আজ ২৩ জুলাই নিঃসঙ্গ সারথী তাজউদ্দীন আহমেদের আহমদের আজ জন্ম দিন। বঙ্গবন্ধু্র অন্যতম সহচর বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী একজন সৎ ও নির্লোভ মানুষ। একজন তাজউদ্দীন। যার ছিল ক্ষুরধার কিন্ত বরফশীতল রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও মনন। মুলত ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করার পর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথমে আত্মরক্ষা [বিস্তারিত নিঃসঙ্গ শুন্যতার কান্ডারী]
ছেলেটি বারান্দায় দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিলো, মেয়েটি বসেছিলো উঠোনে। বিয়ে বাড়ির কনে বিদায়ের বিষন্নতার মাঝে ডুবে। মেয়েটির চোখে এক পৃথিবী বিষাদ, শেষ গোধূলির আলোয় ইতস্তত ছড়ানো চেয়ার টেবিল আর নিস্তব্ধ তরূণী। কেমন অপার্থিব লাগে সবকিছু। – আপনার মন খারাপ ভালো করে দিতে পারি এক মিনিটে, দেবো? – আপনি ম্যাজিক জানেন? – হু, তবে এটা কেবল [বিস্তারিত একটা নিতান্তই অর্থহীন গল্প]
কতখানি অতলে থাকে জলের দুঃখ, কতটা গহীনে কতটা উজানে গেলে পরে পোড়ানোর উৎসব শেষ হবে, কতটা তীব্র হলে স্রোত তোমায় ছোঁবে বেনোজল, দুঃখবোধ ফুরোবে তোমার। কতটা উজাড় করে দিলে পরে বোঝা যাবে দিয়েছি সর্বস্ব কতটুকু মেঘ জমে হয় একটা আকাশ, কতখানি বৃষ্টি হলে পরে পাখি এসে পরাণ ছোঁয়াবে জলের পরাণে? একজন্ম কেটে যায় দারুণ অস্থিরতার [বিস্তারিত সুখের আবাদ, অসুখী নীল জলে]
একে দেই শুন্যের গায়ে , সাবলীল সরল রেখা মেখে দেই পার্থিব সুখস্বপ্নের গায়েও অলোকনন্দা জল। রেখে দেই তোর সিথানে সোনার কাঠির স্বপন জাদু পৈথানে তোর রূপার কাঠি মুগ্ধ আলোয় বিলীন সময়। ভোমরার খোজে কাটাচ্ছি এই পুরোটা ক্ষণ,পল অনুপল। একে দেই বিন্দু আমি শুন্যের ভেতর, বৃত্তের কেন্দ্র তুই ঈশ্বরও অনাহুত সেই বৃত্তে আমার, আমি বৃত্তের পরিধি [বিস্তারিত বৃত্তের নির্বাণ]
কবিতার শব্দেরা ভিজে যায় টুপটাপ উদাসীনতায় কবিতার শব্দেরা ভেসে যায় বিরুদ্ধ বাতাসে, শব্দেরা অভিমানের বিষে নীল, এ কেমন অভিমান ? আমার এ কেমন ভয় এ কেমন হাহাকার বুকের গভীরে খামছে থাকা যুক্তিবিহীন সংশয়? অথচ নিশ্চুপ কুয়াশার জল জমে জমে টুপাটাপ ঝরছে অভিমানী জল,ভালোবাসার আলো মেখে, এতো জল ঝরে তবু পরাণ ভেজে না কেন? তৃষা মেটেনা [বিস্তারিত জলের শব্দেরা… পানকৌড়ির জন্য]
পশ্চিম তীরে সীমান্তের এই পারে দাঁড়িয়ে শালপ্রাংশু বৃদ্ধটি কাটাতারের বেড়া ছুঁইয়ে আসা বারুদের গন্ধে নাক কুঁচকায় তার পেছনে দীর্ঘ মিছিল, লাশের এবং জীবন্মৃতদের। তার বায়ে দাঁড়ানো শিশুটির পিতা নেই , মা নেই মাতৃভূমিও না সে কখনো শোনেনি আদুরে ঘুমপাড়ানি গান তার লুন্ঠিত শৈশব জুড়ে কেবলই ছুটে চলা কেবল মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ আর ধাওয়া ,ধোঁয়া, রক্তের [বিস্তারিত অন্তর্গত ক্ষয়]
পঙতিগুলো এলোমেলো এসে ছুঁয়ে যায় কবিতা মূর্তিমতী বিষন্ন অভিমানে নীল শব্দেরা সব সেজেছে আজ অভিমানী ডানায় ধরা দেয়না, একবার এসে বসে তারপর উড়াল। অথচ কি ভীষন ইচ্ছে করে মায়াবী কাজল আঁকা চোখে চোখ রেখে লিখেদেই বিশুদ্ধ ভালোবাসার কাব্য। ভেবে ভেবে, ভেবে ভেবে লিখেই ফেললাম অমর কবিতার প্রথম চরনখানি। ”আমি ভালোবাসি তোমাকে।” কতটা সে জানে আমার [বিস্তারিত অভিমানের আত্মকাহিনী]
আদম স্বর্গনদী জায়হুনের কিনারে একখানি আরামকেদারায় উপবেশন পুর্বক স্বর্গত হাল্কাপানীয় পেপসাইলের পাত্রে মৃদু চুমুক দিতে দিতে অদুরেই ইভের জলকেলি তস্করপ্রায় অবলোকন করিতেছিল। স্বর্গের সুশীতল হাওয়ায় তাহার নিদ্রাপোক্রম ……হেনকালে বিষম গন্ডগোল উপস্থিত হইল। ভীড়ের মধ্য হইতে কেবলমাত্র বর্জন বর্জন তাহার কর্ণকুহরে পশিল। সে ধরমরাইয়া উঠিয়া মনে একি সংগে ভয় ও খুশিতে ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়া মাথা চুল্কাইতে লাগিল। [বিস্তারিত প্রায় আদমচরিত (মুখফোরের অনুকরনে)]
তৃষ্ণায় খা খা করা বুক নিয়ে জল অপেক্ষায় ছিলো পরিযায়ী পাখিটির, নিথর শীতার্ত জল। অপেক্ষা তার মায়ায় মায়ায় জড়িয়ে নিয়ে পাখিটির দুঃখের সাথে দুঃখ মিশিয়ে আদর করার। অপেক্ষা তার একজন্মের…… মেঘজন্মের। অনন্তর আকুল তৃষা বুকে জল বয়ে যায় , বয়ে যায় অনিরুদ্ধ। জলের তৃষ্ণা মেটানোর সাধ্য আছে কার? মেঘজন্মে জলও উড়েছে হাওয়ায় হাওয়ায়। বিচিত্র [বিস্তারিত অস্তাচলে অভিমানী চাঁদ]
একটা গল্প ছিল, পাখির। অথবা নারীর পাখি হবার, মেঘের মত আদুরে ইচ্ছেদের মত স্বাধীন আর প্রকৃতির মত উদাসীন তোমার মত ইচ্ছে খুশির ঝলক ছিল অধরে একটা গল্প ছিল, বৃক্ষের। বৃক্ষ অথবা মানব, একলা প্রাণ এক ঠায় দাড়িয়ে সয়ে যাওয়া ঝড় জল খর তাপে চৌচির,কুয়াশার হিমে জমা, উষ্ণ আদরে গলতে না জানা, অচঞ্চল ধীর কিন্ত নিশ্চিত [বিস্তারিত নারী ও বৃক্ষ আখ্যান]
শব্দের একক কোন ক্ষমতা নেই কবিতা হবার, ইচ্ছে হলেই লিখে দিতে পারি দিস্তা দিস্তা তা শুধুই শব্দ এবং বাক্য হবে কবিতা হবেনা। লিখে যেতে পারি মাইলের পর মাইল, সবুজ কালো কিংবা ধুসর, আকাশী নীল রঙের শব্দগুচ্ছ। জেনে রাখো, তা কখনো তোমায় ছোঁয়ার সাহস পাবেনা। যদি, ভালোবাসার ম্যাজিক সহ একটি মাত্র বিন্দু লিখি, কিংবা ধরো তোমায় [বিস্তারিত স্বিকারোক্তি]
লাদিসলাউস সিৎসিক-সাতারি। পেট নেম লাজলো। একজন অশীতিপর বৃদ্ধ, দেখতে নিরীহ। মানে বয়স হলে যেমন হয় আরকি। কিন্ত এই আশিতিপর নিরীহ বৃদ্ধটি হচ্ছে একজন ভয়াবহ খুনী এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারী ভয়ংকর নাজী অফিসার,লাজলো সাতারি, ১৯৪৪ এর রয়্যাল হাঙ্গেরিয়ান পুলিশের ‘কমান্ডার’ । ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই ইউরোপ ছেড়ে পালিয়ে যান লাজলো। পাড়ি দেন [বিস্তারিত লাদিসলাউস সিৎসিক-সাতারি (২য় বিশ্বযুদ্ধের জীবন্ত বিভীষিকা)]
শেষ সৈনিক টি তৃষ্ণায় খাখা বুক নিয়ে ক্যান্টিনটি উচুঁ করে ধরে। খটখটে ক্যান্টিন এক ফোটা …. দুফোটা জলবিন্দু গড়িয়ে দিয়ে নীরব হয়ে যায়। এম্বুশার রা এগিয়ে আসছে……. সংখ্যায় সাতের বেশী, খট করে বাড়ি খায় শুন্য চেম্বারে ফায়ারিং পিন। কোমড় থেকে টেনে নেয়া রিভলবারের চেম্বার থেকে একটা কার্তুজ খুলে নিয়ে, মুঠোয় পুরে পাশে পরে থাকা সদ্য [বিস্তারিত শেষ সৈনিক]
বুশেনওয়ার্ল্ড। Buchenwald মানবতার সমাধি, উদ্ধত দুর্বিনীত এবং অমানবিক থার্ড রাইখের রক্তের বিশুদ্ধতায় শ্রেষ্ঠত্ব তত্বের উল্লাসভুমি। যার প্রবেশপথে লেখা ছিল “Jedem das Seine” অর্থ “everyone gets what he deserves” যার সম্বন্ধে বলা হয় বুশেনওয়ার্ল্ড হলো গ্রীক পুরানের স্ট্রিং। মৃত্যু যেখানে ছিলো নৈমিত্তিক অনুলেখ্য ঘটনা। ধারনা করা হয় বন্দীর সংখ্যা ছিল ২৫০,০০০ এবং মৃতের সংখ্যা আনুমানিক [বিস্তারিত লেবার ক্যাম্প বুশেনওয়ার্ল্ডঃ (২য় বিশ্বযুদ্ধের অন্ধকারতম অধ্যায় )]
প্রোগ্রাম টি ফোর পৃথিবীর নৃশংসতম পরিকল্পনা গুলোর একটা জার্মান রাইখস ফুয়েরার হিটলারের বিশুদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ রক্ত ধারনার প্রতিষ্ঠার নৃশংস পরিকল্পনা। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য ছিলো সমাজকে সুষ্ঠ কর্মক্ষম মানুষের জন্য রাখা , যার ফলশ্রুতিতে আবিষ্কার পরবর্তী কালের আতংক গ্যাস চেম্বার,অসুস্থ দুর্বল আনপ্রোডাকটিভ লোকজন যারা রাষ্ট্রের বোঝা তাদের নিশ্চিনহ করে দেওয়া ।এই প্রোগ্রামের আওতায় প্রথমদিকে মুলত বৃদ্ধ [বিস্তারিত প্রোগ্রাম টি ফোর (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্ধকারতম অধ্যায়)]