ডাক্তার বউ

12688018_485813384956409_6294724339273862568_n
দৃশ্য-১:
বেশ নার্ভাস হয়ে আমাদের ব্লগার সজীব ভাইয়া বাসর ঘরে প্রবেশ করলেন। সম্পূর্ন অপরিচিত আর সুন্দরী বউকে দেখে সবকিছু তার উল্টাপাল্টা লাগতে শুরু করলো। পাশে রাখা গ্লাস থেকে ঢকঢক করে পানি খেতে শুরু করার সাথে সাথে রিনিঝিনি কন্ঠে নববধু (সুমনা) বলে উঠলো, আরে আরে, এভাবে তাড়াহুড়া করে পানি খাওয়া ঠিক নয়।
“ড্রিংকিং ওয়াটার স্লোলি মিন্ট ইয়োর বডি কুড এবজর্ব ইট মোর ইজিলি। এপারেন্টলি, ইফ ইউ ড্রিংক ইট অল ঠু ফাস্ট, ইয়োর বডি উইল যাস্ট ওয়ান্ট টু পি ইট অল আউট মোর কুইকলি”
চকচকে উৎফুল্ল চোখে আনন্দের ছটা নিয়ে সজু তাকালো তার নববধুর দিকে, আর মনে মনে ভাবলো, ইশ না জানি কি পুণ্যের ফলে এমন জ্ঞানী ডাক্তার একজন বউ পেয়েছে সে। নার্ভাসনেস কেটে গেলে সে বললো, চলো আজ আমরা সারারাত গল্প করি। বউ বলে উঠলো, কি যে বলছো তুমি? তুমি কি জানো না? “আর্লি টু বেড এন্ড আর্লি টু রাইজ মেকস এ ম্যান হেলদি?” চলো ঘুমিয়ে পরি।
🙁

দৃশ্য-২:
-একি এ- কি করছো? এই রোদ্দুরে রিকসার হুঠ ফেলে দিচ্ছ!!
=বাহ, পাশে সুন্দরী নতুন বউ নিয়ে যাচ্ছি, সবাইকে একটু দেখিয়ে দেখিয়ে যেতে হবেনা?
-আর ইউ ম্যাড? ইউ নো, “ঠু মাচ ইউভি এক্সপোজার ফ্রম দ্যা সান ইজ মেজর কজ অফ সানবার্ন, প্রিমেচিউর এজিং, আই ড্যামেজ এন্ড স্কিন ড্যামেজ লিডিং টু স্কিন ক্যানসার?”
=ও 🙁
12688188_485813404956407_174841860730975188_n

দৃশ্য-৩:
=কি সুন্দর একটা সন্ধ্যা তাইনা? পার্ক টাও আজ খুব শান্ত, শীতল। তোমার হাতটা একটু ধরি?
-আচ্ছা ধরো।একি তোমার তো দেখি জ্বর।
=না, না ও এমনি।
-কি বলছো ? জ্বরের কি বোঝ তুমি?
“এ ফিভার (অলসো টার্মড এজ পাইরেক্সিয়া) ইজ এ হাইয়ার দেন ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট বডি টেম্পারেচার। ফিভার ইউজুয়ালি অকারস ইন রেসপন্স টু এন ইনফেকশান এজ উইথ দ্যা ফ্লু ভাইরাস অর উইথ ইনফ্লামেশন দ্যাট অকার্স উইথ টিস্যু ইঞ্জুরি অর ডিজিজ।” ইউ নিড সাম ইনভেস্টিগেশন। এক্ষুনি চলো।
সজু ভাইয়া তখন মনে মনে ( পুরুষের শরীরের উত্তাপের তুমি কি জানো হে নারী!! )

দৃশ্য-৪:
-এই সোনেলা ব্লগে তুমি এইসব কি লিখেছো? প্রচন্ড ক্ষুধায় স্ত্রীকে কেটে খেয়ে ফেলা যাবে মানে? আর হার্টের ইমো কেন দিবা? তোমার হার্টে জীবানু দেখা দিয়েছে? তুমি জানো জীবানু হলে কি হয়? এটাকে বলে ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস।
“ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস ইজ ডিফাইন্ড এজ এন ইনফেকশান অফ দ্যা এন্ডোকার্ডিয়াল সারফেস অফ দ্যা হার্ট। ইফ লেফট আনট্রিটেড, ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস ইজ জেনারেলি ফেটাল।” চলো এক্ষুনি কার্ডিওলজিস্ট এর কাছে।
=না না, হৃদয়ে কোন জীবানু টিবানু হয়নি, আসলে আমার মনের মধ্যে জীবানু দেখা দিয়েছে।
-কি বলছো তুমি এসব? এতো একজন মানসিক রোগীর কথা। আর এসব কি লিখেছ, স্বপ্ন তৈরি করতে হবে মানে? স্বপ্ন তো দেখার জিনিস। আমি নিশ্চিত তোমার একজন সাইক্রিয়াটিস্ট এর সাথে দেখা করা উচিত। চলো এক্ষুনি বুকিং দেব।
=নাআআআআআআআআআ। পৃথিবীর কোন সাইক্রিয়াটিস্ট আমার কিচ্ছু করতে পারবেনা। একমাত্র তুমিই পারো আমাকে বাঁচাতে। আমার ডাক্তার বউ বিয়ের শখ মিটে গেছে। প্লিজ আমাকে এন্টি ডাক্তার ভ্যাক্সিনেশন এর ব্যবস্থা করে দাও, প্লিইইইইজ ;(

মোট পড়েছেনঃ ৩,০৫৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৭টি মন্তব্য

      1. সজু স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় ব্যস্ত মনে হয়। 😀
        বিনা পয়সায় পরামর্শ সবার জন্য বরাদ্দ নহে, আপনার জন্যে তো নহেই।

  1. রাত্রি, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা সব বরবাদ করে দিবে এই ডাক্তার বৌ
    আহারে সজুর জন্য মায়া লাগছে
    সুমনা নামের বৌ এর মন এমন সু !!!

    রম্যতেও আপনি সেরা -{@

      1. আহহারে বেচ্রা সজু!
        পুলাডায় একেকবার বিয়া কর্তে চায় আর বেকডি মিল্যা এম্নে পিছে লাগে। :@
        শুন্যাপু যে হারে ডার্লিং কয় তাইতে তো বিয়ার পাত্রী এম্নিই ভাগপে তায় আবার এইসব? বউ আর জীবনে পাইছে সজু! 🙁

      2. 😮 এইডা কি কইলেন আপু? আমি ডার্লিং কইয়া সজুর আরো দাম বাড়াইতাছি। আপনি চিনেমা দেখেন না? তৃতীয় পক্ষের আগমন হইলেই পেরেম বাইড়া যায়। ভালা করতে নাই কারো, কি দুইন্যা আইলো। পাত্রী খুইজ্জা দিলাম এত্তগুলা, ভালা পরামর্শ দিয়া একটা পোস্টু দিলাম, তাও কেউ বুঝলোনা।
        ভাই সজু তুমি এরপর একলা একলাই বিয়া কইরো, যত্তগুলা পাইরো কইরো। পারলে সার্জন বিয়া কইরো। অল দ্যা বেস্ট।

      3. চিনেমা তো কত্তই দেখলাম গো শুন্যাপু! ডার্লিং কইয়া সজুর ভাও বাড়াইতাছেন নাকি রথ দেখতে গিয়া কলা বেচার মত কিছু হইতাছে তা লইয়া আমি গিট্টুর মধ্যে আছি। 😀
        অবশ্য বেশিরভাগ চিনেমায় দেহায় ভাও বাড়াইতে গিয়া তৃতীয় পক্ষ আইসা নিজেই আছাড়িপিছাড়ি খাইয়া একাকার কইরা ফেলায়। :D)
        কলা বেইচ্যা ক্রেতাগোরে কইয়েন কলার খোসা য্যান দূরে গিয়া ফেলায়। 😀
        সার্জন মাইয়ারা বুঝি প্রেম কইরা কারো বউ হয়না? :p
        কেউ সার্জন হইলেই কি তার হাত পা জিভের জায়গায় ছুরি কাঁচি লেগে যায় শুন্যাপু? :p
        কত্ত মায়াবতী প্রেমবতী সার্জন দেখলুম! সজুও এমন কোন মাইয়ারে নিয়া আসপে, হুহ্!

        সজু তুমি এগিয়ে যাও
        আমরা আছি তুমার পিছে।
        😀

      4. আমি তো কোনদিন রথই দেখিনাই 😮 আর কলার মত এত্তো যা তা ফল বেঁচুম আমি?
        আছাড়িপিছাড়ি খাইলে আমার তেনার ঘাড়ে গিয়া খামু, সজু তো বাচ্চা পোলা। রহিম রূপবান হইতারুম নাগো নন্দিনী আপু।
        কলার খোসার জন্য বিনের ব্যবস্থা রাখুম, তয় রখে কিন্তু ম্যালা ভীড় আপু, দেইখ্যেন ধাক্কা ধুক্কায় পইড়া না পা ভাঙ্গে। 🙂
        জিভের আগায় ছুরি কাঁচি? 😀 আমার তো এখন ছুরি কাঁচি নেয়া মাইয়া খুঁজতে মন চাইতাছে সজুর লাইগ্যা।
        সজু বাই জলদি বিয়া করো, নইলে তুমার পিছনে কিন্তুক মানুষ লাগছে 😀

  2. সজীব ভাইয়ার এ কি অবস্থা! ডাক্তার বউ এমন খুতখুতে হলে ভাইয়ার জীবনই তো বরবাদ হয়ে যাবে। ভাগ্য ভাল ডাক্তার বৌ সজীব ভাইয়ার তোমার জন্য রাত্রি পোস্ট পড়েন নি। দুশ্চিন্তা হচ্ছে ভাইয়ার জন্য।
    আপু লেখায় ৫ তারকা 🙂

    1. দুশ্চিন্তার কি আছে, এইবার নন্দিনী আপুর রসায়নের পাত্রী এক বাক্যে রাজি হয়ে যাবে সজু। 😀
      আর দুইডা বেশি দেন দেখি।

  3. হাহাহা… প্রি ম্যারেজ এগ্রিমেন্ট না করলে অবস্থা ভয়াবহ!! মধ্যরাতে আবেগী মুহূর্তের সময় বউয়ের যদি হাসপাতাল থেকে ইমারজেন্সি ফোন আসে তখন বেচারার মনের অবস্থা কি হবে তা জানার কৌতূহল বোধ করছি।

  4. ভয়ংকর অবস্থা। এতো দেখছি ৫০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত। আপু এসব কি শুনালেন, ডাক্তার বৌর সামনে তো কিছুই করা যাবেনা 🙁 আমাকে পাগল বানিয়ে শিকল দিয়ে হাত পা বেধে রাখবে নাকি? বাসর রাতেই ঘুম? 🙁 রাত জাগা যাবেনা? রিক্সার হুড খুলে চলা যাবেনা? জীবনই তো নিরামিশ বানিয়ে ফেলবে 🙁

      1. জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন, আপু আপনিও তো ডাক্তার, তবে কি……… :p
        আপু প্রথম ফটোর ডাক্তারনীর রূপ দেখে আমার পলকই পড়ছেনা। কত্ত সুন্দর হাসি, আর কত্ত সুন্দর চোখ। এমন রূপবতীর হাতে খুন হয়ে গেলেই বা কি 🙂

  5. আপনার দয়ার শরীর তাই সজীব এ যাত্রা বেঁচে গেল।

    এ ক্ষেত্রেও আপনার লেখনি অসাধারণ,
    লেখাপড়া ভালো চলছে তা বুঝতে পারছি।

    1. পড়া ভালোভাবে কেমন করে চলবে? আপনার লেখা তো নাই। আপনি এসে গেছেন, এবার হবে।
      সজীব বাঁচলো না আরো ডুবলো কওনা যায়না।

      1. একটু সুবৃহত লেখা নিয়ে আঁটকে আছি, আজ শেষ করব বলে পণ করেছি।
        কিলবিল করছে অন্য লেখাগুলো,
        অবশ্যই লিখব,
        লেখাপড়ায় নো ফাঁকি, মনে থাকে যেন,
        যেতে হবে দূর, বহু দূর একাকী। ছায়া সঙ্গী আমরাও।

      1. পিছলাইয়া পড়লে কোন বাঁচন নাই। আমিতো কই বিয়াই দিয়েন না 🙁
        দিমু নাকি বিয়ে না করার উপকারিতা দিয়া পোস্ট ? 🙂
        নতুন লেখা কই ভাইয়া? আর ফ্রান্সিস্কোর পর্ব ৫ গেলো কই?

  6. হায়রে ভাভু বাইয়ারে তুমি এমন ডর ক্যান দেখাইলা শুন্য আপু? এইসব ঠিক না।
    কই আইজ ভুলু দিবস(ভ্যালেন্টাইন দিবস)নতূন কইরা স্বপ্ন দেখা শুরু করতে বোধ হয় গেছিলো ভাভু বাইয়া, সেটার তো মাথায় বারি।
    ভাভু বাইয়া শোনো ডাক্তার না আপনি উকিল-ব্যারিষ্টার খোঁজেন। সবদিকে শান্তি। 😀

    এবার আসি শুন্য আপু তোমার লেখায়। এই মেয়ে পেয়েছো কি? সাহিত্যের সব ভাগে যদি এভাবে করায়ত্ত্ব করে নাও, আমাদের কি হবে? ;(
    রম্যতেও সেরা, হিংসায় আমার হিংস্রিফেলাইটুস রোগ হয়ে গেলে কে দেবে ঔষধ? ;?

    1. আমিতো ভাভু বাইয়ার উপকার করলাম নীলাপু, কিন্তু তুমি উকিল-ব্যারিষ্টার কইয়া তার জিন্দেগী দেখি ভুনা ভুনা করবার চাও, সারাজীবন জেরা করতে করতে শেষ।
      ধুরু এইগুলা দুস্টুমি, লেখা না।
      ও নীলাপু, তুমি এত কম আসো কেনু? মিস করিতো 🙁 কম কম আইসা বুঝি নতুন নতুন রোগ আবিষ্কার করতাছ?

      1. আপু গো সেলফোন দিয়ে ফেসবুকে যেতে পারি, জানিনা সোনেলায় কেন লগইন করতেই পারিনা। আর ল্যাপুতে বেশীক্ষণ বসলে অনেক ব্যথা হয়। তুমি বুঝবে ব্যাপারটা। সেলফোনে আসতে পারলে দিন-রাত থাকতাম। তবে লেখা সবারই পড়ি, সময় আমার তো এভাবেই যায়।

        দুষ্টুমী সবসময় করো কিন্তু। হাসির বিকল্প কিছু নেই।
        আর হ্যা এই রোগের নাম শোনোনি? এটা একটা কথা হলো? ওহ শোনো প্রেমে পড়েছি। তাও হাড্ডি ভাঙ্গা ডাক্তারের। সামনের মাসে ভাবছি প্রপোজ করেই ফেলবো। তবে মনে হয় আমাকে সে নিজেই প্রপোজ করবে। শরমের ইমো হবে, বিকল্প ইমো :p

      2. আচ্ছা পড়লেই হবে, যখন ল্যাপিতে আসতে পারবে এসো, সমস্যা নেই। সেল দিয়ে আসতে পারোনা কেন এটা বুঝিনি, তোমার স্যামসাং না? আমারও তাই। আমিতো বেশি ওটা দিয়েই আসি। সে যাই হোক, পারবে যেদিন সেদিন আসলেই হবে।
        হ্যাঁ আপু, হাসির বিকল্প কিছু নেই। তাইতো তোমাদের সাথে আড্ডা মিস করি, আনন্দগুলো মিস করি।
        নাতো শুনিনি এই রোগের নাম। কোন ভাইরাসে ছড়ায়? নীলা? আমাকে একজন অবশ্য সেদিন একজন বলেছে আমি ভূয়া ডাক্তার 🙂
        হাড্ডি ভাঙ্গা ডাক্তার বলছো ক্যান গো, বলো হাড্ডি জোড়া দেয়ার ডাক্তার। এখনো দাওনি প্রপোজ? এত বিলম্ব কি তোমারে মানায়? অবশ্য প্রপোজ পাইতেই বেশি মজা। শরমের আবার বিকল্প ইমোও আছে নাকি? 😉

      3. নাহ তুমি অনেক ভালো ডাক্তার। তা নইলে “নীলা” ভাইরাস এমন রোগ ছড়ায়, জানতেই না। যাক নিশ্চিন্ত। এবারে অন্য কোনো অসুখ হলে তোমার কাছেই দে-ছুট।
        ও আপু এটা কি বললে? আমি কি শুধুই প্রপোজ করি যে এতো দেরী আমায় মানায় না? 🙁
        জীবনে কাউরে প্রপোজ করার সুযোগই পেলাম না। কতো ইচ্ছা ছিলো! কিন্তু আমি সিওর এইবার আমি সেটা পারবো। :p

        আজ শুভ বসন্ত…ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় কিছু কি কাউকে দান করেছো? করে না থাকলে করে ফেলো এখুনি। -{@ (3

      4. প্রপোজ করোনাই, এইজন্যেই তো দেরী মানায় না 🙂 তোমার মত একটা জ্বালানীর জ্বালানোর এমন মক্ষন সুযোগ কি ছাড়া ঠিক? তারপর আপডেট কই?
        যা দান করার করে ফেলেছি, কিছুই আর নাইগো আপু 🙁

  7. বাহ আজ এতদিন পর প্রশান্তি পেলাম। এতদিন যারে প্রতারক বলতাম আজ থেকে তাকে মুক্তি দাতা নামেই না হয় ডাকবো! ভাগ্যিস বিয়ে টিয়ে করে ফেলি নাই ডাক্তারের এক সময়ের অনুরোধে পড়ে! তবে ডাক্তার,কুমারী-রাজকুমারী,ব্যাংকার,কবি সবচেয়ে বড় ব্যাপার ভাল মানুষ পাওয়া।

    1. ভাগ্যিস? 🙂
      আমিও কিন্তু ডাক্তার 🙂
      হুম, বড় মনের মানুষ পাওয়াটাই বড় ব্যাপার, সজু ভাইয়া তা পাবেন আশা করি। অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে। ধন্যবাদ তানজির।

      1. ভাল, বড় মন, সততা এগুলোই মানুষ করে আমাদেরকে।

        ছোট্ট বাড়িতে ছয় ডাক্তার, আর ডাক্তার দিয়ে ভাত রান্না করাতে চাই না আপা! এবার না হয় নিজেই শিখে নিব!! তাতে ভাত যতই পুড়ুক!

      2. আহা তানজির কি শোনালেন? আপনার মত সবাই হলে, ভাত তরকারী দুজন শেয়ার করেই রান্না করতো। ডাক্তার নিজের জন্য রান্না করতে পারলে, বাকি সবার জন্যেও করবে, ব্যাপারটা জটিল না। খাওয়াদাওয়া টা না হলেই বা কি ছিলো? 🙁

  8. হায় হায় হায়। কি করেছেন আপনি!
    সজীবতো ভালো, এখনতো ডাক্তারদেরই বিয়ে নিয়ে টানাটানি হবে!!

    বেশ লিখেছেন! শুভেচ্ছা!!

    1. হবেনা টানাটানি, কারন বিয়ের গুনাগুন জেনেও সবাই বিয়ে নিয়েই টানাটানি করে 🙂
      কেমন আছেন ভাউ? আপনাকেও শুভেচ্ছা। -{@

  9. সবই বুঝি।

    ফ্রীতে ডাক্তারি কিছু জ্ঞান পাইলাম। তয় এটাও ভাবছি যে বিয়া করলে ডাক্তারি বউ দেইখ্যা করতে হবে। এত কেয়ার!
    আহা! পুরাই বসন্ত বাতাস :p

  10. ছোট্ট ভাইয়াটা এখনো দিল্লীর লাড্ডু খেতে পারলনা তার আগেই তুমি এমন ভয় ধরিয়ে দিলে 😀 |
    আহারে এমন বড় বোন থাকলে ভাইয়ের আর চিন্তা কি!
    নাহ সজীব ভাইয়া এই জীবনে আর শশুরবাড়ি যাবেনা 🙁

    1. তুমি তো জানোনা মায়াপু, এই সজীব বাইয়া তার বড় বোনের বিয়ের বারোটা বাজায় দিয়েছিল, তাই আপুর হয়ে আমি বদলা নিচ্ছি। 🙂
      এ কালের পোলাদের তুমি চেনো? সে নাকি ডাক্তারই বিয়ে করবে, মাইয়াটার হাসি পছন্দ করছে সে।
      আমি থাকতে কাউরে কোন চিন্তা করতে দিমুনা 😀

মন্তব্য করুন