তারিত]
বনলতা সেন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ১০ মাস ২৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৫৬টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২০৬৪টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৯৬৫টি
লেখালেখি মাথায় নেই,পালিয়েছে উধাও আকাশে।অযথা অহেতুক গাই-গুই করে আর যাহোক লেখাকে লেখির কাছে আনা যায় না।হাপিত্যেশ সার।অযথা কী-বোর্ড হাতড়িয়ে লেখা হয় না পাগলি। জানি। লেখা বা লেখি হবে কি করে?লেখার গুড়ে বালি বা ছাই নয় আস্ত জগদ্দল পাথর রেখেছে ফেলে।এড়ানো ফেরানো বা ঠেলে ফেলে বেয়ে ওঠার রাখেনি উপায়।আর বের হয়েই বা কী লাভ?লিখব বলে যা… [বিস্তারিত]
বলে এসো আবারও আসবে ফিরে শিশিরের পা ফেলে ফেলে মায়াবী ভোরের বেশে,ভোর হয়ে এই মেঠো পথের আল বেয়ে। বলে এসো বু’র কাঁধে মাথা রেখে, হাত ধরে চোখে চোখ ছুঁয়ে, এই তো আবার ফিরে এলে বলে সবুজের ভরা জ্যোৎস্নায়; ফিরে ফিরে আসবে অনাদিকাল ধরে অতীত ভবিষ্যতের বাধ ভেঙ্গে, সহজ নৈপুণ্যের আঁটি বাঁধা ভালবাসার নৈবদ্য নিয়ে। বলে… [বিস্তারিত]
স্বর্গোদ্যানের সোনা-রংয়ের ভোরকে নিয়ে ছিনিমিনি? বেছে নেবো বেপরোয়াকে,গাছেদের ছায়ায় বসে হবে ব্যাপক চুলোচুলি। মল্লযুদ্ধ জয়ের শেষে,ভোরের সাথে তবুও অতীতের সকল নজির অক্ষুণ্ণ রেখে দীর্ঘস্থায়ী হবে চিনিসম্পর্ক চাঁদের বনে।কামাখ্যা মন্ত্রের জাদুটোনা সবার হয় না, সবাই পারেও না। হেঁসেলের চিমনিটা ঠায় দাড়িয়ে গলগলে সাদা ধোঁয়াবিহীন,ভালোবাসার আগুনেকাঠের অভাবে। বৃষ্টিগন্ধা সবুজে মোড়ানো ফুলচঞ্চল সোনা ভোর,মূক হয়ে কত-কিইনা শুনবে এবার।… [বিস্তারিত]
বিচ্ছেদের ভারী ব্যথা নীরবে স’য়ে জেগে থাকা ঘুম চোখে স্বপ্নে দেখি ভোরকে,অপেক্ষায় থাকি।হৃদনিথরে মনের কথা মনকে বলি, মনই শোনে আয়না চোখে। মুখপুড়ি সেই যে গেল ফেরার নামটি নেয় না। এলোচুলে ব্যথা-যন্ত্রণায় ছিঁড়েছি চুল বেহাল সাজে, মুখে মেখেছি ধূলিকাদা।তবুও দেয়নি উঁকি এ মরা চোখে।পুরু নিস্তব্ধতায় চুপিসারে দূরে পালিয়ে ভেবেছ কী ভুলে গেছি? ভুলিনি,অগনিত গভীর আলোর ঝংকারে।… [বিস্তারিত]
নিরাল আয়নায় বসে ভাবি কত কী,রূপকথার কথকতায়। আয়না দেখি,আয়না ও দেখে।দেখা দেখি করি আপন মনে। কৃশানুর আলপনা এঁকে ফরসা ধোঁয়ায় মোড়া ভোরের খুনসুটিয়ায় কুহুকাকলি শুনি,দেখিও। আয়না কে বলি 'কী দেখ তুমি ঋষিবক চোখে?' লা-জবাবী আয়না শুধুই হাসে আয়নায় চোখ পেতে। মানা আছে যাবে না সব বলা। মানা আছে মানা থাকুক,থাকুক স্পিকটি নট। একটু না হয়… [বিস্তারিত]
এ সময়ের শেষ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে ফিরে দেখি ফেলে আসা,হাতছানি দিয়ে ডেকে নেয়া সোনালী সকাল রক্তাক্ত বিকেলে।হিসেববিহীন শূন্য চোখে চোখ ফেলি নিঃসীম আকাশে মেঘের ডানায়।জেগে দেখা স্বপ্নে বিভোর হই,হে সকাল কুয়াশার শীত ঠেলে আলো দাও,আলো হও পরীবানুর সজল চোখের আনন্দবানে বেজে ওঠা কাঁচের চুড়িতে। ডান বাম-হীন ঘড়ির কাটা এক ফুঁ এ নিভিয়ে দিয়ে ভাবনার চামচে উল্টে-পাল্টে… [বিস্তারিত]
সুতীব্র অভিযোগের শর পায়ের কাছে ফেলেছে ‘ভোর’।বুকে বিঁধিয়ে দেয়নি বলে সাকুল্যে একটিই প্রাণ আমার,তা এবারের মত রক্ষা পেল।হুট করে ফেলে যাওয়া,রেখে যাওয়া ঠিক হয়নি মোটেই।আড়ি পর্ব চলছে চলবে।ফেলে রেখে চলেই যদি গেলাম তবে এলাম কেন? না এলেই ভাল হতো।এসেই আবার ইতং-বিতং শুরু হয়ে গেল। ভোরের কথা কে আর ভাবে? যার কাছে রেখে গেলে সে এখন… [বিস্তারিত]
ঘুঙ্গুর পড়া লঘু পায়ে খেলছ তুমি মোর আঙ্গিনায়, নূপুর নিক্বণে ঘুম ভেঙ্গে ভাবি,হায় এ কি দেখি? দিবা স্বপ্ন নাকি বাস্তবতা?এ যে দেব শিশু,স্বর্গের জননী! খেলছে সে আপন মনে বালিকার হৃদয় জুড়ে। রাতবিলুপ্তির রাতকাহিনী! তাও নাকি লেখা থাকে দেবীর খেড়ো খাতায়! দেয়ালে কপাল ঠুকে বালিকা ভাবে, সোনার শিকলে বাঁধব না ও হৃদয়, আমাকেই বাঁধ তোমারই বিনি-সুতোয়,… [বিস্তারিত]
হারিয়ে যেতে পারলি? কোন মন্ত্র বলে ফিরে এলি?বলতে পারবি? কোন্ কষ্ট পেয়ে চলে গেলি?চলে গিয়ে কষ্ট দিলি?বলতে পারবি? নড়নড়ে কাচে আড়াল পেলি?বলতো দেখি? বাঁশ নয়,কঠিন পাথরে মাথা ফাটাব,মনে রাখিস। সত্যি করে বলনা? হৃদয়ে এফোঁড়-ওফোঁড় করে কী শান্তি পাস্? হৃৎপিণ্ড ছিঁড়ে দিয়ে দেব,যদি চাস্,বিনিময়ে ভাল থেকে ভাল রাখ্। গুণ্ডি হামটি-ডামটি নাছরিন!ফের যদি হস্ ও মুখো,খবর আছে… [বিস্তারিত]
গনগনে ধারালো কাচ নীরবতায় কে ডাকে দূর থেকে দূরে থেকে ?? রাত-বিরাতে খনখনে ঝাঁঝালো গলায়,চোখে আয়না ফেলে ঠোঁটের আড়ালে ঝুলিয়ে পোয়াতি হাসির হাসি শেষের ওবেলায় অবেলায়।কে?কে? শান-বাঁধানো হিম-শীতলতায় একা থেকে ক্রমএকাকিত্বের স্বাদ নিয়ে নাছরিনের দেশে বেশ ভালই আছি অগুনিতক সময়ের কাছাকাছি। বনলতা সেন কে খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে ভাবছি চাদের বুড়ির বাড়ীতে একটু জিরিয়ে নেব,জবুথুবু… [বিস্তারিত]
গুনগুনিয়ে মনের সুখে পথ চলি বৃষ্টিচাদরে মুখ ঢেকে ফাঁকি দিয়ে আকাশকে,ভাবি পাবে না খুঁজে আমার ঠিকানা। বৃষ্টি যে আকাশেরই খসে পড়া নীল পালক। আবার আসিব ফিরে জলসিঁড়ির জল ছুঁয়ে, শিশিরের সোনালি সকালে গুটিগুটি পা ফেলে এই এই সোনেলায় আবারও,চোখজল মুছে বিপুল কোন জ্যোৎস্নায়,জোনাকির আলো জ্বেলে। ======================================== বিরতি নিচ্ছি একটু -----পড়া ,লেখা ও মন্তব্যের উত্তর থেকেও। [বিস্তারিত]
জানালার শার্শি আর ঝুলন্ত রোদের পর্দা।পর্দার ফাঁক গলিয়ে এক চিলতে সোনা রোদের উঁকিঝুঁকি। আধ-ঘুমন্ত গুটিসুটি বেড়াল চোখে চেয়ে দেখা।হোঁচটের চিড় গুলোর ঝগড়া-ঝাঁটি বিঁধছে বিষণ্ণ বুকে। এন্তার কেতাদুরস্ত অপেক্ষার কোলে বসে শুধুই তাকিয়ে থাকা। আঙুলের গাঁটে গাঁটে ও ঘাড়ে কামড়ে বসা জবুথুবু শীতে ধোয়া ওঠা দীঘির জলে জল মাকড়ের পিছলে চলা,কী আশ্চর্য ! একটুও পা না… [বিস্তারিত]
হাঁটিনি সাত পা এক সাথে কখনো।কথা বলার প্রশ্নই আসেনা।ধার করে দেখেছি শেষ অবশেষ, জানালায়। তবুও ঋতুসন্ধিতে অন্ধকারে ক্লান্ত গলি মুখে চোখ রাখি।না,এ গলি নয়।এখানে রাতের শীতেরা ঘুমুচ্ছে এ মুখ ও মুখ হয়ে। নগ্ন পায়ে।আমি,না দেখা গলিটি কিছুতেই পাচ্ছিনা খুঁজে। ঘুমে ডুবেও আমার কিছুতেই ঘুম পাচ্ছে না। আমি পরিযায়ী সিঁধেল চোরও না। পৃথিবীর বুক হাতিয়ে একটু… [বিস্তারিত]
জোনাক জ্বলা রাত ভোরকে আগলে রেখে ঘুরে বেড়াও জোনাকির বেশে মেঘেদের আড়াল চোখে। কোথায় হারাল আমার সোনা সোনা বন জ্যোৎস্না রাত ভোরকে আঁচলে বেধে। জোনাকির কাঁপন তুলে ভালোবাসায় বেঁধা ঠাস বুননে এসো,জ্বলি সবুজের শিখা হয়ে। ছেঁকে তোলা ডোরাকাটা রূপসী হিংসে আমাকে আর জাগ্রত করে না। সুন্দরের হাতছানি শূন্যে ভাসিয়ে নিবিড় নিশীথের সতী মেয়ে এখনও একাকী।… [বিস্তারিত]
