জলে ভাসা পদ্য

 

এই খর চৈত্রে
কোন্ খেলা খেলতে, খেলিয়ে নিতে ভারি মজা!
হাজার-বিজার খেলে দেয়া খেলায়;
ঢিশুম্-ঢাশুম, ফুটবল, ক্রিকেট, টেনিস, টেবিল টেনিস
ছি-বুড়ি, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা, এক্কা দোক্কা,
আর-ও কতশত কত কী, জানা অজানা;

সব থেকে সহজ, পড়া-পড়া খেলা;
নিবিষ্ট নিবিড় নিঝুমে, চৈত্রের কোকিল দুপুরে
একাকী রাত্রির নিশুম গভীরে;

চাঁদ/কাক জ্যোৎস্নায় শুদ্ধ/অশুদ্ধ গদ্য/পদ্য ছাইভস্ম
তৃষিত হৃদয়ে, আকণ্ঠ জলে ডুবে/ভেসে
হিক্কা তুলে, গপ-গপ থপ-থপ করে
দু’কলম দাগিয়ে দিতে হবে, খেলে খেলে,
খেলতে খেলতে, খেলার ভান করে, ভান ধরে,
শাসিয়ে-কাঁদিয়ে-নাচিয়ে, জিপসি ভাব নিয়ে;
তবে লিখতে হবে সোনার কালিতে
জলে-ভাসা পদ্ম-পদ্যে।

কাঁপতে কাঁপতে ভাবি, নিথর মনে,
পোড়ামুখো হদ্দ-পাজি গৌরি সেন
কোথায় লুকিয়ে এখন?
বস্তা খানেক পড়া-লেখা ফিক্কা দেয় না কেন?
কেন? কেন?
একাকার সৃষ্টির দোলাচলে!! দগ্ধ হৃদয়ে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১,৪১৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. প্রথম হলাম। বিজার মানে বুঝিনি ভাইয়া। পড়া পড়া খেলা আসলেই মজা। যখন তখন খেলা যায়‌। অনেক গুলো খেলার নাম মনে করিয়ে দিলেন। ধন্যবাদ আপনাকে। ইদানিং লেখা হচ্ছে না আমারও। কিযে একটা অবস্থা, দম বন্ধ হয়ে আসে লিখতে না পেরে। আমারে একটু ফুঁ দিয়ে দিয়েন যেন লিখতে পারি। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা অবিরাম

    1. আপনি অবশ্যই লিখতে পারবেন, ব্যাপার না।
      আপনি জানেন রাইটার’ছ ব্লগ বলে একটি কথা আছে, ঠিক হয়ে যাবে।
      অন্য একটি উপায় হতে পারে ডায়েরি লিখুন, তবে লেখার মধ্যে থাকতে হবে, যা খুশি লিখে।
      আজকেই শুরু করে দিয়ে দেখতে পারেন।
      বন্যা লিপি ঠিক বলেছে, অনেকটা ধুন-ফুন বলা-টলা এমন করেই হাজার-বিজার
      ভাল থেকে লিখতে শুরু করুন। আর পড়তেও।

  2. খেলিলাম আমিও আপনার এই শব্দের শব্দ/শব্দ খেলায়। চৈত্রের খর গরমে আমিও সাঁতারহীন ডুবে নিলাম একচোট। আরো ডুবতে পারতাম যদি সময় পেতাম আরো একটু,,, বলছিলাম আপনার জ্ঞানের ভান্ডারে আমার নজর সেঁটে গেছে এইবার। আরো কিছুদিন নিশ্চিন্তে থাকতে পারলে কতক সাবাড় করে আসতুম। আপনি খরায় ভূগলে আমরা তো নাই।

    1. আল্লাহর অসীম দয়া, খরা নেই, বান ডাকা দু’কুল উপচে পড়া স্রোত চারপাশে।
      আপনি এ রাজ্যে সব সময় ই স্বাগত।
      চৈত্রের হাঁসফাঁসে একটু মজা নিলাম, পড়ে-লিখে।
      ভাল থাকবেন, নিয়ম করে, নিয়ম মেনে।

  3. কেমনে কি? শব্দ খরায় আপনি? তাহলে, প্রকৃতি কালবৈশাখী ঝড়ে প্রলয় উঠাক। আম কুড়ানোর জন্য হলেও গা ভিজিয়ে নিয়ে। একটু ঠাণ্ডা গরমে কলম চলবে দিগ্বিদিক। দগ্ধ হৃদয়ে এট্টু আবেগ আসুক।

মন্তব্য করুন