আমার কাছে যা কবিতা তোমার কাছে বিষের বাণী,আমার যাতে মহানন্দতোমার পোড়ে হৃদয়খানি। আমার কাছে স্বপ্ন যা যাতোমার কাছে বর্জনীয় ,আমার যেটা পথ পাথেয়তোমার কি তা স্বপ্ন স্বীয়? তোমার যাতে জীবন আলো আমার তাতে পথ হারানো ,তোমার যা যা সঞ্জীবনী আমার তো তা প্রাণ কাড়ানো। তোমার প্রিয় আপনজনাআমার সে তো দূর বহুদূর ,আমার কানে যন্ত্রনাময়যে গান [বিস্তারিত বৈপরীত্য]
সারাদিন খেটেখুটে যেই গেছি বাড়িতে মহারাণী বললেন ভাত নেই হাড়িতে। এটা নেই সেটা নেই দিয়ে মহালিস্টি বললেন “বুড়োকালে থাকে কোথা দৃষ্টি? এই নাও তাড়াতাড়ি বাজারের পথে যাও দেরী হলে বুঝবে রেডি আছে ঝাটাটাও”। বাজারেও গিয়ে দেখি জ্বালা বেশ আগুনের বর্ষায় পুড়ে খাক দুটো চোখ ফাগুনের। বাজারের থলে কাঁধে ফিরি যেই ঘরেতে মনে হয় ফিরলাম নিষ্প্রাণ [বিস্তারিত হররোজ]
বয়সন্ধি পেরুতেই যেন তুমি মায়াবতী যুবতী। তোমার সর্বাঙ্গে ফুটেছে বাড়ন্ত যৌবন , তোমার সুডৌল স্তনে কামসূত্রের নমুনা। তুমি গর্ভবতী হলে আমাদের মুখগুলোয় ফুটলো ভরাপূর্নিমা, প্রসব বেদনায় তুমি যখন উন্মত্ত- চতুর্দিক চমকালো অগণিত বর্ণিল আভা। প্রসবযন্ত্রণা ভুলতে না ভুলতেই– তুমি নষ্টদের কবলে ! সময়গুলো চলে গেল অসময়ের দখলে। তবে কি জন্ম হল কতক জারজ জাতকের! তবুও [বিস্তারিত স্বপ্নবিলাস]
আমার প্রিয়তম প্রেমিকার নাম সোনেলা। তার নিটোল প্রেমে মুগ্ধ হয়ে আমি বারবার ফিরে আসি তার মমতার আঁচলে। তার শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে ফিরি প্রিয় সহযাত্রীদের প্রসবিত সন্তান। আমি মুগ্ধ হই, আমি প্রাণবন্ত হই। কেননা আমি জানি প্রতিটি জনক-জননীই চায় তার সন্তানকে শ্রেষ্ঠ হিসাবে গড়ে তুলতে। তবুও আমাদের শত ভুলচুক থেকে যায়। মনের অজান্তে কিংবা [বিস্তারিত আমি ও সোনেলা]
লোকে যত বলুক না – আমি লোক ভাল না ব্যাবসাটা কালো,তবে আমি অত কালো না অন্যের সম্পদে বিন্দুও লোভ নেই সুদ ঘুষ ঠিক দিলে একটুও ক্ষোভ নেই সরকার পাল্টালে আমি দল পাল্টাই সুবিধাটা আদায়ে চালি ঠিক চালটাই ভাগ্যটা গড়বার আপ্রাণ চেষ্টাই বেচে দেই বাপ-মা-ধর্ম বা দেশটাই সরকারি জায়গায় উঠিয়েছি ঘরটা ব্যাবসায় লগ্নি বেওয়ারিশ চরটা রেলওয়ের [বিস্তারিত খায়েশ]
সূর্যটা বাড়ি ফিরলে দাদার আঙুলে খুঁজতাম ঘুমের নিমন্ত্রণপত্র। রাজপুত্রের রাক্ষসবধের পূর্বেই— পৌঁছে যেতাম ঘুমেদের বাড়ি। রাত্রিও হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যেতো মধ্যপথে। গোঙানির শব্দে ঘুম ভাঙলে শুনতাম— “ওই যে,ওই যে পাহাড়ের ওপারেই যে চিক চিক আলো, ওখানে নৌকা ভিড়লেই দেখবি স্বর্ণনগর”। অতপর ভোর হলো, অথচ সূর্যের আলো পৌঁছলো না আমাদের গাঁয়ে। যে জমিটায় স্বর্ণের খনি বুনেছিল [বিস্তারিত সিঁদুরে মেঘে বড্ড ভয়]
বৃষ্টি ধোয়া মিষ্টি ছোঁয়া জোস্না মাখে যদি , আকাশটাতে সুপ্রভাতে ছড়ায় সুখের নদী। নদীর জলে নায়ের ছলে জলকেলিতে যাস, দেখবি মিতা প্রেমের সীতা খুব সহজে পাস। সীতার মনে সে সুক্ষণে দিস প্রেমের অনল , শীতল ছায়ে নীটোল পায়ে বাজবে রাঙা মল মল বাজিয়ে জল সাজিয়ে ধরবে প্রিয়া গান, মুছবে আঁখি প্রাণের পাখি আনবে কলতান। কলতানে [বিস্তারিত বশীকরণ]
মহারাজা একদিন সকলকে নামাজ পড়া ও ফরজ পালনের ঘোষণা দিলেন। এরপর থেকে ঘোষণামতো সবাই নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং অন্যান্য ফরজ আদায় করে। এমনি একদিন পথ দিয়ে নামাজে যাচ্ছিলেন এক মুছল্লী। নামাজের সময় প্রায় শেষ। কিন্তু একজন ডাকাত এক পথচারীকে কতল করতে উদ্যত। নামাজী ভাবল হত্যাকারী একজন নামাজীকে হত্যা করতে যাচ্ছে। সে হঠাৎ চিৎকার দিয়ে [বিস্তারিত বিচারক]
ভালবাসাবিনে রাত্রি ও দিনে খুন হয় কত লোক, ভালবাসা-প্রেমে অন্তর ফ্রেমে খুন হয় শত শোক। খুনরাঙা পথে ভালবাসা রথে পৃথিবী পদ্যময়, আমি খুনে রাজী ধরি তাই বাজী তুমি কেন রাজী নয়! এসো ছিপ ফেলি খুনোখুনি খেলি আমাতেই-তোমাতেই, শিল্পীত খুন-শিহরিত খুন ইতিহাসে যাহা নেই। শুধু ভালবাসো,খুন করি আসো মনে আছে যত পাপ, সততার ভরে পৃথিবীর [বিস্তারিত খুনোখুনি]
মেঘ দেখলে ভয় করে না আর, দেখি রাত্রি সরে যাচ্ছে দূরে কোথাও। দেখি একটি সকাল হেঁটে আসছে আমার দিকে। শেষবার বৃষ্টি থামলে সূর্য নেমেছিল দু’চোখে। ঠিক যেমন প্রিয়ার চোখে চোখ পড়লেই—– আমি সানাইচোখে ঘুমুতে যেতাম। একটি যৌবন হেঁটে আসছে আমার দিকে। ————————–0 0—————–
টুম্পার মনটা আজ ভীষণ খারাপ। সকালবেলা বাগানে এসে বুকের ভেতর হু হু করে কেঁদে উঠছে তার। অনেক যত্নে গড়া বাগানটা দিন দিনই শূন্য হতে চলেছে। অথচ শেষবার যখন বন্ধু নন্দীভূত এসেছিল, তখনও তার বাগানটি ফুলে-ফলে টইটুম্বর ছিল। গোলাপ, চামেলী, বেলী, শিউলীসহ হাজারো ফুলের গাছগুলো ছিল নানান রঙের ফুলে পরিপূর্ণ। আর ফলের গাছগুলোতে ঝুলছিল হরেক রকম [বিস্তারিত বদলে যাবার গল্প]
মায়ের শিক্ষা হালিম নজরুল এই গরমের দিনেও দুপুরবেলা কম্বলমুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে লাবন্য। গত ক’দিন স্কুলেও যায়নি। তাই খোঁজ নিতে ছুটে এসেছে প্রিয় বান্ধবী প্রাপ্তি। বাড়িতে ঢুকতেই খুশিতে নেচে উঠলো তিতলি। হি হি করে হাসতে হাসতে বলে উঠলো “ভাল আচো ? ভাল আচো ?” তিতলি লাবন্যর পোষা ময়না। সে অল্প অল্প কথা বলতে পারে। প্রাপ্তিকে [বিস্তারিত মায়ের শিক্ষা]
নি:শ্বাসে বারুদের প্রকট গন্ধ মেখে ভেসে যায় পাতারা ঈগলের বেশে, বাসনায় রাখে স্বর্গ-সকাল। ক্রমশঃ অদৃশ্য শিকারী ঈগল, দৃষ্টি যেন তার সূর্যের দেশে, নখর প্রলুব্ধ সফল শিকারে। চেয়ে দেখো ওই মরুময় নদীটির দিকে, একদিন নীলাভ সমুদ্র ছিল ওখানে। গোধূলি নামলে হলুদ হয়ে ওঠে সবুজ পাতারাও দিন ফুরালে অন্ধকারে বিলীন প্রজাপতি সুখ। ফিরে এসো প্রিয়তমা,মেনে নাও [বিস্তারিত ফিরে এসো পাতারা]
ছোপ ছোপ রক্তের দাগ,কিছু ভস্ম-ছাই, আর লাশের গন্ধ পেয়েও বিস্মিত হলাম না। মিনার-মাস্তুলের আবছা আলোর আভা— আমাদের টেনে নিয়ে গেল ভাগাড়ের কাছাকাছি। বাতাসে প্রতিহিংসাপরায়ন ধ্বংসের তাগিদ। আলুথালু বর্তমান,স্মৃতিকাতর নাষ্টালজিয়া ভুলে আমরা পা বাড়ালাম মায়াবী রাত্রির দিকে। প্রতিবিম্বে ভাসছিল অনন্ত সুখ,তিলোত্তমা-স্বর্গ। বহুদূর হেঁটেছি আমরা;অন্তহীন ঘড়িটার মতই। কিন্তু এ কি!দিনশেষে কোথায় পৌঁছলাম আমরা! এই পড়ন্ত বিকেলে [বিস্তারিত তবুও হেঁটে যাই]
তবুও কেবল ইচ্ছে করে যাই ছুটে ঐ নদীর কাছে। যে নদীটার অহংবোধে পাড় ভেঙেছে সকাল সকাল, যে নদীটা ডুবিয়ে দিল ভরা ফসল,সুখের বাগান, অবুঝ মাঠের উচুঁ ঢিবি। যে নদীটা কেড়ে নিল মাঠের শ্যামল, মন্দাক্রান্ত অসহায়ের এক মুঠো ভাত। যে নদীটা ডুবিয়ে দিল ক্ষেতের লাঙল,ঘরসংসার, অন্ধকারে খুঁজে পাওয়া আলোর নিশান। ইচ্ছে করে সেই নদীটাই জাপটে ধরি, [বিস্তারিত প্রেমের নদী]