ফটু ব্লগ (আজাইরা ক্লিক ক্লিক)

হেমন্তে ঘাসে নীল ফুল ফোঁটে — হৃদয় কেন যে কাঁপে, ‘ভালোবাসতাম’ — স্মৃতি — অঙ্গার — পাপে তর্কিত কেন রয়েছে বর্তমান। ফুজিনন লেন্স, ফুজি ব্রিজ পরাণ ছুইঁয়ে নামে বাউরি বাতাস ফুজিনন লেন্স, ফুজি ব্রিজ যান্ত্রিক ১ ফুজিনন লেন্স, ফুজি ব্রিজ যান্ত্রিক ২ ফুজিনন লেন্স, ফুজি ব্রিজ যান্ত্রিক ৩ স্যামসাং মোবাইল ক্যামেরা 5mp প্রতিবিম্ব ফুজিনন লেন্স, [বিস্তারিত ফটু ব্লগ (আজাইরা ক্লিক ক্লিক)]

পিচ্চি বান্দর (জর্দা,পাথর চুনা এবং পাতার বিড়ি)

আমার দাদি এবং বড় দাদি(আব্বুর বড় চাচি) দুইজনেই পান খাইতো। আর আমি তাদের মুখের সামনে হাত পেতে রাখতাম চিবানো পান খাবার জন্য। দাদি কে দেখতাম কমলার খোসা শুকিয়ে রাখতেন পানের সাথে খাবার জন্য। কি যে সুঘ্রান ছিল সেই পানে। এর পর বড় হয়ে কত মশলা দেয়া পান খেলাম। সেই শৈশবের সুঘ্রান আর পেলাম কই? দাদি [বিস্তারিত পিচ্চি বান্দর (জর্দা,পাথর চুনা এবং পাতার বিড়ি)]

ক্রন্দন অথবা জলজ শব্দ

কোথাও জলের শব্দ নেই – কোথাও টুপটাপ ঝরেনা শিশির, কোথাও কান্না নেই – আবছায়া জলের দাগ কেবলই। কোথাও আলো ছিলো একদিন – আজ ছোপছোপ হলেদেটে বিলীনপ্রায় ক্ষতচিহ্ন ধূসর প্রেক্ষাপটে জমছে শুধুই। কোথাও কি বাজছে নূপুর মীনকুমারীর চোখের কোনে জলের ফসিল জমা হল নাকি ? জলের ওযে বুক জ্বলে যায়; তুমুল তৃষ্ণায় শঙ্খনাদে মেঘডমরুর বিপুল নিনাদে [বিস্তারিত ক্রন্দন অথবা জলজ শব্দ]

পিচ্চি বান্দর (সাপ ব্যাঙ ও তেইল্লাচুরা)

একবার আমার শখ হইল সাপ পালনের। একটা মাইট্টা সাপ ধইরা, সেই টারে পালছিলাম ৩/৪ দিন মাটির হাড়িতে কইরা। শালার সাপ। কইত্থে যে কই গেলো গা আর খুইজাই পাইলাম না। আচ্ছা মাইয়ারা তেইল্লাচুরারে এত ডরায় কেন? এইটায় কামরায় ও না কিচ্ছু কয় ওনা, তাও কি চিক্কুর যে দেয় মাইয়াগুলা। তখন ক্লাস ৬ কি ৭ এ পরি, [বিস্তারিত পিচ্চি বান্দর (সাপ ব্যাঙ ও তেইল্লাচুরা)]

পালংরং সময়, বাজি থাং এক্কান সবনত্যেই (অসুস্থ সময়, বেঁচে থাকি একটি স্বপ্নের জন্য)

আমার ফিরে যাবার কথা দেয়া ছিলো একটা পাহাড়ি রাস্তার পাশের টং দোকান কে – খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর থেকে কোর্টের সামনে দিয়ে ইসলামপুর হয়ে যে রাস্তাটা দীঘিনালা গেছে ঐ রাস্তায় দোকান টা। এক হাস্যমুখী মারমা প্রৌঢ় চালাতো দোকানটা… বাপের চেয়েও অধিক হাস্যমুখী ছিলো তার বছর তিনেকের মেয়েটা – নামকিরে তোর জিজ্ঞেস করলেই ফিক করে হেসে দিয়ে [বিস্তারিত পালংরং সময়, বাজি থাং এক্কান সবনত্যেই (অসুস্থ সময়, বেঁচে থাকি একটি স্বপ্নের জন্য)]

পিচ্চি বান্দর (ম্যাচ মোছ আর বীজলি বিড়ি )

আগের পর্বেই কইছি আমি ছিলাম এক পোলা। মানে একলা নাতি। একলা ভাগিনা ও ভাতিজা। তাই আব্বুর শাসন তেমন একটা কাজে লাগতনা, দাদা দাদি, নানা নানি আর ফুপি খালা মামা চাচাদের (ছোট চাচু বাদে) কারনে।আমি পেয়েছিলাম সীমাহীন স্বাধীনতা। আর চেহারাটার মধ্যে একটা গুডি গুডি ভাব ছিল(আম্মা বলে),বিধায় অনেক আকাম কইরাও সাইরা গেসি। আর অভিনয় প্রতিভা  যাই [বিস্তারিত পিচ্চি বান্দর (ম্যাচ মোছ আর বীজলি বিড়ি )]

মুক্তির মন্দির সোপানতলের বঞ্চনার ইতিবৃত্ত (দ্যা আনসাং হিরো অখন্ড)

মালিটোলার নাদের। নাদের ছিল গুন্ডা, পুরান ঢাকার গুন্ডা। আজকের দিনের ছ্যাচরা মাস্তান না। নাদের গুন্ডা দেখিয়েছিল এই দেশের জননীরা কাপুরুষ জন্ম দেয়না, জন্ম দেয় নাদেরের মতো দুঃসাহসী বীর। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের আতঙ্ক নাদেরের অসীম বীরত্বগাথা আজ খুব কম লোকেরই জানা। বংশালের বয়োবৃদ্ধ প্রাচীন লোকেরও ভাসা ভাসা মনে করতে পারেন সেই সময়ের কাহীনি। সুসজ্জিত পাকিস্তানী আর্মি ও [বিস্তারিত মুক্তির মন্দির সোপানতলের বঞ্চনার ইতিবৃত্ত (দ্যা আনসাং হিরো অখন্ড)]

সময়ের নিবিড় ছায়ায়

আমাদের স্কুলের সামনে ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মাঠটা, তার পাশে ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে উচু নিমগাছটা …. সেই মাঠে জমা হতো দুনিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার বৃষ্টির জল। আমাদের ছিলো দুনিয়ার মাঝে সবচেয়ে শান্তির সবচেয়ে উজ্জ্বল একটা দীঘি। সেই. সবচেয়ে বড় মাঠে টলটল বৃষ্টির জলে তুমুল ফুটবল খেলা হতো বল থাকলে বল না থাকলে জাম্বুরা দিয়া। আমাদের ছিলো [বিস্তারিত সময়ের নিবিড় ছায়ায়]

দ্যা আনসাং হিরো (উইং কমান্ডার ওয়ালীউল্লাহ)

“Sir, I owe my allegiance to Bangladesh and not to Pakistan. I want to resign from my service.” বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দাফন হয়েছিলো পাকিস্তান করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে। কবরের সামনে লেখা ছিলো- ‘ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার’। প্রায় ৩৫ বছর ওখানে ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান। ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট মতিউর রহমান শহীদ হবার [বিস্তারিত দ্যা আনসাং হিরো (উইং কমান্ডার ওয়ালীউল্লাহ)]

পিচ্চি বান্দর (বিবাহ সমাচার)

আমি আমার বাড়ির একমাত্র পোলা ছিলাম আমার বয়স ২২ হওয়া পর্যন্ত। মানে হইল আমার পরের মেল কাজিন টা আমার থেকে পাক্কা ২১ বছরের ছোট। মাঝ খানে মামাত খালাত আর নিজের নিয়া বোনের সংখ্যা ১৯। তো যা হয় অতি আদরে বাদর। পড়াশোনা শুরু বাড়ির কাছের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, নিয়তি দিদির (টিচার) কোলে উইঠা ইস্কুলে যাওয়া, আর মমতাজের [বিস্তারিত পিচ্চি বান্দর (বিবাহ সমাচার)]

ব্ল্যাকস (বর্ণবাদ মুদ্রার উল্টোপিঠ)

আমেরিকার ফারগুসনে দাংগা চলছে। ব্লাকরা মোটামুটি সব কিছুতেই আগুন দিচ্ছে, পুলিশের গাড়িতে আগুন , ফাস্ট ফুডের দোকানে আগুন, বিভিন্ন দোকানে লুটপাট ও আগুন , রাস্তায় পার্ক করা গাড়িতে আগুন – ভায়োলেন্সের রূপ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে আমেরিকা। সাথে বর্ণবাদের ভয়াবহ রুপ। এবং অবধারিত ভাবেই হোয়াইট কপ যেহেতু ব্লাক বয়কে গুলি করেছে দোষ সব শ্বেতাঙ্গদের । [বিস্তারিত ব্ল্যাকস (বর্ণবাদ মুদ্রার উল্টোপিঠ)]

পুস্তক সমাচারেৎ

পড়তে শেখার পর থেকেই মোটামুটি ছাপার অক্ষরে যাই পাই গোগ্রাসে গিলি। হোক সেটা ছোট বোনের গার্হস্থ্য অর্থনীতির বই কিংবা হোকনা আ ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইম, বই হলেই হলো। আমার বাবা, মফস্বলের স্বল্পশিক্ষিত ছোটখাট ব্যাবসায়ী। আমি তার একমাত্র ছেলে, কার্যোপলক্ষ্যে রাজধানীতে যেতেন তিনি, আজো যান। কিন্ত সেই নব্বইয়ের দশকের শুরুর মতোই আজো তার মন টেকেনা সেখানে। [বিস্তারিত পুস্তক সমাচারেৎ]

মানবিক শুন্যতা

হারতে দারুন লাগে,জেতার মতই অসংখ্য হার জীবন জুড়ে,অগণন আগুন দেখেই ছুটে যাওয়া কাঁচপোকা – পুড়ে ছাই,তবু ছুটে যাওয়াটাই সত্যি ছুটে যাওয়াটাই গোটা একটা জীবন। সহজ জীবন চাইলে শুধুই পুরুষ,ঘোর সংসারী সহজ জীবন চাইলে যাযাবর নয় কিছুতেই – সহজ জীবনে মেটেনা তৃষ্ণা, মেটেনা কিছুই। সহজ জীবন চাইলে সে ভুল ঈশ্বর,খুব মানবিক হাহাকার নিয়ে কাটায় বেলা বিমুগ্ধ [বিস্তারিত মানবিক শুন্যতা]

দাহকালের কড়চা

ভালোবাসা এসে যখনই আলতো টোকা দেয় বন্ধ দুয়ারে, বালক তার জন্য পথের পাশে ছড়িয়ে দেয় গন্ধ বকুল। তার চলার পথে বিছিয়ে দেয় নরম ঘাসের মায়া, শ্বাসবায়ুতে মিলায় হৃদ সৌরভী ধুপ। মাঝ উঠোনে পেতে দেয় কুসুম আসন, সাঝকে সাজায়ে দেয় জোনাক জলের আল্পনায়। ভালোবাসা আলতায় রাঙানো পায়ের ছাপ রেখে এসে বসে সাঝের আসনে, মধ্য উঠোনে। ভালোবাসার [বিস্তারিত দাহকালের কড়চা]

বিলোপিত নীল – ভয় – আকাশ (……বন্য,এই কবিতাটা আপনার জন্য)

কি অদ্ভূত লাগে আমার তোমাকে – তোমার এই নির্মোক নিস্পৃহ চলে যাওয়া, কোথাকার ক্লান্তি কোন জলে ডুবিয়েছ কেমন করে নিমিষেই অতিক্রম করে ফেলো নিকট বর্তমান, দুর ভবিষ্যৎ ; অনতিক্রম্য অতীত কেমন করে খুলে ফেলো কাঁপনলাগা ডানা? কেমন অদ্ভূত লাগে ভাবতেই – কেমন করে অতিক্রম করলে, নিজের ছায়া এতো রাগ, ঘেন্না কোথায় রাখো বলতো – বুকে [বিস্তারিত বিলোপিত নীল – ভয় – আকাশ (……বন্য,এই কবিতাটা আপনার জন্য)]