বিচূর্ণ স্বপ্নানুভব

 

বহমান পাতাদের ছায়ায় দাঁড়িয়ে
ভেবেছি/ভাবছি, ঐ নীলাকাশ পুরোটাই আমার;

ডানা ম্যালা শঙ্খচিল, পাহাড়বাড়ী,
স্বপ্নের তলদেশে বিচূর্ণ দেয়াল,
বিস্মৃতিতে ফেলে রাখা ফেলে দেওয়া
কল্পকাহিনীর মত কিছু অর্থহীন দোলাচাল,
লিখে-টিখে ফেলে রাখা কিছু যতি চিহ্ন,
চিরন্তন মধ্যাহ্নের জ্বল-ছায়ায় ফেলে রাখা
সময়ের চকিত হৃদস্পন্দনের রেখাচিহ্ন;

অনিঃশেষ নীরবতার অনুভবে থেকে যায়
কিছু ঔজ্জ্বল্যের বিভা, অর্থহীন ঊর্ণাজালের মত।

 

ছবি…. নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৬১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৭টি মন্তব্য

  1. ফেলা না ফেলে হবে দ্বন্দ্বে আছি।অনিঃশেষ নীরবতার অনুভবে থেকে যায় কিছু ঔজ্জ্বল্যের বিভা,অর্থহীন ঊর্ণাজালের মত। দারুন লেগেছে ভাইয়া। শুভ কামনা রইলো

      1. ঠিক করে দিয়েছি, অনেক ধন্যবাদ।
        সত্যি কথা বলি, তিনটে বা সাড়ে তিনটে লেখা একবারে লিখলে মাথা একটু আউলা না হয়ে পারে না!!
        অবশ্য ভুল-ভাল এমনিতেও লিখি-ফিখি।
        আপনি আছেন, তাই নাই ভাবনা।

      2. আমি ও ধারণা করেছিলাম জ্বলন্ত হবে ক্লিয়ার হবার জন্যই প্রশ্ন করলাম। কঠিন বানান বেশি কেয়ার করি বলেই সহজ বানানগুলো সবার ই ভুল হয়। ‘ভুল’ বানান ইতো আমরা ভুল লিখি। 🤭🤭🤭 আর নেই ভাবনা !!!

  2. “বহমান পাতাদের ছায়ায় দাঁড়িয়ে
    ভেবেছি/ভাবছি, ঐ নীলাকাশ পুরোটাই আমার;”

    বিশাল হৃদয়ের মানুষরাই ভাবতে পারে
    আপনার মতন করে।
    বিশুদ্ধ নীলাকাশ হোক সবার।
    ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

    1. মাপ-ঝোপ করে দেখিনি, তবে এমন করেই ভাবি, সবাইকে নিয়ে, সব কিছু নিয়ে।
      বিশুদ্ধ নীলাকাশের স্বপ্ন যেন স্বপ্নেই না থাকে, তা-ও চাই।
      আপনিও ভাল থাকবেন, ভাই।

    1. অনেক ধন্যবাদ।
      একটু বলি, সিরিজ লেখার ফাঁকে ফাঁকে অন্য লেখা ও দিয়েন, এজন্য বলছি, যেহেতু পড়িনি, এতগুলো পড়াও হচ্ছে না।
      তবে এর পর দেখবেন ঠিক ঠাক প্রথম থেকেই ধড়ে ফেলব।
      নিরাপদে থাকুন।

  3. সেদিন সন্ধ্যায় একজন আমাকে বললো
    এই যে আমার উপর ধূসর নীলাকাশ দেখছো
    বলতে পারো ঐ আকাশটা কার?
    আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম! কার?
    উনি বললেন তোমার, তোমার নিজের আকাশ
    তুমি ইচ্ছে মতো উড়তে পারো,বিচরণ করতে পারো ঐ আকাশে। নিঃশ্বাস নিতে পারো প্রাণভরে

    আমি সেদিন বলেছিল আকাশ কালো নিজের একার হয় নাকি? যত্তসব অর্থহীন বাক্যালাপ

    আজ আপনার কবিতা পড়ে মনে হচ্ছে নেহাত ই অর্থহীন ছিলো না সে বাক্য

    1. আসলে প্রকৃতিকে কে কতটুকু আপনার করে নিত পারবে, কতটুকু আপনার হবে সে এক কঠিন হিসেব।
      তবে হৃদয়ের প্রশস্ততা খুব জরুরী।
      ভাল থাকবেন নিজ মনে।

  4. বহমান পাতাদের ছায়ায় দাঁড়িয়ে
    ভেবেছি/ভাবছি, ঐ নীলাকাশ পুরোটাই আমার;”

    ভালো থাকুন নিরাপদ থাকুন শুভ কামনাদাদা 🌹🌹

      1. হাহাহা, আরে ওসব কিছু না। তার সব লেখাই লেখা। তবে এটা মাথার উপ্রে দিয়ে যায়নি। ডাইরেক্ট চোখে মুখে ঝাপটা দিয়েছে। তাই বললাম 😀😀

  5. আজ আপনার কবিতা পড়ার সময় ভাবনা এলো, এতো সুন্দর সুন্দর কবিতা আপনারা লেখেন কেন আমি বুঝিনা। এই কবিতার মতোই আমার কাছে আরো একটা জটিল জিনিস হলো যায়গা জমির কাগজ বুঝা। মানুষ কিভাবে এসব বুঝে তা আমার মাথায় কোনতেই ঢোকাতে পারি না

  6. ডানা ম্যালা শঙ্খচিল, পাহাড়বাড়ী,
    স্বপ্নের তলদেশে বিচূর্ণ দেয়াল,
    বিস্মৃতিতে ফেলে রাখা ফেলে দেওয়া
    কল্পকাহিনীর মত কিছু অর্থহীন দোলাচাল,
    লিখে-টিখে ফেলে রাখা কিছু যতি চিহ্ন,
    চিরন্তন মধ্যাহ্নের জ্বল-ছায়ায় ফেলে রাখা
    সময়ের চকিত হৃদস্পন্দনের রেখাচিহ্ন;

    এই অকালে এমন কঠিন শব্দে মাথাডা গুরান্টি দিয়ে উঠলো কুবিরাজ ভাইজান।

    1. দেরি কেন, বারান্দায় দাঁড়িয়ে সামান্য উঁকিঝুঁকি চালু করুন,
      তবে অন্য কোন দিকে নয়, ঊর্ধ্মুখি হয়ে।
      নিরাপদে থাকতে হবে।

মন্তব্য করুন