দ্বিতীয় চোখ

ভিতরে হুমড়ি খেয়ে একদিন খুঁজে দেখেছি নিরবে; বিশেষ করে- প্রেমিকার চোখ প্রতিবাদ করতে জানে আকাশের সাথে চোখের কোনো তফাত থাকে না জমিন থেকে তাকালে যেমন গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ উড়ে তোমার চোখে সেদিন রাতের মেঘ ছিলো এক খণ্ড সাহসী ‌লাল মেঘে বুঝে নিয়েছি চোখের পরিপূর্ণ ইতিহাস না জেনে প্রতিবাদ করে শুধু বলেছিলে- ‘ওই! থাক না বিশ্লেষণ [বিস্তারিত দ্বিতীয় চোখ]

অলৌকিক মানুষ

প্রতিনিয়ত চাষী থেকে বিজ্ঞানী সবাই জানে; আকালে ঘূর্ণন টের পায় না দিক বেদিক ছিটকে পড়ে না লাগামহীন করতলে,তাঁর বুকে ঘূর্ণিঝড়,বন্যা,খরা,উষ্ণতা সব আর প্রণয়ের গবেষণাগারে প্রেমিক সূর্য, আর প্রেমিকা বসুন্ধরা। এক গাঢ় আভায় রূপসী বাংলা টানে; অভয় দিয়ে আগলে রাখলে আকুতিতে তন্দ্রাচ্ছন্ন প্রহরী লতাশুন্য পাহাড়ে মালিকানা তৃষ্ণার্ত নদীতে ভ্রমণচারী আর মানসম্মত বেদনারা বলবে সকাল-বিকাল রোজ ভিতর [বিস্তারিত অলৌকিক মানুষ]

কখনও ক্ষমা করে না

ভালোবাসার দীর্ঘ সময় ধরে রাখি একান্তে শঙ্কাযুক্ত অক্সিজেনের বোর্ডে অবহেলায় আমিই কেবল জুয়ারী প্রেমিক। সময়ের লভ্যাংশ জয়ের উল্লাসে প্রেমিক কখনও প্রেমিকাদের ক্ষমা করে না ক্ষমা করার শৈল্পিক ক্ষমতা কথিত মানুষের আমিও প্রেমিক; একদিন তপ্ত শ্বাসের মঞ্চে অবহেলায় পুড়িয়ে মারার অপচেষ্টায় প্রতিবাদে পরিতাপের কুন্ডলীতে তোমাকে আমৃত্যু সুখে ঝুলিয়ে ভালোবাসার হুকুম দেই অতএব, এ রাষ্ট্রে আমি কখনও [বিস্তারিত কখনও ক্ষমা করে না]

প্রেম্যাকরণে পড়ে নাও

ভোরের কুয়াশা ভেজা সূর্যে কিংবা ঘুমধরা বৃষ্টি নেশায় কল্পনার মেলা বসে গভীর কূপের উত্তোলিত জলের মতো মনকোণে দেহ ঘ্রাণের আওয়াজ ভাসে এ শিল্পের মূলতত্ত্বে সৃষ্টির অগোচরে ভালো লাগে চোখ বুঝে তাঁর জৈবিক ক্ষমতায়নের রশ্মি ঠোঁটের উপর উঠে ফুসফুসতাড়িত ধ্বনি স্লোগানে স্লোগানে উচ্চারিত হয় জমান্ধ রক্তে তীব্র জলস্রোতে ভেসে যাওয়া নয় এসব চাহিদায় মুখ ফসকানো আওয়াজ [বিস্তারিত প্রেম্যাকরণে পড়ে নাও]

স্ব রচিত তিনটি কবিতা

(০১) শব্দের গোলটেবিল … হঠাৎ বাংলার তিন শব্দ এক জরুরি গোলটেবিলে; খতিয়ে দেখা বললো- সুশীল গলায় আমার না এখন বিষণ কদর কথায়,ব্যথায় দিচ্ছে জামাই বাড়ির আদর তদন্ত ব্যঙ্গ করে বললো- পড়েছি তো জামাই আদুরীতন্ত্র চাচা আপন প্রাণ বাঁচা- নীতির নাই অন্ত স্ব-দোষে হৃষ্টপুষ্ট ইঁদুরের গর্তে সাপ রেখে- তবুও চালায় যন্ত্র বহিঃস্কার রেগে গিয়ে বললো- থামাও [বিস্তারিত স্ব রচিত তিনটি কবিতা]

অভিশাপে আরাম লাগে

এখন আমার বিচার চাইতে লজ্জা লাগে; বরং অভিশাপে ধুয়ে দিতে আরাম লাগে অভিশাপ দাও এখন সবাই দলে দলে মুখ ভরে বমি করে অভিশাপ দাও মানবতার বুকে পোড়া নাভি, পোড়া মাতৃত্ব অভিশাপ দাও গুরুকে আঁধারে জননীর গর্ভে বেওয়ারিশ ভোটের বাক্স মোটা তাজাকরণ পদ্ধতির সুস্থ ধারার বহিষ্কার বিউটি পার্লার সজ্জিত এক বিউটিশিয়ান তদন্ত সবাই এখন নতুন জোটে [বিস্তারিত অভিশাপে আরাম লাগে]

ভাড়াটিয়া রাজনীতি

উপচে পড়া ভীড়ে মানুষের আচরণ ভুলে গেছি নিথর দেহে অপেক্ষার টুঁটি চেপে ধরে থাকি পোয়াতি শালিক বংশ চক্রের নকশা আঁটে গৃহপালিত শিকারি দল নিরবে তুলে স্বার্থের সঙ্গম তেলবাজ পোঁড়া ঠোঁটে চুমু খায় স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে তখন আমি বাকরুদ্ধ কোকিলের প্রজন্ম দেখি বিজ্ঞাপনে এক রাষ্ট্রনায়ক কাকের মতো তা দেয় প্রশ্ন করে- কাকের ঘরে কি কোকিল নয় ? [বিস্তারিত ভাড়াটিয়া রাজনীতি]

ফাল্গুনের ডায়েরী

প্রভাতী শিমুলের লাজুক সজ্জায় মুখ লুকিয়ে আছি; হলুদ পাঞ্জাবির পকেটে রাখা স্বল্পমেয়াদী অভিযোগ খোঁপায় দেওয়া লাল পাপড়ির হাত ছোঁয়া অভিমান সঙ্গীহীন প্রজাতির মতো তাড়া করে প্রতিনিয়ত আসুক- পাশাপাশি আবার কারো প্রত্যাবর্তন ঘটুক চা’য়ের কাপে আধ খাওয়া চুমুকের ঢেউ উঠুক। বেখেয়ালে পরা শাড়ির বেখেয়ালি স্বভাব সাঁজাতে দরাজ কন্ঠে বলুক- হায়রে পাগলী! এভাবে না,ওভাবে। ভুল নমুনাতেই চলুক [বিস্তারিত ফাল্গুনের ডায়েরী]

কবিতা আর তুমি

বলতে আমায় কবি, কবিতার মানে কী? বলেছিলাম— কবিতা বাঙালির পান্তাভাত কবিতা মানব শকুনের সংঘাত কবিতা বিশ্বাস অবিশ্বাসের সংলাপ কবিতা প্রেম ভালবাসার প্রেমালাপ । বলতে আমায় তুমি, তোমার মানে কী? বলেছিলাম— তুমি মানবের পরিচিতিপত্র তুমি শিল্পীর আলোকিত আলোকচিত্র তুমি ধর্ষিত বিবেকের মাদার তেরেশা তুমি বৈধ প্রেমিকের সুরেলা সেতারা । অথচ কবিতা আর তুমি অভিন্ন গবেষণালব্ধ আমার [বিস্তারিত কবিতা আর তুমি]

ছায়া পুরুষ

সুযোগ পোষে পুরুষ মুখে ধরে কামড়ে তুলে পর্দার মুখোশ সময়ের বিষাক্ত লার্ভা আমি নারী- কেন কুকুর সুযোগে ছাড়বা? ছিঃ! দুঃসময়ে আমার পুরুষত্ব ভুলে ডাক দাও; ঘুমন্ত জাত কুকুর ছিঁড়ে ছুঁড়ে প্রথম ফুল শোনাও তখন আমাকেই;ধর্ষিতার ছিলো ভুল পুরুষ নাকি ভরসার হাত বিশ্বাস যখন তোমাকেই; নিঃস্ব করো দু’ হাত ছিঃ! অপবাদে আমার নীতি-ধর্ম,শান্তি শোনাও; ভাগ্যে তৃপ্তির [বিস্তারিত ছায়া পুরুষ]

শুনতে পাও এখন; সোনেলা

কবিতা: ২৫ শে মে; আঁকড়ে ধরা শিখেছি __নাজমুল হুদা ২৫ শে মে মধ্যদুপুরে তুমুল আর্কষণে টেনে নিয়ে গেছিলো আমাকে সাবলীলভাবে; তোমাকে ধারণ করে কারো বাক্য। সেদিন থেকে আস্তে আস্তে ঝুঁকে গেছি ভারসাম্যতায় অনুভব করি ঘাস ফড়িংয়ের মতো তোমায় কনকনে ভোরের আলোয় শিশির ধোঁয়া ঘাসে। যেমন কেউ প্রেমিক সেজে প্রেমিকার হাত ধরে শামুকের মতো; ভারী বৃষ্টিতে [বিস্তারিত শুনতে পাও এখন; সোনেলা]

নগরীর বখাটেনামা

চোখের রেটিনায় ধরা খায় আমার আহত বিবেক; দেখি যথাক্রমে- বন্ধু-বান্ধব, মোড়ল বাড়ির কুকুরের মতো হাঁক দেয় লালা ঝরায় ততক্ষণে- রোদে শিকার ধরা শিয়ালের ন্যায়। সেই থেকে আর কোনোদিন বন্ধু-বান্ধব নয় বুঝি পৃথিবী মতোই ঘুরপাক খায় চোখের পাশে কুকুরের পৈশাচিক কায়দায় সহস্র জিভের ডগা শিয়ালের ছিঁড়ে খাওয়া সনাতন দশটি আঙুল মনের আয়নায় ভাসে উল্লেখিত পশুদের কার্যকরণ; [বিস্তারিত নগরীর বখাটেনামা]

আর কত?

রাজনীতি মানেই কী ইতিহাস আর নামফলক মুছে ফেলা? তুলে ফেলা ? হিংসাপরায়ন অতি উৎসাহীরা সবসময় দেশ, দল এবং গণতন্ত্রের আর্বজনা। সেই অতি উৎসাহীদের যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। আমার বিশ্বাস একদিন আমাদের আগামী প্রজন্ম তখন ইতিহাসকে সন্দেহের চোখে বিদ্ধ করে বঙ্কিমচন্দ্রের রম্য কাহিনী ভেবে লাগামহীন আনন্দ নিয়ে পড়বে। সেদিনেই [বিস্তারিত আর কত?]

অর্ডার করা বই

সকালে অর্ডারকৃত বইগুলো আনতে রকমারি.কম এর ডেলিভারী ম্যান ফোন দিলো। আনতে গেলাম। বাসায় এসে প্যাকেট রাখলাম। একজন জিজ্ঞেস করল -কিসের বই? সন্তুষ্ট করার মতো তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিলাম। তারপর কাপড় ছেড়ে বইয়ের প্যাকেট খুলে উল্টেপাল্টে দেখি। দুপুরে এসে সবাই দেখে আমি পড়ছি। প্রথমে একজন বন্ধু বাৎসল্য সিনিয়র রুমমেট আগ্রহ নিয়ে ঝকঝকে প্রচ্ছদের বইটি দেখতে চাচ্ছেন। [বিস্তারিত অর্ডার করা বই]

বিশেষ কোনো একদিন

বরাবরের মতো কথা থাকে সপ্তাহে না, হ্যাঁ মতে জয়ী কোনো একদিন কথার মাহফিল বসাবো; সেদিন——– ভেজা রোদে চুড়ুই পাখির গড়াগড়ি মাখা বালি এক উলঙ্গ মাছরাঙার ঠোঁটে আহত একটি মাছ আবার- সব কিছু আহত করে বসবে চোখের সামনেই। দৃষ্টি দুর্বল করে ফিরে যাবে এসব দেখবে না- নিশ্চুপ আমি কত অবহেলিত সেই বিশেষ দিনে অভিভাবকহীন চার দেয়ালে [বিস্তারিত বিশেষ কোনো একদিন]