গুটানো রোদের আঁচ

 

শরতের এই বৃষ্টি রোদের সাথে আর
সন্ধি হতে ইচ্ছে করে না,
যুদ্ধ!তাও না, এই আঁচে-পোড়া রোদে;

প্রেম!সে-তো বস্তা পচা বাবু খাইছো/খাবা,
ক্ষুধার্ত হৃদয়ের চিৎকার চেচামেচি,
অতি সাহসী প্রেমিক/প্রেমিকার;

মুখবন্ধে যতটা রোদ যতটা বৃষ্টি ঘিরে থাকতো শরৎ,
সে জলজ জলে অনারোগ্যের বালি।

অপরিচিত অনাত্মীয়ের মত শরৎ এখন
সূঁই সুতোর পরিহাস ভালোবাসা,
কৃতিত্ব এই রোদের-বৃষ্টিকেই দিচ্ছি;

এবার বিদেয় হও, ঝুঁকে পড়া নিষ্ক্রান্ততা নিয়ে,
রূপচাঁদার-জাল তুলে, আলস্যের-চাঁদ গুটিয়ে,
আচানক অভিমান করে হলেও;

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. “শরতের এই বৃষ্টি রোদের সাথে আর
    সন্ধি হতে ইচ্ছে করে না,
    যুদ্ধ!তাও না, এই আঁচে-পোড়া রোদে;”
    যুদ্ধ যদি নাইবা করেন
    সন্ধি করা কেন ?
    রোদ বৃষ্টির এই খেলায়
    মিষ্টি থাকে যেন ?
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  2. সত্যিই শরতের এই প্রচণ্ড ভাপসা গরম সূঁচের মতোই বিঁধছে।

    ইদানিং ক্ষুধার্ত হৃদয়ের চিৎকার চেঁচামেচি শোনা যাচ্ছে বৈকি। হঠাৎ কবি সাহসী হয়েছে উঠেছে দেখছি

  3. আমি শব্দ পড়ি
    শব্দ গিলি।
    শরতের আক্শ খুঁজি
    পাই শুধু পোড়া রোদের আঁচখানি।আবার যখন তখন ঝাঁপিয়ে নামে মেঘ বৃষ্টি। এখন আসলেই শিউলি ফোটা শরত দেখতে দেখতে ইচ্ছে করে।

    মন্তব্য করতেও ভুলে যাচ্ছি ইদানীং। কি লিখতে কি লিখছি কে জানে?

    1. অপরিচিত অনাত্মীয়ের মতো আচরণ করছে শরত বাবু, প্রেমটাও কেমন যেন ‘বাবু খাইছো’ মানসিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে তাই এই শরত যেকোনো ভাবেই বিদায় হলেই বাঁচি । ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা নিরন্তর। শুভ রাত্রি

  4. হুহ! এমন ভাব ধরে শরৎকে বিদেয় করছেন, যেন আপনি বিদায় না দিলে সে এখানেই ঘাপটি মেরে মরে পড়ে থাকবে! বাবু/বাবার উপোষী হৃদয়ের হাহাকার আপনি কেম্নে বুঝবেন? ওসব সবাই পারে না, গুণ লাগে,আর চাওয়া খাওয়ার সিস্টেম জানতে হয়।
    ডিজিটাল হোন মহারাজ, শরৎকে হাই বাই দিতে শিখুন। নয়তো হেমন্ত কিন্তু গাল ফুলিয়ে আসবে 😉

    1. একদম সহি অনুভূতি আপনার, আপনি এলেমদার তা বেশ বুঝতে পারছি, এ বিষয়ে ।
      সবার জন্য সব না, সে খুব করে জানতে/বুঝতে পারতেছি।
      আবার হেমন্তের ভয় ও দেখাচ্ছেন !! আগাম।
      দেখি না কী হয়, আসুক হেমন্ত !!
      ধন্যবাদ দিচ্ছি।

  5. শরৎ বাবু খোলা চিঠি দিলাম তোমার কাছে। বিদায় হও। হালকা শীত নামুক। কাঁথা গায় দিয়ে আবার একটু আগামীর স্বপ্ন দেখি।

  6. ফুটছে কাশ ফুল, লাগছে গরম, ঝড়ছে বৃষ্টি, বেশ চমৎকার ব্যতিক্রম্যতা। তাহলে শরতের প্রতি আমরা বিরূপ মন্তব্য করি কেন? অভিনবত্বই ভালো নাকি? (কি বুঝলাম কি মন্তব্য করলাম সেটাই বুঝতে পারলাম না টাইপের ইমো হবে)

  7. চিড়চিড়ে গরমে কাশফুল প্রেম আর সহ্য হচ্ছে না। তবে সন্ধ্যায় যখন উঠোনের শিউলী গাছটা গন্ধ ঢেলে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে, নাহ্… কিছু আশা এখনও সুবাসিত!
    কবিতায় মুগ্ধতা ভাইয়া।

  8. শরৎ সবার জন্য সুভাগ্যের ঋতু নয়।
    তবুও শরৎ ভাবনায় নিজেকে অবগাহন করতে গিয়ে আমরা আশেপাশের কথা ভুলে যাই ক্ষুধার্ত হৃদয়ের চিৎকার চেচামেচি।
    .
    বেশ লিখেছেন, দাদা।

  9. শরতের বিদায়,হেমন্তের আবীর রাঙা আভায় চঞ্চলা মন আগাম স্বাগত জানায়।চলতে চলতে শীতের আগমনী বার্তায়,এক সময় শেষ হয় বসন্তের ছোঁয়ায়। অনেক সুন্দর লিখেন আপনি। মন্তব্য কিছুই হয়না,সেজন্য দুঃখিত।
    আমার তো শেখার পালা চলছে।অনেক ভাল থাকুন,অফুরান শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন