শোক এর এই দিনে

১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে জাতির পিতার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে কেউই চিন্তা করতে পারেনি – এই বাংলাদেশে আবার বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হবে।

১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর এর পর যেসব শকুন পালিয়ে ছিল- তারা সব বেড়িয়ে আসতে লাগলো । ১৫ আগস্ট ভোরেই মৃত্যুর উল্লাস মিছিলে নেতৃত্ব করতে দেখেছি – পালিয়ে থাকা রাজাকার,শান্তি কমিটি আর মুসলিম লীগ নেতাদের। ওই কিশোর বয়সেই তখন বুঝে গিয়েছি- জাতীয় পতাকা খামচে ধরা সেই পুরান শকুনদের আবার উত্থান হচ্ছে। রাজাকাররা ৭৫ এর পনেরই আগস্ট সেই যে গর্ত থেকে উঠে এলো তাদের আর গর্তে নেয়া গেলো না। ৯৬ সন পর্যন্ত তারা বীরদর্পে বিচরন করে শিকড় মজবুত করেছে, তাদের শিকড় আর উপরে ফেলা গেলো না।

তারপরেও –
যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতাসে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ?
কে আছেন এমন বাঁশিওয়ালা!
যিনি সমগ্র জাতিকে এক সুরে একতাবদ্ধ করতে পারবেন ?

আজ এই দিনে জাতির পিতার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ।

মোট পড়েছেনঃ ১,৪৮৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. খুবই ছোট ছিলাম তখন, মাত্র পাঁচ বছর বয়স, যখন কলেজে উঠলাম তখন থেকে মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধু, আজ তার প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা।

    1. রাজাকাররা ৭৫ এর পনেরই আগস্ট সেই যে গর্ত থেকে উঠে এলো তাদের আর গর্তে নেয়া গেলো না। ৯৬ সন পর্যন্ত তারা বীরদর্পে বিচরন করে শিকড় মজবুত করেছে, তাদের শিকড় আর উপরে ফেলা গেলো না।

  2. আজ যেভাবেই হোক জাগ্রত বাংলার সমাজ। আর কোন নেতা হইত আসবেনা বাংগালী জাতিকে একত্র করতে। আজ তার বেদেহি আত্বার প্রতি রইল শ্রধা।

  3. শকুনেরা মরে যায়, রেখে যায় অসংখ্য শাবক। তারাই এখন স্বদর্পে ঘুরে বেড়ায়। তবে, মৃতদেহ ভক্ষণ করেই যাদের জীবন বাঁচে তাদের স্থান অন্ধকারেই হয়। শকুন বিলুপ্ত হবার নয়।

    যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন মানুষ বাংলাকে আঁকড়ে রাখবে ততোদিন পর্যন্ত বাঙালী ভুলবেনা এই মহাত্মাকে। কাল শ্রেষ্ঠ বঙ্গবন্ধু অক্ষয় হয়ে থাকবেন আমাদের চেতনায়,স্বাধীনতায়। বিনম্র শ্রদ্ধা তার বিদেহী আত্মার প্রতি।

    1. খুনীদের ঐ সময়ে জাতির সূর্য্য সন্তান বলা হয়েছিল। যদি তারা সুর্য্য সন্তানই হতো তবে তাদের স্থান হতো মানুষের মাথায়, ইদুরের মত গর্তে লুকিয়ে থাকতে হতো না।
      মিরজাফর, মোশতাকদের পরিনতি এমনই হয়।

      বিনম্র শ্রদ্ধা পিতার প্রতি।

  4. জাতির পিতার নাম বাঙ্গালি জাতির হৃদয় থেকে কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। দুঃখ হয় যাদের তিনি বিশ্বাস করতেন, ভালোবাসতেন তারাই তাঁকে হত্যা করে।

    এ লজ্জা আমাদের সবার। বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

  5. স্বাধীনতার লাভের আগে থেকে শুরু করে স্বাধীনতা লাভ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু অধ্যায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।এদেশ স্বাধীন হতোনা ওনার এৈকান্তিক আত্নত্যাগ ব্যতীত।কিন্তু এর পরের ইতিহাস সম্পুর্ণ রাজনৈতিক।স্বাধীনতার পরের বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নেই আমার।

    1. এটি আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার৷ তবে আমার মনে হয় এ বিষয়ে আপনার পড়াশুনা করা উচিত৷ বাঁশের কেল্লার পোস্ট নয়, এর বাইরে আরো অনেক কিছু আছে যা আপনি খুঁজে পড়তে চান না৷

  6. বিনম্ভ্র শ্রদ্ধাঞ্জী।
    এদেশের নোংরা রাজনিতীর কিছু নোংরা পাকি মনোভাবের মানুষ এই মহান নেতা লকে নিয়ে কটু কথা বা জাতির পিতা মানতে নারাজ।তবে তাদের দিন শেষ।

মন্তব্য করুন