তোমাকেই খুঁজি

আজ খুঁজি ফের জনক তোমাকে বাংলার মাঠে ঘাটে বিপ্লবী মহা -সংগ্রামী সেই একাত্তরের ঠাটে। আজো হায়েনায় উল্লাস করে তোমার সোনার দেশে ঘাতক শকুন ও শিকারী কুকুর বেড়ায় হেসে হেসে। তোমার আঙ্গুলি এনে দিয়েছিল স্বাধিকার স্বাধীনতা বলেছিলে “দেব রক্ত তবুও মানবোনা অধীনতা। হুকুম দেবার নাও পারি যদি সামনে এগিয়ে যাও দুর্গ বানাও শহর নগর, দুর্গ সোনার [বিস্তারিত তোমাকেই খুঁজি]

পরিণতির দ্বিতীয় পৃষ্ঠা

সকাল-সন্ধ্যা আকাশ ঘোরো তুমি চোখদুটোতে রঙিন চশমা এঁটে মেঘ দ্যাখো’না,দ্যাখো’না এই ভূমি ঘর খেয়েছো পর খেয়েছো চেটে জন্মজাত ও আঁধার পায়ে দলে ছুটলে তুমি আকাশপানে ধেয়ে ঠিকানাটা অচিন দেখার ছলে উঠলে মেতে ধারের রোদে নেয়ে মাঝ আকাশে উঠলে তুমি যেই মেঘগুলো সব ধরলো তোমায় ঘিরে হঠাৎ তারা-চাঁদের আলো নেই জনম দিকে চাইলে না তাও ফিরে [বিস্তারিত পরিণতির দ্বিতীয় পৃষ্ঠা]

উত্তরপুরুষ

একদল গরু দৌড়াচ্ছে একটি গোয়ালের দিকে। অনেকগুলো গাধা অপেক্ষমান সেখানে, সাথে কিছু অনুগত আতংকিত হরিণ। গরুগুলো দেখতে খুব নিরীহ,হৃষ্টপুষ্ট। পেছনে ক্ষুধার্ত শৃগালের পাল— হাসফাস ছুটছে তৃপ্তির আস্বাদে। কি আশ্চর্য!ওরাও শিকারীর সম্মুখে অপেক্ষমান! পেছনে দৃশ্যমান আরও কিছু শিকারী ও শিকার, কিছু মাংশাসী বাঘ,হায়েনা,শকুন,……………….। একটা বেয়াদব বানর চিৎকার করে বলে উঠলো— আমিই এই লীলাদৃশ্যের প্রকৃত দর্শক, আমিই [বিস্তারিত উত্তরপুরুষ]

তোমার-আমার দেশ

তোমার-আমার দেশ হালিম নজরুল যে পথ দিয়ে আসছে হেঁটে মোল্লা-পুরুত-রথ, ওটাই আমার পথ ওরে ভাই ওটাই আমার পথ। ঐ মসজিদ, মন্দির, ঐ প্যাগোডা-গীর্জায়, আমার দাদা,আমারই ভাই,আমারই পীর যায়। ঐ স্কুল,শিউলির ফুল,ঐ আকাশের ফাঁকে, তোমার-আমার স্বপ্নগুলো সবুজ সতেজ থাকে। ঐ সুদূরের ভেসে আসা পিউ পাপিয়ার গান, জানিয়ে যায় ভালবাসার দারুন আহবান। বইছে নদী নিরবধি উড়ছে কপোত [বিস্তারিত তোমার-আমার দেশ]

সভ্যতার সলিলসমাধি

কাঁদে আসমান কাঁদে জমিন কাঁদে দূর গাঁয়ের বেনেথিয়াম রৌদ্র। কেউ কি জানতো ওদের জন্য আর কখনও উঠবে না ভোরের সুর্য এভাবে স্তব্ধ হবে পাখিদের গান ফুলকলিরা করবে অফুরাণ ধর্মঘট । আমরা কতটা নির্লজ্জ অমানুষ হলে ওদের অমন অভিমান ? ওরাতো ফিরবেইনা আর কোনদিন, এমন নরকে না ফেরার শপথ হয়তো অনাগত সকলের । ঘাসের বুকে এখনও [বিস্তারিত সভ্যতার সলিলসমাধি]

মহারাণীর প্রেমে

মনের ভাঁজে জোস্নাপ্রপাত চুলের ভাঁজে ফুল বুকের ভাঁজে সুখের অসুখ প্রণয়ে আকুল। চোখের ভাঁজে লাজুক লতা ঠোঁটের ভাঁজে চাঁদ বাহুর ডোরে বিনাশী ঢেউ মায়াবী এক ফাঁদ। দুই বিনুনি মনহরণী আলতা রাঙা পায় রূপের আগুন আনলো ফাগুন মনের আঙিনায়। বচন যেন মিষ্টি মধু যাদুর পরশ হাতে এমন ফুলের ঘ্রাণ নিতে চায় জ্বোনাক জ্বলা রাতে। এরূপ চাঁদে [বিস্তারিত মহারাণীর প্রেমে]

পরিণতির তৃতীয় পৃষ্ঠা

তখন আমি নি:স্ব নিসম্বল একলা একা দাঁড়িয়ে ছিলাম ওঁতে খেয়ে পান্তা পানি ও অম্বল গা-খানাকে ভাসিয়ে দিলাম স্রোতে ভরদুপুরে স্রোতের সে কি তেজ! এক নিমিষেই ভাসিয়ে নিল দূরে আনলো টেনে শীর্ণ নদীর লেজ সাগরবুকে বিকেল সন্ধ্যা ঘুরে সাগরবক্ষে অন্ধকার এক পথ চিনিয়ে দিল আকাশছোঁয়া কল যদিও সেথা ছিল আলোর রথ বেছে নিলাম প্রতারণার ছল তখন [বিস্তারিত পরিণতির তৃতীয় পৃষ্ঠা]

রূপান্তর

নদীটি বললো “পাশাপাশি হাঁটো, এনে দেবো এক অনন্ত ঈশ্বর। স্বর্গে পৌঁছে তুমি ভুলে যেও পাপ— ও পূণ্যের হিসাব।” অতপর ঘাসগুলো বৃক্ষ হলো, আর মানুষগুলো ছায়াবিলাসী প্রাণী। ভালবাসাগুলো রূপান্তরিত হলে– স্বর্গগুলোয় নামে নরকের অনল। ***

প্রিয় নদী

আমার পাখি সুগন্ধি এক ফুল বইছো যেন মননদী কুলকুল নদীর বুকে জোস্না মাখো যদি মনপেয়ালায় স্বর্গ নিরবধি স্বর্গ তুমি কেউ জানে না তা তাই খুঁজি ওই নুপুরভেজা পা পায়ের রঙে ঘুম ভেঙে যায় যেই অবোধ আমি হারিয়ে ফেলি খেই খেই হারিয়ে তবুও তোমায় খুঁজি অষ্টপ্রহর ক্লান্তিমেখেও যুঝি ক্লান্তিশেষে তোমার দেশে নামি অন্ধকারে আলোয় ভাসি আমি [বিস্তারিত প্রিয় নদী]

সুঁতির দীঘল প্রেম

  পৃথ্বী বাড়ি খুঁজতে শাড়ি হাঁটছি দীঘল পথ স্বপ্ন আঁকা পথটি বাঁকা একটি মাখা নথ নথের ধারে অচীন পারে মায়াবতীর চর চরটি জুড়ে সোনায় মুড়ে বিষম প্রীতির ঘর ঘরের মাঝে সকাল-সাঁঝে বাস করে এক পাখি যার ভরসায় মন হরষায় অনন্তকাল রাখি পাখির গায়ে নিটোল পায়ে নুপুর বাজে বেশ তারই ছন্দে মন আনন্দে নাচছে হৃদয়দেশ হৃদয়গাঙে [বিস্তারিত সুঁতির দীঘল প্রেম]

সূর্য দেখাবোই

যতই দেখাস আঁধার রাতের ভয়, আমি খুব সহজে হারিয়ে যাবার নই । যতই বলিস ‘চাঁদ-জোছনা অস্ত গেল ওই’ আমি তোকে উদীয়মান সূর্য দেখাবোই । ———————-0 0———————–

স্বর্গকুটুম

আমরা চেয়েছিলাম একটি দ্বিগু সমাসের প্রেম।কিন্তু দিনশেষে প্রাপ্তির খাতায় সন্ধিবিচ্ছেদ। কে জানতো প্রেম থেকে এমন খসে পড়বে আস্থার ওম! তবুও চলো চোখ রাখি ওই প্রণয়ের আকাশে,দেখো, আমরাও একদিন হয়ে যাবো স্বর্গকুটুম।                       ***********

জীবন নামের গল্প

হঠাৎই খুশিতে নেচে উঠলো অনিকের মন।দারুণ ঝকঝকে চকচকে নোটদুটো কন্ডাকটর ফেরত দিতেই আমার দিকে লোভাতুর হাত বাড়িয়ে দিল অনিক। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে আমার বুঝতে বাকি রইল না যে ওটা নিতে চাচ্ছে। আমি কিছু না বলে ওর সামনে হাতটা নাড়িয়ে দিলাম। একবার আমার দিকে আর একবার নোটদুটোর দিকে তাকিয়ে নোটদুটো বুক পকেটে পুরে নিল। যাচ্ছিলাম [বিস্তারিত জীবন নামের গল্প]

বৃত্ত ভাঙো

বৃত্ত ভাঙো হালিম নজরুল বৃত্ত পরায় পায়ের বেড়ী হাতকড়া দেয় হাতে, বৃত্ত বাড়ায় কারার দেয়াল আঁধার নয়ন পাতে। বৃত্ত সৃজে আপন ও পর ভেদাভেদের দেয়াল, বৃত্ত চেনায় উচ্চ নীচু কেউ কি করো খেয়াল? বৃত্ত ভাঙো বিত্ত বাড়াও বাড়াও আলো নিত্য, এ বিত্ত নয় অর্থকড়ির বিত্ত তোমার চিত্ত। চিত্তে জ্বালাও আলোর মশাল সাম্য আনো ডেকে, সুখের [বিস্তারিত বৃত্ত ভাঙো]

রমিজ পাগলা

রমিজ পাগলা বেশকিছু দিন হয়ে গেল স্কুলে আসে না রমিজ। আগে কখনো এভাবে অনুপস্থিত থাকেনি সে। এবার রোজা, ঈদ, ও দুর্গাপূজা পর পর হওয়ায় স্কুলে লম্বা ছুটি ছিল।তাই এই দীর্ঘ সময়ে কেউ কারো খোঁজও নিতে পারেনি।রমিজ কখনো স্কুল ফাঁকি দেয় না। একবার যখন ওর জলবসন্ত হয়েছিল তখন শুধু কয়েকদিন স্কুলে আসতে পারেনি। কিন্তু তার পর [বিস্তারিত রমিজ পাগলা]