পরীদের ধানসিঁড়িতে

 

হঠাৎ খুলে যাওয়া স্বর্গদ্বার থেকে
হেমন্ত-পরীরা বেড়িয়ে আসছে,দলবেঁধে,
বিলম্বিত লয়ে নূপুর-তালের আলতো পায়ে,
আনন্দ-শিহরণের ধানসিঁড়িটির তীরে;
কুয়াশা-প্রতিম শব্দ-শূন্যের এই সিক্ত প্রভাতে
পুষ্পক রথ হেলায় ঠেলে ফেলে;

মিলন-যুদ্ধ নয়, প্রাণের মিলন-মেলা,
অপলক নেত্রে শুধুই তাকিয়ে থাকা/চেয়ে থাকা,
ভাষাতীত আকস্মিক উন্মাতাল অনুভবে;

উধাও আচানক শহুরে কাব্যিক মায়াজাল
অভিবাসী চোখ শুমারি ভুলে সশব্দ-স্থবিরতায়
স্মৃতির-সূচকে কবিতায় শুধুই ভাবে, হেমন্ত-পরীদের কথা;

মোট পড়েছেনঃ ৮৪৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

      1. আপনাকে ও ধন্যবাদ।
        আপনাকে একটি আগাম খবর দিচ্ছি।
        মন্তব্য ছবি দেয়া বন্ধ করতে হবে সবার। ব্লগের সমস্যা শুরু হবে।
        অনেক স্পেস চলে যাচ্ছে। লোড নেয়ার সীমাবদ্ধতা আছে, ব্লগের।
        একটি অনেক বড় লেখা থেকে একটি মাত্র ফুল অনেক জায়গা নিয়ে নেয়।
        লিখুন যা বলতে চান। আমরা তো আমরাই এখানে। আমি আপনাকেই আগাম জানালাম।
        অন্যরাও জানবে।

  1. আপনার লেখায় বারবার দেখছি একেক রুপে ধানসিঁড়িকে…… “উধাও আচানক শহুরে কাব্যিক মায়াজাল অভিবাসী চোখ শুমারী ভুলে
    সশব্দ স্থবিরতায়, স্মৃতীর সূচকে কবিতায় শুধুই ভাবে হেমন্তপরীদের কথা।
    একেকটা লেখায় আপনার দেখানো ঋতু বৈচিত্রের এক মোহময় বর্ননা দেখতে পাই।
    এক কথায়….. আপনি সত্যিই মহারাজ।

    1. কিছুই লিখতে পারিনা/পারিনি।
      মুর্খরাজ বলুন, আমার শুনতে ভাল লাগবে।
      মানুষের মন এই প্রকৃতির মতন। আমাদের কে আমরা যে যেটুকু যেমন করে দেখতে পাই।
      প্রকৃতি আমাদের সহায়ক শক্তি।
      ভাল থাকুন, আর-ও ভাল লিখুন।

  2. সোনেলায় আজ তারাঁর মেলা। অসংখ্য লেখক পাঠক ভক্তের পদ চারণে সোনেলা আজ মুখরিত। হেমন্তের পুরো হাওয়া যেন লেখেছে সোনেলার ব্লগার গায়।খুব সুন্দর কবিতা। যতটুকু বুঝলাম ততটুকুই কইলাম।

  3. ডাইনিদের কবল থেকে ধানঁসিড়ি মুক্তি পেয়ে গেলো নাকি মহারাজ?
    হঠাৎ পরীরা সব দলবেঁধে ধরা দিতে আসছে কেন? রহস্য কি?

    1. না মুক্তি পায়নি, ডাইনি আর পরী একই শ্রেণী ভুক্ত, বাইরে থেকে আলাদা,
      ভেতরে সবাই সমান। হেমন্তে একটু রূপ পাল্টে ঢং/ভং করে আরকি!

  4. হেমন্ত পরীরা আসলে শহুরে কোলাহল মিটিয়ে যায়ই যায়। লেখা পড়ে মনে হচ্ছে হেমন্ত বুঝি এমনই।

    কবিতায় আজ হেমন্ত প্রেম দেখলাম মহারাজ।

মন্তব্য করুন