বৃত্তের নির্বাণ

একে দেই শুন্যের গায়ে , সাবলীল সরল রেখা

মেখে দেই পার্থিব সুখস্বপ্নের গায়েও অলোকনন্দা জল।

রেখে দেই তোর সিথানে সোনার কাঠির স্বপন জাদু

পৈথানে তোর রূপার কাঠি মুগ্ধ আলোয় বিলীন সময়।

ভোমরার খোজে কাটাচ্ছি এই পুরোটা ক্ষণ,পল অনুপল।

একে দেই বিন্দু আমি শুন্যের ভেতর, বৃত্তের কেন্দ্র তুই

ঈশ্বরও অনাহুত সেই বৃত্তে আমার, আমি বৃত্তের পরিধি

সে বৃত্তে কেউ নেই আর , তুই আর আমি 

সারাক্ষণ খুনসুটি , ভালোবাসাবাসি, উষ্ণ আদরে গলে যাওয়া নিরবধি।

 

মোট পড়েছেনঃ ৮৩৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৯টি মন্তব্য

  1. কোনটা ফেলে কোনটা দেখব ভাই!! এক পোষ্টে এত কিছুর সমাহার দেখেতো টাস্কি খাইলাম। লেখার হাত আপনার আগেই দেখছি। দারুন। সুন্দর হয়েছে লেখা।

  2. ওঅলোকনন্দা শব্দটির অর্থ কি?
    আর এত্তো সুন্দর করে কেমনে লেখেন?
    কবিতার লাইনের মাঝেই গানের লিঙ্ক দেয়া দেখে আমি পুরাই তব্ধা খেলাম, আমার কাছে এইটা নতুন।
    আমিও করিব শিউর…
    অনেক সুন্দর কবিতা।

  3. একে দেই বিন্দু আমি শুন্যের ভেতর, বৃত্তের কেন্দ্র তুই
    ঈশ্বরও অনাহুত সেই বৃত্তে আমার, আমি বৃত্তের পরিধি
    সে বৃত্তে কেউ নেই আর , তুই আর আমি — ভাইরে কেমনে লিখেন এমন করে ?

  4. দারুন লাগল …
    ” একে দেই বিন্দু আমি শুন্যের ভেতর, বৃত্তের কেন্দ্র তুই
    ঈশ্বরও অনাহুত সেই বৃত্তে আমার, আমি বৃত্তের পরিধি
    সে বৃত্তে কেউ নেই আর , তুই আর আমি
    সারাক্ষণ খুনসুটি , ভালোবাসাবাসি, উষ্ণ আদরে গলে যাওয়া নিরবধি। ” – এই চারটি পংতি অসাধারন … কল্পনাকে দারুন ভাবে উপস্থাপন করেছেন … :c

মন্তব্য করুন