আর কত?

রাজনীতি মানেই কী ইতিহাস আর নামফলক মুছে ফেলা? তুলে ফেলা ? হিংসাপরায়ন অতি উৎসাহীরা সবসময় দেশ, দল এবং গণতন্ত্রের আর্বজনা।

সেই অতি উৎসাহীদের যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা কোনো সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। আমার বিশ্বাস একদিন আমাদের আগামী প্রজন্ম তখন ইতিহাসকে সন্দেহের চোখে বিদ্ধ করে বঙ্কিমচন্দ্রের রম্য কাহিনী ভেবে লাগামহীন আনন্দ নিয়ে পড়বে। সেদিনেই হবে দেশের জন্য কঠিন দুঃসময়।

এর দায় তখন কারা নিবে ? আমরা আশা করি, ধর্ম-মত দল-বল নির্বিশেষে সবার শুভ বুদ্ধির উদয় হবে । পাকিস্তানী প্রেতাত্মার মুখোশে গলাবাজি রাজনীতিচর্চার অবসান ঘটে, দেশাত্মবোধের রাজনীতি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু প্রতিষ্ঠিত হবে।

না’হয় যুগের পর যুগ দেশের আশা জাগানিয়া লক্ষাধিক তরুণ প্রজন্মের শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বায়োডাটায় নয়। মনে প্রাণেই পরিত্যক্ত হয়ে ঝুলে থাকবে ভিনদেশী একটি বাক্য-  I hate politics. আর কত?

মোট পড়েছেনঃ ৯৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. সবকিছুর মূলেই থাকছে ক্ষমতার অপব্যবহার। ক্ষমতাবানদের ভাবনা ক্ষমতা আছে, আবার না-ও থাকতে পারে। তাই ক্ষমতা থাকতেই কিছু তেলেসমাতি দেখা আর কি।

  2. আমাদের দেশের রাজনিতিবিদ্রা ক্ষমতায় থাকলে তাদের দেশপ্রেম ঝিকেয় তোলা হয় আর ক্ষমতার অপব্যাবহার তাদের অস্থিমজ্জায় জমা হয়, বিরোধিদলে গেলে আসল দেশপ্রেম আর দল প্রেম জাগ্রত হয়।

    দলের বাহিরে সাধারন জনগন আর নিরব দল্প্রিয় হয় নুরজাতনের শিকার।
    আর বরতমানে মুক্তিজোদ্ধারাই সব কিছুর মালিক। মনে তারাই এখন আসল দেশপ্রেমিক। যারা মুক্তিজোদ্ধারদের আহার, থাকার জায়গা দেওয়ার অপরাধে ঘরবাড়ি ছাড়া তারা এখন চুদির ভাই।

  3. আসলে সত্য একটা দেশের স্বচ্ছ রাজনিতীর উপর নির্ভর করে সে দেশের ভাবমূর্তির ভাল মন্দ।এই যে আমাদের দেশের রাজনীতির দল গুলো তাদের ক্ষমতায় যাওয়া ছাড়া জাতীয় স্বার্থে বড় কোন আন্দোলনে গিয়েছেন বলে আমার মনে হয় না।তাদের মাঝে পারস্পরের উপর কাদা ছুড়াছুড়ির কারনে জনগণের গণতন্ত্র বিপন্ন হচ্ছে।
    অল্প কথায় খুব ভাল বিশ্লেষণ।

  4. ধর্ম বর্ণ নিয়ে রাজনীতির সূচনা মানিব সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকে🙄 যে সকল জাতী এই অভিশাপ থেকে বের হতে পেরেছে তারাই ইতিহাস রচনা করে মানব জাতির উপরের স্তরে বসে আছে✌

মন্তব্য করুন