কাঁদে আসমান কাঁদে জমিন
কাঁদে দূর গাঁয়ের বেনেথিয়াম রৌদ্র।
কেউ কি জানতো ওদের জন্য
আর কখনও উঠবে না ভোরের সুর্য
এভাবে স্তব্ধ হবে পাখিদের গান
ফুলকলিরা করবে অফুরাণ ধর্মঘট ।
আমরা কতটা নির্লজ্জ অমানুষ হলে
ওদের অমন অভিমান ?
ওরাতো ফিরবেইনা আর কোনদিন,
এমন নরকে না ফেরার শপথ
হয়তো অনাগত সকলের ।
ঘাসের বুকে এখনও অবিরাম আর্তনাদ ,
শরীরের এলোমেলো অংশগুলো হতবিহবল
লেপ্টে থাকা রক্তস্রোত লজ্জায় লুকায় মুখ ।
রং বদলে ফেলা সফেদ কাপড় ,
বিকৃত হওয়া বইয়ের থলিগুলো
এখনও কাঁদে ঘরে ফেরার জন্য।
পানির খালি বোতলগুলো উপচে পড়ে
কতনা কাতর চোখের জলে।
চিবুকে লেগে থাকা চুমুর দাগগুলো
প্রমানে ব্যাস্ত ওরা বলে এসেছিল
‘ফেরার পর আর কটা চুমু দিও মাগো’
সব ছিনে নিল হায়েনার থাবা !
আফসোসে মন ভাঙে সমাজের ,সভ্যতার।
ঘৃণায় বুক ফাটে কর্মের;ধর্মের।
কাঁদে নদী,কাঁদে সাগর,
কাঁদে আসমান,কাঁদে জমিন,
মরুর কান্নায় ডুবে যায় সমগ্র পৃথিবী ।
ডুবে গেলেই সুখ আসতো
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
এই পৃথিবী তো ডুবেই যাচ্ছে, কবি। যদিও পুরোপুরি না-ই-বা ডুবছে, তবুও ডোবার আর দেরি নেই। আপনার কবিতার টানে জাগ্রত হোক নতুন পৃথিবী। উদিত হোক নতুন সূর্য।
ধন্যবাদ দাদা সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
রাজনীতি তথা রাজনীতিকদের কারণেই এমন সলিল সমাধির ঘটনাগুলো ঘটছে। যাদি রাজনীতিকরা মানুষ হতো কিংবা মানুষরা রাজনীতি করতো তাহলে অন্য রকম হতে পারতো এই পৃথিবী।
সুন্দর কথা বলেছেন ভাই। ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই।
আফসোসে মন ভাঙে সমাজের ,সভ্যতার।
ঘৃণায় বুক ফাটে কর্মের;ধর্মের।
এটাই এখন নিয়ম হয়েছে কবি দা
এই অসঙ্গতির বিরুদ্ধে লড়তেই তো আমরা লিখি
সুপাঠ্য,সুশোভন ও শ্রুতিমধুর লেখা।
আপনার মন্তব্যে প্রাণীত হই।
মানুষের নোংরামি , লোভ, ঈর্ষা, ক্রোধ এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সবার আগে। এসব অরাজকতা, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বলিষ্ঠ হাতে দমন করতে হবে। আমাদের আগামী প্রজন্মকে সুন্দর, সুশীল সমাজ ও দেশ উপহার দেবার জন্য এখনই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকবেন শুভ কামনা রইলো
আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা
আমরা কতটা নির্লজ্জ অমানুষ হলে
ওদের অমন অভিমান ?
ওরাতো ফিরবেইনা আর কোনদিন…
বড় নির্মম সত্যি।
খুব ভালো লিখেছেন ভাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ
এভাবেই হয়ত সভ্যতার সলিলসমাধি ঘটবে।
শুভ কামনা।
ধন্যবাদ ভাই।