বহু রঙয়ের সমাহারে এরা বেশ আটঘাট করে নেমেছে এই বিশ্বে। আপাতত চারশত এর বেশী রঙ ধারণ করেছে। এদের গোলগাল চেহারাটার সাথে কদম ফুলের বেশ মিল। তবে এদের কদম ফুলের মত এত কেশর নেই। এদেরকে প্রতিরোধ করার মত কোনো যুদ্ধাস্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি এখনো। আর তাই আক্রমন নয়, প্রতিরক্ষা কৌশল অবলম্বন করে আছে মানবকুল। শত্রুর মোকাবেলায় পালিয়ে থেকে গর্তে লুকানোর কৌশল অবলম্বন করেছে মানবজাতি।
বড় বড় শহরে জনমানবহীন সড়ক, মাঝে মাঝে পুলিশ/ সেনাবাহিনীর এর সাইরেন বাজানো গাড়ি ছুটে যায়। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেহ বাসার বাহিরে যাচ্ছে না। আমাদের ছোট শহরটা যেন বড় শহরগুলোকেও হার মানিয়েছে। আজ সকাল থেকে লোকজন বলতে গেলে নেইই সড়কে। সমস্ত দিনে একজন মানুষকে কেবল সাইকেল চালিয়ে যেতে দেখলাম।
রাত দশটায় বিদ্যুৎ চলে গেলো। অমাবস্যার রাতে বিদ্ঘুটে অন্ধকার। কুকুর গুলো ডাকছে কেমন এক বিজাতীয় ভয় মিশ্রিত শব্দে। কেন জানি কুকুরগুলো ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পালালো। গভীর রাতে হঠাৎ সড়কে কেমন এক বিদঘুটে শব্দ। দুটো রাবারের নরম বলে যেমন ঘষা লাগলে খস খস শব্দ হয় তেমন। শব্দের পরিমান ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক সময় মনে হল রাস্তায় কেমন বিজাতীয় উল্লাস ধ্বনি। অন্ধকারের মধ্যেই জানালার একটি পাল্লা খুলে রাস্তার দিকে তাকালাম। একি, কি দেখছি এসব সড়ক জুড়ে! পুরো রাস্তা জুড়ে বিভিন্ন রঙের বল গড়িয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। জোনাকির যেমন নিজস্ব আলো আছে, তেমনি আলো বের হচ্ছে এসবের গা থাকে। দেখে ভয়ে শরীরের সমস্ত লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছে। দাঁতে দাঁত বাড়ি খাচ্ছে খট খট করে। এরা শহরটির দখল নিয়ে নিয়েছে। হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ বলের গড়িয়ে চলা, শেষই হচ্ছে না- আসছে তো আসছেই। চিৎকার করার মত অবস্থাও নেই আমার। কে যেন গলা চেপে ধরে আছে।
কিভাবে এরা যেন মানুষের মত হয়ে গেলো। চিকন চিকন হাত পা ওয়ালা শরীরের উপর রঙিন গোল মাথা। সমস্ত সড়ক জুড়ে মিছিলের মত সামনে এগোচ্ছে। নিস্তব্ধ কালো রাতে এদের এমন চলাচলে ঠক ঠক করে কাঁপছি।
হঠাৎ বাসার দরজায় জোড়ে করাঘাত, খটখট খটখট………
বাস্তবতা থেকে স্বপ্নে চলে গেলেন দাদা ?
ভয় পাওযার কারন নাই।
আমরা আছি লক্ষ ভাই।
শুভ কামনা।
দাদা করোনা এমন অবস্থা করেছে যে স্বপ্নেও হানা দিচ্ছে বাস্তব ছেড়ে
হ্যা ছোট দিদি, করোনা আমাদের সমস্ত অনুভূতিকে কেমন নির্জীব করে দিয়েছে।
লেখায় করোনা এসেই যাচ্ছে দাদা,
গতকাল সমস্ত দিন কেন জানি ভয় হচ্ছিল খুব।
আজ ভয় কেটে গিয়েছে সব।
শুভ কামনা আপনার জন্য।
ভয় নাই। এটা বাংলাদেশ।
তাপমাত্রা বাড়ছে।
আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক।
ভাল থাকবেন।
তাপমাত্রা তেমন একটা প্রভাব ফেলবে বলে মনে হয় না,
আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রবল, তবে এটি অচেনা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে কিনা তা সময়ই বলতে পারবে, দাদা।
ভয় পাইছি অনেক। স্বপ্ন টা সত্যিই মনে হলো । অনুগল্প ভালো লেগেছে দাদা ভাই। ভালো থাকুন সবসময় শুভ কামনা রইলো
এই অবরুদ্ধ সময়ে করোনাকে মন থেকে তাড়াতেই পারছি না।
যে কোনো ভাবনায় এটি এসে যাচ্ছে।
তুমিও ভাল থেকো ছোটদি।
শুভ কামনা।
ভয় পেলাম ভাইজান, ভয়েই আছি কলহন না গলা চেপে ধরে? 😣
বাসায় থাকলে ভয়ের কিছু নেই,
তবে করোনার চিন্তাকে তাড়াতে পারছিনা কিছুতেই।
শুভ কামনা ভাইজান।
রাতে ঘুম হয়না টেনশনে, আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন, আমীন।
আমারও ঘুম চলে গিয়েছে ভাইজান।
😣
মারাত্বক!! বিশ্ব যেখানে বিশ্ব জয়ের পথে এ সময়এই ভাইরাসটি খুব অচেনা।শুভ কামনা
এর টিকা আবিস্কৃত হতে পারে ২০২১ সনের জুন মাসে।
শুভ কামনা মনির ভাই।
আমিও কদম ফুলের কথাই ভেবেছিলাম ১ম বার দেখে। যাই হোক, এ যেন মনস্তাত্ত্বিক গল্প। বেশ লাগলো।
ভালো এবং সাবধানে থেকো।
শুভ কামনা।
একটাই কথা বলি,
ইদানিং আপনার লেখাগুলো বেশ ভাবাচ্ছে দাদা।
অন্যরকম লেখনী।
ভালো থেকো প্রদীপ।
শুভ কামনা।
স্বপ্নের আর দোষ কী, পুরো পৃথিবীই এখন করোনা আতঙ্কে, দখলও করে ফেলেছে পুরো পৃথিবীটাকেই। বেঁচে আছি, এও যেন এক স্বপ্ন।
ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার অণুগল্প।
‘ বেঁচে আছি, এও যেন এক স্বপ্ন। ‘ ঠিকই বলেছেন।
খুব কঠিন সময় অতিবাহিত করছি।
শুভ কামনা।
মরণের স্বাধীনতা চাই।
তা তো আমরা সবাই চাই
শুভ কামনা।
কি সব ভয় ধরানো কথাবার্তা! লেখাটা পড়ে আফসোস হচ্ছে, এর চেয়ে একটা ভুতের মুভি দেখলেও ভালো হতো।
এভাবে রাত-বিরাতে এমন লেখা দেয়া ঠিক না।
ঘুমাবো ক্যাম্নে আজ?!! 😞😞
যাক ভয় দেখানোর উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
এমন লেখা ভবিষ্যতে আরো আসতে পারে,
দিনে পড়বেন, রাতে না।
ভুতের ছবি আমার খুবই প্রিয়।
শুভ কামনা রাশি রাশি।
অযথাই রোগ-শোক-ভুতের গল্প বলে ভয় দেখানোর বিফল চেষ্টা।
আসুন আমরা ভুত-ভুত গল্প-লেখা খেলি।
ভুত ভুত গল্প লেকার চেস্টা করে যাচ্ছি 🙂
শুভ কামনা।
পুরো পৃথিবীতে হানা দেবার ক্ষমতা রাখে যে মহামারী সে স্বপ্নেও হানা দেবে এটাই তো স্বাভাবিক।তবে উপস্থাপন ছিল দারুণ ভীতিকর।
হ্যা ছোট আপু, ঠিক বলেছেন।
বেঁচে থাকাটাই যেন স্বপ্ন-
আপনার স্বপ্ন কঠিনতম বাস্তবতা নিয়ে-
এটা ঠিক- কখনো জোড়ালো ভয় পাই আমিও- কখনো মনে হয় “ভয়ের কিছু নেই”
পুরো সময়টা কাটছে ঘোর / স্বপ্নের মতো।
চমৎকার অনুগল্প
প্রতিটি দিন কাটছে আতংকে, উৎকন্ঠায়।
আল্লাহ রহমত করবেন-
এদেশের প্রেক্ষাপটে- এই প্রত্যাশা একমাত্র সম্বল মনে হচ্ছে।
অদ্ভুদ এক বিষন্ন সময়ে বসবাস করছি। স্বপ্নে বলেন আর বাস্তবতায় করোনা আতঙ্ক বুকে চেপে বসেছে আমার। জানিনা কি হবে!।
ভালো থাকবেন ভাই।
আতংকে মাঝে মাঝে দম বন্ধ হবার মত অবস্থা হয়।
ভাল থাকুন ভাই।
যতই ভয়ের কারণ থাকুক, ভয় পাব না।
সবাইকে নিয়ে আমরা সামনে যাবো।
শতর্ক থাকবো,
বাসায় থাকবো।