অভিমানের আত্মকাহিনী

পঙতিগুলো এলোমেলো এসে ছুঁয়ে যায়
কবিতা মূর্তিমতী বিষন্ন অভিমানে নীল
শব্দেরা সব সেজেছে আজ অভিমানী ডানায়
ধরা দেয়না, একবার এসে বসে তারপর উড়াল।

অথচ কি ভীষন ইচ্ছে করে
মায়াবী কাজল আঁকা চোখে চোখ রেখে
লিখেদেই বিশুদ্ধ ভালোবাসার কাব্য।

ভেবে ভেবে, ভেবে ভেবে
লিখেই ফেললাম অমর কবিতার প্রথম চরনখানি।
”আমি ভালোবাসি তোমাকে।”
কতটা সে জানে আমার ঈশ্বর, আর শুধুমাত্র আমিই জানি।

মোট পড়েছেনঃ ১,২৯৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. পৃথিবী দেখছি শুধুই ভালোবাসাময় ।
    চোখে চোখ আটকে যাওয়া বা আটকে রাখা মন্দ নয় , তবে আড় চোখ ও চালু রাখতে হবে ।

    আমরা দেখি অপাংক্তেয় হয়ে যাচ্ছি তুমুল ত্যাদোড় ভালোবাসার তোড়ে ।

    1. ভালোবাসায় কেউ অপাংতেয় হয়না ভাই …

      “ভালবাসা সব সময় ধৈর্য ধরে, দয়া করে, হিংসা করে না, গর্ব করে না, অহংকার করে না, খারাপ ব্যবহার করে না, নিজের সুবিধার চেষ্টা করে না, রাগ করে না, কারও মন্দ ব্যবহারের কথা মনে রাখে না, মন্দ কিছু নিয়ে আনন্দ করে না বরং যা সত্য তাতে আনন্দ করে। ভালবাসা সব কিছুই সহ্য করে, সকলকেই বিশ্বাস করতে আগ্রহী, সব কিছুতে আশা রাখে আর সব অবস্থায় স্থির থাকে।”

      – করিন্থীয় ১৩:৪-৭

    1. থ্যাঙ্কস বনলতা 🙂

      btw আপনারে কি একদিন আমি আমাদের বনলতা আইমিন অপ্সরা সিজেল ভাইবা ঝারি দিসিলাম ডিলিট দিছস কেন কইয়া 😀

  2. কাউকে কতটা ভালোবাসা হয়
    পরিমনটা ইশ্বর এবং নিজেই জানে ।
    বেশ কিছুটা উপলব্দি করেন তিনি
    জিনি ভালোবাসা গ্রহন করেন।
    তবে সবটা করা যায় না ।

    শিমুল ভাই , এত আবেগ কই পান ?

    1. কাউকে কতটা ভালোবাসা হয়
      পরিমনটা ইশ্বর এবং নিজেই জানে ।
      বেশ কিছুটা উপলব্দি করেন তিনি
      জিনি ভালোবাসা গ্রহন করেন।
      তবে সবটা করা যায় না ।

      (y) (y) (y)

      বুকের একদম গভীরে জিসানদা 🙂

মন্তব্য করুন