নিষেধের বাঁধা ভেঙ্গে

 

নিষেধের বেড়াজালে আকণ্ঠ ডুবিয়ে
হাঁসফাঁসের এ ক্ষয়িষ্ণু জীবন,
জানলার খড়খড়িটুকুও হুকুমের দাস
অন্ধকার-বন্ধ কুঠুরিতে আলো-আধারের
হিসেব-হীনতায় টেনে টেনে এই একটু নিঃশ্বাস;

ফেঁসে যাওয়া এই স্তব্ধতায় বুকের মাঝে
ছলছলানি অবিরাম দোল খায়/দোল দেয়।
বাঁধা ছকে বাঁক খেতে খেতে কখন যে কে ফাঁসিয়ে দিয়েছে
বৃষ্টি-জলে-ভাসা চোখে চোখ লুকিয়ে কে জানে!

অকস্মাৎ খুলে যায় বন্ধ খাঁচা,
অচেনা এক ঢেউয়ে, নিষেধের বেড়া ভেঙ্গে/ঠেলে,
সূর্য-স্নানে গা-এলিয়ে আবার কবিতার অবগাহন
সময়ের ভেদ ভেঙ্গে,
মাস্তুলে আজ নীলের পাল, শণ-কেশের।

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. নিষেধের বাঁধা ভেঙে, মন ছুটে যায় বিশুদ্ধ সরবরে। এ মন বাঁধাহীন কাব্যিকতায়।
    মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়া ছাড়া কিছু বলার থাকেনা কবির কবিতায়। এক কথায় অনবদ্য।

    1. চোর বা চুরির অপবাদ যাই দিন, এত্ত দিনে মনে হচ্ছে
      কোথাও উঁকি দিচ্ছে লেখক হওয়ার তুমুল সম্ভবনা।
      অতি দ্রুত পোস্ট দিয়ে নিন্দা-সভা ডাকুন
      এবং কষে মনের সব-সুখ-অসুখ মিটিয়ে নিন্দা-মন্দ করুন।

  2. উড়তে থাকা বিষাদের গাঙচিল জানে
    অক্লান্ত ডানা কোথায় থামাতে হবে….
    অথৈজলে ভেসে চলা সহস্র মাস্তুল ছাড়িয়ে
    খুঁজে ফিরছে অস্থির জল-বন্দি সেই নাবিকের খোঁজ,
    যার বুকের মাঝে লেপ্টে আছে একগাছি চুলের সুবাস..
    থামতে হবে নীল পালের সেই প্রাচীন প্রাচীরে।

    1. সীমাহীনের নীলিমায় উড়তে থাকা গাংচিল
      ঠোঁটে আহার তবুও ক্ষুধার্ত,
      যদি একটু ঠাঁই হয় ব্যর্থতার শূন্য-বৃষ্টিতে
      আরোগ্যের নীল-আকাশে,
      বিশ্বাসের সাদা মেঘর ঢেউ উধাও এখন এখানে।

      1. আপনার/আপনাদের সহি দুয়ার বরকতে সব প্রাপ্তি,
        তবে কুনসুম ফিরলাম আর কবেই বা কোথায় গেছিলাম তা জানতে পারিনি।
        দুয়া চালু রাখুন!

মন্তব্য করুন