তখন আমি নি:স্ব নিসম্বল
একলা একা দাঁড়িয়ে ছিলাম ওঁতে
খেয়ে পান্তা পানি ও অম্বল
গা-খানাকে ভাসিয়ে দিলাম স্রোতে
ভরদুপুরে স্রোতের সে কি তেজ!
এক নিমিষেই ভাসিয়ে নিল দূরে
আনলো টেনে শীর্ণ নদীর লেজ
সাগরবুকে বিকেল সন্ধ্যা ঘুরে
সাগরবক্ষে অন্ধকার এক পথ
চিনিয়ে দিল আকাশছোঁয়া কল
যদিও সেথা ছিল আলোর রথ
বেছে নিলাম প্রতারণার ছল
তখন আমার সূর্যছোঁয়া রাত
তাই তো আমি ধার ধারিনা কারো
চক্রবৃদ্ধি চোখের ধারাপাত
হিসাব মেলায় মহাকাশের আরও
অন্ধকারে অন্ধ আমি যেই
ভাবছি কেবল আমি ঈশ্বর রব
হঠাৎ দেখি সেথায় আমি নেই
পথ হারিয়ে গভীর খাদে শব।
——————-0 0—————–
মোট পড়েছেনঃ ৭২৩জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
মানুষ যতো সম্পদশালীই হোক জমিনে পা থাকা উচিৎ, কারণ শেষ পরোণতি কি হবে আমরা কেউ জানিনা।
খুব ভাল লাগল ভাই। আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনার পরিণতির প্রথম দ্বিতীয় পৃষ্টা কিন্তু পড়া হলো না 😀
প্রথম পৃষ্ঠা প্রথম কাব্যগ্রন্থে, দ্বিতীয় পৃষ্ঠা চতুর্থ কাব্যগ্রন্থে আছে ভাই।
ধন্যবাদ
অসাধারণ লেখা। ভালো লাগলো।
আপনার মন্তব্যে সবসময় অনুপ্রাণিত হয় মহী ভাই।
অহমিকায় ডুবলে, পা পিছলে গভীর খাদে পড়তে হয়। ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন। শুভ সকাল
ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্যের জন্য। শুভকামনা রইল।
ভালো লাগলো কবিতাটি । শুভকামনা।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
পথ হারালে শব হওয়া-ই এক মাত্র পরিণতি।
আপনার মূল্যবান মন্তব্য আমার অনুপ্রেরণা বাড়াবে ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।
পথ হারাতে নেই ,,,দারুণ অনুভব প্রিয়।
একবুক ভালবাসা ভাই।
“ভরদুপুরে স্রোতের সে কি তেজ!
এক নিমিষেই ভাসিয়ে নিল দূরে
আনলো টেনে শীর্ণ নদীর লেজ
সাগরবুকে বিকেল সন্ধ্যা ঘুরে”
ওয়াও !
মনে হয় কবিতায় সাতার কাটছি।
শুভ কামনা।
ধন্যবাদ প্রিয় দাদা।
চক্রবৃদ্ধি চোখের ধারাপাত
হিসাব মেলায় মহাকাশের আরও
শুভকামনা রইল ভাই।
আমার গুরুদেব বলেছিলেন, “আকাশের লক্ষ তারা থেকে একটি তারা ছিটকে এসে তোমার ভেতরে উদয় হলে তুমি ভেবো না যে, তুমি কিছু একটা হয়ে গেছো! মহাকাশে কিন্তু আর কোটি কোটি তারা আছে।
কবির কবিতায় আমি সেই গুরুবাক্যই শুনতে পাচ্ছি! শ্রদ্ধেয় কবিকে শ্রদ্ধা-সহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ, শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দাদা।
অহমিকা পতনের মূল।
ভালো লাগলো কবিতা।
ধন্যবাদ সাথে থাকবার জন্য।
অনেক ভালো লাগল কবিতা,
দারুন ছন্দের মিল।
ধন্যবাদ ভাই।