হাত দিও না- এমনভাবে পুরুষের মতো হাত দিও না; চতুর্দিকে আজ আমার ফেলে আসা পুরানো সব ক্ষত নতুন ধাঁচে নতুন করে সেই উতলে উঠেছে- হাত দিও না। সিদ্ধেশ্বরীর অন্ধরাতে আমার জমজ ব্যথা পড়ে থাকে কাঁটাতারের ঝুলে থাকে আমার শতছিন্ন ব্যথার পতাকা আর ভি আই পি কবলে অকালে স্বর্গ আঁকি- হাত দিও না। হাত দিও না- [বিস্তারিত চিরজীবী; আমি তরুণী বাংলাদেশ]
(১) নীল চুড়ি … যত্ন করে আগলে রাখো; পরিমাপের হাত আমার দখলে গেলে চোখে রেখে চোখ- তোমাকেই পরাবো। (২) কালো টিপ … সৌন্দর্য বৃদ্ধির দাবিতে তোমার জায়গায় যার আমৃত্যু অনশন রোজ রোজ খালি করে দিও তাঁর অবস্থান- আমার উষ্ণ চুমুর স্লোগান। নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ।
পাহাড়ের বুকে জলন্ত একটা আগুনের নিজস্বতা ছিলো ইচ্ছে করলেই যেখানে সেখানে উচ্চমাত্রার ছায়া দিতো ডাকতো না নিরবে কোনোদিন দুঃখের ঘুঘু অজান্তে হাসতো স্বচ্ছতায় গোলাপী ঠোঁট। হঠাৎ একদিন গণ মানুষের আড়ালে বুকে; অনাঙ্ক্ষিত দমকা বৃষ্টির জলরাশি নামে ভিজে গেছে; দুঃখের ঘুঘুরাও কান্না শিখে গেছে এখন পাহাড় ধরে রাখে শুধু বৃষ্টির নেয়ামত এখন পাহাড় ধরে রাখে শুধু [বিস্তারিত হঠাৎ বৃষ্টির নেয়ামত]
পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য কী?কেন সৃষ্টিকর্তা মানুষকে পাঠিয়েছেন? আর পৃথিবীতে আপনার কাজেই বা কী? এই সবগুলোর উত্তর যদি আপনি সহজ করে বলেন, তাহলে হয়ত বলবেন- জন্ম গ্রহণ করছি।আস্তে আস্তে বড় হব।বিয়ে করব, সংসার হবে, বাচ্চা হবে তারপর মরে যাব। কত সহজভাবেই একটা মানুষের জীবনে ধারাবাহিকতা শেষ হয়ে গেলো। কিন্তু এর চেয়ে যে কঠিন বিষয় হলো আর্দশ [বিস্তারিত বিবেককে প্রশ্ন করুন- “আমার অবস্থানে আমি কে?”]
জানি, ভালোবাসি তোমার কোনো স্লোগান নয়; তবুও ক্ষুধার্ত প্রেমে ভালোবাসার দাবি তুলো- দাবি এভাবেই দাও তোমার আমার সুষম বন্টন ঝুলানো স্টেথোস্কোপে আস্তে করে চেপে ধরো দেখো বুকের কোথায় কার কতটুকু চিনচিনে ক্ষত দাবি- ছেড়ে গেলে তোমায় পতন ঘটিয়ে দাও আমাকে এসব দাবি আজ আমাকে ঘিরে তোমার সাথে অথচ- আমি জানি ভালোবাসি বলে স্লোগান দিলে ভালো [বিস্তারিত ভালোবাসি বলে স্লোগান দিলে]
হয়ত যখন তোমার ভিতর অভিমানী লাভার পূর্বাভাস তখনেই তুমি বিদ্যুৎ চমকানোর মতো এক নাগাড়ে উচ্চারণ করতে থাকো- জানিনা, জানিনা! যদি তোমার আমি বরফের মতো গলে যেতে যেতে কী হয়েছে?এই কী হয়েছে- বলো আমায় একবার তখনও শিলাবৃষ্টির মতো ঝরাতে থাকো- জানিনা, জানিনা! আবার যখন সেই আমি; একবারেই তোমার আমি ক্ষোভায়িত অভিমানী লাভার বিস্ফোরণ ঘটাই মুহূর্তে জানিনা [বিস্তারিত ভালোবেসে বুকে তুলি বীজগণিতের সূত্রে]
পুষ্টিসমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমার দেখা এই নতুন সভ্যতার পতন কোথায়; জানেন গল্প বলি– মধ্যবয়স্কা চাঁদ উঠে আঙিনায়। আলোকিত ধনুকে জীবন শিখে সদ্য যৌবন মুখস্থ আমার পুরুষ। না আলো,না অন্ধকার- চাঁদের ঢেকে রাখা অঙ্গীকার। কেন বলছি জানেন– প্রথম গন্তব্য, প্রথম আলো নিভে গেলে কাপুরুষের বৈধ চেহারায়।একাকীত্বের থাবা সামলাতে শপথ নিলে দেহ পাড়ার বণিকের মতো। যৌবন মুখস্থ পুরুষ [বিস্তারিত আঙিনায় মধ্যবয়স্কা চাঁদ]
(০১) ভারসাম্যতা .. ভিতরে ভিতরে আমি যে কতটা অপরিপক্ক প্রেমিকা ভালোবাসা রপ্তানি বন্ধ করলেই তুমি বুঝি এক অরক্ষিত সীমান্তে কেমন থাকে তোমার আমার ঘাঁটি? (০২) অভিযোগ .. কষ্ট দিয়ে তোমায় আর বলি না; ভাবতে ভাবতে আমি কষ্ট বলা শিখে যাই নাকি ভালোবাসার সুদে ভালোবাসাও নাই। (০৩) নির্বাচন .. সময়ের ড্রয়ারে ঐতিহাসিক কথা নিঃসঙ্গ পরোপকার- তা [বিস্তারিত তিনটি অনুকবিতা]
একদিন আমিও ভালো থাকবো তোমার মতো; অপেক্ষার ভাঁজ খুলে খুলে আজো প্রতিনিয়ত স্বপ্নের কাঁটাতারে ঝুলতে দেখি জোড়া হাঁসের গল্প। টুথপেস্ট ভরা শাসনে কত ভোরের আলিঙ্গন রোদ সরানো জানালায় দেহের উষ্ণ কারুকাজ অলসতার ঝাঁপি ভরা এক ঘুম তাড়ানো বকুনি ত্রিফলা স্বপ্ন ক্যান্সারের মতো খুঁড়ে খুঁড়ে ভোগায় যদি কোনো মধ্যদুপুরে কুকুরের চিৎকার থামিয়ে অনামিকা, গোলাপী আভায় রঞ্জিত [বিস্তারিত প্রচলিত জোড়া হাঁসের গল্প]
প্রাচীন খেলার অংশ আমরা ধরে নিবো সরলরেখার দুই প্রান্তে দুটো বিন্দু হবো পিপাসিত বাসনার দৃষ্টি তোমার অন্যপ্রান্তে- বিন্দু তোমার নিরাপদ খেলনা। বিন্দু থেকে প্রতিনিয়ত তোমার দিকে ক্রমান্বয়ে; তাপহীন এক আগুন ছোঁয়াবো দুই তৃতীয়াংশ অতিক্রম করলে ঝুঁলে পড়বো- একগুচ্ছ আধুনিক নিয়মে। পরিপূর্ণ পরিপক্কতা এমনেই হয় ভালোবাসার উৎপত্তি বুঝে গেলে মানুষে মানুষে মিলন পোড়া মাটির খনন। নেত্রকোনা, [বিস্তারিত প্রাচীনকাল থেকে এখন]
একবার পৃথিবীর গর্ভে বিশ্বাস জন্মে ছিলো তাঁর ভুখন্ড ছিলো,পক্ষ ছিলো,বিপক্ষ ছিলো পোড়া মাটির মতো প্রসিদ্ধ ইতিহাসও ছিলো। বিশ্বাস নাস্তিক ছিলো পরীক্ষা করেছিলাম কখনও তুমি কখনও আমি কখনও আমি কখনও তুমি- তাঁর ছিলাম। একবার তৃতীয় পক্ষ বিশ্বাস দাবি করে ছিলো আমরা তৃতীয় পক্ষকেও বিশ্বাসের অজুহাতে স্বৈরাচারী শাসকের মতো ইচ্ছামত শোষণ করি কাক ও কোকিলের মতো আষ্টেপৃষ্ঠে [বিস্তারিত বিশ্বাস একদিন নাস্তিক ছিলো]
প্রথম জানুয়ারি শব্দ আদান প্রদানে জয়ী প্রেমের উল্লাসে গল্প বলতে- ভরা পুকুর, চিকন কঞ্চি, সুখী মাছরাঙা ঠোঁটের শাসনে তুমুল ঢেউ তুলে জনসম্মুখে ওরাও ঝরা পালকে বার্তা রেখে উড়ে যায়। শেষ ডিসেম্বর অভিমান পুড়ে আবার সমঝোতার গলিপথে গল্প বলতে- দক্ষিণে কুঁড়েঘর, জোড়া চুড়ই পাখি রোদ্দুর উঠোনে ধুলো মেখে যেন গোসল করে ওরাও দীর্ঘমেয়াদি ইঙ্গিত দিয়ে ঘরে [বিস্তারিত চরের মতো জেগে উঠে]
দীর্ঘ বিরতির পর তোমার দিকে আমার গতি; সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত তোমার এখন ঠোঁটস্থ কখন আমার আমি ফুঁসে উঠে কখন তোমার তুমি প্রতিবাদ করে এসবের ব্যবহারিক হিসেব কষে ব্যবস্থাপনা বিভাগে তুমি একজন উদ্যোক্তা। কারণ- ভালোবাসলে পুরুষ হয় প্রথম শ্রেণীর ভোক্তা ভালোবাসার অবহেলা মাড়িয়ে তুমি কেবল ভালোবাসার খোঁজে আমার সফল উদ্যোক্তা। নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ
চোখে চোখে হঠাৎ বললো, রাগ করছো? কিছু কিছু রাগের ব্যাখা না করা ভালো মনে মনে রাগের উৎপত্তি জানতে এসো অস্থির এক লাজুকতায় বললো, ক্যান ? অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে আমায় আবার তুমি ভালোবাসতে শিখবে ভালোবাসার জন্য শুধু ভালোবাসায় রাগ; তো কামিয়াবী তাবিজ জানবে। নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ।
বসতি বাগানে রক্তের ক্রোমোসোমে ফুটে গোলাপ; স্বপ্ন ছিলো মাংসের তুফানে হেলেদুলে কাউকে নরম ফুলের আধাআধি ভাগ দিবে পরিশ্রমের ঘ্রাণ চুষে নিবে এক লাল ওড়নায় পাপড়ির ন্যায় ছড়িয়ে দিবে পরস্পরের সুখ। কথা ছিলো স্বাবলম্বী নারীর মতো বাবা, মা, ভাই আর রাষ্ট্র সুনিপুণ কারুকার্যে হাতের সুতোয় সেলাই করে আঁকবে মাতৃত্বের কঠিন ইতিহাস। হঠাৎ কথা আর নিয়মের উল্টো [বিস্তারিত একটি সাদা গোলাপ]