কোথাও জলের শব্দ নেই –
কোথাও টুপটাপ ঝরেনা শিশির,
কোথাও কান্না নেই –
আবছায়া জলের দাগ কেবলই।
কোথাও আলো ছিলো একদিন –
আজ ছোপছোপ হলেদেটে বিলীনপ্রায়
ক্ষতচিহ্ন ধূসর প্রেক্ষাপটে জমছে শুধুই।
কোথাও কি বাজছে নূপুর
মীনকুমারীর চোখের কোনে
জলের ফসিল জমা হল নাকি ?
জলের ওযে বুক জ্বলে যায়; তুমুল তৃষ্ণায়
শঙ্খনাদে মেঘডমরুর বিপুল নিনাদে
ডাকছে ডাকছে জল, শোনেনি জলের পাখি।
কোথাও ক্রন্দন ছিলো একদিন
কোথাও তুমুল হাসির বান,
আজ কোথাও ক্রন্দন নেই।
ছবি : আমার তোলা
মোট পড়েছেনঃ ৫৯৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন

একটা ঘুরে দাঁড়ানো হৃদয় দেখতে পেলাম। ভাল লাগলো। (y)
ঘুরে দাড়াতেই হয়, বেঁচে থাকার দায় বড় দায় 🙂
তুমুল তৃষ্ণায় জলের বুক জ্বলে যায়- ভয়ানক অবস্থা
কিভাবে লেখেন এমনি করে ?
আলো আসবেই একদিন……… আমি আশাবাদী মানুষ 🙂
আলো আসবেই … হ্যাঁ দাদা আলো তো আসবেই , অবিমিশ্র আঁধার বলে কিছু নেই যে – হয়তো অন্য কোথাও, অন্য কোনখানে
অনেকদিন পর এই লেখা পড়লাম।
জল পাখিটিকে তেইল্লাচুরার ভয় দেখালে কেমন হয়!
হাহাহাহাহা তেইল্যাচুরার ভয় 😀 ভালো বলছেন দাদা
আকন্ঠ পিপাসায় পাখি খোঁজে জল, পাখির ডানা দিয়ে শুন্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলা জলবিন্দু না পেলে জলের মেটেনা পিপাসা…গল্পটা আধেকই থাকে…
যেহেতু আকাশ অপার এবং জলবিন্দু বাষ্প হয়ে শুন্যে মিলায় – সেহেতু জলের অসম্পূর্ণতাই সম্পূর্ণ করে গল্পকে 🙂 কে সারা সারা
ভালো লাগলো
ধন্যবাদ 🙂
কেমন এক কান্না কান্না লেখা। এমন কেন ভাইয়া ?
নাহ , কোথাও ক্রন্দন নেই তো 🙂
সবটাই সুন্দর তারপরও প্রথম স্তবকটি বেস্ট। বেশ লেখেন আপনি সাইদ ভাই।
কিছুটা অতৃপ্তি থাকবেই,এটিই তো আমাদের বাঁচতে শেখায়।আপনার কবিতায় নেশা লাগে 🙂