ইয়াম্মি ইয়াম্মি

*বুনো,শুনছো **হু *হু কী? **শুনছি *ঠিক বলছো **হু **জানালায় কী ! ভে-ত-রে এসো। *কথার কী ছিরি! আজকাল যা হয়েছো না ! **হু *আবার হু? নাছরিনের সাথে কী এমন ফুসুর-ফাসুর? **আরে নাহ্,এদিকে এক মহা কাণ্ড বেধেছে।যাক্ যা বলছিলে,বল এবার। *ভাবছি,তোমার কাছে বলা ঠিক হবে কিনা,তোমার যা পেট-পাতলা। কোথায় কখন কী বলে ফেল। **নাহ,কোথাও বলব না। *বলবে [বিস্তারিত ইয়াম্মি ইয়াম্মি]

সালঙ্কারা সোনেলা

সধবার বেশে এলে এই নীলাচলে সবুজ-নীলের তিলক কেটে বাহুল্য বর্জিত মেধহীন একহারা সূচী শুভ্র প্রসন্নতায়; শ্বেত চন্দনের সুবাস ছড়িয়ে। সদা বসন্ত সম্ভারের অলংকারে সত্তার গহীনে সোনেলা, তোমাকেই বেসেছি ভালো তোমাতেই চিরদিন। ধবল সাজ দেখে অন্ধকারে তাচ্ছিল্যের ফুঁয়ে উড়ে গেছে ক্ষণিকের ছিঁচকে নির্লজ্জ চড়ুইয়ের দল, মর,মরে ভুত হয়ে শ্মশানের এঁটোকাঁটা ঘেঁটে বেঁচে থাক্‌। মরে বেঁচে থাক্‌ [বিস্তারিত সালঙ্কারা সোনেলা]

মুখপুড়ি রাত

মাথা ঠুকে ভেঙেছ  নিরেট দেয়াল,শক্ত মাথায়; নিপুণ মায়াজালে চোখপাহারার বেড়া টপকে। দেয়াল তুলছ না তো? কঠিন দেয়াল ? হোক না রাত, নিশি রাত। ঘটনার ঘনঘটায় অস্থির, পায়তাঁরা অবগুণ্ঠনের। মসৃণ সোনালী সোনা পা,লাল জবা ঠোঁট! গোচরের অগোচরে কখন হলো এত এত এত্তগুলো! সইবে এত সুখ ? মন তো হয় না! সোহাগী সেয়ানা হয়ে ওঠা রাত,আরও সেয়ানা [বিস্তারিত মুখপুড়ি রাত]

রাত্রি

রাত, এখনও কাঁদছো! মোছ চোখ। এসো, আরও কাছে এসো,এসো এই বুকে। রূপোর ঝিনুকে তুলে ওম ওঠা দুধ খাইয়ে দেব দেব কপালে কাজল টিপ; গন্ধ মাখা এলো চুলে জোড়া বিনুনি করে দেব লাল ফিতের ফুল জড়িয়ে, কথা দিচ্ছি ঝুমঝুমি এনে দেব দু দু’টো । চলো, নিকানো উঠোনে খেলি দুজনে এক্কা দোক্কা , সত্যি বা মিথ্যে-মিথ্যি চড়ুইভাতি। [বিস্তারিত রাত্রি]

সাঁজের মায়া

নিঃশ্বাস দূরত্বে দাঁড়িয়ে কী বলতে চাও ? সোনালী সাঁজ। দাবানল বুকে চেপে নিরাপদ নিরাপত্তায়। সাঁজ,কুহক দেখেছো – সেজেছো কখনও। সূর্যের জাহাজডুবি শেষে সুগন্ধি চাঁদ একটু পরেই ছুঁয়ে যাবে তোমাকে,বাতাসে তার ই সুর পৌঁছে গেছে।কী এমন দগ্ধ যন্ত্রণা,মুখরা তোমাকে চুপিয়ে রেখেছে। ছদ্মবেশীর ডুগডুগি হাতে সারাক্ষণ হাটেমাঠে স্যাঁতস্যাঁতে তন্বী হৃদয় সেঁকছ বুঝি খাঁখাঁ রোদ্দুরে! নাচাবো বানর ,জীবন্ত [বিস্তারিত সাঁজের মায়া]

শুন্য শুন্যালয়ের সোনেলা দিন

যেতে যেতে–বাস,ট্রেন,স্টিমার বা আকাশ পোতে দেখা হয়।হয়ে যায়।গন্তব্যের নির্দিষ্টতা জেনে,এমন কি না জেনেও আলাপে আলাপ হয়। এন্তার গাল-গল্প হয়,ঝাঁক বাঁধা হুল্লোড় হুলাহুলি হাসি-ঠাট্টার ছলে হয় হৃষ্ট হৃদ্যতা।জিন চাপানো সময়ের ঝানু তাগড়া ঘোড়ায় চেপে চলে যাব যে যার গন্তব্যে,ভেজা চোখে আর রোরুদ্যমান মুখে পেছন ফিরে তাকাতে তাকাতে।জাতিস্মর হয়ে আবার হবে জম্পেশ আড্ডা কোন না কোন দিনে [বিস্তারিত শুন্য শুন্যালয়ের সোনেলা দিন]

ভোরের সোনেলা

নিদ্রালু চোখে ভোরকে ডাকলাম। সাড়া পেলাম না। আবারও ডাকলাম। সাড়া পেলাম ক্ষীণ। গা ঝাড়া উঠে দিয়ে চোখ কচলে দেখি সে আমারই হাত ছোঁয়া দূরত্বে। স্বস্তির নিঃশ্বাসে ভোরকে জিজ্ঞেস করি –এই ভোর , সোনেলাকে চেনো ? গিয়েছ কি কখনও-সখনও সোনেলা দেশে ? দেখেছো কি দূরে বা কাছে থেকে ? শুনেছি , যেতে হয় -মেঠো পথে পা [বিস্তারিত ভোরের সোনেলা]

ভোরেরা

কাকতাড়ুয়া ভোর,সেজেছো তো বেশ। হাতে পেলে ঘাড় মটকে দেবো,জেনো। অধরা। বহু যুগ বহু কাল। দীর্ঘকায়,বেঁটে,বোবা বা চতুর ভোরেরা। আপাদমস্তক মসলিন –মিহিতে মুড়ে ফেলা ভোর যেন প্রস্তর মূর্তি। চাঁদমারি করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেব এ যাত্রা। কিন্তু তা ই বা কী করে করি ! কল্পনার অধরা বরপুত্র/বরকন্যা ভোর আমার। দেখাতো হয়েছিল কোন এক বেসামাল বোশেখ ,অঘ্রান বা [বিস্তারিত ভোরেরা]

ঈদ বৃষ্টি

হাজারো কথার জমানো মেঘ না হয় , একটু সোনা বৃষ্টি হয়েই ঝরুক। অঝোরে বৃষ্টি না ই বা হলো , ঝিরি ঝিরি হয়েই না হয় পড়ুক । দমকা হাওয়ায় হোক না এলোমেলো বাতাসে ফুলের মায়াবী রেণু ; মৌ গন্ধে মেতে উঠুক , মোদের মেলা; ঈদে , শিউলি বকুলের এই সোনেলা । উৎসর্গঃ সোনেলা কে । ……………………………………………………………………………………… [বিস্তারিত ঈদ বৃষ্টি]

পাখি পাখি

পড়ন্ত বিকেলের চকচকে দিগন্তরোদে চোখ রেখে নয় , নয় কোন চূর্ণী নদীতীরে নাট-মন্দিরের দাওয়ায় বসে সূর্যাস্ত চোখে মাখা।গুমোট গরমের সমাপ্তি এক পশলা বৃষ্টিতে। সতেজ সুশীতল স্বস্তিরতার শেষ বিকেল। বোকা বাক্সের মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ চালু রেখে বই মন্দিরে ঝানু ঝাড়পোছ। এটিকে তৈলাক্তকরণও বলা যেতে পারে , অবশ্যই ক্যানাবিস(cannabis) ঘি বা তৈল সহযোগে নয়। অবস্থা হাল্কা কর্দমাক্ত । [বিস্তারিত পাখি পাখি]

অতঃপর আমরা

স্বাচ্ছন্দ্যের পানসীতে চড়ে নাছরিন হারামীটা কোথায় দিগ্বিদিক ঘুড়ে বেড়াচ্ছে আমাকে একলা ফেলে, কে জানে ! অনড় অমর একাকীত্বের অনন্য-সাধারণত্বে নাছোড় আমি । আমার গপ্পী চিন্তুক মন সত্ত্বর রেড এ্যালার্ট জারি করতে চায় । আপনারা কী বলেন ?

অরণ্য

এ পবিত্র সময়ে অন্য সময় থেকে কাজকর্ম নিয়ম মেনেই একটু বেশি থাক ঘুমাতে যেতেও দেরি হয়।কেবল মাত্র শুয়ে চোখের পাতা এক করেছি মাত্র , মৃদু কান্নার শব্দে সত্যি বিরক্ত হলাম। একটু চুপ করে ডুব মেরেও রইলাম।‘এরই মধ্যে ঘুমিয়ে গেলে ? একটু দেখেও গেলে না ?’ বিরক্ত হয়ে বললাম ‘কান্নাকাটির কী হল , কী হয়েছে তাই [বিস্তারিত অরণ্য]

জাতিস্মর…..৫

সই,লতা, মন খারাপ ভীষণ। কথামত ঢিল ছুড়েছি,শূন্য ফলাফলে।ওদের সাথে দেখা নেই বেশ কয়েকদিন। লাপাত্তা। দিন দু’এক পরে দেখি লাল রঙয়ের গাছের পাতায় নীল কালিতে লেখা একটি চিরকুট ফেলে রেখেছে। নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে এসে অপেক্ষা। কিন্তু না,কারও টিকিটির দেখা নেই। বিরক্ত হচ্ছি এমন সময়ে হঠাৎ বুদ্বুদ তারপর ফুস করে প্রথমে অনুসূয়া পরে প্রিয়ংবদা শেষে শকুন্তলা,চোখ [বিস্তারিত জাতিস্মর…..৫]

জাতিস্মর…..৪

প্রাণের সই , লতা , তোকে চিঠি লেখার পরে পরেই মজার ঘটনাটি ঘটে এবং তা শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না । এ জন্য উত্তরের অপেক্ষা না করেই তড়িঘড়ি করে লিখতে বসে গেলাম । ঐ যে তিনটে তাগড়া মাছের প্রেমের আখুটিপনার কথা বলেছিলাম , এবারে নীরবতার শব্দে নয় , সেই দুষ্টুগুলো এবারে গাছের রঙ্গিন পাতায় [বিস্তারিত জাতিস্মর…..৪]

জাতিস্মর…..২

উৎসর্গ- শূন্য শূন্যালয়কে , যার শেষ লেখাটি আমাকে অভিভূত করেছে। আত্মহত্যার কয়েকদিন আগের ঘটনা । বলা নেই কওয়া নেই নাছরিন উপস্থিত ,’চল তোদের বাড়ীতে যাব ‘ । বেশ অবাক না হলেও একটু কেমন কেমন যেন লাগল । ঝিম ধরা ভাব । যা একান্তই স্বভাব বিরুদ্ধ ওর।কথাবার্তা খুবই কম। হা হা হি হি হই হই রই [বিস্তারিত জাতিস্মর…..২]