তারপর জিসান ভাইয়া এলেন। ভাইয়ার সহায়তায় সোনেলা ব্লগে নিবন্ধিত হলাম। ভাইয়া বললেন পোস্ট করতে। আমি একাউন্ট লগইন করলাম তারপর কয়েকটা পোস্ট পড়লাম মন্তব্য করলাম টুকটাক। এবার যখন আমার পোস্ট করার পালা এলো তখনই বেঁধে গেলো যতো বিপত্তি। এই রে ব্লগ তো ফেইসবুকের মতো নয়! তাইলে কেমন করে পোস্ট করবো ব্লগে? আমি ভাইয়ার কাছে জানতে চাইলাম [বিস্তারিত প্রিয় প্রাঙ্গণে বিচরণ(সোনেলায় আমার বিচরণ)_দ্বিতীয় পর্ব]
প্রিয় প্রাঙ্গণে আগমন…. আমার লেখালেখির বয়স খুব অল্প সময়ের। ২০১৭ সাল থেকে টুকটাক টুকরো টুকরো অনুভূতি প্রকাশ করতাম ফেবুতে। ফেইসবুকে একজন মানুষের সাথে পরিচয় হলো আমার ‘সোহেল আহমেদ’। আমি উনাকে দাদাভাই বলে সম্বোধন করতাম। উনার সাথে টুকটাক কথা হতো। উনি সবসময় উৎসাহ দিতেন লেখার ব্যাপারে। একদিন বললেন সুরাইয়া আমি তোমাকে একটা গ্রু এ্যাড করে [বিস্তারিত প্রিয় প্রাঙ্গণে আগমন (সোনেলায় আমার আগমন)_প্রথম পর্ব]
যে আমার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের- সবকটি মোনাজাতে থাকে! যার ভালো থাকা আমায় সবচেয়ে বেশি হাসায়, যার মন্দ থাকা আমায় সবচেয়ে বেশি ভাবায় কাঁদায়, তাকে সবচেয়ে বেশি আমারই অভিযোগের- আঘাতে জর্জরিত হয় জেনে স্তম্ভিত আমি! অথচ সে যেগুলোকে অভিযোগ বলে অনুযোগ করছে সেগুলো আমার কাছে নিতান্তই অভিমান! তাকে ভাবতে ভাবতে আমার চারপাশের সবকিছু- যখন বিষে বিষে [বিস্তারিত আঘাতের প্রতিঘাত]
ট্রাস্ট মি যদি ইচ্ছে থাকে তবে ‘অসম্ভব’ শব্দটি এক্সিস্ট ই করবে না! এর বাস্তব প্রমাণ আমি নিজেই। আমার সবচেয়ে খারাপ গুণ হচ্ছে জেগে জেগে রাত কাটিয়ে দেওয়া আর অর্ধেক বেলা অব্দি পড়ে পড়ে ঘুমানো। আর তার জন্য কত বকা খেয়েছি তা বলে বোঝানো যাবে না। ইদানিং মনে হয়েছে রাতে তো সবাই ঘুমায় তবে আমি কেনো [বিস্তারিত ইচ্ছে আর মনস্থির করলে অসম্ভব বলে কিচ্ছু হয় না]
গতদিন শিউলি ফুল নিয়ে কথা হচ্ছিল। শিউলি কার কতোটা প্রিয়! কথায় কথায় আমি বললাম কাল প্রভাতে শিউলি ফুল কুড়াতে যাবো। তিনি বললেন.. বাহ্ দারুণ ব্যাপার! তা ম্যাডাম শিউলি হেমন্তে ফোঁটে। এখন কই পাবেন? -জ্বী না স্যার শিউলি শরৎ কালে ফোঁটে। সে কাল শিউলি তলায় গেলেই দেখতে পাবেন। মনের মধ্যে কেমন করে উঠলো! আরে ধুর [বিস্তারিত শিউলি ফুলের স্পর্শ]
যদি সত্যিই কেউ থাকতো, যে আমায় এমনি করেই বুঝতো! আমার মন খারাপ হলে, চোখের কোণে অশ্রু জমলে না বলতেই কেউ বুঝতো, যদি সত্যিই কেউ থাকতো! মন খারাপ কেনো, কি হয়েছে তোমার? -কই! কিছু না তো। তাহলে এভাবে কথা বলছো কেনো? -ঠিক করেই তো কথা বলছি বলবে না আমায় কী হয়েছে, কেউ কিছু বলেছে? -না [বিস্তারিত কথোপকথন (যদি সত্যিই কেউ থাকতো)]
এক. দিনের পর দিন আমি অপেক্ষায় থেকেছি, অপেক্ষায় থেকেছি একটা ফোন কলের। অপেক্ষায় থেকেছি অনেক প্রত্যাশিত- একটা নম্বর ভেসে উঠবে মোবাইলের স্ক্রিনে, পূর্ব পরিচিত কাঙ্ক্ষিত সে নম্বরে কল পেয়ে- আবেগ আপ্লুত হবে মন! শুষ্ক মরুর চোখ ভরবে অভিমানের অশ্রুতে, অঝরে ঝরবে বিরহের বারিধারা! হৃদয়ে উঠবে কালবৈশাখীর ঝড়, বুকের বাম অলিন্দে বইবে জলোচ্ছ্বাসের স্রোত! ক্ষণিকের [বিস্তারিত এতো দিন পর মনে হলো, আমার কোনো তাড়া নেই]
প্রিয়, সেদিন ছিল শরতের প্রথম মাসের শেষ দিন শেষ দিনেই শুরুর বার্তা হস্তে এসেছিলে, দাঁড়িয়ে ছিলে আমার প্রিয় দখিন দুয়ারে! জানো,আমি আজো জানতে পারিনি- তুমি সেদিন কী করে বুঝেছিলে? দখিন দুয়ারই ছিল আমার প্রিয় স্থান! দখিন দুয়ারেই ছিল আমার নিত্য যাতায়াত! একটু একটু করে খুব দ্রুতই- নিজের দখলে নিলে আমার দখিন দুয়ার, নিলে দখিনা [বিস্তারিত সেই শরতে শুরু এই শরতে এসে থেমে গেছে সব]
অষ্টাবিংশ বয়সে এসে আজকের দিনের শুরুটা সবচেয়ে বেশি স্পেশাল আমার জীবনে! জীবনের প্রথম স্বচক্ষে সূর্যোদয় দেখেছি। এই প্রথম দেখেছি অন্ধকারের বুক চিরে একটু একটু করে ভোরের মায়া ত্যাগ করে পূর্বাকাশের কোল জুড়ে সকালের আলো ফুটতে। আহ্! এই দেখা যে কতোটা তৃপ্তির কতোটা প্রশান্তির তা বলে বা লিখে বোঝানো সত্যিই অসম্ভব। জানেন, আমি আগে কখনো দেখিনি [বিস্তারিত প্রথম সূর্যোদয় অবলোকন]
হঠাৎ করেই ইচ্ছেরা পেয়ে বসলো বললো…. ‘না হয় করলেই ভুল,তুলে এক মুঠো ফুল!’ ভুল যখন করলেই, তখন দেরী কেনো ভরাতে অঞ্চল? বেশ বেশ! এটা ঠিক ক্যামন হলো বলো তো? ভুল করলে,ফুল তুললে অঞ্চল ভরালে একটু ফটোগ্রাফি করলেই বুঝি দোষ! এই তো! ষোলোকলা পূর্ণ
প্রিয়, জানো, আধ-পৌঢ়া বয়সে এসে মানুষ হবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমায় পেয়ে বসেছে! ইদানিং আমার কেবলই মনে হয় মানুষের অবয়বে গড়া দেখতে মানুষের মতো হলেও একজন মানুষ হবার যথার্থ যোগ্যতা অর্জন করতে অপারগ আমি। আমার মনে হয়েছে… যে মানুষ প্রভাতের প্রকৃতি দেখে না, স্বচ্ছ শিশির ভেজা ঘাসের উপর নাঙা পা রাখেনা, পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত হয় না, [বিস্তারিত খোলা চিঠি (মানুষ হবার মিশন)]
কী করছেন আপনি? -হাহাহা। কাজ ছাড়া আর কী? সারাজীবন তো সেটাই করলেন, এবার একটু প্রেম টেমও করুন🙈🙈 -আচ্ছা এসো তবে মিলি মন থেকে ডাকছেন না নিশ্চয়ই -প্রাণ থেকে তবে চলুন সব বাঁধা উপেক্ষা করি -এসো কেউ কেউ আমৃত্যু একা,এই নিঃসঙ্গ দাড়কাকের মতো আমিও ঠিক তেমনি গো! -না। আমি কি নেই হয়ে গেছি? সকাল সকাল বাজে [বিস্তারিত নিঃসঙ্গ দাড়কাক (কথোপকথন)]
প্রচণ্ড উত্তেজনা নিয়ে কল দিল শায়ন। টেনশনে ঘেমে ঘেঁটে একসার। রাজ্যের অদ্ভুত সব চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে শায়নের মাথায়। মনে মনে ভাবছে সুনয়না কী আমার ফোন রিসিভ করবে? আবার নিজে নিজেই বলছে কেনো করবে না? ও তো আর জানছে না এটা আমারই নম্বর। আগে ফোন রিসিভ করুক তারপর না হয়… ফোন বেজে বেজে কেটে গেলো। [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব তিন]
(শায়ন আমার খুব বন্ধু ছিলো, ছিলো কাছের মানুষ। কিন্তু কখনো ওকে বলা হয়ে ওঠেনি আমার মনের কথা। অনেক বার বলতে চেয়েও পারিনি বলতে ক্লাসমেট থেকে একটু একটু করে কতোটা কাছের হয়েছিল..) -সুনয়না, এই সুনয়না -হ্যাঁ কিছু বলছিলে! -কী ভাবছো বলো তো? এমন স্ট্যাচু হয়ে গেলে কেনো? -কই না তো! কিছুই ভাবছি না -আচ্ছা বেশ সে [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব দুই]
ইদানিং সময় একদম ভালো যাচ্ছে না। অসহ্য লাগছে সব কিছু। পছন্দের অপছন্দের কোনো কিছুই ভালো লাগছে না। নাহ্ এটা সিরিয়াস কিছু নয়। কারণ মাঝে মধ্যেই এমনটা হয়। নিজের উপর প্রচন্ড অভিমান অভিযোগ, নিজের কাজকর্মের উপর বিরক্ত হয়েই থাকে। এর যথার্থ কারণ অবশ্য আবিষ্কার করা হয়ে উঠেনি। তবে এর রেশ বেশি দিন থাকে না তাই এই [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব এক]