‘কবিতা পাঠ আসরে’ স্বরচিত কবিতা পাঠে নিমন্ত্রণ পেয়েছি। রাত্রি ৯ থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। প্রথমে যেতে না চাইলেও এক বড় আপার অনুরোধে রাজী হতে বাধ্য হলাম। আপা বললেন আমি কল দিলে বের হয়ে মেইন রোডে এসো একসাথে যাবো। ঠিক আছে বলে ফোন রেখে দিলাম। তারপর পরলাম চিন্তায়। আমার বাসা থেকে মেইন রোড কিছুটা দূরে। রাত [বিস্তারিত ভয়কে জয়]
জানিস, আমার ভীষণ কবি হতে ইচ্ছে করে ইচ্ছে করে তাবৎ দুনিয়ার সমস্ত শব্দ ভাণ্ডার হাতরে তোর যোগ্য শব্দ এনে সাজিয়ে- গুছিয়ে তোকে নিয়ে কবিতা লিখতে! জানিস, আমার ভীষণ চিত্র শিল্পী হতে ইচ্ছে করে ইচ্ছে করে রামধনু থেকে তোর প্রিয় রঙ এনে মনের মাধুরী মিশিয়ে পরম মমতায় সযত্নে- হৃদয় ক্যানভাসে তোরই ছবি আঁকতে! জানিস, আমার ভীষণ [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন প্রিয়]
অফিসের কাজে দূরে কোথাও যাওয়ার কথা হলে এম ডি আসিফ সাহেবের সবচেয়ে প্রিয় মুখ শায়নের কথায় আগে মনে পড়ে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আসিফ সাহেব তার সবচেয়ে প্রিয় আর বিশ্বস্ত কর্মচারী শায়নকে সমস্ত কাজ বুঝে দিয়ে গাড়ির চাবি দিয়ে দিল। এম ডি সাহেবের ব্যক্তিগত গাড়ি অফিসের কর্মচারীদের মধ্যে একমাত্র শায়নই ব্যবহার করতে পারে। [বিস্তারিত বিভৎস মৃত্যু]
ইদানিং কিচ্ছু মনে থাকছে না। ভাবছি এক করছি আরেক। কিছুদিন থেকেই ভাবছি রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা বইটি পড়বো। এইটা শুনে আশ্চর্য লাগছে তাই না! এতো দিনেও শেষের কবিতা পড়া হয়ে উঠেনি? ব্যাপারটা কিন্তু একদমই তা নয়। বেশ কয়েক বার পড়েছি কিন্তু কেনো জানি এই উপন্যাসের কোনো ঘটনায় আমার মনে নেই। কেনো যে কিছুতেই মনে করতে পারি [বিস্তারিত ভয়াবহ করুণ চিৎকার]
-বড্ড অসময়ে এসে তুমি আমি মুখোমুখি ~অসময়! কিসের অসময় কবিতা? -তুমি আমি আমাদের বসত, উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরু শতত! ~ভালোবাসা কী কেবল উত্তর মেরু কিংবা দক্ষিণ মেরুতে সীমাবদ্ধ? ভালোবাসাকে কী কখনো কোনো সীমান্তের কাঁটাতারে আবদ্ধ করে রাখা যায়? – কাঁটাতারে হয়তো আবদ্ধ করা যায় না কিন্তু একটা সময়ের পর ভালোবাসার পায়ে শেকল দিতে হয়। [বিস্তারিত প্রতিনিয়ত নিজের সাথে চলে নিজেরই কথোপকথন]
দেখতে দেখতে একটি বছর, হ্যাঁ একটি বছর গেলো কেটে; তবুও মনে হয় এই তো সেদিনই এসে কড়া নাড়লাম তোমার দোরে। অচেনা আগন্তুক এক নিঃসঙ্গ পথিক আমি শূন্য হস্তে এসেছিলাম তোমার দ্বারে, তুমি আপন করে কাছে টেনে নিলে অজস্র ভালোবাসা দিয়ে শূন্য আমি’কে পূর্ণ করে দিলে। অযোগ্য আমাকে যথার্থ যোগ্য মর্যাদার আসনে আসিন করলে। তাবৎ দুনিয়ার [বিস্তারিত সোনেলায় আমার একবছর]
আমি শুধু দেখেছি, চেয়ে চেয়ে দেখেছি নিত্য তাহার যাওয়া আসা। সে এসেছে; বিচরণ করেছে শুধু আমার আঙ্গিনায়- পড়েনি তাহার ছায়া। কতবার ভেবেছি, আসবে এক্ষুনি আঙ্গিনা মাড়িয়ে বসবে দাওয়ায়! বাতাস এসে জানিয়েছে তাহার উপস্থিতি, তবুও সে আসেনি; দাওয়ায় বসেনি। তাহারই অপেক্ষায় চেয়ে চেয়ে জানালার গ্ৰিলে মাথা ঠুকেছি তবুও সে আসেনি; দাওয়ায় বসেনি আমি শুধু দেখেছি,চেয়ে চেয়ে [বিস্তারিত এলোমেলো ভাবনা গুলো]
সকালের শেষ প্রহর গড়িয়ে সবে মাত্র পা দিয়েছে দুপুরে । অর্থাৎ তখন দুপুরের প্রথম প্রহর। হঠাৎ বেজে উঠল ফোন। তারার হাতেই ছিল ফোনটা। অপ্রত্যাশিত নম্বরে ফোন পেয়ে চমকে উঠলো তারা। এক মুহূর্ত দেরি না করে রিসিভ করেই কানে ধরলো। অপর প্রান্ত থেকে ভেসে এলো প্রিয়জনের কন্ঠস্বর। -তুমি কোথায়? বাসায়। -কোনো বাসায়? যেখানে থাকি। -আচ্ছা, এক [বিস্তারিত ধ্রুবতারার গল্পটা সত্যি ছিল তবুও স্বপ্নই মনে হলো]
প্রিয় অনির্বাণ, তুমিই প্রথম শেখালে কিভাবে সীমাহীন যন্ত্রণা সাথে নিয়ে প্রিয়জনের থেকে দূরে সরে থাকতে হয়! তুমিই শেখালে কিভাবে ঝংকার তোলা হাসির অন্তরালে অথবা ওষ্ঠে চওড়া হাসি টেনে প্রতিনিয়ত ভালো থাকার অভিনয় করতে হয়! তুমি, হ্যাঁ তুমিই প্রথম শেখালে কিভাবে দু’চোখে অশ্রুর ফোয়ারার বদলে সেখানে আগ্নেয় গিরির জলন্ত লাভার উত্তপ্ত লেলিহান শিখা জ্বালাতে হয়! অকারণ [বিস্তারিত আগুন চোখে অশ্রু বেমানান]
প্রিয় অনির্বাণ, কেমন আছো তুমি? এই প্রশ্নটা করাই বোকামী জানি, তবুও করলাম বলে নিশ্চয়ই ভাবছো! মাথাটা বোধহয় একেবারে গেছে। যাওয়ারই তো কথা বলো। এই অসভ্য দেশে জন্ম নিয়ে তাও কিনা নারী হয়ে, মাথা ঠিক থাকার কথা কি! যে দেশের প্রধানমন্ত্রী সয়ং নারী সে দেশের নারীদের মাংসপিণ্ড, রক্ত, শরীর এমনকি যোনি নিয়ে হোলি খেলা হয়, [বিস্তারিত নারী জন্মই যেনো আজন্ম পাপ (খোলা চিঠি)]
আমি ভালো নেই; একদম ভালো নেই ইদানিং ভয় খুব পেয়ে বসেছে আমায়, ভীষণ ভয়ে কেঁপে কেঁপে উঠছে বুক! ক্ষণে ক্ষণে দমে দমে থমকে থমকে; ভয়ঙ্কর ত্রাসে স্তব্ধ হচ্ছে প্রাণস্পন্দন! ভয়াবহ ভয়ের চোটে বন্ধ হচ্ছে নিঃশ্বাস! এই যে এতো এতো ভয়, কী ভাবছেন? বড়ো সড়ো দুর্ধর্ষ কোনো- অপরাধের অপরাধী নিশ্চিত? তাইতো ভয়ে ভয়ে কেঁপে উঠছে হৃৎপিণ্ড! [বিস্তারিত ভয়]
‘আমার বাবা অলরাউন্ডার’- কথাটা কেনো লিখছি তা বলি। পড়ালেখা ব্যতিত এমন কোনো কাজ নেই যা আমার বাবা পারেন না। (পড়ালেখা করার সুযোগ হয়নি কারণ পাঁচটা সন্তান রেখে যখন দাদা মারা গিয়েছিলেন তখন বাবা ছিলেন ১ বছরের) থাক সে সব কথা। এখন বাবার কথা বলি। গেরস্ত/মধ্যবিত্ত সংসার হওয়ায় চতুর্মুখী কাজে অভ্যস্ত বাবা। নিজেদের জমির কাজ [বিস্তারিত আমার বাবা অলরাউন্ডার]
এক. এই যে এখন,এই বিষণ্ণ সন্ধ্যায় খুব করে মনে পড়ছে তোমায়! তুমি কী টের পাচ্ছো সমুদ্র? টের পাচ্ছো? আমার অনুভূতিতে তুমি- কতোটা মিশে আছো! আমার অস্তিত্বে তুমি- কতোটা জড়িয়ে গেছো! তুমি কী টের পাও? টের পাও? আমার মনে মগজে মস্তিষ্কে- সারাদিন ধরে তোমারই ছবি ভাসে! আমার শিরা উপশিরায় রক্তকনিয়ায় প্রতিনিয়ত ধ্বনিত হয় তোমারই নাম! [বিস্তারিত তুমি কী টের পাচ্ছো সমুদ্র]
শেষ থেকে শুরু_পর্ব নবম -কী হলো চুপ করে আছেন কেনো? বলুন না সবটা। আমার জানা খুব দরকার। প্লীজ বলুন -হ্যাঁ আমার মামু সাইক্রিয়াটিস্ট শায়ন আহমেদ শিমুল। আপনার মামুনির ক্লাসমেট ছিলেন। খুব ভালোবাসতেন আপনার মামুনিকে, বাসতেন কী এখনো খুব ভালোবাসেন। কিন্তু কখনো বলে উঠতে পারেননি। আর তাই এতো গুলো বছর ধরে একা একা নিঃসঙ্গ জীবন যাপন [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব দশ]
একদিন তুমি হার জিতের খেলায় মেতেছিলে তোমার মুখোবয়বে দেখেছিলাম নিজেকে জিতিয়ে নেবো দৃঢ় প্রত্যয়! তোমার চোখে জলজল করছিল আগ্নেয় গিরির ফুটন্ত লাভা, তোমার নিঃশ্বাসে ছিল হেমলক কিংবা বিষাক্ত সায়ানাইড, তোমার ওষ্ঠে ছিল কালনাগিনীর গরল পূর্ণ বিষাক্ত ছোবল সেদিন যেনো তেনো উপায়ে তোমার জিততেই হবে। ওষ্ঠে ওষ্ঠ রেখে নিঃশ্বাসে বিষ ঢেলে দিয়ে হলেও জিততেই হতো! [বিস্তারিত কিছু বিক্ষিপ্ত ঝাঁঝালো অনুভূতি]