পাহাড়ি অন্তর

 

আঙুলের ফাঁক গলে
ছিনিমিনি জীবনের তাড়িয়ে দেয়া সময়ের সার সংক্ষেপগুলো
পায়ের ছায়া-ছাপ খোঁজে, শুকনো পাতা মাড়ানোর শব্দ এড়িয়ে,
ধরা-ছোঁয়ার কাছ-দূরত্বে দাঁড়িয়ে উঁকিঝুঁকি দেয়;

নিয়মে গড়া নিয়ম মেনে/ভেঙ্গে নিজেকে নিজের
নৃতত্ত্বের কথা বলতে চায়, টুঁটি-চাপা খুশি খুশি ভাব বিহ্বলে,

এমন আলোকিত/আলোচিত বক্তৃতা মঞ্চ মন্দ নয় মোটেই;

এলাম (ঝেরে-কেশে) ব্যাকুল-ব্যস্ত অন্তরের পাহাড়ি মেয়ের মত
কথার ঝাঁপি খুলে/খুঁজে ভান ভণিতার মাথা খুঁড়ে ছুঁড়ে দিলাম
গুচ্ছ গুচ্ছ কথা মালা, উঁচু-নিচু স্বরে।

অচলতা অলসতার আঁচলটা সে তো যেমন-তেমন ই, আছে-থাকে,
সারিবদ্ধতায় স্থির, বৈকালিক সুখ-সুখ দুঃখে।

ছবি ও গান নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭০৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

      1. শীর্ণ নদীটার ওপরে ভাঙা সেতু দিয়ে পার হয়ে গেছে রোগাক্রান্ত সব সময়। আলোর ভার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাম্পপোষ্টের নীচে অজস্র পোকাদের পুড়ে মরতে দেখেছি বহুদিন।

        ভুলেদের কাছে জমা পড়েছে সব….. মনের আর দোষ কি দেব বলেন?

  1. সুন্দর অনুভূতির ব্যক্ততা।
    সময়ের ধারা অন্তরকে ব্যাকুল করে
    অথচ সময় আপন আলয়ে চিরস্থির আপন মহিমায়।
    আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানবেন সতত।

  2. যেভাবেই সময় যাকনা, বর্তমান নিয়েই চলি ভাই। বেশি ভাবতে পারিনা। মনের অলসতা আজ বড্ড ঝেকে বসেছে মনের উপর দখল দারিত্ব নিয়ে। কি বুঝলাম জানিনা। ধুর নষ্টা ঘেলু দূর হ।

  3. জমে থাকা শব্দ গুলো এক সময় এভাবেই ছুটে/ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে, জ্বড়-পাহাড়ের সাধ্যি কী রুখবে! মেয়ের উপমা ভাল্লাগছে।

    গান কিন্তু লেখার সাথে মিল খায় নাই। এখানে গান হতো অন্যরকম, অথবা গানের সাথে লেখা যেত ভিন্ন কিছু।

মন্তব্য করুন