একেকটি মানুষ বুকের মধ্যে কী গভীর দীর্ঘশ্বাস নিয়ে হাসে কেউ জানেনা। কেউ জানেনা একেকটি মানুষের গোপন বিষাদের খবর। কেউ জানেনা কেউ জানেনা কতখানি দুঃখগন্ধা পলি জমে হয় হৃদয় মাঝে নিশুন্য বালুচর। কেউ জানেনা দীর্ঘশ্বাসের পর কতখানি দীর্ঘশ্বাস জমে হয় একেকটি মানুষ। তার মনোবেদনার খবর কে নিয়েছে কবে ? মানুষের বুকে জমা এতোটা দুঃখময় লোনাজল এতো [বিস্তারিত আয়না ভাঙ্গার পর ……]
কত্থকের সাথে দেখা হয়ে যায়, এলোমেলো ঘোরাঘুরির ফাকে। কত্থকের বয়স বেড়েছে চোখেও তেমন ভালো দেখেনা, তবু স্মৃতির অদ্ভূত ঘ্রাণ তাকে মনে করায় সব কিছু। “সে “ও তুমুল যৌবনের মধ্যভাগে প্রায়। তবুও সর্বাঙ্গে তার নিটোল শৈশব, কত্থক শুধায় বৃদ্ধ হবেনা হে? থিতু হবেনা? “সে ” ধোঁয়া উড়িয়ে বলে – বার্ধক্য আমারে নাগালে পাবেনা। তার আগেই ….. [বিস্তারিত “সে ” ও তার গল্প (শেষ পর্বের শুরু).]
একদিন, অঙ্গুলী হেলনে দেখিয়েছি বিচিত্র ম্যাজিক, বিভিন্ন সময়ের বুকে একেছিলাম যুগল পদরেখা। একদিন, তুমি ; নক্ষত্রের রুপালী আগুনে লীন রূপকথার ছায়া শিকারির মতো,আত্মখনন শেষে মায়াবতী নীল জল। একদিন, অঙ্গুলী স্পর্শেই কামনার বিষ শ্বাসের শব্দে সুগন্ধী ঝড়, কমলা রঙের আলো। তারপর একদিন, অঙ্গুলীস্পর্শ ছেরে হয়েছো সুদূর। – আচ্ছা তবে যাও, আমিতো আছিই। দেখা হবে হয়তো কোন [বিস্তারিত খোয়াবনামা… জাগরী]
#১ বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি নামে টাপুর টুপুর ; শহরবন্দী মেঘে মেঘ একেছে আধার কেবল ; মনের ভেতর সাপসিড়ি, বৃষ্টি ছুঁয়েছে বিলাসী দুঃখ যতনে সাজানো উদাসী দুপুর। #২ কেন যে মাঝরাতে থম ধরে বুকের ভেতর কেন যে উতলা আচ্ছন্নতায় বিষাদীআকাশ কেন যে বুকজ্বলা দীর্ঘশ্বাসের এমন মোচড় #৩ যদিও এখানে আকাশের নীল ঢেকে [বিস্তারিত বাওয়াল ভাবনা ……… বিষাদিআকাশ তলে]
আজকাল আর তেমন রূপবতী চোখে পরেনা, কি বাস্তবে কি রূপালী পর্দায়। এদেরকে আবেদনময়ী মনে হয় ঠিকই, কিন্তু ঠিক রূপবতী মনে হয় না। সবই কেমন যেন 🙁 হতে পারে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা বদলে গেছে কিংবা দেখার চোখ। না হলে একদা যার হাসি দেখে আত্মহত্যার সাধ জেগেছিল আজকাল আর তার হাসি তেমন ভাংচুর লাগেনা কেন? অথবা হতে [বিস্তারিত রূপবতীগন ……সাদাকালো ও রূপালী আকাশে]
কোথাও আকাশ তলে , শুকনো পাতার আলগোছে ঝরে যাওয়া দেখে দীর্ঘ বিরহ রজনী শেষ হলো ভেবে কোন এক বিরহী হরিণী, আলতার শেষ টান দেয় , কাজলে সাজায় মায়ার নজর। শীতনিদ্রা শেষ করে দুর্বৃত্ত অজগর আড়মোড়া ভেঙে রদ্দুরের ওমে এসে থামে গড়িয়ে গড়িয়ে, সর্বাঙ্গে দুর্ভাগ্যের অভিশাপ জড়ানো এক মহাকাল খিদে নিয়ে। বিরহী হরিনী উচ্ছাসের নজরে সকলি [বিস্তারিত অপেক্ষা…অবিশ্বাস এবং অলৌকিক ঘ্রাণ]
একজন মানুষের পক্ষে যতখানি শোক সহ্য করা সম্ভব মানসিক ভারসাম্যহীন না হয়ে তার চেয়েও বহুগুন বেশী শোক এনে দেওয়া মাস এই আগস্ট, এই মাসে তিনি তার পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে হারিয়েছেন। তিনি শেখ হাসিনা। আমাদের অভিভাবক, আমাদের বুবু। বঙ্গবন্ধু কন্যা। ঘাতকেরা এই মাসটাকেই বেছে নিয়েছে তার প্রাণের উপর আরেকবার হামলা চালানোর জন্য ২১ আগস্ট বাংলার [বিস্তারিত করাল ছায়া ২১ আগস্ট]
#১ অন্যান্য সকল মহার্ঘ্য সুগন্ধির চেয়েও আমার পেতে সাধ তোমার নিশ্বাসের সৌরভ, সকল আলোর মাঝেও আলাদা করে দেখার সাধ তোমার হাসিতে যে আধাঁর তারানিয়া আলো। এই পরবাস ভালো লাগেনা আমার, একটুও নয় রক্ষাপরী আমার, আমি চাই শুধু জল হয়ে যাই জলের ভেতর বুকের নিশ্চিত আশ্রয়ে তোমারে করি অনুভব। #২ যদি প্রবল উত্তরবায়ু বিক্ষুদ্ধ করে জলের [বিস্তারিত বাউড়ী বাতাসে… বাওয়াল ভাবনা ২]
সুবহে সাদিক ১৯৭৫ ১৫ আগস্ট বাঙ্গালির শোকের লজ্জার করুণ ইতিহাসের শুরুর ক্ষণ। হায়েনারা চারিদিক থেকে এগিয়ে আসছে আগুনের পাখিটিকে শেষ করে দিতে , যা পারেনি পাকিস্তান সেনা বাহিনী তাই করতে চলেছে কিছু দেশীয় কুলাঙ্গার। থামিয়ে দেওয়া হয় বাাঙ্গালির স্বপ্নযাত্রা। যার ফলাফল আজও ভোগ করছি আমরা,অন্ধ মৌলবাদ আর দুরবৃত্তায়নের কুফল আরও কতকাল ভোগ করবে বাঙ্গালি জানা [বিস্তারিত বিষাদলোকের ছাপচিত্র]
সুনসান পথ জুড়ে লাশকাটা ঘরের থমথমে ঘোর নির্জীব রোদের দুপুর ছোঁয় অবিন্যস্ত রুক্ষ চুল,ঝাপসা লোনা জল বিষণ্ণতার বুক ছুঁয়ে অবিশ্বাসের ঝলকানো তরবারি, সুখী জল এফোঁড় ওফোঁড়। অবিশ্বাসের ছাইচাপা তেজ, দুর্নিবার দাহ, অনিঃশেষ উপেক্ষা বীপরীতে নিশ্চিত আশ্রয়স্থলে ঘনঘটা মেঘের। তোমার উঠোনে ঝুম বরষায় ভিজে ভিজে অপেক্ষা , উপেক্ষা দিলে দিও ,শুধু তুমিই দিও। – শুধু ছুঁয়ে [বিস্তারিত অন্ধকারের তীক্ষ্ণ নখর]
#১ রোদ্দুর নিভে যাওয়া শীতলতা নিয়ে অন্ধবৃত্তে ঘুরে মরা মিছে , দেয়ালে ঠিকারায় আলো বাতাসের হাহাকার ………………দেয়াল নির্বিকার। #২ মৃত শালিকের গায়ে রোদ্দুর একা বুলায়ে দেয় মায়ার পরশ – তার নিথর ডানায় জাগেনা কাঁপন আর উষ্ণতা মেখেও। তার ইচ্ছে অনিচ্ছে, সাধ আহ্লাদেরা বিগত সময়ের স্মৃতি কেবলই। মরে গেলে সব শেষ, কিচ্ছু থাকেনা বাকি। বেচেঁ থাকো, [বিস্তারিত বাউড়ী বাতাসে… বাওয়াল ভাবনা]
যদিও অস্থির সময় – তার বদলে পেতে পারো স্তব্ধতা তার বদলে পেতে পারো ফুল ছরানো পাতাহীন নুয়ে পরা ডlল । পেতেই পারো একলা দুপুর , শাদা ভাবনা সব মিলানো মিথ্যে অংকের সরল উত্তর, তার বদলে পেতেই পারো সুগন্ধী বৃষ্টির জল । পাবেনা কেবল মেঘের ভেলা ,শাদা রঙের ঘুড়ি পাবেনা কিছুই, যা কিছু ভরায় শুন্য হৃদয়তল।
টাইম ইউ ওল্ড জীপসি ম্যান ভোর ভোর ঘুম ভাংতেই, আঙ্গিনা জুরে মিঠে সৌরভ। কলতলায় তুমুল কোলাহল, পুরো গ্রামের তিনটা টিউবওয়েলের একটা, তাই। কাচারীঘরের থেকে ভেসেছিল মিহিকুচি দরুদের সুর। কলতলার পাশেই বিরাট “তাফালে “জ্বাল হচ্ছে খেজুরের গুড়। গনগনে আগুনের আলোয় উদ্ভাসিতা শিশুটির নিশ্চিত আশ্রয়, দাদী। এক দৌড়ে তার কোলে সেধিয়ে যেতেই, এক পৃথিবীর ওম। উঠোন [বিস্তারিত অথঃ শিমুলনামা]
কবিতার শব্দেরা ভিজে গেছে কার্তিকের শিশিরের জলে, ভেসে গেছে গাঙ্গুরের স্রোতে ঊদাসীনতার গুচ্ছফুলের পরাগরেনূ মেখে। শিশিরের সাদা ফোটা উড়ে ঊড়ে এসে বসে আমার জানালায়, যেন শিশির আজ পেয়েছে ডানা অত্যুতসাহী মেঘবালিকার প্রায়। নিঃশব্দে ঝরছে হিজলের লাল রঙ অভিমান ভেতরে প্রলয় পোষা কাকচক্ষু স্থির জলে, উদাসীনতার বুকে জমছে কেবল নীলচে রঙের বারুদগুড়ো অভিমান শিশিরও একদিন প্রলয়ঙ্করী [বিস্তারিত উদাসি শব্দের অভিমান]
বার্লিন। ফেব্রুয়ারি ১৯৪৩ ডব্লিউ ভি এইচ হেডকোয়ার্টার থেকে বেড়িয়ে এসে টিয়ার গারটেন স্ট্রাসের দিকে ছুটে চলেছে ট্রুপস ক্যারিয়ার। গাড়ি ভর্তি এস এস এর সদস্য এবং গুপ্ত পুলিশ গেস্টাপো সদস্যরা। লক্ষ্য কিছু বডি কালেকশন, টি ফোর প্রপ্রোগ্রামের জন্য । আজকের অপারেশন ভিন্নমতাবলম্বী কিছু জার্মান কে ক্যাম্পে চালান দেওয়া । তাদের নেতৃত্বে আছে তরুণ এস এস অফিসার [বিস্তারিত জাহান্নামে পুষ্পের হাসি (নাৎসী কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে ভালোবাসা)]