এক আমি তোমাকে বলতে চাই, শুধু তোমাকেই বলতে চাই। আমার একলা একা দিন, কীভাবে কেটে যায় অন্তহীন? বিষণ্ণ বিরহী সন্ধ্যা তুমিহীন কীভাবে চলে যায় প্রতিদিন? আমি তোমাকে বলতে চাই, শুধু তোমাকেই বলতে চাই! তোমায় ভেবে ভেবে সারাদিন, প্রতিটা মুহূর্ত কতোটা হই উদাসীন? তোমায় ভালোবেসে এই জীবনের ঋণ, এমনি করেই বুঝি শুধিতে হবে চিরদিন! দুই আমার [বিস্তারিত একের ভেতর তিন]
শেষ থেকে শুরু _পর্ব অষ্টম দখিনা বারান্দায় দাঁড়িয়ে এলোমেলো কতো কিছু ভাবনার অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে সুনয়না। হঠাৎ শায়নের সাথে দেখা তারপর এই সব উপহার পাঠানো। কী হচ্ছে এসব? জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসে এমন হাস্যকর পরিস্থিতি সত্যিই অস্বস্তিকর। সুনয়না কখনো ভাবছে হয়তো শায়নই করছে এসব আবার কখনো ভাবছে সে কেনো করবে এমন ছেলেমানুষী? আর [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব নয়]
সকাল সকাল নেট ওপেন করতেই একটা নোটিফিকেশন এলো আমার ফোনে। আজ প্রিয় একজনের জন্মদিন। আমি উনার টাইম লাইনে গেলাম জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাতে। ঠিক তখনই মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি এলো! মনে হলো এভাবে উনাকে উনার জন্মদিনের শুভেচ্ছা না জানিয়ে যদি একটু ঘটা করে জানানোর ব্যবস্থা করি তবে কেমন হয়? যেই ভাবা সেই কাজ। আমি আর [বিস্তারিত জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো]
শেষ থেকে শুরু_সপ্তম পর্ব সেঁজুতি কোনো দিকে না তাকিয়ে ব্যাগ তুলতে নিচু হয়ে বলতে শুরু করলো… -অসভ্য অভদ্র উশৃঙ্খল বাঁদর বদমাইশের দল সব। মেয়ে মানুষ দেখলেই যেনো ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরা যে ইউনিভার্সিটিতে কেনো আসে কে জানে? ভদ্রতার ভ টুকুও নেই এদের মধ্যে। শ্রাবণ ব্যাগটা তুলে দিতে যাবে এমন সময় সেঁজুতিকে দেখতে পেয়ে পিছনে সরে [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু _পর্ব আট]
ওহে প্রিয়, প্রিয়তম সোনেলা তোমার/তোমাদের এই সুন্দর সু-সজ্জিত, উজ্জ্বল ঝলমলে আলোক মঞ্চে বড্ড বেমানান এক অনাহুত আগন্তুক আমি’কে সদলবলে- গ্ৰহণ করে আশ্রয় দিলে তব হৃদয় আঙ্গিনায়; শত সহস্র ঋণে করলে ঋণী আমায়! সে তোমার কিংবা তোমাদের এই ঋণ, জানি কোনো কিছুতেই শুধিবার নয়! প্রিয় কিছু ঋণ শোধ করা যায় না কোনোদিন তবে কেনো হায়! [বিস্তারিত জন্মদিনে কী দেবো তোমায় উপহার]
শেষ থেকে শুরু_ষষ্ঠ পর্ব সারারাত নির্ঘুম কেটে গেলো মা মেয়ের। দূরের মসজিদ থেকে ভেসে আসছে মিষ্টি মধুর আযানের সুর। সুনয়না ফজরের নামাজ পড়ে ছাদে গিয়ে দাঁড়ালো। আকাশে তখনও আলোর আভা ফোটেনি। রাত্রির অন্ধকারের মায়া ছাড়তে পারছে না বলেই হয়তো এখনো অনেকটা অন্ধকার। অন্ধকারের বুক চিরে তেজস্বী সোনালী সূর্য উদিত হতে আরো খানিকটা সময় লাগবে। দীর্ঘ [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব সাত]
এক আহ্! যদি নীল হতাম; শরতের এই আকাশে তবে হাওয়ায় ভাসা তুলোর মতো- শুভ্র মেঘকে বুকে ধরে রাখতাম খুব করে! দুই যাকে ভেবে কাটছে দিন, যার জন্য জমছে বুকে- অজস্র যন্ত্রণার ঋণ! সে কী তোমায় ভালোবাসে শর্তহীন? কাছে পেতে চায় অন্তহীন? তিন আমার শহরে নির্জন নিস্তব্ধ রাতের সাথে- ভেসে আসে তাহার নিঃশ্বাসের উষ্ণ স্পর্শ! মৃদু [বিস্তারিত কয়েকটি টুকরো অনুভব(প্রেম বিরহ মিলে মিশে একাকার)]
শেষ থেকে শুরু_পঞ্চম পর্ব লজ্জায় সুনয়নার মরে যাবার জোগাড়। এই অবেলায় এসে এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে হবে তাও কিনা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানের সামনে তা ভাবতেই পারে না সুনয়না। অথচ আজ সেটাই ঘটলো। সুনয়না অপরাধী বালিকার মতো মাথা নত করে রইল। সে বুঝতেও পারলো না এখন তার কী বলা বা কী করা উচিত? সেঁজুতি মায়ের [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব ছয়]
শেষ থেকে শুরু_চতুর্থ পর্ব শায়ন ভাবছে সুনয়না কী বিশ্বাস করলো আমার কথা? সার্ভিস ম্যানের মতো হয়েছে তো কথা গুলো! কেমন যেন একটা অস্বস্তি পেয়ে বসেছে। যদি সুনয়না আমার কথা গুলো বিশ্বাস না করে ভুলভাল এ্যাড্রেস দেয় তখন কী হবে, কী করে পাবো ওকে? নাহ্ তাড়াহুড়ো করে ভুল করলে চলবে না আবার হেরেও যাওয়া যাবে না। [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব পাঁচ]
শেষ থেকে শুরু_তৃতীয় পর্ব লাইনটা যে কেটে গেছে সেদিকে খেয়ালই নেই সুনয়নার। ফোনটা কানে ধরে রেখেই যেনো ভাবনার অতলে হারিয়ে গেছে সে। সুনয়নার ব্যাপারটা একদম ঠিক লাগছে না। মনের মধ্যে অজস্র প্রশ্নের আনাগোনা। হঠাৎ এতো অস্বস্তি লাগছে কেনো? মন বলছে কিছু একটা ঘটতে চলেছে। কিন্তু কী ঘটতে পারে তা সে আন্দাজও করতে পারছে না। কতোকিছু [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব চার]
এই যে এমন পরিপাটি সাজগোজে- নিজেকে অপরূপা করে তোলা! সে তো কেবল তোমার জন্যই প্রিয়। ভেবেছি তুমি আসবে,ভালোবাসি বলবে কই তুমি তো এলে না; ভালোবাসি বললে না তবে কি ধরে নেবো তুমি ভালোবাসো না! তুমি আসবে ভেবেই; নীলাকাশের নীল থেকে সবটুকু নীল ছিনিয়ে এনে অঙ্গে জড়িয়েছি, হয়েছি তোমারই প্রিয় নীলাম্বরী কিংবা আকাশনীলা! সে তো [বিস্তারিত সব আয়োজন মিথ্যে]
আজ আমার সাহিত্যাঙ্গনে প্রবেশের বা সাহিত্য প্রেমী হয়ে উঠার গল্প বলবো। আগেও হয়তো ফেইসবুকে লিখেছিলাম। আজ আবার লিখছি ব্লগে। যাঁকে দেখে আমি সাহিত্য প্রেমী হয়েছিলাম আগে উনার সম্পর্কে বলে নিই। উনি দুর্দান্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। অত্যন্ত শান্ত ভদ্র আর ঘরমুখো মানুষ। উনি কখনো পাড়ার ছেলেদের সাথে মিশতেন না, বাইরে আড্ডা পছন্দ করতেন না। সারাদিন নিজেকে [বিস্তারিত প্রথম সাহিত্যাঙ্গনে প্রবেশ যাঁকে দেখে]
নতুনের হাতছানি যদি নতুন কোনো হাত- হাতছানি দিয়ে কাছে ডাকে, যদি ছুটে যেতে ইচ্ছে করে, নতুন কারো মায়ার টানে! তবে যাও তুমি যাও চলে, বাড়িয়ে দাও হাত তাহার তরে। সন্ধ্যা নামার আগে… যদি আর নাহি আসো ফিরে, পরিচিত কোনো নীড়ে! যদি আর ভালো নাহি বাসো আগের মতো করে! তব মনে রেখো, মনে রেখো যে তোমারে [বিস্তারিত এক হালি কবিতা]
আজ সারাদিন ছিল বিষাদের দিন! কাকডাকা ভোর থেকেই কেমন যেনো ছন্নছাড়া অগোছালো অনুভূতি হচ্ছিল! যেনো একঝাঁক বিষণ্ণতা এসে ঘিরে ধরেছিল আমার চতুর্দিক। বুঝতে পারছিলাম আজ আর কিছুই ঠিক থাকবে না। উফ্! অদ্ভুত রকমের বিষণ্ণ বিষাদে তলিয়ে যেতে শুরু করলাম। গতরাতে মেজ খালা উনার বাড়িতে যেতে বলেছিলেন।আমি খালাকে কথা দিয়েছিলাম আসবো। কিন্তু আজ একদমই ইচ্ছে করছে [বিস্তারিত আজ সারাদিন ছিল বিষাদের দিন]
সন্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, স্নেহ কী নেই যা আমি প্রিয় প্রাঙ্গণ তথা প্রিয় সোনেলা থেকে পাইনি! সোনেলা থেকে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি লেখক স্বীকৃতি। সোনেলা আমাকে লেখক হিসেবে বিশ্বের সমস্ত বাংলাভাষীদের দোরে দোরে পৌঁছে দিয়েছে। এই প্রাপ্তি আর কোথাও পাওয়া যেতো কি না জানি না? লেখালেখির জগতে আমি একদমই নতুন। আর এই নতুন আমিকে সবার কাছে পৌঁছে [বিস্তারিত প্রিয় প্রাঙ্গণ থেকে প্রাপ্তি (সোনেলা থেকে আমার প্রাপ্তি)_শেষ পর্ব]