নিবের ডগায় বৃষ্টির ফোটা

দাঁতে দাঁত চেপে, খাতার শাদা পৃষ্ঠা তামাশা জুড়ে রাখে,
বিষণ্ণ নয়নে চোখ ফেলে রাখি, কোন কিছুই লেখা হয়ে ওঠে না;
মুস্কিল আসানের ধন্বন্তরি বটিকার খোঁজ পাই না;
অথচ, কী যেন, কিছু একটা যেন লিখতে চাই, পারছি না;
এই তো কালকেও বিশ্রী কিছু একটি লিখেছি এই-ই খানে
ব্যত্যয়হীন ভাবে; লিখেছি যেমন অজস্র পচা, আগেও, এখানে।

অটুট ছটফটানি!! লিখব, লিখব অবশ্যই, কিছু একটা,
লেখা-যাদু আঁটকে পড়েছে! কোন এক সু-গভীর চোরাবালির
নিঘুমের বালিয়াড়িতে!

চিৎকার চেঁচামেচির অনর্গল-হুল ফোটাবো-না,
চেষ্টাপরায়ণতার শিখা জ্বালিয়ে ভাবব,
বৃষ্টি, সে আসবেই, কিছু শীলিত-স্নাত লেখা-ফুল নিয়েই।
নিবের ডগায় লেখাগুলো ঝুলে আছে ফোটা ফোটা বৃষ্টির মত।

মোট পড়েছেনঃ ৮৩৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. নিবের ডগা থেকে ঝেড়ে ফেলুন অতি শিগ্রীই। খুব সহজিয়া কালির আঁচড়ে একেকটা শব্দ খসে পড়ুক আনবিক শক্তি’র যোগ্যতা নিয়ে। খুব প্রয়োজন এখন। শুদ্ধ বৃষ্টিতে ধুয়ে যাক সকল পঙ্কিলতা।

    1. কালির আঁচড় মাকড়ের হেঁটে যাওয়া বের না হয়ে আসে, সেটাই ভাবনার বিষয়!!
      ধুয়ে মুছে সাফ হয়েই যাবে বৃষ্টির তোরে।
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

    1. বাপ্রে!!
      ফট করে লিখে ফেলা!
      সে তো হিমালয়-লেখক/কবিদের কাজ,
      অলেখক/কবি যদি বা পচা কিছু লিখে ফেলে
      ভুলে ভরা, ভুল ক্রমে,
      কবিগণ সে লেখা পড়ে/দেখে রাগে হবেন কাই
      ছুড়ে দিতে পারেন ইট-পাথর,
      জীবন বাঁচাতে নিতে হতে পারে পাহাড়-ঠাই।

  2. চিৎকার চেঁচামেচির অনর্গল-হুল ফোটাবো-না,
    চেষ্টাপরায়ণতার শিখা জ্বালিয়ে ভাবব,
    বৃষ্টি, সে আসবেই, কিছু শীলিত-স্নাত লেখা-ফুল নিয়েই।
    নিবের ডগায় লেখাগুলো ঝুলে আছে ফোটা ফোটা বৃষ্টির মত।

    সেই আশায় বাচি।
    সুন্দর লেখা।

  3. কি যেন একটা রয়ে যায়
    অথবা পরে থাকে ঝড়া পাতার মতো,
    ফোঁটা ফোঁটা কালির জলে জমে থাকে
    নিবের কান্না হয়ে।
    ঝড়া পাতার গায়ে লেখা হয়না ঝড়ে যাওয়া
    গল্পের পান্ডুলিপি,
    লেখা গুলো আটকে গেছে নিবের অসমর্থ অলসতায়…

    1. অ-দেখা অ-লেখা শব্দ-পাণ্ডুলিপি
      অলসতার খোলস ভেঙে
      ছড়িয়ে জড়িয়ে যাবে পিঙ্গল আকাশ জুড়ে
      হাসির ফোয়ারা ছুটিয়ে নেচে , একটু পরেই;
      ঝরা-পাতার কোলাহল থামিয়ে।

মন্তব্য করুন